
২১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৩৯
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ধানের শীষ প্রতিক বাগাতে হাইকমান্ডে লবিং-তদ্বির। বিভাজিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়ছে অন্তর্কোন্দল।
ত্রয়োদশ নির্বাচনের চূড়ন্ত দিনক্ষণ এখন পর্যন্ত নির্ধারন না হলেও এই ভোটযুদ্ধে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে অংশ নিতে বরিশাল জেলার ৬টি আসনে অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি জোরালো প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ দলীয় পদপদবি বিহীন অনেকে দলটির মনোনয়ন প্রাপ্তির দৌড়ে রয়েছেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সরকার নির্বাচন করার সম্ভব্য সময় ঘোষণা দেওয়ার পরে পর্যায়ক্রমে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা ক্রমাগত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বিএনপির হাইকমান্ডে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা লবিং ও তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন বাগানোর এই প্রতিযোগিতায় যে যার মত অংশ নিতে যাওয়ায় বিভাজিত বরিশাল বিএনপিতে বেড়েছে অন্তর্কোন্দল, যা নিয়ে রীতিমত বিব্রত লন্ডনে অবস্থানরত নেতা তারেক রহমানসহ দলের হাইকমান্ড।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বরিশালের ৬টি আসনের প্রতিটিতে একাধিক ব্যক্তি মনোনয়ন প্রত্যাশী, যারা ত্রয়োদশ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এবং তারা গত ৫ আগস্টের পর থেকে প্রার্থিতার বিষয়টি কেন্দ্রকে জানান দিয়ে মাঠে থেকে জনসমর্থন আদায়ে সংসদীয় আসনগুলো চষে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি বিএনপির হাইকমান্ডে চলছে জোর লবিং।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হতে চাইছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য প্রকৌশলী আব্দুস সোবাহান এবং বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে সংসদীয় আসনের জনগণের মধ্যে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নিজেদের মেলে ধরতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। এবং তাদের প্রার্থিতার বিষয়টি ইতিমধ্যে বিএনপির হাইকমান্ডও অবগত আছেন।
অনুরুপভাবে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, মোহাম্মদ দুলাল হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশক সহ-সম্পাদক কাজী রওনুকুল ইসলাম টিপু এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদ মাহামুদ জুয়েল। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে প্রার্থী হতে চান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নুল আবেদীন। বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতিক চাইছেন তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ এবং এবায়েদুল হক চাঁন। এছাড়াও প্রার্থীর তালিকায় আছেন সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারও প্রার্থিতার কথা জানান দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন এবং আগামীতে সিটি নির্বাচন করার কথা ভাবছেন।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হতে চান বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান রাজন এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর শিকদার বাদল।
বরিশালের প্রতিটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এই ছড়াছড়িতে স্থানীয় বিএনপিতে ক্রমাগতভাবে বাড়ছে গ্রুপিং এবং অভন্তরীণ বিরোধ। এই বিরোধ বর্তমানে এতটাই প্রকট যে শীর্ষস্থানীয় নেতারা একে অপরের মুখ দেখাদেখিতো দুরের কথা, কখনও কখনও বাকযুদ্ধেও জড়িয়ে পড়ছেন। সূত্র নিশ্চিত করে, মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের একে অপরের সাথে বিরোধে না জড়াতে অনেক আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একই নির্দেশনা দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় একটি সূত্র জানায়, বরিশালের ৬ টি আসনে যে অর্ধশত মনোনয়ন প্রত্যাশী তা খোদ তারেক রহমানও অবগত রয়েছেন। তার নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি আসনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে বৈঠক করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম। নিশ্চিত হওয়া গেছে, বৈঠকের পরেই বরিশাল-১, ৩ এবং ৪ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী জহির উদ্দিন স্বপন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন এবং রাজিব আহসানকে গ্রিন সিগনাল দিয়ে মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। তবে এই তিনটি আসনের বাকি মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এ খবর স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এনিয়ে মনোনয়প্রত্যাশীদের কর্মী-অনুসারীরা তর্কযুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে হাইকমান্ড বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
মর্যাদাপূর্ণ বরিশাল-৫ সদরসহ বাকি তিনটি আসনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতাদের কর্মী-অনুগতদের মধ্যে নানান আলোচনা শোনা যায়। এই তিনটি আসনে অন্তত ৩০ জনের বেশি ব্যক্তি ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী রয়েছেন। বরিশালের ৬টি আসনে ৫০ জনের বেশি সংখ্যক প্রার্থী নিয়ে তারেক রহমানসহ বিএনপির হাইকমান্ড চিন্তিত।
এই তথ্য নিশ্চিত করে কেন্দ্রীয় সূত্র জানিয়েছে, বরিশালের ৬ সংসদীয় আসনে অধিকসংখ্যক রাজনৈতিক দলীয় মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব পর্যবেক্ষক করছেন। এবং অনেককে ডেকে নিয়ে তাদের মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে প্রতিটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ছড়াছড়িতে মোটেও বিচলিত নয় বিএনপি হাইকমান্ড। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, বিএনপি বড় একটি রাজনৈতিক দল। সেক্ষেত্রে এ দল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার প্রার্থীও বেশি। তবে দল থেকে প্রতিটি আসনের একক প্রার্থী ঘোষণার পর এখন যে গ্রুপিং দেখছেন তা দেখা যাবে না। আমার ধারণা, কেন্দ্রের নির্দেশনা মেনেই সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
তবে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলের ক্ষতি করবে না মন্তব্য করে এই নারী নেত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশের স্বার্থে প্রয়োজন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন। ওই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে সাধারণ ভোটাররা। তারাও দীর্ঘদিন তাদের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারেননি। আমরা আশা করছি, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ ভোটাররা তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে।’
ধানের শীষ প্রতিক বাগাতে হাইকমান্ডে লবিং-তদ্বির। বিভাজিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়ছে অন্তর্কোন্দল।
ত্রয়োদশ নির্বাচনের চূড়ন্ত দিনক্ষণ এখন পর্যন্ত নির্ধারন না হলেও এই ভোটযুদ্ধে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে অংশ নিতে বরিশাল জেলার ৬টি আসনে অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি জোরালো প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ দলীয় পদপদবি বিহীন অনেকে দলটির মনোনয়ন প্রাপ্তির দৌড়ে রয়েছেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সরকার নির্বাচন করার সম্ভব্য সময় ঘোষণা দেওয়ার পরে পর্যায়ক্রমে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা ক্রমাগত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বিএনপির হাইকমান্ডে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা লবিং ও তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন বাগানোর এই প্রতিযোগিতায় যে যার মত অংশ নিতে যাওয়ায় বিভাজিত বরিশাল বিএনপিতে বেড়েছে অন্তর্কোন্দল, যা নিয়ে রীতিমত বিব্রত লন্ডনে অবস্থানরত নেতা তারেক রহমানসহ দলের হাইকমান্ড।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বরিশালের ৬টি আসনের প্রতিটিতে একাধিক ব্যক্তি মনোনয়ন প্রত্যাশী, যারা ত্রয়োদশ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এবং তারা গত ৫ আগস্টের পর থেকে প্রার্থিতার বিষয়টি কেন্দ্রকে জানান দিয়ে মাঠে থেকে জনসমর্থন আদায়ে সংসদীয় আসনগুলো চষে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি বিএনপির হাইকমান্ডে চলছে জোর লবিং।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হতে চাইছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য প্রকৌশলী আব্দুস সোবাহান এবং বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে সংসদীয় আসনের জনগণের মধ্যে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নিজেদের মেলে ধরতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। এবং তাদের প্রার্থিতার বিষয়টি ইতিমধ্যে বিএনপির হাইকমান্ডও অবগত আছেন।
অনুরুপভাবে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, মোহাম্মদ দুলাল হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশক সহ-সম্পাদক কাজী রওনুকুল ইসলাম টিপু এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদ মাহামুদ জুয়েল। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে প্রার্থী হতে চান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নুল আবেদীন। বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতিক চাইছেন তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ এবং এবায়েদুল হক চাঁন। এছাড়াও প্রার্থীর তালিকায় আছেন সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারও প্রার্থিতার কথা জানান দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন এবং আগামীতে সিটি নির্বাচন করার কথা ভাবছেন।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হতে চান বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান রাজন এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর শিকদার বাদল।
বরিশালের প্রতিটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এই ছড়াছড়িতে স্থানীয় বিএনপিতে ক্রমাগতভাবে বাড়ছে গ্রুপিং এবং অভন্তরীণ বিরোধ। এই বিরোধ বর্তমানে এতটাই প্রকট যে শীর্ষস্থানীয় নেতারা একে অপরের মুখ দেখাদেখিতো দুরের কথা, কখনও কখনও বাকযুদ্ধেও জড়িয়ে পড়ছেন। সূত্র নিশ্চিত করে, মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের একে অপরের সাথে বিরোধে না জড়াতে অনেক আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একই নির্দেশনা দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় একটি সূত্র জানায়, বরিশালের ৬ টি আসনে যে অর্ধশত মনোনয়ন প্রত্যাশী তা খোদ তারেক রহমানও অবগত রয়েছেন। তার নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি আসনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে বৈঠক করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম। নিশ্চিত হওয়া গেছে, বৈঠকের পরেই বরিশাল-১, ৩ এবং ৪ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী জহির উদ্দিন স্বপন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন এবং রাজিব আহসানকে গ্রিন সিগনাল দিয়ে মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। তবে এই তিনটি আসনের বাকি মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এ খবর স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এনিয়ে মনোনয়প্রত্যাশীদের কর্মী-অনুসারীরা তর্কযুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে হাইকমান্ড বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
মর্যাদাপূর্ণ বরিশাল-৫ সদরসহ বাকি তিনটি আসনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতাদের কর্মী-অনুগতদের মধ্যে নানান আলোচনা শোনা যায়। এই তিনটি আসনে অন্তত ৩০ জনের বেশি ব্যক্তি ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী রয়েছেন। বরিশালের ৬টি আসনে ৫০ জনের বেশি সংখ্যক প্রার্থী নিয়ে তারেক রহমানসহ বিএনপির হাইকমান্ড চিন্তিত।
এই তথ্য নিশ্চিত করে কেন্দ্রীয় সূত্র জানিয়েছে, বরিশালের ৬ সংসদীয় আসনে অধিকসংখ্যক রাজনৈতিক দলীয় মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব পর্যবেক্ষক করছেন। এবং অনেককে ডেকে নিয়ে তাদের মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে প্রতিটি আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ছড়াছড়িতে মোটেও বিচলিত নয় বিএনপি হাইকমান্ড। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, বিএনপি বড় একটি রাজনৈতিক দল। সেক্ষেত্রে এ দল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার প্রার্থীও বেশি। তবে দল থেকে প্রতিটি আসনের একক প্রার্থী ঘোষণার পর এখন যে গ্রুপিং দেখছেন তা দেখা যাবে না। আমার ধারণা, কেন্দ্রের নির্দেশনা মেনেই সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
তবে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলের ক্ষতি করবে না মন্তব্য করে এই নারী নেত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশের স্বার্থে প্রয়োজন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন। ওই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে সাধারণ ভোটাররা। তারাও দীর্ঘদিন তাদের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারেননি। আমরা আশা করছি, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ ভোটাররা তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস