
০৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর আকস্মিক ভাঙনে এক রাতেই চার পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও অন্তত ২০টি পরিবার। ভয়াবহ এই ভাঙনে পুরো গ্রামজুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে কোব্বাত হাওলাদারের ছেলে জাকির হাওলাদার (৫০), দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে কুদ্দুস (৫৫), খালেক হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৭০) এবং মৃত নজরুলের স্ত্রী লাভলী বেগমের বসতঘর পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।
এছাড়া, জাহিদুলের স্ত্রী বিউটি বেগম, মন্নান হাওলাদারের ছেলে জাকিরসহ আরও অন্তত ১৫-২০টি পরিবারের ঘরবাড়িও এখন ভাঙনের মুখে। বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও কবরস্থান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সহায়-সম্বল হারানো পরিবারগুলো এখন ওয়াপদা ভেড়িবাঁধের পাশে অস্থায়ী ঝুপড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
গ্রামবাসী জানায়, গত পাঁচ-ছয় বছরে বাহেরচর গ্রামের শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি, ফসলি জমি ও বাগান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফজলু মিরার ছেলে মামুন মিরা, ক্ষিতিশ ঘরামীর ছেলে গোপাল ঘরামী, কৃষ্ণ প্রসাদের স্ত্রী রাধা রাণীসহ ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ— “আমরা সব হারিয়েছি, কিন্তু সরকারি বা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সহায়তা পাইনি।”
আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব হোসেন বলেন, “পায়রার ভাঙনে বাহেরচর গ্রামটি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যেটুকু অবশিষ্ট ছিল, তাও এখন ভাঙছে।” তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পরিষদের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধা পেতে তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তালিকা সম্পন্ন হলে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।”
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, “ভাঙন এলাকায় মেন্টেনেন্স প্রকল্পের একটি কাজ চলমান আছে, তবে শুধু মেন্টেনেন্স দিয়ে এত বড় এলাকা রক্ষা সম্ভব নয়। ভাঙনরোধে একটি সমীক্ষা প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।”
বাহেরচরের পায়রা তীরবর্তী গ্রামজুড়ে এখন শুধুই হাহাকার আর অনিশ্চয়তার ছায়া। যারা একদিন নদীর তীরেই গড়ে তুলেছিলেন তাদের জীবনের ভিত্তি, আজ সেই নদীই কেড়ে নিয়েছে তাদের ঘর, ভিটে আর নিরাপত্তা— রেখে গেছে কেবল ভাঙনের ভয় আর অজানা ভবিষ্যতের চিন্তা।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর আকস্মিক ভাঙনে এক রাতেই চার পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও অন্তত ২০টি পরিবার। ভয়াবহ এই ভাঙনে পুরো গ্রামজুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে কোব্বাত হাওলাদারের ছেলে জাকির হাওলাদার (৫০), দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে কুদ্দুস (৫৫), খালেক হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৭০) এবং মৃত নজরুলের স্ত্রী লাভলী বেগমের বসতঘর পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।
এছাড়া, জাহিদুলের স্ত্রী বিউটি বেগম, মন্নান হাওলাদারের ছেলে জাকিরসহ আরও অন্তত ১৫-২০টি পরিবারের ঘরবাড়িও এখন ভাঙনের মুখে। বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও কবরস্থান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সহায়-সম্বল হারানো পরিবারগুলো এখন ওয়াপদা ভেড়িবাঁধের পাশে অস্থায়ী ঝুপড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
গ্রামবাসী জানায়, গত পাঁচ-ছয় বছরে বাহেরচর গ্রামের শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি, ফসলি জমি ও বাগান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফজলু মিরার ছেলে মামুন মিরা, ক্ষিতিশ ঘরামীর ছেলে গোপাল ঘরামী, কৃষ্ণ প্রসাদের স্ত্রী রাধা রাণীসহ ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ— “আমরা সব হারিয়েছি, কিন্তু সরকারি বা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সহায়তা পাইনি।”
আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব হোসেন বলেন, “পায়রার ভাঙনে বাহেরচর গ্রামটি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যেটুকু অবশিষ্ট ছিল, তাও এখন ভাঙছে।” তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পরিষদের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধা পেতে তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তালিকা সম্পন্ন হলে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।”
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, “ভাঙন এলাকায় মেন্টেনেন্স প্রকল্পের একটি কাজ চলমান আছে, তবে শুধু মেন্টেনেন্স দিয়ে এত বড় এলাকা রক্ষা সম্ভব নয়। ভাঙনরোধে একটি সমীক্ষা প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।”
বাহেরচরের পায়রা তীরবর্তী গ্রামজুড়ে এখন শুধুই হাহাকার আর অনিশ্চয়তার ছায়া। যারা একদিন নদীর তীরেই গড়ে তুলেছিলেন তাদের জীবনের ভিত্তি, আজ সেই নদীই কেড়ে নিয়েছে তাদের ঘর, ভিটে আর নিরাপত্তা— রেখে গেছে কেবল ভাঙনের ভয় আর অজানা ভবিষ্যতের চিন্তা।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১২
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে পটুয়াখালী শহরের চার লেন সড়কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং বোর্ড। আধুনিক নকশা ও আলোকসজ্জায় নির্মিত এসব বোর্ড পথচারী ও যানবাহন চলাচলকারী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইটিং বোর্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারের উপসচিব, পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর সভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর সিংহসহ পৌর প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাইটিং বোর্ডগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব, ভোটারদের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য বার্তা প্রদর্শন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় আলো ব্যবস্থার কারণে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বোর্ডগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জুয়েল রানা বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইটিং বোর্ডগুলো মানুষের মাঝে ভোটের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে এবং গণভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন নান্দনিক উদ্যোগ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার সম্পর্কে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের লাইটিং বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যাতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে পটুয়াখালী শহরের চার লেন সড়কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং বোর্ড। আধুনিক নকশা ও আলোকসজ্জায় নির্মিত এসব বোর্ড পথচারী ও যানবাহন চলাচলকারী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইটিং বোর্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারের উপসচিব, পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর সভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর সিংহসহ পৌর প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাইটিং বোর্ডগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব, ভোটারদের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য বার্তা প্রদর্শন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় আলো ব্যবস্থার কারণে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বোর্ডগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জুয়েল রানা বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইটিং বোর্ডগুলো মানুষের মাঝে ভোটের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে এবং গণভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন নান্দনিক উদ্যোগ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার সম্পর্কে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের লাইটিং বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যাতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০ টায় বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. ,জিানুর রহমান, বাউফল পৌরসভা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সাদিকুজ্জামান রাকিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মূনইমুল ইসলাম মিরাজ ও এনামুল হক মনন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আপেল মাহমুদ মুন্না ও সাবেক সদস্য সচিব মো. রিয়াজ হোসেন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেয়ামুল ইসলাম, জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা মোয়সার হোসাইন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ সাক্ষরিত ও ঘোষিত আবদুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি ও মো. রাসেল ইকবাল দুখু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, সন্তানের জনক ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মীরা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামে যাঁরা মাঠে ছিলেন, কারাভোগ করেছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হয়েছেন তাঁদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষের বিভিন্ন প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব জাকারিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলেও একই দাবি তুলে স্লোগান দেয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০ টায় বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. ,জিানুর রহমান, বাউফল পৌরসভা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সাদিকুজ্জামান রাকিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মূনইমুল ইসলাম মিরাজ ও এনামুল হক মনন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আপেল মাহমুদ মুন্না ও সাবেক সদস্য সচিব মো. রিয়াজ হোসেন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেয়ামুল ইসলাম, জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা মোয়সার হোসাইন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ সাক্ষরিত ও ঘোষিত আবদুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি ও মো. রাসেল ইকবাল দুখু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, সন্তানের জনক ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মীরা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামে যাঁরা মাঠে ছিলেন, কারাভোগ করেছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হয়েছেন তাঁদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষের বিভিন্ন প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব জাকারিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলেও একই দাবি তুলে স্লোগান দেয়।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৬
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবু ইউসুফ এবং বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব মো. ফরিদুল ইসলাম।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন, ভোটগ্রহণের নিয়মাবলি, ব্যালট পেপার ও ইভিএম ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস দুমকি, পটুয়াখালীর যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবু ইউসুফ এবং বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব মো. ফরিদুল ইসলাম।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন, ভোটগ্রহণের নিয়মাবলি, ব্যালট পেপার ও ইভিএম ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস দুমকি, পটুয়াখালীর যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯