
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩৭
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বুধবার মধ্যরাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে রওনা হবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে তারেক রহমানের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও থাকবেন। ফ্লাইটের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটে যাত্রাবিরতির পর বেলা ১১:২০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবেন, ইনশাআল্লাহ।’
ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা তাকে স্বাগত জানাবেন। এরপর সড়ক পথে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। যাওয়ার পথে সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন, যা ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের ৩০০ ফুট সড়কে অনুষ্ঠিত হবে।
সালাহউদ্দিন জানান, এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করবেন। অনুষ্ঠানে কোনো বক্তৃতা, জনসভা বা সংবর্ধনা নেই। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ-তে ১৯৬ নম্বর বাসায় চলে যাবেন, যেখানে তিনি অবস্থান করবেন।
শুক্রবারের কর্মসূচিতে জুমার পর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত এবং সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সালাহউদ্দিন জানান, পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে যথাসময়ে জানানো হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা বিমানবন্দর থেকে কোনো জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। এজন্য তিনি সরকারি ছুটির দিনকে তার প্রত্যাবর্তনের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। ঢাকার ৩০০ ফুট সড়কের অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত, কেবল দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য।’
তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের নির্দেশে সিলেটের নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন না। ঢাকায় আসার পর নির্ধারিত স্থানে দেশবাসীর উদ্দেশে কথা বলবেন। এটি কোনো জনসভা বা বড়ো সংবর্ধনা নয়।
বিএনপির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা একেএম সাইফুল ইসলাম জানান, দলের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে। দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণই নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনুষ্ঠানের কলেবর যত ছোটই হোক না কেন, ১৭ বছর ধরে অপেক্ষমান দেশের সব প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আমাদের নেই। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে জনদূর্ভোগ না হয়।
তিনি জানান, তারেক রহমানের প্রথম কার্যক্রম হবে বিমানবন্দর থেকে তার চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ মা এবং দেশের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়া। এছাড়া তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার মাজার জিয়ারত এবং তার ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবরের পাশে যাবেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ঢাকার সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানটি দেশের সব মানুষের জন্য কৃতজ্ঞতা ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এতে কোনো বক্তা থাকবেন না, কেবল দেশের জন্য দোয়া ও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বুধবার মধ্যরাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে রওনা হবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে তারেক রহমানের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও থাকবেন। ফ্লাইটের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটে যাত্রাবিরতির পর বেলা ১১:২০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবেন, ইনশাআল্লাহ।’
ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা তাকে স্বাগত জানাবেন। এরপর সড়ক পথে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। যাওয়ার পথে সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন, যা ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের ৩০০ ফুট সড়কে অনুষ্ঠিত হবে।
সালাহউদ্দিন জানান, এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করবেন। অনুষ্ঠানে কোনো বক্তৃতা, জনসভা বা সংবর্ধনা নেই। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ-তে ১৯৬ নম্বর বাসায় চলে যাবেন, যেখানে তিনি অবস্থান করবেন।
শুক্রবারের কর্মসূচিতে জুমার পর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত এবং সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সালাহউদ্দিন জানান, পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে যথাসময়ে জানানো হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা বিমানবন্দর থেকে কোনো জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। এজন্য তিনি সরকারি ছুটির দিনকে তার প্রত্যাবর্তনের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। ঢাকার ৩০০ ফুট সড়কের অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত, কেবল দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য।’
তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের নির্দেশে সিলেটের নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন না। ঢাকায় আসার পর নির্ধারিত স্থানে দেশবাসীর উদ্দেশে কথা বলবেন। এটি কোনো জনসভা বা বড়ো সংবর্ধনা নয়।
বিএনপির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা একেএম সাইফুল ইসলাম জানান, দলের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে। দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণই নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনুষ্ঠানের কলেবর যত ছোটই হোক না কেন, ১৭ বছর ধরে অপেক্ষমান দেশের সব প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আমাদের নেই। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে জনদূর্ভোগ না হয়।
তিনি জানান, তারেক রহমানের প্রথম কার্যক্রম হবে বিমানবন্দর থেকে তার চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ মা এবং দেশের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়া। এছাড়া তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার মাজার জিয়ারত এবং তার ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবরের পাশে যাবেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ঢাকার সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানটি দেশের সব মানুষের জন্য কৃতজ্ঞতা ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এতে কোনো বক্তা থাকবেন না, কেবল দেশের জন্য দোয়া ও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা হবে।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.