
১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:০৪
পর্যটননগরী কুয়াকাটায় ছুটির দিনে পর্যটকদের ভিড়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সংখ্যা। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ছুটির দিনে এই গাড়ির সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়, ফলে কুয়াকাটার প্রধান সড়কগুলোতে তৈরি হচ্ছে তীব্র যানজট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। স্থানীয় চালকদের অভিযোগ, বাইরের গাড়িগুলো ঢোকার কারণেই অতিরিক্ত যানযট সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট-সংলগ্ন চৌরাস্তায় দেখা যায়, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের অতিরিক্ত যাতায়াতের কারণে স্বাভাবিক চলাফেরা করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে আগত পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ অবস্থা থেকে নিস্তার পেতে ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতা চান স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী ও আগত পর্যটকরা।
এদিকে কুয়াকাটায় আগত একাধিক পর্যটকরা অভিযোগ করে বলেন, সৈকতের পথে কিছুতেই সময়মতো পৌঁছানো যাচ্ছে না, কারণ সর্বত্র ব্যাটারিচালিত গাড়ির ভিড়। একটি পর্যটন নগরী এলাকায় এত পরিমাণ গাড়ি যা পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়িয়ে দেয়। তীব্র যানযট মোকাবিলায় এখনই পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ বলে মনে করছেন অনেক পর্যটক।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ বলেন, শুক্র ও শনিবার কিংবা দীর্ঘ ছুটির দিনে এসব যানবাহনের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। ফলে মূল সড়কসহ সৈকতের আশপাশের এলাকায় তৈরি হয় তীব্র যানজট।
এতে করে যেমন দুর্ভোগে পড়েন পর্যটকরা, তেমনি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে না পারলে পর্যটকরা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবে না।
স্থানীয় ইজিবাইকচালক সমিতির সভাপতি রহমান বিশ্বাস বলেন, কুয়াকাটায় মোট ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোভ্যানের সংখ্যা ৯০০-এর মতো। কিন্তু ছুটির দিনগুলোতে এই সংখ্যাটা দিগুণ হয়ে যায়। নিয়ম না মেনেই অনেক চালক রাস্তায় যান, আবার অনেকে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই গাড়ি চালান।
এতে করে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। তবে কুয়াকাটার স্থানীয় যেসব চালক রয়েছেন তারা বছরে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকেন। যেমন, পর্যটকদের সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হবে এবং গাড়ি চালানোর জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা।
এসব বিষয়গুলো আমরা মাথায় রেখেই কুয়াকাটার চালকরা গাড়ি চালিয়ে থাকি। তবে কুয়াকাটার বাইরে থেকে যেসব গাড়ি আসে তারা কোনো নিয়ম তো মানেই না এবং অতিরিক্ত গাড়ি ঢোকার কারণে তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয়। বাইরের গাড়িগুলো বন্ধ করতে পারলে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে।
স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী সোহেল মাহমুদ বলেন, পর্যটক আসুক আমরা চাই, কিন্তু এত যানজট হলে ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেকে হাঁটতেই পারছে না, গাড়ি তো দূরের কথা। এগুলো থেকে আমরা কুয়াকাটার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা নিস্তার চাই।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, কুয়াকাটায় নির্দিষ্ট কোনো ট্রাফিক পুলিশের টিম নেই। তবে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ থেকে কিছু দিন পর পর একটি টিম পাঠানো হয়, কিন্তু তারা সার্বক্ষণিক এখানে থাকে না।
বর্তমানে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনে একজন সার্জেন্ট দেওয়া হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি টিম যানজট নিরসনে কাজ করছে। তবে অতিরিক্ত ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের কারণে বেশি যানজটের সৃষ্টি হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক বলেন, কুয়াকাটায় লাগামহীন ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোভ্যান নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে তাদেরকে কুয়াকাটা পৌরসভার লাইসেন্সের আওতায় আনার জন্য তাদেরকে ডাকা হয়েছে কিন্তু তারা আসছে না।
তবে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে ৩৮টি গাড়ি নিবন্ধন করা সম্ভব হয়েছে। এই বিষয়ে পার্শ্ববর্তী দুটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি, এবং এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। যেগুলো খুব দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে।
পর্যটননগরী কুয়াকাটায় ছুটির দিনে পর্যটকদের ভিড়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সংখ্যা। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ছুটির দিনে এই গাড়ির সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়, ফলে কুয়াকাটার প্রধান সড়কগুলোতে তৈরি হচ্ছে তীব্র যানজট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। স্থানীয় চালকদের অভিযোগ, বাইরের গাড়িগুলো ঢোকার কারণেই অতিরিক্ত যানযট সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট-সংলগ্ন চৌরাস্তায় দেখা যায়, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের অতিরিক্ত যাতায়াতের কারণে স্বাভাবিক চলাফেরা করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে আগত পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ অবস্থা থেকে নিস্তার পেতে ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতা চান স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী ও আগত পর্যটকরা।
এদিকে কুয়াকাটায় আগত একাধিক পর্যটকরা অভিযোগ করে বলেন, সৈকতের পথে কিছুতেই সময়মতো পৌঁছানো যাচ্ছে না, কারণ সর্বত্র ব্যাটারিচালিত গাড়ির ভিড়। একটি পর্যটন নগরী এলাকায় এত পরিমাণ গাড়ি যা পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়িয়ে দেয়। তীব্র যানযট মোকাবিলায় এখনই পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ বলে মনে করছেন অনেক পর্যটক।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ বলেন, শুক্র ও শনিবার কিংবা দীর্ঘ ছুটির দিনে এসব যানবাহনের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। ফলে মূল সড়কসহ সৈকতের আশপাশের এলাকায় তৈরি হয় তীব্র যানজট।
এতে করে যেমন দুর্ভোগে পড়েন পর্যটকরা, তেমনি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে না পারলে পর্যটকরা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবে না।
স্থানীয় ইজিবাইকচালক সমিতির সভাপতি রহমান বিশ্বাস বলেন, কুয়াকাটায় মোট ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোভ্যানের সংখ্যা ৯০০-এর মতো। কিন্তু ছুটির দিনগুলোতে এই সংখ্যাটা দিগুণ হয়ে যায়। নিয়ম না মেনেই অনেক চালক রাস্তায় যান, আবার অনেকে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই গাড়ি চালান।
এতে করে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। তবে কুয়াকাটার স্থানীয় যেসব চালক রয়েছেন তারা বছরে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকেন। যেমন, পর্যটকদের সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হবে এবং গাড়ি চালানোর জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা।
এসব বিষয়গুলো আমরা মাথায় রেখেই কুয়াকাটার চালকরা গাড়ি চালিয়ে থাকি। তবে কুয়াকাটার বাইরে থেকে যেসব গাড়ি আসে তারা কোনো নিয়ম তো মানেই না এবং অতিরিক্ত গাড়ি ঢোকার কারণে তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয়। বাইরের গাড়িগুলো বন্ধ করতে পারলে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে।
স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী সোহেল মাহমুদ বলেন, পর্যটক আসুক আমরা চাই, কিন্তু এত যানজট হলে ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেকে হাঁটতেই পারছে না, গাড়ি তো দূরের কথা। এগুলো থেকে আমরা কুয়াকাটার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা নিস্তার চাই।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, কুয়াকাটায় নির্দিষ্ট কোনো ট্রাফিক পুলিশের টিম নেই। তবে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ থেকে কিছু দিন পর পর একটি টিম পাঠানো হয়, কিন্তু তারা সার্বক্ষণিক এখানে থাকে না।
বর্তমানে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনে একজন সার্জেন্ট দেওয়া হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি টিম যানজট নিরসনে কাজ করছে। তবে অতিরিক্ত ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের কারণে বেশি যানজটের সৃষ্টি হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক বলেন, কুয়াকাটায় লাগামহীন ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোভ্যান নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে তাদেরকে কুয়াকাটা পৌরসভার লাইসেন্সের আওতায় আনার জন্য তাদেরকে ডাকা হয়েছে কিন্তু তারা আসছে না।
তবে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে ৩৮টি গাড়ি নিবন্ধন করা সম্ভব হয়েছে। এই বিষয়ে পার্শ্ববর্তী দুটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি, এবং এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। যেগুলো খুব দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১২
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে পটুয়াখালী শহরের চার লেন সড়কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং বোর্ড। আধুনিক নকশা ও আলোকসজ্জায় নির্মিত এসব বোর্ড পথচারী ও যানবাহন চলাচলকারী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইটিং বোর্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারের উপসচিব, পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর সভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর সিংহসহ পৌর প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাইটিং বোর্ডগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব, ভোটারদের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য বার্তা প্রদর্শন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় আলো ব্যবস্থার কারণে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বোর্ডগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জুয়েল রানা বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইটিং বোর্ডগুলো মানুষের মাঝে ভোটের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে এবং গণভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন নান্দনিক উদ্যোগ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার সম্পর্কে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের লাইটিং বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যাতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে পটুয়াখালী শহরের চার লেন সড়কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং বোর্ড। আধুনিক নকশা ও আলোকসজ্জায় নির্মিত এসব বোর্ড পথচারী ও যানবাহন চলাচলকারী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় লাইটিং বোর্ডগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সরকারের উপসচিব, পটুয়াখালী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর সভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর সিংহসহ পৌর প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাইটিং বোর্ডগুলোতে গণভোটের গুরুত্ব, ভোটারদের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য বার্তা প্রদর্শন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় আলো ব্যবস্থার কারণে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বোর্ডগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জুয়েল রানা বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইটিং বোর্ডগুলো মানুষের মাঝে ভোটের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে এবং গণভোট ও নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন নান্দনিক উদ্যোগ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার সম্পর্কে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের লাইটিং বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যাতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০ টায় বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. ,জিানুর রহমান, বাউফল পৌরসভা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সাদিকুজ্জামান রাকিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মূনইমুল ইসলাম মিরাজ ও এনামুল হক মনন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আপেল মাহমুদ মুন্না ও সাবেক সদস্য সচিব মো. রিয়াজ হোসেন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেয়ামুল ইসলাম, জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা মোয়সার হোসাইন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ সাক্ষরিত ও ঘোষিত আবদুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি ও মো. রাসেল ইকবাল দুখু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, সন্তানের জনক ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মীরা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামে যাঁরা মাঠে ছিলেন, কারাভোগ করেছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হয়েছেন তাঁদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষের বিভিন্ন প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব জাকারিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলেও একই দাবি তুলে স্লোগান দেয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০ টায় বাউফল প্রেসক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. ,জিানুর রহমান, বাউফল পৌরসভা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সাদিকুজ্জামান রাকিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মূনইমুল ইসলাম মিরাজ ও এনামুল হক মনন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আপেল মাহমুদ মুন্না ও সাবেক সদস্য সচিব মো. রিয়াজ হোসেন, বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেয়ামুল ইসলাম, জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা মোয়সার হোসাইন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ সাক্ষরিত ও ঘোষিত আবদুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি ও মো. রাসেল ইকবাল দুখু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত, সন্তানের জনক ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মীরা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামে যাঁরা মাঠে ছিলেন, কারাভোগ করেছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হয়েছেন তাঁদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষের বিভিন্ন প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখান করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সদস্য সচিব জাকারিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলেও একই দাবি তুলে স্লোগান দেয়।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৬
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবু ইউসুফ এবং বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব মো. ফরিদুল ইসলাম।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন, ভোটগ্রহণের নিয়মাবলি, ব্যালট পেপার ও ইভিএম ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস দুমকি, পটুয়াখালীর যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার জনাব মো. আবু ইউসুফ এবং বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জনাব মো. ফরিদুল ইসলাম।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন, ভোটগ্রহণের নিয়মাবলি, ব্যালট পেপার ও ইভিএম ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্র পরিচালনা এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস দুমকি, পটুয়াখালীর যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫