বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের পৈত্রিক ভবনে হামলা হয়। এবং এতে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটির ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। সহকর্মীদের এই প্রাণবিয়োগের আগেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় সেরনিয়াবাত ভবন ত্যাগ করেন। কিছুদিন পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যায় সাদিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাদের মিত্র দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি প্রথমে ভারতে গেলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
পলাতক সাদিক আব্দুল্লাহ কোথায় আছেন এই ধোয়াশা পরিস্কার হওয়ার আগেই বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছেলে সাদিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেই সব মোকদ্দমা চলামান থাকার মধ্যে এবার বরিশাল আওয়ামী লীগের পলাতক এই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সংস্থাটির উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় মামলাটি করেন। সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, দুদক আইনের ২৬(১) ধারায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় একই আইনের ২৬(২) ধারায় ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত’ হয়। এর আগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য সাদিক আবদুল্লাহর নামে নোটিস জারির সিদ্ধান্ত হয়।
নোটিস পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের কালিবাড়ি সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল এলাকার ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী ফরমের মূল কপি বাড়ির দরজায় টাঙিয়ে নোটিস জারি করা হয়। দুদকের ওই সূত্রটি জানায়, ৪ নভেম্বর নোটিস জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি সাদিক আবদুল্লাহ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার ক্ষমতার ৫ বছরে তিনি বরিশাল শহরবাসীর ওপর অনৈতিকভাবে ব্যাপক ছড়ি ঘুরিয়েছেন। বিশেষ করে শহর উন্নয়ন বাদ দিয়ে সাদিক বহুতল বাসা-বাড়ির নকশা আটকে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেন। এবং দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকদের শায়েস্তা করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুলসংখ্যক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শহরে ভীতিকর সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেন। বিশেষ করে ১৮ জুলাই তার নেতৃত্বে শহরের চৌমাথা এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া সিকদারের ওপর হামলা ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এছাড়া তৎকালীন সাদিকের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়।
উল্লেখিত বরিশালের আলোচিত এই দুটি ঘটনায় সাদিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে ও ঢাকায় তার বিরুদ্ধে আরও অসংখ্য মামলা হয়, যা বিচারাধীন আছে। পলাতক সাদিকের বিরুদ্ধে এবার সবশেষে মামলা করল দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত হোটসঅ্যাপ নম্বরে দিলে কল করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে সাদিক আব্দুল্লাহকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন বার্তা ফেসবুকে শেয়ার করাসহ মাঝে মাঝে বিশেষ দিনে পোস্টও করে থাকেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাদিক কি ভাবে বরিশালের কালিবাড়ির বাসা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়নি। এবং বর্তমানে ভারতে না কী আমেরিকা অবস্থান করছেন তা তিনিও পরিস্কার করেননি। ফলে বরিশালের সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আশ্রয়স্থল নিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধোয়াশা রয়েছে।’

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, রাজপথের নৈরাজ্যের রাজনীতির পরিবর্তে একটি কার্যকর জাতীয় সংসদ গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে বিরোধী দল সরকারের সমালোচনা করার অবাধ সুযোগ পাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় গৌরনদীর সরিকল-বাটাজোর খালের পাশে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক রোপণ করা গাছের পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরে বিরোধী দল প্রতিদিন সমালোচনা করছে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি রাজনৈতিক সংস্কারের কাজও চলছে। জাতীয় সংসদকে কার্যকর করা হয়েছে। সংসদ যদি সব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়, তাহলে রাজপথে নৈরাজ্য ফিরে আসবে না।
পুলিশ প্রশাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশকে জনগণের সেবক হিসেবে নতুনভাবে সাজাতে চায় সরকার। অতীত সরকারের সময়ে পুলিশের ইউনিফর্মকে রাজনৈতিক দলের বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। এর ফলে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি বলেন, একজন আইজি অপরাধ করে পালিয়ে বেড়ালে ইউনিফর্ম পরা একজন কনস্টেবলেরও খারাপ লাগে। পুলিশকে তাদের হারানো সম্মান ও মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে।
আমলাতন্ত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে আমলাতন্ত্রকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। সেটিকে নিরপেক্ষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে লুটপাট বন্ধ করে আমানতকারীদের অর্থ নিরাপদ রাখা এবং প্রকৃত শিল্প উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে শেয়ারবাজারকে কার্যকর বাজারে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
খাল খননের গুরুত্ব তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, খাল খননের মাধ্যমে প্রতিটি জমিতে পানি পৌঁছানো সম্ভব হলে কৃষি উৎপাদন বাড়বে। এতে দেশ খাদ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যেতে পারবে।
গৌরনদী উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান খোকন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল গোমস্তা, সদস্য সচিব আল-আমিন মোল্লা, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিব খান, পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, হীরা রহমান সাদ্দাম, সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি তানভীর হাসান তানিম, সাধারণ সম্পাদক মুন্না খানসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, রাজপথের নৈরাজ্যের রাজনীতির পরিবর্তে একটি কার্যকর জাতীয় সংসদ গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে বিরোধী দল সরকারের সমালোচনা করার অবাধ সুযোগ পাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় গৌরনদীর সরিকল-বাটাজোর খালের পাশে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক রোপণ করা গাছের পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরে বিরোধী দল প্রতিদিন সমালোচনা করছে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি রাজনৈতিক সংস্কারের কাজও চলছে। জাতীয় সংসদকে কার্যকর করা হয়েছে। সংসদ যদি সব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়, তাহলে রাজপথে নৈরাজ্য ফিরে আসবে না।
পুলিশ প্রশাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশকে জনগণের সেবক হিসেবে নতুনভাবে সাজাতে চায় সরকার। অতীত সরকারের সময়ে পুলিশের ইউনিফর্মকে রাজনৈতিক দলের বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। এর ফলে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি বলেন, একজন আইজি অপরাধ করে পালিয়ে বেড়ালে ইউনিফর্ম পরা একজন কনস্টেবলেরও খারাপ লাগে। পুলিশকে তাদের হারানো সম্মান ও মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে।
আমলাতন্ত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে আমলাতন্ত্রকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। সেটিকে নিরপেক্ষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে লুটপাট বন্ধ করে আমানতকারীদের অর্থ নিরাপদ রাখা এবং প্রকৃত শিল্প উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে শেয়ারবাজারকে কার্যকর বাজারে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
খাল খননের গুরুত্ব তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, খাল খননের মাধ্যমে প্রতিটি জমিতে পানি পৌঁছানো সম্ভব হলে কৃষি উৎপাদন বাড়বে। এতে দেশ খাদ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যেতে পারবে।
গৌরনদী উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান খোকন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল গোমস্তা, সদস্য সচিব আল-আমিন মোল্লা, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিব খান, পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, হীরা রহমান সাদ্দাম, সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি তানভীর হাসান তানিম, সাধারণ সম্পাদক মুন্না খানসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১২
বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের পৈত্রিক ভবনে হামলা হয়। এবং এতে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটির ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। সহকর্মীদের এই প্রাণবিয়োগের আগেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় সেরনিয়াবাত ভবন ত্যাগ করেন। কিছুদিন পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যায় সাদিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাদের মিত্র দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি প্রথমে ভারতে গেলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
পলাতক সাদিক আব্দুল্লাহ কোথায় আছেন এই ধোয়াশা পরিস্কার হওয়ার আগেই বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছেলে সাদিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেই সব মোকদ্দমা চলামান থাকার মধ্যে এবার বরিশাল আওয়ামী লীগের পলাতক এই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সংস্থাটির উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় মামলাটি করেন। সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, দুদক আইনের ২৬(১) ধারায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় একই আইনের ২৬(২) ধারায় ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত’ হয়। এর আগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য সাদিক আবদুল্লাহর নামে নোটিস জারির সিদ্ধান্ত হয়।
নোটিস পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের কালিবাড়ি সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল এলাকার ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী ফরমের মূল কপি বাড়ির দরজায় টাঙিয়ে নোটিস জারি করা হয়। দুদকের ওই সূত্রটি জানায়, ৪ নভেম্বর নোটিস জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি সাদিক আবদুল্লাহ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার ক্ষমতার ৫ বছরে তিনি বরিশাল শহরবাসীর ওপর অনৈতিকভাবে ব্যাপক ছড়ি ঘুরিয়েছেন। বিশেষ করে শহর উন্নয়ন বাদ দিয়ে সাদিক বহুতল বাসা-বাড়ির নকশা আটকে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেন। এবং দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকদের শায়েস্তা করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুলসংখ্যক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শহরে ভীতিকর সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেন। বিশেষ করে ১৮ জুলাই তার নেতৃত্বে শহরের চৌমাথা এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া সিকদারের ওপর হামলা ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এছাড়া তৎকালীন সাদিকের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়।
উল্লেখিত বরিশালের আলোচিত এই দুটি ঘটনায় সাদিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে ও ঢাকায় তার বিরুদ্ধে আরও অসংখ্য মামলা হয়, যা বিচারাধীন আছে। পলাতক সাদিকের বিরুদ্ধে এবার সবশেষে মামলা করল দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত হোটসঅ্যাপ নম্বরে দিলে কল করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে সাদিক আব্দুল্লাহকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন বার্তা ফেসবুকে শেয়ার করাসহ মাঝে মাঝে বিশেষ দিনে পোস্টও করে থাকেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাদিক কি ভাবে বরিশালের কালিবাড়ির বাসা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়নি। এবং বর্তমানে ভারতে না কী আমেরিকা অবস্থান করছেন তা তিনিও পরিস্কার করেননি। ফলে বরিশালের সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আশ্রয়স্থল নিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধোয়াশা রয়েছে।’
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১