
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:৫১
বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিস্কৃত সহ-সম্পাদক লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়াজ মাহমুদ খান মিল্টনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তিনি একই কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বুধবার বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক মো. ছগির হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম শহরের কাউনিয়া বাগানবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর বিল্লবাড়ি এলাকার বাসিন্দা লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মিল্টন খান। নিহত লিটুর বোন মুন্নি আক্তার গত ১ আগস্ট স্বামী জাকির গাজী এবং ভাইয়ের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মিল্টন খানসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার আগে এবং পরে পুলিশ ঘটনায় জড়িত ৫জনকে গ্রেপ্তার করে। সবশেষ বুধবার বিকেলে আলোচিত মিল্টন খানকে গ্রেপ্তার করা হলো।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করে, নিহত লিটু এক সময়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন খানের অনুসারী ছিলেন। একাধিক মামলার আসামি লিটন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে এলাকায় একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংঘটিত করেন। এনিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতিও ঘটে। এরই মধ্যে জুলাই মাসের শেষের দিকে প্রকাশ্যে আসে লিটনের বোনের স্বামী জাকির গাজীর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় বিয়ে করার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে জাকিরকে তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং ভাই লিটু ঘরে আটকে নির্যাতন করেন। এই খবর পেয়ে গত ২৭ জুলাই মিল্টন অনুসারীদের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানায় জকির গাজী স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং শ্যালক লিটুর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই দিনে জাকির গাজীর বিরুদ্ধেও বিমানবন্দর থানায় যৌতুক দাবিসহ মারধরের অভিযোগে মামলা করেন মুন্নি বেগম।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, পাল্টা-পাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে বিল্লবাড়িতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটুর শাস্তির দাবি করে বোন জামাই জাকিরের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলও হয়। মাঠপর্যায়ে লিটুর শাস্তির দাবিতে জাকিরসহ গুটিয়েক লোকজন সোচ্চার থাকলেও নেপথ্যে থেকে তাদের পরিচালনা করার অভিযোগ ওঠে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টনের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার আদালত থেকে মামলায় জামিন নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করলে লিটুর বাসভবনে হামলা-ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তাকেসহ অন্তত ৫/৬জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এতে ঘটনাস্থলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটু মৃত্যুবরণ করেন। এই হত্যাকান্ডে সময় একাধিক ব্যক্তিকে লিটুর শত্রু মিল্টনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে শোনা যায়। এবং ভুক্তোভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হচ্ছিল, হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড খোদ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন।
একদিন বাদে শুক্রবার এই ঘটনায় স্বামী জাকির গাজীসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন মুন্নি বেগম। সেই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়াজ খান মিল্টনকে বুধবার বিকেলে গ্রেপ্তার করল গোয়েন্দাপুলিশ। তবে লিটু হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড এই মিল্টনই কী না তা নিয়ে আগেভাগে মন্তব্য করতে চাইছে না পুলিশ।
এক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. রিয়াজ হোসেনের ভাষ্য হচ্ছে, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ থাকতে পারে, কিন্তু তদন্তের আগে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়োজন হলে এই অভিযুক্তকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিস্কৃত সহ-সম্পাদক লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়াজ মাহমুদ খান মিল্টনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তিনি একই কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বুধবার বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক মো. ছগির হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম শহরের কাউনিয়া বাগানবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর বিল্লবাড়ি এলাকার বাসিন্দা লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মিল্টন খান। নিহত লিটুর বোন মুন্নি আক্তার গত ১ আগস্ট স্বামী জাকির গাজী এবং ভাইয়ের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মিল্টন খানসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার আগে এবং পরে পুলিশ ঘটনায় জড়িত ৫জনকে গ্রেপ্তার করে। সবশেষ বুধবার বিকেলে আলোচিত মিল্টন খানকে গ্রেপ্তার করা হলো।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করে, নিহত লিটু এক সময়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন খানের অনুসারী ছিলেন। একাধিক মামলার আসামি লিটন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে এলাকায় একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংঘটিত করেন। এনিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতিও ঘটে। এরই মধ্যে জুলাই মাসের শেষের দিকে প্রকাশ্যে আসে লিটনের বোনের স্বামী জাকির গাজীর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় বিয়ে করার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে জাকিরকে তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং ভাই লিটু ঘরে আটকে নির্যাতন করেন। এই খবর পেয়ে গত ২৭ জুলাই মিল্টন অনুসারীদের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানায় জকির গাজী স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং শ্যালক লিটুর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই দিনে জাকির গাজীর বিরুদ্ধেও বিমানবন্দর থানায় যৌতুক দাবিসহ মারধরের অভিযোগে মামলা করেন মুন্নি বেগম।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, পাল্টা-পাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে বিল্লবাড়িতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটুর শাস্তির দাবি করে বোন জামাই জাকিরের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলও হয়। মাঠপর্যায়ে লিটুর শাস্তির দাবিতে জাকিরসহ গুটিয়েক লোকজন সোচ্চার থাকলেও নেপথ্যে থেকে তাদের পরিচালনা করার অভিযোগ ওঠে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টনের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার আদালত থেকে মামলায় জামিন নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করলে লিটুর বাসভবনে হামলা-ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তাকেসহ অন্তত ৫/৬জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এতে ঘটনাস্থলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটু মৃত্যুবরণ করেন। এই হত্যাকান্ডে সময় একাধিক ব্যক্তিকে লিটুর শত্রু মিল্টনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে শোনা যায়। এবং ভুক্তোভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হচ্ছিল, হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড খোদ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন।
একদিন বাদে শুক্রবার এই ঘটনায় স্বামী জাকির গাজীসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন মুন্নি বেগম। সেই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়াজ খান মিল্টনকে বুধবার বিকেলে গ্রেপ্তার করল গোয়েন্দাপুলিশ। তবে লিটু হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড এই মিল্টনই কী না তা নিয়ে আগেভাগে মন্তব্য করতে চাইছে না পুলিশ।
এক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. রিয়াজ হোসেনের ভাষ্য হচ্ছে, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ থাকতে পারে, কিন্তু তদন্তের আগে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়োজন হলে এই অভিযুক্তকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩