
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:১৩
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.