
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩৭
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বুধবার মধ্যরাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে রওনা হবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে তারেক রহমানের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও থাকবেন। ফ্লাইটের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটে যাত্রাবিরতির পর বেলা ১১:২০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবেন, ইনশাআল্লাহ।’
ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা তাকে স্বাগত জানাবেন। এরপর সড়ক পথে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। যাওয়ার পথে সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন, যা ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের ৩০০ ফুট সড়কে অনুষ্ঠিত হবে।
সালাহউদ্দিন জানান, এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করবেন। অনুষ্ঠানে কোনো বক্তৃতা, জনসভা বা সংবর্ধনা নেই। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ-তে ১৯৬ নম্বর বাসায় চলে যাবেন, যেখানে তিনি অবস্থান করবেন।
শুক্রবারের কর্মসূচিতে জুমার পর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত এবং সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সালাহউদ্দিন জানান, পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে যথাসময়ে জানানো হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা বিমানবন্দর থেকে কোনো জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। এজন্য তিনি সরকারি ছুটির দিনকে তার প্রত্যাবর্তনের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। ঢাকার ৩০০ ফুট সড়কের অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত, কেবল দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য।’
তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের নির্দেশে সিলেটের নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন না। ঢাকায় আসার পর নির্ধারিত স্থানে দেশবাসীর উদ্দেশে কথা বলবেন। এটি কোনো জনসভা বা বড়ো সংবর্ধনা নয়।
বিএনপির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা একেএম সাইফুল ইসলাম জানান, দলের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে। দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণই নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনুষ্ঠানের কলেবর যত ছোটই হোক না কেন, ১৭ বছর ধরে অপেক্ষমান দেশের সব প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আমাদের নেই। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে জনদূর্ভোগ না হয়।
তিনি জানান, তারেক রহমানের প্রথম কার্যক্রম হবে বিমানবন্দর থেকে তার চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ মা এবং দেশের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়া। এছাড়া তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার মাজার জিয়ারত এবং তার ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবরের পাশে যাবেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ঢাকার সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানটি দেশের সব মানুষের জন্য কৃতজ্ঞতা ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এতে কোনো বক্তা থাকবেন না, কেবল দেশের জন্য দোয়া ও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বুধবার মধ্যরাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে রওনা হবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে তারেক রহমানের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও থাকবেন। ফ্লাইটের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটে যাত্রাবিরতির পর বেলা ১১:২০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবেন, ইনশাআল্লাহ।’
ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা তাকে স্বাগত জানাবেন। এরপর সড়ক পথে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। যাওয়ার পথে সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন, যা ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের ৩০০ ফুট সড়কে অনুষ্ঠিত হবে।
সালাহউদ্দিন জানান, এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করবেন। অনুষ্ঠানে কোনো বক্তৃতা, জনসভা বা সংবর্ধনা নেই। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ-তে ১৯৬ নম্বর বাসায় চলে যাবেন, যেখানে তিনি অবস্থান করবেন।
শুক্রবারের কর্মসূচিতে জুমার পর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত এবং সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সালাহউদ্দিন জানান, পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে যথাসময়ে জানানো হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা বিমানবন্দর থেকে কোনো জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। এজন্য তিনি সরকারি ছুটির দিনকে তার প্রত্যাবর্তনের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। ঢাকার ৩০০ ফুট সড়কের অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত, কেবল দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য।’
তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের নির্দেশে সিলেটের নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন না। ঢাকায় আসার পর নির্ধারিত স্থানে দেশবাসীর উদ্দেশে কথা বলবেন। এটি কোনো জনসভা বা বড়ো সংবর্ধনা নয়।
বিএনপির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা একেএম সাইফুল ইসলাম জানান, দলের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে। দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণই নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনুষ্ঠানের কলেবর যত ছোটই হোক না কেন, ১৭ বছর ধরে অপেক্ষমান দেশের সব প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আমাদের নেই। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে জনদূর্ভোগ না হয়।
তিনি জানান, তারেক রহমানের প্রথম কার্যক্রম হবে বিমানবন্দর থেকে তার চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ মা এবং দেশের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়া। এছাড়া তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার মাজার জিয়ারত এবং তার ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবরের পাশে যাবেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ঢাকার সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানটি দেশের সব মানুষের জন্য কৃতজ্ঞতা ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এতে কোনো বক্তা থাকবেন না, কেবল দেশের জন্য দোয়া ও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা হবে।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৮
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করাও আমার দায়িত্ব। ইশতেহার অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দেওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা নেই। এতে উল্টো প্রান্তিকের অর্থনীতি সচল হবে। আগামী ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার ও ৪ বছরে আরও ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’
সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে বক্তব্যকালে এক সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব দেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করাও আমার দায়িত্ব। ইশতেহার অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দেওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা নেই। এতে উল্টো প্রান্তিকের অর্থনীতি সচল হবে। আগামী ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার ও ৪ বছরে আরও ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’
সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে বক্তব্যকালে এক সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব দেন।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এপ্রিল মাসেও দেশে বর্তমান দামেই বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ভাণ্ডারে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে আরো প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আসন্ন মাসে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, ডিজেলের তুলনায় দেশে অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার অনেকটা কম, যা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজেলের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এপ্রিল মাসেও দেশে বর্তমান দামেই বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ভাণ্ডারে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে আরো প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আসন্ন মাসে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, ডিজেলের তুলনায় দেশে অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার অনেকটা কম, যা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজেলের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৪
পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সুপ্রিম কোর্ট সূত্র পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বঙ্গভবনে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণসহ কয়েকটি বিষয় সামনে এনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সুপ্রিম কোর্ট সূত্র পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বঙ্গভবনে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণসহ কয়েকটি বিষয় সামনে এনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.