
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:৫৬
নাটোরের বড়াইগ্রামে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একটি ডাবল কেবিন ট্রাক জব্দ করেছে বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় ট্রাকের চালককে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান হাইওয়ে বগুড়া রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ (পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি, সুপারনিউমারি)।
তিনি জানান, বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের মানিকপুর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা পাবনাগামী একটি ডাবল কেবিন ট্রাক থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে চালকের পেছনের সিটের নিচ থেকে একটি কালো রঙের স্কুল ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের ভেতরে কালো কস্টেপে মোড়ানো ১৫টি বান্ডিল পাওয়া যায়। প্রতিটি বান্ডিলে নীল রঙের ১০টি করে প্যাকেট এবং প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে গোলাপি রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। এভাবে মোট ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ সময় ট্রাকের চালক শামীম হোসেনকে (৩০) আটক করা হয়। তিনি পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার খালইভরা গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা। এ ছাড়া পাচার কাজে ব্যবহৃত ডাবল কেবিন ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা বলে জানান পুলিশ সুপার।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে বগুড়া রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উদয় কুমার সাহা, সহকারী পুলিশ সুপার মো. বদিউল আমিন চৌধুরী, বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট অফিসার ও ফোর্স সদস্যরা।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল টাইমস
নাটোরের বড়াইগ্রামে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একটি ডাবল কেবিন ট্রাক জব্দ করেছে বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় ট্রাকের চালককে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান হাইওয়ে বগুড়া রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ (পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি, সুপারনিউমারি)।
তিনি জানান, বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের মানিকপুর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা পাবনাগামী একটি ডাবল কেবিন ট্রাক থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে চালকের পেছনের সিটের নিচ থেকে একটি কালো রঙের স্কুল ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের ভেতরে কালো কস্টেপে মোড়ানো ১৫টি বান্ডিল পাওয়া যায়। প্রতিটি বান্ডিলে নীল রঙের ১০টি করে প্যাকেট এবং প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে গোলাপি রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। এভাবে মোট ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ সময় ট্রাকের চালক শামীম হোসেনকে (৩০) আটক করা হয়। তিনি পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার খালইভরা গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা। এ ছাড়া পাচার কাজে ব্যবহৃত ডাবল কেবিন ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা বলে জানান পুলিশ সুপার।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে বগুড়া রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উদয় কুমার সাহা, সহকারী পুলিশ সুপার মো. বদিউল আমিন চৌধুরী, বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট অফিসার ও ফোর্স সদস্যরা।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল টাইমস

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:২৩
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় লাঠির আঘাতে মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের চোখ প্রায় উপড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিলেও এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্ট্রোক করে মারা যান মজিদের মা মাজেদা খাতুন।
গতকাল সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাসুদ রানা মজিদ ছাড়াও অন্য আহতারা হলেন– তাঁর ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার সাথি পারশুন গ্রামের আসাদুল্লাহ হিল গালিব। মাসুদ ও তাঁর ভাই রবিউলকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাসুদকে আজ মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের জন্য স্থানীয় জামায়াতকর্মী বেলাল হোসেন ও ফারুক আহম্মেদ পারশুন গ্রামে যান। এ সময় বিএনপির লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মী অন্য এলাকা থেকে সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মাসুদের ডান চোখ প্রায় উপড়ে যায়।
অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, পারশুন এলাকায় বিএনপির মিছিল থেকে তাদের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের কর্মীকে গালিব মারধর এবং আরও দুই কর্মীকে আটকে রাখে বিএনপিকর্মীরা। মারধরে আহত গালিবকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আজ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরকে দায়ী করেছেন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখনও থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নন্দীগ্রামের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, উভয় পক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশ এবং এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০৩
পটুয়াখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ৯টার দিকে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের একটি কক্ষে এ আগুন দেয়। কেন্দ্রটি পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর-দুমকি-মির্জাগঞ্জ) আসনে অবস্থিত। আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যালয়ের পাসের মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিরা বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আগুন দেখতে পান তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নেভানোর চেষ্টা করা হয়। রাত ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে কক্ষের বেঞ্চ এবং বেড়া পুড়ে যায়। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে বেশি ক্ষতি হয়নি। একটি কক্ষে পুরোনো টায়ারে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রটির নিরাপত্তায় দুজন গ্রাম পুলিশ ও বিদ্যালয়ের একজন নৈশপ্রহরী দায়িত্বরত থাকলেও ঘটনার সময় তারা ছিলেন না। তারা নামাজে এবং খাবার খেতে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এর ফাঁকে ঘটনা ঘটে।
দুমকি থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, আমরা তদন্ত শুরু করছি। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনুপস্থিতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৫
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় লাঠির আঘাতে মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের চোখ প্রায় উপড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিলেও এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্ট্রোক করে মারা যান মজিদের মা মাজেদা খাতুন।
গতকাল সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাসুদ রানা মজিদ ছাড়াও অন্য আহতারা হলেন– তাঁর ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার সাথি পারশুন গ্রামের আসাদুল্লাহ হিল গালিব। মাসুদ ও তাঁর ভাই রবিউলকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাসুদকে আজ মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের জন্য স্থানীয় জামায়াতকর্মী বেলাল হোসেন ও ফারুক আহম্মেদ পারশুন গ্রামে যান। এ সময় বিএনপির লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মী অন্য এলাকা থেকে সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মাসুদের ডান চোখ প্রায় উপড়ে যায়।
অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, পারশুন এলাকায় বিএনপির মিছিল থেকে তাদের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের কর্মীকে গালিব মারধর এবং আরও দুই কর্মীকে আটকে রাখে বিএনপিকর্মীরা। মারধরে আহত গালিবকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আজ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরকে দায়ী করেছেন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখনও থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নন্দীগ্রামের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, উভয় পক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশ এবং এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পটুয়াখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ৯টার দিকে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের একটি কক্ষে এ আগুন দেয়। কেন্দ্রটি পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর-দুমকি-মির্জাগঞ্জ) আসনে অবস্থিত। আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
পাংগাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যালয়ের পাসের মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিরা বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আগুন দেখতে পান তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় নেভানোর চেষ্টা করা হয়। রাত ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে কক্ষের বেঞ্চ এবং বেড়া পুড়ে যায়। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে বেশি ক্ষতি হয়নি। একটি কক্ষে পুরোনো টায়ারে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রটির নিরাপত্তায় দুজন গ্রাম পুলিশ ও বিদ্যালয়ের একজন নৈশপ্রহরী দায়িত্বরত থাকলেও ঘটনার সময় তারা ছিলেন না। তারা নামাজে এবং খাবার খেতে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এর ফাঁকে ঘটনা ঘটে।
দুমকি থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, আমরা তদন্ত শুরু করছি। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনুপস্থিতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে উভয় পক্ষের ১২ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার সকালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কাজিরহাট থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি কর্মীরা তাঁদের প্রচারণায় হামলা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অন্যদিকে বিএনপির দাবি, জামায়াতের কর্মীরা বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে বিশৃঙ্খলা করলে তাঁদের নেতা-কর্মীরা তাতে বাধা দেন এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বরিশাল-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সৈয়দ গুলজার আলম আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় বরিশাল প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সৈয়দ গুলজার আলম বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন সোমবার সন্ধ্যায় আন্ধারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
তখন স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। এ সময় বিএনপির নির্বাচনী অফিস থেকে লাঠিসোঁটা এনে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বিএনপি কর্মীরা।
হামলায় নেতৃত্ব দেন মোফাজ্জেল দেওয়ান, মোহাম্মদ আলী, আয়নাল মাঝি, আনোয়ার হাওলাদারসহ আরও ২৫-৩০ জন। বিএনপির নেতা-কর্মীরা জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে থাকা ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দেয় এবং একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।
এ সময় লাঠির আঘাতে কয়েকজনের মাথা ফেটে যায় এবং একজনের পা ভেঙে যায়। আহত কয়েকজন পাশের চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও বিএনপি নেতা-কর্মীরা হামলা চালায়। একপর্যায়ে জামায়াত নেতা-কর্মীদের ফোন পেয়ে সেনাবাহিনী এসে তাঁদের উদ্ধার করে।’
সৈয়দ গুলজার আলম আরও বলেন, ‘আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক দুজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগেও গত ২ ফেব্রুয়ারি হামলাকারী মোহাম্মদ আলীসহ ধানের শীষের কর্মীরা জামায়াতে ইসলামীর মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছিল। ওই ঘটনায় তখন কাজিরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় হামলার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।’
হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বিএনপি কর্মী মোফাজ্জেল দেওয়ান বলেন, ‘জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা শেষ করে ফেরার সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল রেখে মিছিল শুরু করেন। ওই সময় বিএনপি কর্মীরা তাদের বাধা দিলে তারা পাঁচ-ছয়জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দিয়েছে।’
আজ সন্ধ্যায় কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবীউল হাসান বলেন, বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে উভয় পক্ষের ১২ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার সকালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কাজিরহাট থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি কর্মীরা তাঁদের প্রচারণায় হামলা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অন্যদিকে বিএনপির দাবি, জামায়াতের কর্মীরা বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে বিশৃঙ্খলা করলে তাঁদের নেতা-কর্মীরা তাতে বাধা দেন এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বরিশাল-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সৈয়দ গুলজার আলম আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় বরিশাল প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সৈয়দ গুলজার আলম বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন সোমবার সন্ধ্যায় আন্ধারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
তখন স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। এ সময় বিএনপির নির্বাচনী অফিস থেকে লাঠিসোঁটা এনে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বিএনপি কর্মীরা।
হামলায় নেতৃত্ব দেন মোফাজ্জেল দেওয়ান, মোহাম্মদ আলী, আয়নাল মাঝি, আনোয়ার হাওলাদারসহ আরও ২৫-৩০ জন। বিএনপির নেতা-কর্মীরা জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে থাকা ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দেয় এবং একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।
এ সময় লাঠির আঘাতে কয়েকজনের মাথা ফেটে যায় এবং একজনের পা ভেঙে যায়। আহত কয়েকজন পাশের চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও বিএনপি নেতা-কর্মীরা হামলা চালায়। একপর্যায়ে জামায়াত নেতা-কর্মীদের ফোন পেয়ে সেনাবাহিনী এসে তাঁদের উদ্ধার করে।’
সৈয়দ গুলজার আলম আরও বলেন, ‘আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক দুজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগেও গত ২ ফেব্রুয়ারি হামলাকারী মোহাম্মদ আলীসহ ধানের শীষের কর্মীরা জামায়াতে ইসলামীর মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছিল। ওই ঘটনায় তখন কাজিরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় হামলার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।’
হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বিএনপি কর্মী মোফাজ্জেল দেওয়ান বলেন, ‘জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা শেষ করে ফেরার সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল রেখে মিছিল শুরু করেন। ওই সময় বিএনপি কর্মীরা তাদের বাধা দিলে তারা পাঁচ-ছয়জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দিয়েছে।’
আজ সন্ধ্যায় কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবীউল হাসান বলেন, বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০৩
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯