
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০০
চালুর অপেক্ষায় রয়েছে মোংলা পোর্ট উন্নয়ন প্রকল্প পোর্ট রিসিপশন ফ্যাসিলিটি (পিআরএফ)। এ প্রকল্প চালু হলে জাহাজ থেকে তেল সংগ্রহ এবং অপসারণের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নদী ও সামুদ্রিক জীবনচক্র রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এটি রাজশাহী, রংপুর এবং বরিশাল বিভাগের সাথে সড়ক, নদী এবং রেলপথের মাধ্যমে উন্নত সংযোগ প্রদান করছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক জীবনরেখা হিসেবে মোংলা বন্দর খাদ্যশস্য, সিমেন্ট ক্লিংকার, সার, গাড়ি, যন্ত্রপাতি, চাল, গম, কয়লা, জ্বালানি তেল, পাথর, ভুট্টা, তৈলবীজ এবং এলপিজি আমদানি করছে। অন্যদিকে হিমায়িত মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, পাট ও পাটজাত পণ্য, মাটি, টাইলস, রেশম বস্ত্র এবং সাধারণ পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
একটি বিশ্বমানের, আধুনিক ও নিরাপদ বন্দর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য, বন্দরের আধুনিকীকরণ এবং পরিচালনা ক্ষমতা বৃদ্ধি, চ্যানেলের নাব্যতা নিশ্চিতকরণ, পণ্য সম্ভার ও কন্টেইনার সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ, আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (এমপিএ) সিনিয়র উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাকরুজ্জামান বাসসকে বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোংলা বন্দর সকল প্রধান পরিচালন ও আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। ৮.৮৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং-এর বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ১০.৪১২ মিলিয়ন মেট্রিক টন হ্যান্ডলিং করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ১.৫৩২ মিলিয়ন টন বা ১৭.২৫ শতাংশ বেশি। একই অর্থবছরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০,০০০ টিইইউ। এ সময় বন্দরটি ২১,৪৫৬ টিইইউ হ্যান্ডলিং করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ১,৪৫৬ টিইইউ বা ৭.২৮ শতাংশ অতিক্রম করেছে।
তিনি জানান, মোংলা বন্দর তার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাও অতিক্রম করেছে। বার্ষিক রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৩৩৩.৮৭ কোটি টাকার বিপরীতে ৩৪৩.৩০ কোটি টাকা আয় করেছে। যা ৯.৪৬ কোটি টাকা বা ২.৮৩ শতাংশ বেশি। এ বন্দরের নিট মুনাফাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০.৪৬ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ৬২.১০ কোটি টাকা অর্জন করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৪১.৬৪ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ২০৩.৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন্দর কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহের ফলে প্রতি ঘন্টায় ২৪টিরও বেশি কন্টেইনার পরিচালনা সম্ভব হয়েছে। জেটির সামনে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের ফলে নাব্যতা নিশ্চিত হয়েছে। যার ফলে পাঁচটি জেটিতে একই সাথে পাঁচটি জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে মোংলা বন্দরে ৩৫৬টি পণ্যবাহী জাহাজ নোঙর করেছে। এ থেকে ১৩,৮৫৪ টিইইউ কন্টেইনার পরিচালনা করেছে, ৪,১৩৯টি আমদানিকৃত যানবাহন প্রক্রিয়াজাত করেছে এবং ৪.৪ মিলিয়ন টন আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিচালনা করেছে।
বন্দর কর্মকর্তা মাকরুজ্জামান বলেন, মোংলা বন্দরের পিআরএফ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রকল্প বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ট্রানজিট পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করার জন্য বিরাট সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ বন্দর ব্যবহার করলে স্থল, জল এবং রেলপথে রাজশাহী, রংপুর এবং বরিশাল বিভাগের পণ্য পরিবহন সহজতর এবং দ্রুততর হবে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বার্ষিক ১৫০ মিলিয়ন টন কার্গো এবং ৩৫০-৪০০ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এর ফলে বন্দরের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত শিপিং এজেন্ট, সিএন্ডএফ এজেন্ট, স্টিভডরিং এবং শ্রমিক শ্রেণীর মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে আধুনিক বন্দরের মাধ্যমে ৪ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতি বছর ১৫০ মিলিয়ন টন কার্গো এবং ৪০০ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহীন রহমান বাসসকে বলেন, মোংলা বন্দর চ্যানেলে সংরক্ষণ ড্রেজিং করা হবে। কর্মক্ষমতা-ভিত্তিক সংরক্ষণ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা রক্ষার জন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর মোংলা বন্দর দিয়ে জেটি পর্যন্ত ৯.৫-১০ মিটারের ড্রাফটসহ ১০০টিরও বেশি অতিরিক্ত জাহাজ এবং জেটি থেকে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ১৩০টি অতিরিক্ত জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরকে আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্য কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) সোমবার ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তার প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী এবং ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
চালুর অপেক্ষায় রয়েছে মোংলা পোর্ট উন্নয়ন প্রকল্প পোর্ট রিসিপশন ফ্যাসিলিটি (পিআরএফ)। এ প্রকল্প চালু হলে জাহাজ থেকে তেল সংগ্রহ এবং অপসারণের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নদী ও সামুদ্রিক জীবনচক্র রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এটি রাজশাহী, রংপুর এবং বরিশাল বিভাগের সাথে সড়ক, নদী এবং রেলপথের মাধ্যমে উন্নত সংযোগ প্রদান করছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক জীবনরেখা হিসেবে মোংলা বন্দর খাদ্যশস্য, সিমেন্ট ক্লিংকার, সার, গাড়ি, যন্ত্রপাতি, চাল, গম, কয়লা, জ্বালানি তেল, পাথর, ভুট্টা, তৈলবীজ এবং এলপিজি আমদানি করছে। অন্যদিকে হিমায়িত মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, পাট ও পাটজাত পণ্য, মাটি, টাইলস, রেশম বস্ত্র এবং সাধারণ পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
একটি বিশ্বমানের, আধুনিক ও নিরাপদ বন্দর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য, বন্দরের আধুনিকীকরণ এবং পরিচালনা ক্ষমতা বৃদ্ধি, চ্যানেলের নাব্যতা নিশ্চিতকরণ, পণ্য সম্ভার ও কন্টেইনার সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ, আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (এমপিএ) সিনিয়র উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাকরুজ্জামান বাসসকে বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোংলা বন্দর সকল প্রধান পরিচালন ও আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। ৮.৮৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং-এর বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ১০.৪১২ মিলিয়ন মেট্রিক টন হ্যান্ডলিং করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ১.৫৩২ মিলিয়ন টন বা ১৭.২৫ শতাংশ বেশি। একই অর্থবছরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০,০০০ টিইইউ। এ সময় বন্দরটি ২১,৪৫৬ টিইইউ হ্যান্ডলিং করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ১,৪৫৬ টিইইউ বা ৭.২৮ শতাংশ অতিক্রম করেছে।
তিনি জানান, মোংলা বন্দর তার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাও অতিক্রম করেছে। বার্ষিক রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৩৩৩.৮৭ কোটি টাকার বিপরীতে ৩৪৩.৩০ কোটি টাকা আয় করেছে। যা ৯.৪৬ কোটি টাকা বা ২.৮৩ শতাংশ বেশি। এ বন্দরের নিট মুনাফাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০.৪৬ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ৬২.১০ কোটি টাকা অর্জন করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৪১.৬৪ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ২০৩.৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন্দর কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহের ফলে প্রতি ঘন্টায় ২৪টিরও বেশি কন্টেইনার পরিচালনা সম্ভব হয়েছে। জেটির সামনে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের ফলে নাব্যতা নিশ্চিত হয়েছে। যার ফলে পাঁচটি জেটিতে একই সাথে পাঁচটি জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে মোংলা বন্দরে ৩৫৬টি পণ্যবাহী জাহাজ নোঙর করেছে। এ থেকে ১৩,৮৫৪ টিইইউ কন্টেইনার পরিচালনা করেছে, ৪,১৩৯টি আমদানিকৃত যানবাহন প্রক্রিয়াজাত করেছে এবং ৪.৪ মিলিয়ন টন আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিচালনা করেছে।
বন্দর কর্মকর্তা মাকরুজ্জামান বলেন, মোংলা বন্দরের পিআরএফ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রকল্প বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ট্রানজিট পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করার জন্য বিরাট সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ বন্দর ব্যবহার করলে স্থল, জল এবং রেলপথে রাজশাহী, রংপুর এবং বরিশাল বিভাগের পণ্য পরিবহন সহজতর এবং দ্রুততর হবে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বার্ষিক ১৫০ মিলিয়ন টন কার্গো এবং ৩৫০-৪০০ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এর ফলে বন্দরের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত শিপিং এজেন্ট, সিএন্ডএফ এজেন্ট, স্টিভডরিং এবং শ্রমিক শ্রেণীর মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে আধুনিক বন্দরের মাধ্যমে ৪ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতি বছর ১৫০ মিলিয়ন টন কার্গো এবং ৪০০ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহীন রহমান বাসসকে বলেন, মোংলা বন্দর চ্যানেলে সংরক্ষণ ড্রেজিং করা হবে। কর্মক্ষমতা-ভিত্তিক সংরক্ষণ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা রক্ষার জন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর মোংলা বন্দর দিয়ে জেটি পর্যন্ত ৯.৫-১০ মিটারের ড্রাফটসহ ১০০টিরও বেশি অতিরিক্ত জাহাজ এবং জেটি থেকে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ১৩০টি অতিরিক্ত জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরকে আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্য কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) সোমবার ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তার প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী এবং ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১