
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন। কারণ, এই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের ডাকসু ভিপি ও বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
নুর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই সমঝোতা এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এই আসনে শুরু থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. হাসান মামুন। বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। দলীয় আপত্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা-দশমিনায় বিএনপি সমর্থকদের একটি বড় অংশ হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপির এই অংশটির সহযোগিতা পাচ্ছেন না নুরুল হক নুর। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৭ জানুয়ারি একই দিনে আসনটির তিনটি ইউনিট (গলাচিপা উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা পৌর) কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী তানজির আহমেদ রিডেনকেও বহিষ্কার করা হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন সমীকরণ ও উত্তেজনা।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্তও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর পান ট্রাক প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পান ঘোড়া প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমার আসনে একজন বহিষ্কৃত নেতা নিজেকে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি সভা-সমাবেশে আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন এবং এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা কিংবা সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় থাকা। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনব।’
অন্যদিকে সভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, ‘আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন যেন স্বচ্ছ ও কঠোর থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এটাই প্রত্যাশা।’
প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সভায় হাসান মামুন আরও বলেন,‘অন্য দল থেকে এসে স্বঘোষিত জাতীয় নেতা বিএনপিকে বিভিন্ন জোটের বেড়াজালে ফেলে মনোনয়ন নিয়েছেন। বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমি যেন প্রার্থী হতে না পারি, নির্বাচন করতে না পারি, সে জন্য সব ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছে। তবুও জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমি জনগণের সামনে হাজির হয়েছি।’
এদিকে উভয় প্রার্থীই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলছেন। এতে করে পটুয়াখালী-৩ আসনের ভোটের মাঠে বইছে আমেজ ও উত্তেজনাসহ উত্তাপের হাওয়া।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘পটুয়াখালীতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক চেয়েছিলেন এবং তাকে সেটিই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসনটিতে নুরুল হক নুর ও মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনের লড়াই এখন আর কেবল নুর ও হাসান মামুন দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একদিকে জোট রাজনীতির কার্যকারিতা, অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বনাম স্থানীয় জনপ্রিয়তার শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাক না ঘোড়া কোন প্রতীক এগিয়ে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই আসনের ফলাফল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কী বার্তা দেয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন। কারণ, এই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের ডাকসু ভিপি ও বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
নুর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই সমঝোতা এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এই আসনে শুরু থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. হাসান মামুন। বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। দলীয় আপত্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা-দশমিনায় বিএনপি সমর্থকদের একটি বড় অংশ হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপির এই অংশটির সহযোগিতা পাচ্ছেন না নুরুল হক নুর। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৭ জানুয়ারি একই দিনে আসনটির তিনটি ইউনিট (গলাচিপা উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা পৌর) কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী তানজির আহমেদ রিডেনকেও বহিষ্কার করা হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন সমীকরণ ও উত্তেজনা।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্তও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর পান ট্রাক প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পান ঘোড়া প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমার আসনে একজন বহিষ্কৃত নেতা নিজেকে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি সভা-সমাবেশে আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন এবং এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা কিংবা সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় থাকা। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনব।’
অন্যদিকে সভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, ‘আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন যেন স্বচ্ছ ও কঠোর থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এটাই প্রত্যাশা।’
প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সভায় হাসান মামুন আরও বলেন,‘অন্য দল থেকে এসে স্বঘোষিত জাতীয় নেতা বিএনপিকে বিভিন্ন জোটের বেড়াজালে ফেলে মনোনয়ন নিয়েছেন। বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমি যেন প্রার্থী হতে না পারি, নির্বাচন করতে না পারি, সে জন্য সব ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছে। তবুও জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমি জনগণের সামনে হাজির হয়েছি।’
এদিকে উভয় প্রার্থীই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলছেন। এতে করে পটুয়াখালী-৩ আসনের ভোটের মাঠে বইছে আমেজ ও উত্তেজনাসহ উত্তাপের হাওয়া।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘পটুয়াখালীতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক চেয়েছিলেন এবং তাকে সেটিই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসনটিতে নুরুল হক নুর ও মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনের লড়াই এখন আর কেবল নুর ও হাসান মামুন দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একদিকে জোট রাজনীতির কার্যকারিতা, অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বনাম স্থানীয় জনপ্রিয়তার শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাক না ঘোড়া কোন প্রতীক এগিয়ে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই আসনের ফলাফল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কী বার্তা দেয়।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১২
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে পটুয়াখালী শহরের চার লেন সড়কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং বোর্ড। আধুনিক নকশা ও আলোকসজ্জায় নির্মিত এসব বোর্ড পথচারী ও যানবাহন চলাচলকারী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইটিং বোর্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারের উপসচিব, পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর সভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর সিংহসহ পৌর প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাইটিং বোর্ডগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব, ভোটারদের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য বার্তা প্রদর্শন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় আলো ব্যবস্থার কারণে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বোর্ডগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জুয়েল রানা বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইটিং বোর্ডগুলো মানুষের মাঝে ভোটের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে এবং গণভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন নান্দনিক উদ্যোগ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার সম্পর্কে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের লাইটিং বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যাতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে পটুয়াখালী শহরের চার লেন সড়কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং বোর্ড। আধুনিক নকশা ও আলোকসজ্জায় নির্মিত এসব বোর্ড পথচারী ও যানবাহন চলাচলকারী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইটিং বোর্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারের উপসচিব, পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর সভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর সিংহসহ পৌর প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাইটিং বোর্ডগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব, ভোটারদের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য বার্তা প্রদর্শন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় আলো ব্যবস্থার কারণে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বোর্ডগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জুয়েল রানা বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইটিং বোর্ডগুলো মানুষের মাঝে ভোটের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে এবং গণভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন নান্দনিক উদ্যোগ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার সম্পর্কে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের লাইটিং বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যাতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০ টায় বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. ,জিানুর রহমান, বাউফল পৌরসভা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সাদিকুজ্জামান রাকিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মূনইমুল ইসলাম মিরাজ ও এনামুল হক মনন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আপেল মাহমুদ মুন্না ও সাবেক সদস্য সচিব মো. রিয়াজ হোসেন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেয়ামুল ইসলাম, জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা মোয়সার হোসাইন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ সাক্ষরিত ও ঘোষিত আবদুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি ও মো. রাসেল ইকবাল দুখু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, সন্তানের জনক ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মীরা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামে যাঁরা মাঠে ছিলেন, কারাভোগ করেছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হয়েছেন তাঁদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষের বিভিন্ন প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব জাকারিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলেও একই দাবি তুলে স্লোগান দেয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০ টায় বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. ,জিানুর রহমান, বাউফল পৌরসভা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সাদিকুজ্জামান রাকিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মূনইমুল ইসলাম মিরাজ ও এনামুল হক মনন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আপেল মাহমুদ মুন্না ও সাবেক সদস্য সচিব মো. রিয়াজ হোসেন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেয়ামুল ইসলাম, জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা মোয়সার হোসাইন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ সাক্ষরিত ও ঘোষিত আবদুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি ও মো. রাসেল ইকবাল দুখু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, সন্তানের জনক ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মীরা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামে যাঁরা মাঠে ছিলেন, কারাভোগ করেছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হয়েছেন তাঁদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষের বিভিন্ন প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব জাকারিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলেও একই দাবি তুলে স্লোগান দেয়।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৬
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবু ইউসুফ এবং বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব মো. ফরিদুল ইসলাম।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন, ভোটগ্রহণের নিয়মাবলি, ব্যালট পেপার ও ইভিএম ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস দুমকি, পটুয়াখালীর যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবু ইউসুফ এবং বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব মো. ফরিদুল ইসলাম।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন, ভোটগ্রহণের নিয়মাবলি, ব্যালট পেপার ও ইভিএম ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস দুমকি, পটুয়াখালীর যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.