
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:১০
ঝালকাঠির রাজাপুরে কনকনে ঠান্ডায় ৫০০ টাকার বাজি ধরে খালে ১০০ বার ডুব দেওয়ার পর মো. বাবুল মোল্লা (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বড়ইয়া কাচারিবাজার সংলগ্ন খালে এই ঘটনা ঘটে।
বাবুল মোল্লা বড়ইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামের মো. আনসার আলী মোল্লার ছেলে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, সকালবেলায় বাবুল মোল্লা এক বস্তা চাল মাথায় নিয়ে বড়ইয়া কাঁছারি বাজারে আসেন। শীতের সকালে পরিশ্রমের কারণে শরীর গরম হয়ে গেলে তিনি বাজারে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে ৫০০ টাকার বিনিময়ে খালে নেমে টানা ১০০ বার ডুব দেওয়ার বাজি ধরেন।
খালে ডুব দেওয়ার পর পাড়ে উঠে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনেরা তাকে উষ্ণতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তমাল হালদার জানান, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে হাইপোথারমিয়া হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজাপুর থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির রাজাপুরে কনকনে ঠান্ডায় ৫০০ টাকার বাজি ধরে খালে ১০০ বার ডুব দেওয়ার পর মো. বাবুল মোল্লা (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বড়ইয়া কাচারিবাজার সংলগ্ন খালে এই ঘটনা ঘটে।
বাবুল মোল্লা বড়ইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামের মো. আনসার আলী মোল্লার ছেলে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, সকালবেলায় বাবুল মোল্লা এক বস্তা চাল মাথায় নিয়ে বড়ইয়া কাঁছারি বাজারে আসেন। শীতের সকালে পরিশ্রমের কারণে শরীর গরম হয়ে গেলে তিনি বাজারে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে ৫০০ টাকার বিনিময়ে খালে নেমে টানা ১০০ বার ডুব দেওয়ার বাজি ধরেন।
খালে ডুব দেওয়ার পর পাড়ে উঠে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনেরা তাকে উষ্ণতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তমাল হালদার জানান, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে হাইপোথারমিয়া হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজাপুর থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৮

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
ঝালকাঠি-২ আসনের সদর উপজেলার কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের বেশাইনখান গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর দুই কর্মীর দুইটি দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার বেশাইন খান গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী হানিফ মোল্লা ও হাবিব মোল্লা জামায়াতের কর্মী হিসেবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।
গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বেশাইনখান গ্রামের বাজার এলাকায় অবস্থিত জামায়াতে ইসলামী সক্রিয় দুই কর্মীর দুইটি দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দোকানের ভেতরে থাকা মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সকালে স্থানীয়রা আগুনে পোড়া দোকান দেখতে পেয়ে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানান।
ঘটনার পর জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি-২ আসনের জামায়াত ও জোট প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আগেও আমাদের কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। এসব করে জনগণের রায় পরিবর্তন করা যাবে না। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, তাদের নেতাকর্মীদের ওপর আগেই ধারাবাহিকভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল- কেন তারা এলাকায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করছে, তা নিয়েই মূলত এই চাপ।
জামায়াতের পক্ষে সৃষ্টি হওয়া গণজোয়ার দেখে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, যার উদ্দেশ্য ভোটারদের ভয় দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া।
বিশেষ করে নারী ভোটারদের টার্গেট করা হচ্ছে, কারণ তারাই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে বেশি সমর্থন জানাচ্ছেন। এসব ঘটনার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, দোকানে অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঝালকাঠি-২ আসনের সদর উপজেলার কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের বেশাইনখান গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর দুই কর্মীর দুইটি দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার বেশাইন খান গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী হানিফ মোল্লা ও হাবিব মোল্লা জামায়াতের কর্মী হিসেবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।
গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বেশাইনখান গ্রামের বাজার এলাকায় অবস্থিত জামায়াতে ইসলামী সক্রিয় দুই কর্মীর দুইটি দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দোকানের ভেতরে থাকা মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সকালে স্থানীয়রা আগুনে পোড়া দোকান দেখতে পেয়ে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানান।
ঘটনার পর জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি-২ আসনের জামায়াত ও জোট প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আগেও আমাদের কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। এসব করে জনগণের রায় পরিবর্তন করা যাবে না। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, তাদের নেতাকর্মীদের ওপর আগেই ধারাবাহিকভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল- কেন তারা এলাকায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করছে, তা নিয়েই মূলত এই চাপ।
জামায়াতের পক্ষে সৃষ্টি হওয়া গণজোয়ার দেখে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, যার উদ্দেশ্য ভোটারদের ভয় দেখিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া।
বিশেষ করে নারী ভোটারদের টার্গেট করা হচ্ছে, কারণ তারাই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে বেশি সমর্থন জানাচ্ছেন। এসব ঘটনার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, দোকানে অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
ঝালকাঠিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সদস্য সচিব রাইয়ান বিন কামালসহ সংগঠনটির ১০ নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগদান করেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা শহরের সাধনার মোড় সংলগ্ন বিএনপির প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা এই যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে ঝালকাঠি-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো নতুনদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে ছাত্রদলে স্বাগত জানান। এ সময় তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের এই অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।
যোগদানকারী নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে রাইয়ান বিন কামাল বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মূলত কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি ছিল একটি দাবি আদায়ের প্ল্যাটফর্ম। ছাত্রদলের আদর্শিক ও গঠনমূলক কার্যক্রমের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য মনিরুল ইসলাম নূপুর, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের জেলা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
উল্লেখ্য, যোগদানকারী এই নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।
ঝালকাঠিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সদস্য সচিব রাইয়ান বিন কামালসহ সংগঠনটির ১০ নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগদান করেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা শহরের সাধনার মোড় সংলগ্ন বিএনপির প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা এই যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে ঝালকাঠি-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো নতুনদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে ছাত্রদলে স্বাগত জানান। এ সময় তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের এই অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।
যোগদানকারী নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে রাইয়ান বিন কামাল বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মূলত কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি ছিল একটি দাবি আদায়ের প্ল্যাটফর্ম। ছাত্রদলের আদর্শিক ও গঠনমূলক কার্যক্রমের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য মনিরুল ইসলাম নূপুর, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের জেলা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
উল্লেখ্য, যোগদানকারী এই নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৪
ঝালকাঠির রাজাপুরে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ. এম. আলী হায়দার নাফিজের উদ্যোগে এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, জনকল্যাণমূলক এই কার্যক্রমটি নির্বাচনের পরেও চলবে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন দুবাই যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহমুদুল হাসান ফেরদৌস, ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আতিকুর রহমান আতিক এবং বড়ইয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ. এম. আলী হায়দার নাফিজ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। তবে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখনো চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হওয়ায় তাদের মাঝে সেই আমেজ তৈরি হয়নি।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমরা সেটা নির্বাচনের আগেই শুরু করে দিয়েছি, যাতে গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থসেবা পৌঁছে দিতে পারি।
এতে তাদের মাঝেও নির্বাচনী আমেজ ফিরে আসবে। আমাদের এই কর্যক্রম রাজাপুর, কাঠালিয়া ও ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনের পরেও চলবে।
ভ্রাম্যমাণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে বলে জানান চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ক্যাম্পে সাধারণ মানুষ, শিশু ও বৃদ্ধসহ সব বয়সের লোকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ এবং বিনামূল্যের ওষুধ সুবিধা নেন।
ঝালকাঠির রাজাপুরে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ. এম. আলী হায়দার নাফিজের উদ্যোগে এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, জনকল্যাণমূলক এই কার্যক্রমটি নির্বাচনের পরেও চলবে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন দুবাই যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহমুদুল হাসান ফেরদৌস, ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আতিকুর রহমান আতিক এবং বড়ইয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ. এম. আলী হায়দার নাফিজ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। তবে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখনো চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হওয়ায় তাদের মাঝে সেই আমেজ তৈরি হয়নি।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমরা সেটা নির্বাচনের আগেই শুরু করে দিয়েছি, যাতে গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থসেবা পৌঁছে দিতে পারি।
এতে তাদের মাঝেও নির্বাচনী আমেজ ফিরে আসবে। আমাদের এই কর্যক্রম রাজাপুর, কাঠালিয়া ও ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনের পরেও চলবে।
ভ্রাম্যমাণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে বলে জানান চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ক্যাম্পে সাধারণ মানুষ, শিশু ও বৃদ্ধসহ সব বয়সের লোকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ এবং বিনামূল্যের ওষুধ সুবিধা নেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.