বরিশালের আগৈলঝাড়া ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একটু বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসাসেবা নিতে হচ্ছে রোগীদের। ভবনটি দ্রুত সংস্কারের দাবি রোগী ও স্থানীয়দের।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭২ সালে আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা এলাকায় ৩০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়। ২০০৪ সালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও উন্নত হয়নি এর সেবা ও পরিবেশের।
ভবনের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তরা খসে পড়ছে। বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে রোগীদের গায়ে পানি পড়ে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ার্ডের মেঝে পানি জমে যায়। তখন রোগীদের বারান্দায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিতে হয়। বর্তমানে রোগীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রায় তিন বছর ধরে হাসপাতালের এমন দুরবস্থা চলছে বলে জানান তারা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, সেখানকার জেনারেটর দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীরা গরমের ভেতর অন্ধকারে কাটাতে হয়। পানি সরবরাহ সমস্যা থাকায় টয়লেটও ব্যবহার করতে পারেন না তারা। বৃষ্টির পানি কমপ্লেক্সটির চারপাশে জমে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন সংস্কারের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেও কোনো সুফল মেলেনি। সূত্র জানায়, ভবনের ভেতর পানি থাকায় রোগীদের বারান্দায় চিকিৎসাসেবা নিতে হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চারপাশের ড্রেনে ময়লা জমে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভবনের পেছনে ময়লা জমে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে। ভবন সংস্কারের জন্য তিনবার ঊধ্বর্তন দপ্তরে লিখিত অবেদন করা হলেও কোনো সুফল মেলেনি।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগী দেলোয়ার মল্লিক, জনি সরদার, মাহিনুর বেগম বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা সুস্থ হওয়ার জন্য ভর্তি হন। কিন্তু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ ও পানি থাকে না। এতে টয়লেট নোংরা হয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এ ছাড়া বৃষ্টির সময় ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. গোলাম মোর্শেদ সজীব সাংবাদিকদের বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে। রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে। ভবনটি সংস্কারের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ফল মেলেনি।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৫:৫৬
বরিশাল নগরের ফজলুল হক এভিনিউ ও সদর রোড এলাকা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা, মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সরবরাহের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উজ জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে মুসলিম সুইটস এন্ড রেস্তোরাঁ ও মা গৌরনদী মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় মোট ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এ সময় সর্বসাধারণের চলাচলের নির্ধারিত স্থান (ফুটপাত) দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক পরিচালিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯-এর ৯২(৭) ধারা, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯২(৩) ধারায় মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন(বিসিসি)।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল নগরের ফজলুল হক এভিনিউ ও সদর রোড এলাকা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা, মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সরবরাহের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উজ জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে মুসলিম সুইটস এন্ড রেস্তোরাঁ ও মা গৌরনদী মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় মোট ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এ সময় সর্বসাধারণের চলাচলের নির্ধারিত স্থান (ফুটপাত) দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক পরিচালিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯-এর ৯২(৭) ধারা, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯২(৩) ধারায় মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন(বিসিসি)।
বরিশাল টাইমস

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বরিশাল আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। এরপর বেলা ১১টায় সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বৃক্ষরোপণ, বাদ যোহর মরহুমের নিজ এলাকা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনা মিয়ার পুল এবং পার্শ্ববর্তী মসজিদ ও স্থানীয় এতিমখানাসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় কাউনিয়া হাউজিংয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেল ৩টা থেকে সেখানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় বরিশাল রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের বর্নাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র, যে জীবন মানুষের।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তিনি বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দিন গোলাপের পিতা।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বরিশাল আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। এরপর বেলা ১১টায় সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বৃক্ষরোপণ, বাদ যোহর মরহুমের নিজ এলাকা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনা মিয়ার পুল এবং পার্শ্ববর্তী মসজিদ ও স্থানীয় এতিমখানাসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় কাউনিয়া হাউজিংয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেল ৩টা থেকে সেখানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় বরিশাল রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের বর্নাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র, যে জীবন মানুষের।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তিনি বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দিন গোলাপের পিতা।

০৭ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:২৩
বরিশালের আগৈলঝাড়া ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একটু বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসাসেবা নিতে হচ্ছে রোগীদের। ভবনটি দ্রুত সংস্কারের দাবি রোগী ও স্থানীয়দের।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭২ সালে আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা এলাকায় ৩০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়। ২০০৪ সালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও উন্নত হয়নি এর সেবা ও পরিবেশের।
ভবনের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তরা খসে পড়ছে। বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে রোগীদের গায়ে পানি পড়ে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ার্ডের মেঝে পানি জমে যায়। তখন রোগীদের বারান্দায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিতে হয়। বর্তমানে রোগীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রায় তিন বছর ধরে হাসপাতালের এমন দুরবস্থা চলছে বলে জানান তারা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, সেখানকার জেনারেটর দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীরা গরমের ভেতর অন্ধকারে কাটাতে হয়। পানি সরবরাহ সমস্যা থাকায় টয়লেটও ব্যবহার করতে পারেন না তারা। বৃষ্টির পানি কমপ্লেক্সটির চারপাশে জমে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন সংস্কারের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেও কোনো সুফল মেলেনি। সূত্র জানায়, ভবনের ভেতর পানি থাকায় রোগীদের বারান্দায় চিকিৎসাসেবা নিতে হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চারপাশের ড্রেনে ময়লা জমে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভবনের পেছনে ময়লা জমে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে। ভবন সংস্কারের জন্য তিনবার ঊধ্বর্তন দপ্তরে লিখিত অবেদন করা হলেও কোনো সুফল মেলেনি।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগী দেলোয়ার মল্লিক, জনি সরদার, মাহিনুর বেগম বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা সুস্থ হওয়ার জন্য ভর্তি হন। কিন্তু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ ও পানি থাকে না। এতে টয়লেট নোংরা হয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এ ছাড়া বৃষ্টির সময় ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. গোলাম মোর্শেদ সজীব সাংবাদিকদের বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে। রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে। ভবনটি সংস্কারের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ফল মেলেনি।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১৬