Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৫
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নগরীর রূপাতলীর দপদপিয়া এলাকায় টেক্সটাইল মিলের সামনে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
কর্মবিরতির শুরুতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের সামনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে টেক্সটাইল মিলের লাইনম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কারখানা কর্তৃপক্ষ সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছে। দুই শ্রমিক নেতার কোন অপরাধ নেই।
তাদের অপরাধ শুধু বিজয় দিবসের দিন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ দিবস উপলক্ষে মিল মালিকদের কাছে ছুটি চাওয়া হয়েছিল। ছুটি না পেয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেই ঘটনার জের ধরে তাদের দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলে ৩০ বছর থেকে চাকরি করেন। খুকুমনি এই মিলে ১৪ বছর ধরে চাকরি করছেন। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি বৈষম্যমূলক । যা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত বা আইনসংগত নয় । অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক ডা.মনীষা চক্রবর্ত্তী বরিশালটাইমসকে বলেন, দুই শ্রমিক নেতাকে অকারণে বরখাস্ত করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নকে অকার্যকর করা। মালিকদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, ট্রেড ইউনিয়নকে নেতৃত্বশূণ্য ও অকার্যকর করা। যাতে ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে সংগঠিত হতে না পারে। এ হীন উদ্দেশেই ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নেতা মাসুম গাজী, ইমরান হোসেন, মোঃ জসীম হাওলাদার,হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নগরীর রূপাতলীর দপদপিয়া এলাকায় টেক্সটাইল মিলের সামনে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
কর্মবিরতির শুরুতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের সামনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে টেক্সটাইল মিলের লাইনম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কারখানা কর্তৃপক্ষ সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছে। দুই শ্রমিক নেতার কোন অপরাধ নেই।
তাদের অপরাধ শুধু বিজয় দিবসের দিন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ দিবস উপলক্ষে মিল মালিকদের কাছে ছুটি চাওয়া হয়েছিল। ছুটি না পেয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেই ঘটনার জের ধরে তাদের দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলে ৩০ বছর থেকে চাকরি করেন। খুকুমনি এই মিলে ১৪ বছর ধরে চাকরি করছেন। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি বৈষম্যমূলক । যা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত বা আইনসংগত নয় । অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক ডা.মনীষা চক্রবর্ত্তী বরিশালটাইমসকে বলেন, দুই শ্রমিক নেতাকে অকারণে বরখাস্ত করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নকে অকার্যকর করা। মালিকদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, ট্রেড ইউনিয়নকে নেতৃত্বশূণ্য ও অকার্যকর করা। যাতে ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে সংগঠিত হতে না পারে। এ হীন উদ্দেশেই ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নেতা মাসুম গাজী, ইমরান হোসেন, মোঃ জসীম হাওলাদার,হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৪

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫৬
বরিশালসহ দেশের আরও পাঁচটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণকে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত সিটি কর্পোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো’।
এর মধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, রাজশাহী সিটিতে মো. মাহফুজুর রহমান, ময়মনসিংহ সিটিতে মো, রুকুনোজ্জামান রোকন, রংপুর সিটিতে মাহফুজ উন নবী চৌধুরী এবং কুমিল্লা সিটিতে মো. ইউসুফ মোল্লা।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকগণ স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এর ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৪
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। বিএনপির সাহসী এই নারী নেত্রীকে শনিবার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
কীর্তনখোলা নদীতীরের এই সিটির প্রশাসক হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় অন্তত ডজনখানে বিএনপি নেতা ছিলেন। সেখানে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিনের নামটিও আলোচনা শোনা যাচ্ছিল। সবশেষ শনিবার তাকেই প্রশাসক হিসেবে চূড়ান্ত করে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সিটি কর্পোরেশনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে নিয়ে প্রাপ্তিতে বিএনপি নেত্রীর কর্মী- সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনের ব্যাপক অবদান রয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের শাসনামলে অসংখ্যবার এই নারী নেত্রী হামলা-মামলা এবং কারাবরণের শিকার হলেও হাল ছাড়েননি।
বরং কী ভাবে নিজেকে আরও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মেলে ধরা যায় সেই চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বরিশালের স্থানীয় রাজনীতিতে শিরিনের একটি শক্তপোক্ত বলয় রয়েছে। তাছাড়া সাংগঠনিক দক্ষতার বদৌলতে গোটা বরিশাল বিভাগে তার জনপ্রিয়তাও কম নয়।
সাহসী এই নারী নেত্রীকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে স্থানীয় বিভাজনকে কেন্দ্র করে একটি গ্রুপ চেপে ধরতে চেয়েছিল। অবশ্য গুটিকয়েক মিডিয়াকর্মীকে ব্যহবার করে শিরিনকে বহিস্কার করাতেও সফল হয়। কিন্তু ত্যাগি শিরিনের রাজনৈতিক কৌশল এবং কারিশমার কাছে সেই যৌথ ষড়যন্ত্র ধোপে টেকেনি।
কিছুটা বিলম্বে হলেও শিরিন তার হারানো পদ ফিরে পেতে সক্ষম হন এবং ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিতও করেন। বিগত সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা রেখে আসা শিরিনকে এবার তারেক রহমান বরিশাল সিটিতে বসিয়ে যেনো এক ধরনের পুরস্কৃত করলেন। অবশ্য শিরিন তৎসময়ে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যও ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কিছুদিন পূর্বে দুটি সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার পরে বরিশালের বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়। এই আলোচনায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ ডজনখানেক রাজনৈতিকের নাম ছিল। তবে শিরিন ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং তার কর্মী-সমর্থকদের অনুমান-বিশ্বাস ছিল নেত্রীকে দল মূল্যায়ন করবে। কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, নিন্দুকদের মুখে ছাই পড়েছে, সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেছে।
বিএনপি এবং তারেক রহমান বরিশালে শিরিনের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছেন। এবং প্রতিদানস্বরুপ তাকে সিটির প্রশাসকের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি চেয়ারে বসিয়েছেন। শিরিনের প্রশাসক প্রাপ্তিতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কর্মকর্তা- কর্মচারীরা তাকে নিয়ে ইতিবাচক লেখালেখি করে যাচ্ছেন।
প্রশাসক পদপ্রাপ্তিতে কর্মী-সমর্থকদের ন্যায় শিরিনও বেজায় খুশি হয়েছেন। এবং তিনি শনিবার বিকালে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে বরিশাল টাইমসকে বলেন, তিনি বিএনপি ও তারেক রহমানের কাছে চির কৃতজ্ঞ। দায়িত্বগ্রহণের পরে তিনি বরিশালবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে শক্তশালি করতে ভুমিকা রাখবেন।’
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। বিএনপির সাহসী এই নারী নেত্রীকে শনিবার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
কীর্তনখোলা নদীতীরের এই সিটির প্রশাসক হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় অন্তত ডজনখানে বিএনপি নেতা ছিলেন। সেখানে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিনের নামটিও আলোচনা শোনা যাচ্ছিল। সবশেষ শনিবার তাকেই প্রশাসক হিসেবে চূড়ান্ত করে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সিটি কর্পোরেশনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক হিসেবে নিয়ে প্রাপ্তিতে বিএনপি নেত্রীর কর্মী- সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনের ব্যাপক অবদান রয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের শাসনামলে অসংখ্যবার এই নারী নেত্রী হামলা-মামলা এবং কারাবরণের শিকার হলেও হাল ছাড়েননি।
বরং কী ভাবে নিজেকে আরও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মেলে ধরা যায় সেই চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বরিশালের স্থানীয় রাজনীতিতে শিরিনের একটি শক্তপোক্ত বলয় রয়েছে। তাছাড়া সাংগঠনিক দক্ষতার বদৌলতে গোটা বরিশাল বিভাগে তার জনপ্রিয়তাও কম নয়।
সাহসী এই নারী নেত্রীকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে স্থানীয় বিভাজনকে কেন্দ্র করে একটি গ্রুপ চেপে ধরতে চেয়েছিল। অবশ্য গুটিকয়েক মিডিয়াকর্মীকে ব্যহবার করে শিরিনকে বহিস্কার করাতেও সফল হয়। কিন্তু ত্যাগি শিরিনের রাজনৈতিক কৌশল এবং কারিশমার কাছে সেই যৌথ ষড়যন্ত্র ধোপে টেকেনি।
কিছুটা বিলম্বে হলেও শিরিন তার হারানো পদ ফিরে পেতে সক্ষম হন এবং ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিতও করেন। বিগত সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভুমিকা রেখে আসা শিরিনকে এবার তারেক রহমান বরিশাল সিটিতে বসিয়ে যেনো এক ধরনের পুরস্কৃত করলেন। অবশ্য শিরিন তৎসময়ে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যও ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কিছুদিন পূর্বে দুটি সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার পরে বরিশালের বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়। এই আলোচনায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ ডজনখানেক রাজনৈতিকের নাম ছিল। তবে শিরিন ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং তার কর্মী-সমর্থকদের অনুমান-বিশ্বাস ছিল নেত্রীকে দল মূল্যায়ন করবে। কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, নিন্দুকদের মুখে ছাই পড়েছে, সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেছে।
বিএনপি এবং তারেক রহমান বরিশালে শিরিনের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছেন। এবং প্রতিদানস্বরুপ তাকে সিটির প্রশাসকের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি চেয়ারে বসিয়েছেন। শিরিনের প্রশাসক প্রাপ্তিতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কর্মকর্তা- কর্মচারীরা তাকে নিয়ে ইতিবাচক লেখালেখি করে যাচ্ছেন।
প্রশাসক পদপ্রাপ্তিতে কর্মী-সমর্থকদের ন্যায় শিরিনও বেজায় খুশি হয়েছেন। এবং তিনি শনিবার বিকালে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে বরিশাল টাইমসকে বলেন, তিনি বিএনপি ও তারেক রহমানের কাছে চির কৃতজ্ঞ। দায়িত্বগ্রহণের পরে তিনি বরিশালবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে শক্তশালি করতে ভুমিকা রাখবেন।’
বরিশালসহ দেশের আরও পাঁচটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণকে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত সিটি কর্পোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো’।
এর মধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, রাজশাহী সিটিতে মো. মাহফুজুর রহমান, ময়মনসিংহ সিটিতে মো, রুকুনোজ্জামান রোকন, রংপুর সিটিতে মাহফুজ উন নবী চৌধুরী এবং কুমিল্লা সিটিতে মো. ইউসুফ মোল্লা।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকগণ স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এর ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন।
ঈদে ঘরমুখো নৌ পথের যাত্রীদের জন্য লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম বুকিং নিচ্ছে। এতে ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে খুশি যাত্রীরা।
যাত্রীর চাপ বাড়লে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অব্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদে ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর প্রায় শতভাগ টিকিট ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের জৌলুশ কমেছে। বিলাশবহুল সব লঞ্চ থাকলেও কমেছে যাত্রীদের চাপ। পাল্টে গেছে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌ পথের চিরচেনা সেই রূপ।
তবে ঈদসহ যে কোন উৎসবে সে চিত্র কিছুটা পাল্টায়। চাহিদা বাড়ে লঞ্চের কেবিনের। সে লক্ষ্যে এবারো ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ গুলোর কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। তবে চালু করার ২ দিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চ গুলোর প্রায় শতভাগ কেবিন বুকিং হয়েছে বলে জানান লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া ঈদের ছুটি শেষে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চের প্রায় ৭০ শতাংশ কেবিন বুকিং হয়েছে বলেও জানান তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের সুন্দরবন নেভিগনেশন কোম্পানীর ম্যানেজার জাকির হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, ঢাকা থেকে আসা যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত লঞ্চ রাখা হয়েছে। যদি অতিরিক্ত ভিড় পরিলক্ষিত হয়, তাহলে লঞ্চের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।
এম ভি আওলাদ ১০ লঞ্চের ম্যানেজর অভিজিৎ জানান, ঈদ যাত্রার জন্য লঞ্চের টিকিট ১৬ তারিখ পর্যন্ত সেল শেষ হয়েছে। ১৮ তারিখেরটাও সেল ফুল হয়েছে। আর ১৯ তারিখের জন্য কিছু খালি আছে।
সড়ক পথের চেয়ে নৌ পথ আরামদায়ক হওয়ায় অনেকেই ভিড় করছেন লঞ্চের কাউন্টারগুলোতে। ঈদের ৮-১০ দিন আগেই কেবিনের টিকেট অগ্রিম বুকিং চালু করায় ভোগান্তি কমেছে বলে জানান যাত্রীরা। আর ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের যাত্রী সোহান জানান, যাত্রীরা ভিড়ের মধ্যে একটু নিরিবিলি স্বচ্ছন্দে আসতে চায়। এজন্যই আমরা টিকিট কাটতে এসেছি আর টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে।
আরেক যাত্রীর স্বজন আমিনুল ইসলাম জানান, আমার পরিবারের লেকজন ঈদ করতে ঢাকা থেকে বরিশালে আসবে। এজন্য অগ্রীম টিকিট নিতে এসেছি।
এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বি আই ডব্লিউটিএ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় থাকবে বাড়তি ব্যবস্থা। যাত্রী চাপ বাড়লে লঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে স্পেশাল ট্রিপ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিআই ডব্লিউ টি এর কর্মকর্তা।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ'র কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, বরিশাল ও ঢাকা রুটে আমাদের ১৬ টি লঞ্চ রয়েছে। সবগুলো লঞ্চই প্রস্তুত রয়েছে। ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপনের জন্য আসতে পারে সেলক্ষ্যে সব রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সেবায় ১৬ টি লঞ্চ চলাচল করবে। এবং অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় ৩০ টি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
ঈদে ঘরমুখো নৌ পথের যাত্রীদের জন্য লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ কেবিনের অগ্রিম বুকিং নিচ্ছে। এতে ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে খুশি যাত্রীরা।
যাত্রীর চাপ বাড়লে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অব্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃপক্ষ।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদে ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর প্রায় শতভাগ টিকিট ইতিমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের জৌলুশ কমেছে। বিলাশবহুল সব লঞ্চ থাকলেও কমেছে যাত্রীদের চাপ। পাল্টে গেছে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌ পথের চিরচেনা সেই রূপ।
তবে ঈদসহ যে কোন উৎসবে সে চিত্র কিছুটা পাল্টায়। চাহিদা বাড়ে লঞ্চের কেবিনের। সে লক্ষ্যে এবারো ঢাকা-বরিশাল নৌ পথের সবগুলো বিলাস বহুল লঞ্চ গুলোর কেবিনের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। তবে চালু করার ২ দিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশালগামী লঞ্চ গুলোর প্রায় শতভাগ কেবিন বুকিং হয়েছে বলে জানান লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া ঈদের ছুটি শেষে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চের প্রায় ৭০ শতাংশ কেবিন বুকিং হয়েছে বলেও জানান তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের সুন্দরবন নেভিগনেশন কোম্পানীর ম্যানেজার জাকির হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, ঢাকা থেকে আসা যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত লঞ্চ রাখা হয়েছে। যদি অতিরিক্ত ভিড় পরিলক্ষিত হয়, তাহলে লঞ্চের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।
এম ভি আওলাদ ১০ লঞ্চের ম্যানেজর অভিজিৎ জানান, ঈদ যাত্রার জন্য লঞ্চের টিকিট ১৬ তারিখ পর্যন্ত সেল শেষ হয়েছে। ১৮ তারিখেরটাও সেল ফুল হয়েছে। আর ১৯ তারিখের জন্য কিছু খালি আছে।
সড়ক পথের চেয়ে নৌ পথ আরামদায়ক হওয়ায় অনেকেই ভিড় করছেন লঞ্চের কাউন্টারগুলোতে। ঈদের ৮-১০ দিন আগেই কেবিনের টিকেট অগ্রিম বুকিং চালু করায় ভোগান্তি কমেছে বলে জানান যাত্রীরা। আর ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের যাত্রী সোহান জানান, যাত্রীরা ভিড়ের মধ্যে একটু নিরিবিলি স্বচ্ছন্দে আসতে চায়। এজন্যই আমরা টিকিট কাটতে এসেছি আর টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে।
আরেক যাত্রীর স্বজন আমিনুল ইসলাম জানান, আমার পরিবারের লেকজন ঈদ করতে ঢাকা থেকে বরিশালে আসবে। এজন্য অগ্রীম টিকিট নিতে এসেছি।
এদিকে নৌ পথে ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বি আই ডব্লিউটিএ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় থাকবে বাড়তি ব্যবস্থা। যাত্রী চাপ বাড়লে লঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে স্পেশাল ট্রিপ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিআই ডব্লিউ টি এর কর্মকর্তা।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ'র কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, বরিশাল ও ঢাকা রুটে আমাদের ১৬ টি লঞ্চ রয়েছে। সবগুলো লঞ্চই প্রস্তুত রয়েছে। ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপনের জন্য আসতে পারে সেলক্ষ্যে সব রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে স্পেশাল সার্ভিস চালু করা হবে।
ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সেবায় ১৬ টি লঞ্চ চলাচল করবে। এবং অভ্যন্তরীণ রুটে প্রায় ৩০ টি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।