ঈদের ছুটি শেষে লঞ্চ ও বাসে যাত্রী চাপ বেড়ে যাওয়ায় কাউন্টারে মিলছে না টিকিট। অধিকাংশ বাস কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকেও টিকিট কিনতে ব্যর্থ হচ্ছে যাত্রীরা। তাই বাধ্য হয়ে দেড় থেকে দুই গুণেরও বেশি টাকায় দালালদের কাছ টিকিট কিনতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।
এ কারণে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। তবে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টার্মিনালগুলোতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
বুধবার (১২ জুন) বরিশাল নৌবন্দর ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে সরেজমিনে দেখা গেছে। তথ্য মতে, যাত্রী সামাল দিতে প্রতিদিন ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে ভায়া ও সরাসরি মিলিয়ে অর্ধ ডজন বিলাসবহুল নৌযান যাত্রী পরিবহণ করছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, এ রুটের লঞ্চে এক হাজার টাকার সিঙ্গেল কেবিন ১২শ ও ২ হাজার টাকার ডাবল কেবিন হয়েছে ২৪০০ টাকায় বিক্রি করলেও তা পাচ্ছে না সাধারণ যাত্রীরা। কারণ এসব টিকিট আগেই দখলে নিয়েছে কালোবাজারিরা।
ফলে কাউন্টার বা নৌবন্দরে গিয়েও মিলছে টিকিট। তাই বাধ্য হয়ে যাত্রীদের দেড় বা দুইগুণ বেশি দামে সেই টিকিট কিনতে হচ্ছে নৌবন্দরে থাকা দালাল চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে। লেদু, ইমাম, বসির, খোকনসহ ডজনখানেক ব্যক্তি টিকিট কালোবাজারি করে থাকেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের। এছাড়া এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রী হয়রানির অভিযোগে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চের মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কোস্টগার্ড।
এদিকে ঢাকা-বরিশাল সড়ক পথে অধিকাংশ বাসের অগ্রিম সকল টিকিট বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করার সঙ্গে সঙ্গে ওয়েবসাইট থেকে উধাও হয়ে গেছে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা ওয়েবসাইটে ঢুকে টিকিট কিনতে ব্যর্থ হয়েছে। কাউন্টারেও মিলছে না টিকিট।
পরে সাড়ে ৫শ টাকার টিকিট এক হাজার থেকে ১২শ টাকায় দালালদের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে যাত্রীদের। ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল নথুল্লাবাদে কাশেম ও মান্নানের নামে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ রয়েছে।
চালাল চক্রের সদস্যরা অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময় বিভিন্ন কৌশলে তা দখলে নিয়ে নেয়। এর সঙ্গে লঞ্চ ও বাসের কাউন্টারের এক শ্রেণির অসাধু কর্মচারীরাও জড়িত বলে জানা গেছে। তবে বেশ কয়েকটি লঞ্চ ও বাস কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে তারা নিয়মানুযায়ী ভাড়া আদায় করছে।
বাসযাত্রী ইমতিয়াজ অমিত বলেন, ১৪ তারিখ ঢাকা যাওয়ার জন্য টিকিট কিনতে একটি বাস কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি। তখন বিক্রির জন্য টিকিট উন্মুক্ত করার পর দুটি সিট অবিক্রীত দেখতে পাই। তখন ওই একটি সিট কিনতে চেষ্টা করেও পারিনি। পরে স্বাভাবিক সময়ের সাড়ে ৫শ টাকার বাসের টিকিট দালালদের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে ১২০০ টাকায়।
লঞ্চ যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চের কাউন্টারে ঘুরেও কেবিনের একটি টিকিট কিনতে পারিনি। পরে লঞ্চঘাটে থাকা একজন দালালের কাছ থেকে দ্বিগুণ দামে কেবিনের টিকিট কিনতে হয়েছে। আর যাত্রী হয়রানিও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি তার।
বিজ্ঞাপন
বরিশাল সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীম কুমার বলেন, আমি বিষয়টি অবগত নই। দালালদের ধরতে অভিযান চালানো হবে। তাছাড়া আমাদের কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নেব।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের উপ-পরিচালক সেলিম রেজা জানান, দালালদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে। যাত্রী হয়রানিসহ যেকোনো অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল নগর পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চ ও বাসটার্মিনালে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধসহ শতভাগ যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে পুলিশ। এর অংশ হিসেবে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সদস্যরাও রয়েছেন। স্থায়ীভাবে এ সংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর কর্মকর্তাসহ জনসাধারণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা কামনা করেন তিনি।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩২
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৫৪
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের অশ্বিনীকুমার ছাত্রাবাসের সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। তবে কাজ বন্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হচ্ছিল না। প্রাক্কলন ও দরপত্রের শর্ত অনুসরণ না করে বালু ফেলার পর নির্ধারিত সময় অপেক্ষা না করেই ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ছাত্রাবাসের প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট সড়ক নির্মাণের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘অহনা এন্টারপ্রাইজ’। প্রতিষ্ঠানটির সাবঠিকাদার সাদ রহমান কাজটি করাচ্ছেন।
সাবঠিকাদার সাদ রহমানের দাবি, সড়কের প্রায় পুরো নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল। মাত্র ৩০ ফুট অংশে ঢালাই বাকি থাকতেই কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি আরও দাবি করেন, নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে কলেজের অধ্যক্ষ, প্রকৌশলী ও হল সুপার সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
ঠিকাদারের অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের দুই নেতা বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি দেখে শিক্ষার্থীরা সংক্ষুব্ধ হন। তাঁরাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোন করে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, কাজ বন্ধ হওয়ায় ঠিকাদার বিপাকে পড়ার পর একটি পক্ষ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে তারা গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন দাবি করেন, একটি গণমাধ্যমে ছাত্রাবাসের হল সুপার এস এম আসাদুজ্জামানের নামে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তিনি তা দেননি।
এ বিষয়ে বরিশালটাইমসের কাছে আসা একটি ভিডিও বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ওয়ালিদ বলেন, ভিডিওতে হল সুপারকে বলতে শোনা যায়, তিনি বরিশালের বাইরে থাকায় নির্মাণকাজের মান কীভাবে দেখবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কাজের মান যাচাইয়ের দায়িত্ব তার নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষক।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এনামুল হক তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি ছিল এবং দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ হচ্ছিল না। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, তা অধ্যক্ষ দেখবেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী জাবের আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
নির্মাণকাজ বন্ধের ঘটনাটি নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিএম কলেজে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগও করেননি।
এদিকে, সোমবার গভীর রাতে বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনাটি নিয়ে তথ্য যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সড়ক নির্মাণের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঠিকাদারের পাল্টা দাবি এবং ছাত্রদলের দুই নেতাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নির্মাণকাজের মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই বিতর্ক এড়াতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল আগামীতে কি পদক্ষেপ রাখে সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।’
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের অশ্বিনীকুমার ছাত্রাবাসের সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। তবে কাজ বন্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হচ্ছিল না। প্রাক্কলন ও দরপত্রের শর্ত অনুসরণ না করে বালু ফেলার পর নির্ধারিত সময় অপেক্ষা না করেই ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ছাত্রাবাসের প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট সড়ক নির্মাণের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘অহনা এন্টারপ্রাইজ’। প্রতিষ্ঠানটির সাবঠিকাদার সাদ রহমান কাজটি করাচ্ছেন।
সাবঠিকাদার সাদ রহমানের দাবি, সড়কের প্রায় পুরো নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল। মাত্র ৩০ ফুট অংশে ঢালাই বাকি থাকতেই কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি আরও দাবি করেন, নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে কলেজের অধ্যক্ষ, প্রকৌশলী ও হল সুপার সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
ঠিকাদারের অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের দুই নেতা বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি দেখে শিক্ষার্থীরা সংক্ষুব্ধ হন। তাঁরাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোন করে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, কাজ বন্ধ হওয়ায় ঠিকাদার বিপাকে পড়ার পর একটি পক্ষ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে তারা গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন দাবি করেন, একটি গণমাধ্যমে ছাত্রাবাসের হল সুপার এস এম আসাদুজ্জামানের নামে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তিনি তা দেননি।
এ বিষয়ে বরিশালটাইমসের কাছে আসা একটি ভিডিও বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ওয়ালিদ বলেন, ভিডিওতে হল সুপারকে বলতে শোনা যায়, তিনি বরিশালের বাইরে থাকায় নির্মাণকাজের মান কীভাবে দেখবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কাজের মান যাচাইয়ের দায়িত্ব তার নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষক।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এনামুল হক তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি ছিল এবং দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ হচ্ছিল না। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, তা অধ্যক্ষ দেখবেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী জাবের আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
নির্মাণকাজ বন্ধের ঘটনাটি নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিএম কলেজে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগও করেননি।
এদিকে, সোমবার গভীর রাতে বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনাটি নিয়ে তথ্য যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সড়ক নির্মাণের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঠিকাদারের পাল্টা দাবি এবং ছাত্রদলের দুই নেতাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নির্মাণকাজের মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই বিতর্ক এড়াতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল আগামীতে কি পদক্ষেপ রাখে সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।’

১২ জুন, ২০২৫ ১২:১৪
ঈদের ছুটি শেষে লঞ্চ ও বাসে যাত্রী চাপ বেড়ে যাওয়ায় কাউন্টারে মিলছে না টিকিট। অধিকাংশ বাস কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকেও টিকিট কিনতে ব্যর্থ হচ্ছে যাত্রীরা। তাই বাধ্য হয়ে দেড় থেকে দুই গুণেরও বেশি টাকায় দালালদের কাছ টিকিট কিনতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।
এ কারণে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। তবে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টার্মিনালগুলোতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
বুধবার (১২ জুন) বরিশাল নৌবন্দর ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে সরেজমিনে দেখা গেছে। তথ্য মতে, যাত্রী সামাল দিতে প্রতিদিন ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে ভায়া ও সরাসরি মিলিয়ে অর্ধ ডজন বিলাসবহুল নৌযান যাত্রী পরিবহণ করছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, এ রুটের লঞ্চে এক হাজার টাকার সিঙ্গেল কেবিন ১২শ ও ২ হাজার টাকার ডাবল কেবিন হয়েছে ২৪০০ টাকায় বিক্রি করলেও তা পাচ্ছে না সাধারণ যাত্রীরা। কারণ এসব টিকিট আগেই দখলে নিয়েছে কালোবাজারিরা।
ফলে কাউন্টার বা নৌবন্দরে গিয়েও মিলছে টিকিট। তাই বাধ্য হয়ে যাত্রীদের দেড় বা দুইগুণ বেশি দামে সেই টিকিট কিনতে হচ্ছে নৌবন্দরে থাকা দালাল চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে। লেদু, ইমাম, বসির, খোকনসহ ডজনখানেক ব্যক্তি টিকিট কালোবাজারি করে থাকেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের। এছাড়া এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রী হয়রানির অভিযোগে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চের মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কোস্টগার্ড।
এদিকে ঢাকা-বরিশাল সড়ক পথে অধিকাংশ বাসের অগ্রিম সকল টিকিট বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করার সঙ্গে সঙ্গে ওয়েবসাইট থেকে উধাও হয়ে গেছে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা ওয়েবসাইটে ঢুকে টিকিট কিনতে ব্যর্থ হয়েছে। কাউন্টারেও মিলছে না টিকিট।
পরে সাড়ে ৫শ টাকার টিকিট এক হাজার থেকে ১২শ টাকায় দালালদের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে যাত্রীদের। ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল নথুল্লাবাদে কাশেম ও মান্নানের নামে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ রয়েছে।
চালাল চক্রের সদস্যরা অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময় বিভিন্ন কৌশলে তা দখলে নিয়ে নেয়। এর সঙ্গে লঞ্চ ও বাসের কাউন্টারের এক শ্রেণির অসাধু কর্মচারীরাও জড়িত বলে জানা গেছে। তবে বেশ কয়েকটি লঞ্চ ও বাস কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে তারা নিয়মানুযায়ী ভাড়া আদায় করছে।
বাসযাত্রী ইমতিয়াজ অমিত বলেন, ১৪ তারিখ ঢাকা যাওয়ার জন্য টিকিট কিনতে একটি বাস কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি। তখন বিক্রির জন্য টিকিট উন্মুক্ত করার পর দুটি সিট অবিক্রীত দেখতে পাই। তখন ওই একটি সিট কিনতে চেষ্টা করেও পারিনি। পরে স্বাভাবিক সময়ের সাড়ে ৫শ টাকার বাসের টিকিট দালালদের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে ১২০০ টাকায়।
লঞ্চ যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চের কাউন্টারে ঘুরেও কেবিনের একটি টিকিট কিনতে পারিনি। পরে লঞ্চঘাটে থাকা একজন দালালের কাছ থেকে দ্বিগুণ দামে কেবিনের টিকিট কিনতে হয়েছে। আর যাত্রী হয়রানিও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি তার।
বিজ্ঞাপন
বরিশাল সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীম কুমার বলেন, আমি বিষয়টি অবগত নই। দালালদের ধরতে অভিযান চালানো হবে। তাছাড়া আমাদের কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নেব।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের উপ-পরিচালক সেলিম রেজা জানান, দালালদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে। যাত্রী হয়রানিসহ যেকোনো অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল নগর পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চ ও বাসটার্মিনালে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধসহ শতভাগ যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে পুলিশ। এর অংশ হিসেবে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সদস্যরাও রয়েছেন। স্থায়ীভাবে এ সংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর কর্মকর্তাসহ জনসাধারণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা কামনা করেন তিনি।