
৩১ জুলাই, ২০২৫ ১০:৪৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে আর্সেনিক ও জীবাণুমুক্ত ভূগর্ভস্থ নিরাপদ পানি ব্যবহার শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে বুধবার (৩০ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে জিওবি-ইউনিসেফ সিআর ওয়াশ প্রোগ্রামের আওতায় ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ইউনিসেফ-বাংলাদেশের কনসালটেন্ট মোঃ জাহিদ আলম ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবিদ ওসমান।
ইউপিআরসি বাবুগঞ্জের এরিয়া ম্যানেজার খন্দকার মশিউর রহমানের সঞ্চালনায় এসময় বিশেষজ্ঞ ও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জিওবি-ইউনিসেফ সিআর ওয়াশ প্রোগ্রামের ম্যানেজার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মোঃ ইফতেখার আলম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুর রহিম, দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান এবং চাঁদপাশা ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী।
মতবিনিময় সভায় ভূগর্ভস্থ গভীর নলকূপের আর্সেনিক দূষণরোধ ও জীবাণুমুক্ত নিরাপদ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন অংশীজনদের করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। এসময় দক্ষ টিউবওয়েল মিস্ত্রি নিয়োগ, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পানির আর্সেনিক পরীক্ষাকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ওই জিওবি-ইউনিসেফ সিআর ওয়াশ প্রোগ্রামের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, 'আমরা যে টিউবওয়েল থেকে পানি পান করছি সেটা আর্সেনিকমুক্ত কিনা তা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। উপজেলা পাবলিক হেলথ অফিসে আর্সেনিক পরীক্ষা করা হয়। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদে এই সেবা চালু করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে অনেক টিউবওয়েল প্লাবিত হয়ে পানির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ জীবাণু মানবদেহে ছড়িয়ে পড়ে। এজন্য দক্ষ মিস্ত্রির সাহায্যে উঁচু জায়গায় টিউবওয়েল স্থাপন করতে হবে। নিরাপদ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে আর্সেনিক ও জীবাণুমুক্ত ভূগর্ভস্থ নিরাপদ পানি ব্যবহার শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে বুধবার (৩০ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে জিওবি-ইউনিসেফ সিআর ওয়াশ প্রোগ্রামের আওতায় ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ইউনিসেফ-বাংলাদেশের কনসালটেন্ট মোঃ জাহিদ আলম ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবিদ ওসমান।
ইউপিআরসি বাবুগঞ্জের এরিয়া ম্যানেজার খন্দকার মশিউর রহমানের সঞ্চালনায় এসময় বিশেষজ্ঞ ও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জিওবি-ইউনিসেফ সিআর ওয়াশ প্রোগ্রামের ম্যানেজার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মোঃ ইফতেখার আলম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুর রহিম, দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান এবং চাঁদপাশা ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী।
মতবিনিময় সভায় ভূগর্ভস্থ গভীর নলকূপের আর্সেনিক দূষণরোধ ও জীবাণুমুক্ত নিরাপদ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন অংশীজনদের করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। এসময় দক্ষ টিউবওয়েল মিস্ত্রি নিয়োগ, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পানির আর্সেনিক পরীক্ষাকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ওই জিওবি-ইউনিসেফ সিআর ওয়াশ প্রোগ্রামের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, 'আমরা যে টিউবওয়েল থেকে পানি পান করছি সেটা আর্সেনিকমুক্ত কিনা তা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। উপজেলা পাবলিক হেলথ অফিসে আর্সেনিক পরীক্ষা করা হয়। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদে এই সেবা চালু করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে অনেক টিউবওয়েল প্লাবিত হয়ে পানির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ জীবাণু মানবদেহে ছড়িয়ে পড়ে। এজন্য দক্ষ মিস্ত্রির সাহায্যে উঁচু জায়গায় টিউবওয়েল স্থাপন করতে হবে। নিরাপদ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।'

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৩৮
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৭
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’