থানার কাছে বাসায় বসে দিনভর পরিকল্পনা, লোক ভাড়া করে রাতে মশালমিছিল। গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছাড়া কর্মীরা ক্ষুব্ধ।
শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশের ত্রাস আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হোসেন আজাদ ওরফে কালাম মোল্লা শান্ত বরিশালকে অশান্ত করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত এই রাজনৈতিক নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিল করানোসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারবিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি শহরের নথুল্লাবাদে তার নির্দেশেই সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মশালমিছিল করে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা। রোববার রাতের সেই মিছিলে ছাত্র-জনতা হামলা চালিয়ে সেখান থেকে ৪ জনকে ধরে পুলিশ সোপর্দ করে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ চিরুনি অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের আরও দুজন নেতাকে গ্রেপ্তার করলেও আলোচিত কালাম মোল্লা রয়েছেন ধরাছোয়ার বাইরে।
বরিশাল সিটির ৩০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কালাম মোল্লার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যাকলাপে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। বিতর্কিত এই ব্যক্তিকে তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব এড়িয়ে চললেও তিনি শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছেন। তবে এসব ঘটনাবলীতে তার কারাগারে যাওয়ার উদাহরণও আছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কালাম মোল্লা একাধিক মামলায় জড়িয়ে পড়ে গ্রেপ্তার এবং জনরোষের ভয়ে নিজেকে কিছুদিন গোপন রেখেছিলেন। কয়েক মাস পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তিনি এলাকায় ফিরে এসে প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করেন এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে তার সুসম্পর্কও দেখা যায়। তাছাড়া পুলিশও তাকে গ্রেপ্তার করতে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় অনেকটা নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন থানাসংলগ্ন বাড়িতে। তবে এই সন্ত্রাসী যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে মহাসড়কে মশালমিছিল করে পুলিশকে দৌড়ের ওপর রাখার মত পরিস্থিতি তৈরি করবে তা অনেকেই অনুমান করতে পারেনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ত্রাসী কালাম মোল্লা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাশিপুর টু রহমতপুর-বাবুগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছেন। মানুষকে জিম্মি করে জমি ক্রয় করাসহ চাঁদাবাজি এবং ধর্ষণের মত গুরুতর অভিযোগ আছে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তারের ভয়ে পালিয়ে গেলেও কয়েক মাস ধরে বিমানবন্দর থানাসংলগ্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ১০/১২ দিন ধরে বাড়িটিতে অধিক মানুষের আনাগোনা দেখা যায়। কিন্তু পার্শ্ববর্তী থানা পুলিশকে সেখানে কখনও হানা দিতে দেখা যায়নি।
সূত্র জানায়, রোববার যেদিন নথুল্লাবাদে আওয়ামী লীগের মশালমিছিল হয়, সেদিন দিনভর কালাম মোল্লা নিজ বাড়িতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৈঠক করেন। এবং সেই বৈঠকে মশালমিছিল করার জন্য তিনি এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ন সার্বিক সহযোগিতাসহ অর্থায়ন করার সিদ্ধান্ত দেন। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে রোববার রাত ১০টার দিকে বরিশাল ফেরি বিভাগের অফিস সম্মুখ থেকে মশালমিছিল বের করা হয়, যেখানে টাকা দিয়ে ভাড়া করে আনা লোকও ছিল।
কালাম মোল্লার এই মশালমিছিলের ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেছেন পলাতক শীর্ষস্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। তবে এই মিছিল দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের রাতের ঘুম হারামও করে দিয়েছে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একাধিক কর্মী অভিযোগ করেন, তাদের নামে রাজনৈতিক মামলা থাকলেও এতদিন নিরাপদে বাসায় ছিলেন। গত রোববার রাতে কালাম মোল্লার নেতৃত্বে মশালমিছিল হওয়ার পরে পুলিশ অনেকের বাসাবাড়িতে একাধিকবার হানা দিয়েছে, এতে নতুন করে গ্রেপ্তার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রোববারের পরে চিরুনি অভিযান চালিয়ে পলাশ এবং হুমায়ন কবির নামের দুই আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করলে আতঙ্ক আরও বৃদ্ধি পায়।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, নথুল্লাবাদে মশালমিছিল করার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে, এতে কালাম মোল্লার নামও রয়েছে। তিনিসহ সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এর আগে একাধিক মামলার আসামি কালাম মোল্লা থানাসংলগ্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, এই ধরনের তথ্য নেই।
এই বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার বিকেলে কালাম মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক সন্ত্রাস কালাম মোল্লা রোববারের ওই ঘটনার পরে ফের আত্মগোপনে চলে গেছেন। এবং সেখান থেকেই তিনি সবকিছুর খোঁজ-খবর রাখছেন। তার ঘনিষ্ট একজন বরিশালটাইমসের কাছে এই তথ্য স্বীকার করে জানান, কালাম মোল্লা নিজের শক্তি জানান দিতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন একটি মোক্ষম সময়ের। সেই সুবর্ণ সুযোগটি গত রোববার রাতে পেয়েই তিনি জনবহুল নথুল্লাবাদে মিছিল করে আলোচনায় এসেছেন, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য পীড়াদায়ক।
আলোচিত এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা। তারা বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা শান্ত বরিশালকে অশান্ত করতে চাইছেন, যা দণ্ডণীয় অপরাধ। তাদের প্রত্যেককে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসা জরুরি।’

২১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০৬
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৫
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
বহু অঘটন পটিয়াসি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) বিতর্কিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। তাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত দেড় বছর বরিশাল সিটি করপোরেশনে থাকাকালে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের নামে রেজাউল বারীর নানা দুর্নীতি তদন্তের দাবি করেছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেন মো. রেজাউল বারী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকার সুযোগে সিইও রেজাউল বারী ছিলেন বিসিসির একচ্ছত্র ক্ষমতাবান কর্মকর্তা। সিটি করপোরেশনে পদোন্নতি, নিয়োগ, কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা এবং ভবনের প্লান অনুমোদনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, রিসোর্ট, প্লান, পদায়ন, নিয়োগ এই সবকিছুতে সিইওকে সহযোগিতা করে আসছেন করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নগরভবনে সব দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়।
বিতর্কিত এই কর্মকর্তার বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু। এই রাজনৈতিক জানান, সিটি করপোরেশনের রিসোর্ট করার জন্য জমি কেনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। উচ্চ আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসক রায়হান কাওসার বিসিসির সিইও রেজাউল বারীকে নিয়ে রিসোর্ট, ভবনের প্লান অনুমোদনে লুটপাট করেছেন। তিনি বলেন, বিসিসি জনগণের টাকায় বিলাসী রিসোর্ট করবে, এটা মানা যায় না। এসবের তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
বদলি আদশের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলছেন, প্রশাসক যখন তাকে ছাড়বেন, তিনি তখনই বিদায় নেবেন। করপোরেশনের পক্ষ থেকে কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা, প্ল্যান অনুমোদনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালটটাইমসকে বলেন, সিইও স্যার বদলি হয়েছেন, এমন একটি খবর শুনেছি।’
বহু অঘটন পটিয়াসি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) বিতর্কিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। তাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত দেড় বছর বরিশাল সিটি করপোরেশনে থাকাকালে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের নামে রেজাউল বারীর নানা দুর্নীতি তদন্তের দাবি করেছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেন মো. রেজাউল বারী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকার সুযোগে সিইও রেজাউল বারী ছিলেন বিসিসির একচ্ছত্র ক্ষমতাবান কর্মকর্তা। সিটি করপোরেশনে পদোন্নতি, নিয়োগ, কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা এবং ভবনের প্লান অনুমোদনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, রিসোর্ট, প্লান, পদায়ন, নিয়োগ এই সবকিছুতে সিইওকে সহযোগিতা করে আসছেন করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নগরভবনে সব দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়।
বিতর্কিত এই কর্মকর্তার বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু। এই রাজনৈতিক জানান, সিটি করপোরেশনের রিসোর্ট করার জন্য জমি কেনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। উচ্চ আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসক রায়হান কাওসার বিসিসির সিইও রেজাউল বারীকে নিয়ে রিসোর্ট, ভবনের প্লান অনুমোদনে লুটপাট করেছেন। তিনি বলেন, বিসিসি জনগণের টাকায় বিলাসী রিসোর্ট করবে, এটা মানা যায় না। এসবের তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
বদলি আদশের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলছেন, প্রশাসক যখন তাকে ছাড়বেন, তিনি তখনই বিদায় নেবেন। করপোরেশনের পক্ষ থেকে কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা, প্ল্যান অনুমোদনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালটটাইমসকে বলেন, সিইও স্যার বদলি হয়েছেন, এমন একটি খবর শুনেছি।’

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
থানার কাছে বাসায় বসে দিনভর পরিকল্পনা, লোক ভাড়া করে রাতে মশালমিছিল। গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছাড়া কর্মীরা ক্ষুব্ধ।
শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশের ত্রাস আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হোসেন আজাদ ওরফে কালাম মোল্লা শান্ত বরিশালকে অশান্ত করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত এই রাজনৈতিক নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিল করানোসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারবিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি শহরের নথুল্লাবাদে তার নির্দেশেই সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মশালমিছিল করে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা। রোববার রাতের সেই মিছিলে ছাত্র-জনতা হামলা চালিয়ে সেখান থেকে ৪ জনকে ধরে পুলিশ সোপর্দ করে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ চিরুনি অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের আরও দুজন নেতাকে গ্রেপ্তার করলেও আলোচিত কালাম মোল্লা রয়েছেন ধরাছোয়ার বাইরে।
বরিশাল সিটির ৩০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কালাম মোল্লার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যাকলাপে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। বিতর্কিত এই ব্যক্তিকে তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব এড়িয়ে চললেও তিনি শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছেন। তবে এসব ঘটনাবলীতে তার কারাগারে যাওয়ার উদাহরণও আছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কালাম মোল্লা একাধিক মামলায় জড়িয়ে পড়ে গ্রেপ্তার এবং জনরোষের ভয়ে নিজেকে কিছুদিন গোপন রেখেছিলেন। কয়েক মাস পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তিনি এলাকায় ফিরে এসে প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করেন এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে তার সুসম্পর্কও দেখা যায়। তাছাড়া পুলিশও তাকে গ্রেপ্তার করতে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় অনেকটা নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন থানাসংলগ্ন বাড়িতে। তবে এই সন্ত্রাসী যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে মহাসড়কে মশালমিছিল করে পুলিশকে দৌড়ের ওপর রাখার মত পরিস্থিতি তৈরি করবে তা অনেকেই অনুমান করতে পারেনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ত্রাসী কালাম মোল্লা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাশিপুর টু রহমতপুর-বাবুগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছেন। মানুষকে জিম্মি করে জমি ক্রয় করাসহ চাঁদাবাজি এবং ধর্ষণের মত গুরুতর অভিযোগ আছে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তারের ভয়ে পালিয়ে গেলেও কয়েক মাস ধরে বিমানবন্দর থানাসংলগ্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ১০/১২ দিন ধরে বাড়িটিতে অধিক মানুষের আনাগোনা দেখা যায়। কিন্তু পার্শ্ববর্তী থানা পুলিশকে সেখানে কখনও হানা দিতে দেখা যায়নি।
সূত্র জানায়, রোববার যেদিন নথুল্লাবাদে আওয়ামী লীগের মশালমিছিল হয়, সেদিন দিনভর কালাম মোল্লা নিজ বাড়িতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৈঠক করেন। এবং সেই বৈঠকে মশালমিছিল করার জন্য তিনি এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ন সার্বিক সহযোগিতাসহ অর্থায়ন করার সিদ্ধান্ত দেন। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে রোববার রাত ১০টার দিকে বরিশাল ফেরি বিভাগের অফিস সম্মুখ থেকে মশালমিছিল বের করা হয়, যেখানে টাকা দিয়ে ভাড়া করে আনা লোকও ছিল।
কালাম মোল্লার এই মশালমিছিলের ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেছেন পলাতক শীর্ষস্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। তবে এই মিছিল দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের রাতের ঘুম হারামও করে দিয়েছে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একাধিক কর্মী অভিযোগ করেন, তাদের নামে রাজনৈতিক মামলা থাকলেও এতদিন নিরাপদে বাসায় ছিলেন। গত রোববার রাতে কালাম মোল্লার নেতৃত্বে মশালমিছিল হওয়ার পরে পুলিশ অনেকের বাসাবাড়িতে একাধিকবার হানা দিয়েছে, এতে নতুন করে গ্রেপ্তার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রোববারের পরে চিরুনি অভিযান চালিয়ে পলাশ এবং হুমায়ন কবির নামের দুই আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করলে আতঙ্ক আরও বৃদ্ধি পায়।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, নথুল্লাবাদে মশালমিছিল করার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে, এতে কালাম মোল্লার নামও রয়েছে। তিনিসহ সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এর আগে একাধিক মামলার আসামি কালাম মোল্লা থানাসংলগ্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, এই ধরনের তথ্য নেই।
এই বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার বিকেলে কালাম মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক সন্ত্রাস কালাম মোল্লা রোববারের ওই ঘটনার পরে ফের আত্মগোপনে চলে গেছেন। এবং সেখান থেকেই তিনি সবকিছুর খোঁজ-খবর রাখছেন। তার ঘনিষ্ট একজন বরিশালটাইমসের কাছে এই তথ্য স্বীকার করে জানান, কালাম মোল্লা নিজের শক্তি জানান দিতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন একটি মোক্ষম সময়ের। সেই সুবর্ণ সুযোগটি গত রোববার রাতে পেয়েই তিনি জনবহুল নথুল্লাবাদে মিছিল করে আলোচনায় এসেছেন, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য পীড়াদায়ক।
আলোচিত এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা। তারা বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা শান্ত বরিশালকে অশান্ত করতে চাইছেন, যা দণ্ডণীয় অপরাধ। তাদের প্রত্যেককে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসা জরুরি।’
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭