
২১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৩৯
ধানের শীষ প্রতিক বাগাতে হাইকমান্ডে লবিং-তদ্বির। বিভাজিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়ছে অন্তর্কোন্দল।
ত্রয়োদশ নির্বাচনের চূড়ন্ত দিনক্ষণ এখন পর্যন্ত নির্ধারন না হলেও এই ভোটযুদ্ধে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে অংশ নিতে বরিশাল জেলার ৬টি আসনে অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি জোরালো প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ দলীয় পদপদবি বিহীন অনেকে দলটির মনোনয়ন প্রাপ্তির দৌড়ে রয়েছেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সরকার নির্বাচন করার সম্ভব্য সময় ঘোষণা দেওয়ার পরে পর্যায়ক্রমে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা ক্রমাগত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বিএনপির হাইকমান্ডে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা লবিং ও তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন বাগানোর এই প্রতিযোগিতায় যে যার মত অংশ নিতে যাওয়ায় বিভাজিত বরিশাল বিএনপিতে বেড়েছে অন্তর্কোন্দল, যা নিয়ে রীতিমত বিব্রত লন্ডনে অবস্থানরত নেতা তারেক রহমানসহ দলের হাইকমান্ড।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বরিশালের ৬টি আসনের প্রতিটিতে একাধিক ব্যক্তি মনোনয়ন প্রত্যাশী, যারা ত্রয়োদশ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এবং তারা গত ৫ আগস্টের পর থেকে প্রার্থিতার বিষয়টি কেন্দ্রকে জানান দিয়ে মাঠে থেকে জনসমর্থন আদায়ে সংসদীয় আসনগুলো চষে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি বিএনপির হাইকমান্ডে চলছে জোর লবিং।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হতে চাইছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য প্রকৌশলী আব্দুস সোবাহান এবং বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে সংসদীয় আসনের জনগণের মধ্যে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নিজেদের মেলে ধরতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। এবং তাদের প্রার্থিতার বিষয়টি ইতিমধ্যে বিএনপির হাইকমান্ডও অবগত আছেন।
অনুরুপভাবে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, মোহাম্মদ দুলাল হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশক সহ-সম্পাদক কাজী রওনুকুল ইসলাম টিপু এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদ মাহামুদ জুয়েল। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে প্রার্থী হতে চান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নুল আবেদীন। বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতিক চাইছেন তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ এবং এবায়েদুল হক চাঁন। এছাড়াও প্রার্থীর তালিকায় আছেন সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারও প্রার্থিতার কথা জানান দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন এবং আগামীতে সিটি নির্বাচন করার কথা ভাবছেন।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হতে চান বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান রাজন এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর শিকদার বাদল।
বরিশালের প্রতিটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এই ছড়াছড়িতে স্থানীয় বিএনপিতে ক্রমাগতভাবে বাড়ছে গ্রুপিং এবং অভন্তরীণ বিরোধ। এই বিরোধ বর্তমানে এতটাই প্রকট যে শীর্ষস্থানীয় নেতারা একে অপরের মুখ দেখাদেখিতো দুরের কথা, কখনও কখনও বাকযুদ্ধেও জড়িয়ে পড়ছেন। সূত্র নিশ্চিত করে, মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের একে অপরের সাথে বিরোধে না জড়াতে অনেক আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একই নির্দেশনা দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় একটি সূত্র জানায়, বরিশালের ৬ টি আসনে যে অর্ধশত মনোনয়ন প্রত্যাশী তা খোদ তারেক রহমানও অবগত রয়েছেন। তার নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি আসনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে বৈঠক করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম। নিশ্চিত হওয়া গেছে, বৈঠকের পরেই বরিশাল-১, ৩ এবং ৪ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী জহির উদ্দিন স্বপন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন এবং রাজিব আহসানকে গ্রিন সিগনাল দিয়ে মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। তবে এই তিনটি আসনের বাকি মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এ খবর স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এনিয়ে মনোনয়প্রত্যাশীদের কর্মী-অনুসারীরা তর্কযুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে হাইকমান্ড বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
মর্যাদাপূর্ণ বরিশাল-৫ সদরসহ বাকি তিনটি আসনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতাদের কর্মী-অনুগতদের মধ্যে নানান আলোচনা শোনা যায়। এই তিনটি আসনে অন্তত ৩০ জনের বেশি ব্যক্তি ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী রয়েছেন। বরিশালের ৬টি আসনে ৫০ জনের বেশি সংখ্যক প্রার্থী নিয়ে তারেক রহমানসহ বিএনপির হাইকমান্ড চিন্তিত।
এই তথ্য নিশ্চিত করে কেন্দ্রীয় সূত্র জানিয়েছে, বরিশালের ৬ সংসদীয় আসনে অধিকসংখ্যক রাজনৈতিক দলীয় মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব পর্যবেক্ষক করছেন। এবং অনেককে ডেকে নিয়ে তাদের মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে প্রতিটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ছড়াছড়িতে মোটেও বিচলিত নয় বিএনপি হাইকমান্ড। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, বিএনপি বড় একটি রাজনৈতিক দল। সেক্ষেত্রে এ দল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার প্রার্থীও বেশি। তবে দল থেকে প্রতিটি আসনের একক প্রার্থী ঘোষণার পর এখন যে গ্রুপিং দেখছেন তা দেখা যাবে না। আমার ধারণা, কেন্দ্রের নির্দেশনা মেনেই সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
তবে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলের ক্ষতি করবে না মন্তব্য করে এই নারী নেত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশের স্বার্থে প্রয়োজন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন। ওই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে সাধারণ ভোটাররা। তারাও দীর্ঘদিন তাদের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারেননি। আমরা আশা করছি, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ ভোটাররা তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে।’
ধানের শীষ প্রতিক বাগাতে হাইকমান্ডে লবিং-তদ্বির। বিভাজিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়ছে অন্তর্কোন্দল।
ত্রয়োদশ নির্বাচনের চূড়ন্ত দিনক্ষণ এখন পর্যন্ত নির্ধারন না হলেও এই ভোটযুদ্ধে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে অংশ নিতে বরিশাল জেলার ৬টি আসনে অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি জোরালো প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ দলীয় পদপদবি বিহীন অনেকে দলটির মনোনয়ন প্রাপ্তির দৌড়ে রয়েছেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সরকার নির্বাচন করার সম্ভব্য সময় ঘোষণা দেওয়ার পরে পর্যায়ক্রমে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা ক্রমাগত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বিএনপির হাইকমান্ডে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা লবিং ও তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন বাগানোর এই প্রতিযোগিতায় যে যার মত অংশ নিতে যাওয়ায় বিভাজিত বরিশাল বিএনপিতে বেড়েছে অন্তর্কোন্দল, যা নিয়ে রীতিমত বিব্রত লন্ডনে অবস্থানরত নেতা তারেক রহমানসহ দলের হাইকমান্ড।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বরিশালের ৬টি আসনের প্রতিটিতে একাধিক ব্যক্তি মনোনয়ন প্রত্যাশী, যারা ত্রয়োদশ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এবং তারা গত ৫ আগস্টের পর থেকে প্রার্থিতার বিষয়টি কেন্দ্রকে জানান দিয়ে মাঠে থেকে জনসমর্থন আদায়ে সংসদীয় আসনগুলো চষে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি বিএনপির হাইকমান্ডে চলছে জোর লবিং।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হতে চাইছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য প্রকৌশলী আব্দুস সোবাহান এবং বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে সংসদীয় আসনের জনগণের মধ্যে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নিজেদের মেলে ধরতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। এবং তাদের প্রার্থিতার বিষয়টি ইতিমধ্যে বিএনপির হাইকমান্ডও অবগত আছেন।
অনুরুপভাবে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, মোহাম্মদ দুলাল হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশক সহ-সম্পাদক কাজী রওনুকুল ইসলাম টিপু এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদ মাহামুদ জুয়েল। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে প্রার্থী হতে চান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নুল আবেদীন। বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতিক চাইছেন তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ এবং এবায়েদুল হক চাঁন। এছাড়াও প্রার্থীর তালিকায় আছেন সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারও প্রার্থিতার কথা জানান দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন এবং আগামীতে সিটি নির্বাচন করার কথা ভাবছেন।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হতে চান বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান রাজন এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর শিকদার বাদল।
বরিশালের প্রতিটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এই ছড়াছড়িতে স্থানীয় বিএনপিতে ক্রমাগতভাবে বাড়ছে গ্রুপিং এবং অভন্তরীণ বিরোধ। এই বিরোধ বর্তমানে এতটাই প্রকট যে শীর্ষস্থানীয় নেতারা একে অপরের মুখ দেখাদেখিতো দুরের কথা, কখনও কখনও বাকযুদ্ধেও জড়িয়ে পড়ছেন। সূত্র নিশ্চিত করে, মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের একে অপরের সাথে বিরোধে না জড়াতে অনেক আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একই নির্দেশনা দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় একটি সূত্র জানায়, বরিশালের ৬ টি আসনে যে অর্ধশত মনোনয়ন প্রত্যাশী তা খোদ তারেক রহমানও অবগত রয়েছেন। তার নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি আসনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে বৈঠক করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম। নিশ্চিত হওয়া গেছে, বৈঠকের পরেই বরিশাল-১, ৩ এবং ৪ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী জহির উদ্দিন স্বপন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন এবং রাজিব আহসানকে গ্রিন সিগনাল দিয়ে মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। তবে এই তিনটি আসনের বাকি মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এ খবর স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এনিয়ে মনোনয়প্রত্যাশীদের কর্মী-অনুসারীরা তর্কযুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে হাইকমান্ড বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
মর্যাদাপূর্ণ বরিশাল-৫ সদরসহ বাকি তিনটি আসনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতাদের কর্মী-অনুগতদের মধ্যে নানান আলোচনা শোনা যায়। এই তিনটি আসনে অন্তত ৩০ জনের বেশি ব্যক্তি ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী রয়েছেন। বরিশালের ৬টি আসনে ৫০ জনের বেশি সংখ্যক প্রার্থী নিয়ে তারেক রহমানসহ বিএনপির হাইকমান্ড চিন্তিত।
এই তথ্য নিশ্চিত করে কেন্দ্রীয় সূত্র জানিয়েছে, বরিশালের ৬ সংসদীয় আসনে অধিকসংখ্যক রাজনৈতিক দলীয় মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব পর্যবেক্ষক করছেন। এবং অনেককে ডেকে নিয়ে তাদের মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে প্রতিটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ছড়াছড়িতে মোটেও বিচলিত নয় বিএনপি হাইকমান্ড। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, বিএনপি বড় একটি রাজনৈতিক দল। সেক্ষেত্রে এ দল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার প্রার্থীও বেশি। তবে দল থেকে প্রতিটি আসনের একক প্রার্থী ঘোষণার পর এখন যে গ্রুপিং দেখছেন তা দেখা যাবে না। আমার ধারণা, কেন্দ্রের নির্দেশনা মেনেই সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
তবে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলের ক্ষতি করবে না মন্তব্য করে এই নারী নেত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশের স্বার্থে প্রয়োজন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন। ওই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে সাধারণ ভোটাররা। তারাও দীর্ঘদিন তাদের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারেননি। আমরা আশা করছি, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ ভোটাররা তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে।’
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৯
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.