Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০০:২৭
শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পুলিশের চেকপোস্ট, সন্দেহভাজনদের তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদ। রাতভর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পতিত আওয়ামী লীগের আহুত ১৩ নভেম্বরের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে নৈরাজ্য রোধে বিভাগীয় শহর বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। এই দিনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটি যাতে কোনো রকমের সহিংস পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সে জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানোসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তি-বিশেষকে থামিয়ে তল্লাশি, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কর্মসূচির একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকে শহরবাসীর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই উদ্যোগ নিলেও এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরতে তাদের বাসা-বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তাদের এই অভিযানে কৃষকলীগ এবং ছাত্রলীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য বুধবার বিকেলে নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লক ডাউন’ ঘোষণা করা হলেও বিভাগীয় শহর বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের অঘটন ঘটিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধাক্কা দিতে চাইছে। শহরের কাশিপুর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে মিন্টু নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। অবশ্য এর আগেই শহরের চারটি থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বন্দর এবং বিমানবন্দরের আওতাধীন এলাকাসমূহে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। এবং প্রতিটি থানার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করাসহ শহরের প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়, দপদপিয়া এবং কালিজিরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে ঘিরে নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে এবং জানমাল রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাবও টহল ডিউটি পালন করে যাচ্ছে। সেই সাথে সাদাপোশাকে মাঠে অবস্থান নিয়েছে পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা টিম, যারা মহল্লা বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৩ নভেম্বর এবং এর আগে পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কীর্তনখোলা নদী লাগোয়া জনপদ বরিশালে যাতে কোনো রূপ অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য বরিশাল বিএনপিও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতা আফরোজা খানম নাসরিন কমী-সমর্থকদের নিয়ে শহরে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছেন। এবং বিএনপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য রুখে দেওয়াসহ শহরকে নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়।
মাঠপুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে তা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা রয়েছে। প্রস্তুতিস্বরূপ শহরের সদর রোড, আমতলার মোড়, রূপাতলী, সিঅ্যান্ডবি রোড, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর, গড়িয়ারপাড়সহ অন্তত শতাধিক স্থানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করা হচ্ছে। মাঠপুলিশের এই কার্যক্রম সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তদারকি করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামসহ ডিসি-এডিসি পদমর্যাদার আরও অন্তত ৬ কর্মকর্তা।
কোতয়ালিসহ মেট্রোপলিটনের আওতাধীন চার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন, শহরবাসীর জানমাল রক্ষায় চেয়ে কয়েকগুন নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচিকে ঘিরে দুদিন আগে থেকেই তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশদ্বারগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক নজর রেখেছে, যাতে বাইরে থেকে কেউ বা কারা প্রবেশ করে নৈরাজ্য তৈরি না করতে পারে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, শহরের চারদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও র্যাব টহলে থাকলেও বিশেষ স্থানসমূহে পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দাপুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুদিনে আওয়ামী লীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান বিএমপি কমিশনার।
এদিকে আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি রুখে দিতে বরিশাল শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিছিলটি শহরের জিলা স্কুলের সামনে থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর রোড গিয়ে সমাপ্ত হয়।’
শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পুলিশের চেকপোস্ট, সন্দেহভাজনদের তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদ। রাতভর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পতিত আওয়ামী লীগের আহুত ১৩ নভেম্বরের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে নৈরাজ্য রোধে বিভাগীয় শহর বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। এই দিনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটি যাতে কোনো রকমের সহিংস পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সে জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানোসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তি-বিশেষকে থামিয়ে তল্লাশি, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কর্মসূচির একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকে শহরবাসীর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই উদ্যোগ নিলেও এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরতে তাদের বাসা-বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তাদের এই অভিযানে কৃষকলীগ এবং ছাত্রলীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য বুধবার বিকেলে নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লক ডাউন’ ঘোষণা করা হলেও বিভাগীয় শহর বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের অঘটন ঘটিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধাক্কা দিতে চাইছে। শহরের কাশিপুর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে মিন্টু নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। অবশ্য এর আগেই শহরের চারটি থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বন্দর এবং বিমানবন্দরের আওতাধীন এলাকাসমূহে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। এবং প্রতিটি থানার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করাসহ শহরের প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়, দপদপিয়া এবং কালিজিরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে ঘিরে নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে এবং জানমাল রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাবও টহল ডিউটি পালন করে যাচ্ছে। সেই সাথে সাদাপোশাকে মাঠে অবস্থান নিয়েছে পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা টিম, যারা মহল্লা বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৩ নভেম্বর এবং এর আগে পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কীর্তনখোলা নদী লাগোয়া জনপদ বরিশালে যাতে কোনো রূপ অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য বরিশাল বিএনপিও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতা আফরোজা খানম নাসরিন কমী-সমর্থকদের নিয়ে শহরে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছেন। এবং বিএনপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য রুখে দেওয়াসহ শহরকে নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়।
মাঠপুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে তা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা রয়েছে। প্রস্তুতিস্বরূপ শহরের সদর রোড, আমতলার মোড়, রূপাতলী, সিঅ্যান্ডবি রোড, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর, গড়িয়ারপাড়সহ অন্তত শতাধিক স্থানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করা হচ্ছে। মাঠপুলিশের এই কার্যক্রম সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তদারকি করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামসহ ডিসি-এডিসি পদমর্যাদার আরও অন্তত ৬ কর্মকর্তা।
কোতয়ালিসহ মেট্রোপলিটনের আওতাধীন চার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন, শহরবাসীর জানমাল রক্ষায় চেয়ে কয়েকগুন নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচিকে ঘিরে দুদিন আগে থেকেই তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশদ্বারগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক নজর রেখেছে, যাতে বাইরে থেকে কেউ বা কারা প্রবেশ করে নৈরাজ্য তৈরি না করতে পারে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, শহরের চারদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও র্যাব টহলে থাকলেও বিশেষ স্থানসমূহে পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দাপুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুদিনে আওয়ামী লীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান বিএমপি কমিশনার।
এদিকে আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি রুখে দিতে বরিশাল শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিছিলটি শহরের জিলা স্কুলের সামনে থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর রোড গিয়ে সমাপ্ত হয়।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০১
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৩
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের বাবুগঞ্জে সমন্বিত কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষির টেকসই উন্নয়নে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং বিশ্বব্যাংক ও ইফাদের সহায়তায় বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে দিনব্যাপী ওই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
'প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত ওই কংগ্রেসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে পার্টনার কংগ্রেসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোমানা শারমিন রিপার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রকল্পের বরিশাল অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, চাঁদপাশা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, পার্টনার এনজিও প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সুমন, সফল চাষী রুম্মন হোসেন, ঝর্ণা রাণী প্রমুখ।
পার্টনার কংগ্রেসে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএফএম নাজমুস সালেহীন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান, রহমতপুর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান সুমন সিকদার, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম ওমর, রফিকুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সুরুজ, বিবি হাজেরা রিমি, রেশমা আক্তার প্রমুখ। এসময় পার্টনার প্রকল্পের স্টেক হোল্ডাররা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।
পার্টনার প্রকল্প সম্পর্কে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডমুক্ত আধুনিক, নিরাপদ এবং সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করাই এই পার্টনার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। এছাড়াও নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনসহ কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। এতে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষকদের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যাবে তেমনি প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে সমন্বিত কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষির টেকসই উন্নয়নে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং বিশ্বব্যাংক ও ইফাদের সহায়তায় বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে দিনব্যাপী ওই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
'প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত ওই কংগ্রেসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে পার্টনার কংগ্রেসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোমানা শারমিন রিপার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রকল্পের বরিশাল অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, চাঁদপাশা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, পার্টনার এনজিও প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সুমন, সফল চাষী রুম্মন হোসেন, ঝর্ণা রাণী প্রমুখ।
পার্টনার কংগ্রেসে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএফএম নাজমুস সালেহীন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান, রহমতপুর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান সুমন সিকদার, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম ওমর, রফিকুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সুরুজ, বিবি হাজেরা রিমি, রেশমা আক্তার প্রমুখ। এসময় পার্টনার প্রকল্পের স্টেক হোল্ডাররা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।
পার্টনার প্রকল্প সম্পর্কে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডমুক্ত আধুনিক, নিরাপদ এবং সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করাই এই পার্টনার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। এছাড়াও নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনসহ কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। এতে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষকদের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যাবে তেমনি প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। #