
১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ২১:৩১
পুলিশের দুজন অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শকসহ (এআইজি) ঊর্ধ্বতন অন্তত ২৩ কর্মকর্তাকে রদবদল করেছে সরকার।
রবিবার (১৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এসব প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন উপসচিব আবু সাঈদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঢাকার অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মো. শাহরিয়ারকে একই ইউনিটে অতিরিক্ত ডিআইজি, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদেরকে একই ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মাসুম বিল্লাহ তালুকদারকে ঢাকার অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি, জিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রেজাউর রহমানকে খুলনার কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার, চট্টগ্রামের সিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার হাসান মোস্তফা স্বপনকে হাসান মোস্তফা স্বপনকে সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার, ঢাকার এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীনুল ইসলামকে ঢাকার এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার, ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তহুরা জান্নাতকে রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার ও ঢাকার রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব ফরহানকে পিবিআইয়ের পুলিশের হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
আরেকটি প্রজ্ঞাপনে রাঙামাটির বেতবুনিয়ার পিএসটিএসের কমান্ড্যান্ট (অতিক্তি ডিআইজি) ড. আব্দুস সোবাহানকে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকার সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি এএফএম আনজুমান কালামকে রাঙামাটির বেতবুনিয়ার পিএসটিএসের কমান্ড্যান্ট,
বরিশালের ১০ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আবু আহাম্মদ আল মামুনকে ঢাকার পুলিশ অধিদফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি, ৪ রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজ (চলতি দায়িত্ব) শাহাব উদ্দীনকে বরিশাল ১০ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি, চলতি দায়িত্বে), বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজিমুল হককে চট্টগ্রাম রঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকার পুলিশ অধিদফতরের এআইজি ড. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ারকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারি অতিরিক্ত ডিআইজি),
ঢাকার এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি, রাজশাহীর সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সাল মাহমুদকে সিলেটের রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলির আদেশ বাতিল, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আসফিকুজ্জামান আকতারকে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়াকে হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার, এসএমপির উপপুলিশ কমিশনার শেখ শরীফুল ইসলামকে চট্টগ্রামে সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার ও ময়মনসিংহের ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) রাশিদা বেগমকে ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারি অতিরিক্ত ডিআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকার এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে ঢাকার পুলিশ অধিদফতরের এআইজি ও ঢাকার পুলিশ অধিদফতরের এআইজি মোহাম্মদ এহসান সাত্তারকে বরিশাল বিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
পুলিশের দুজন অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শকসহ (এআইজি) ঊর্ধ্বতন অন্তত ২৩ কর্মকর্তাকে রদবদল করেছে সরকার।
রবিবার (১৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এসব প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন উপসচিব আবু সাঈদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঢাকার অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মো. শাহরিয়ারকে একই ইউনিটে অতিরিক্ত ডিআইজি, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদেরকে একই ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মাসুম বিল্লাহ তালুকদারকে ঢাকার অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি, জিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রেজাউর রহমানকে খুলনার কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার, চট্টগ্রামের সিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার হাসান মোস্তফা স্বপনকে হাসান মোস্তফা স্বপনকে সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার, ঢাকার এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীনুল ইসলামকে ঢাকার এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার, ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তহুরা জান্নাতকে রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার ও ঢাকার রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব ফরহানকে পিবিআইয়ের পুলিশের হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
আরেকটি প্রজ্ঞাপনে রাঙামাটির বেতবুনিয়ার পিএসটিএসের কমান্ড্যান্ট (অতিক্তি ডিআইজি) ড. আব্দুস সোবাহানকে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকার সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি এএফএম আনজুমান কালামকে রাঙামাটির বেতবুনিয়ার পিএসটিএসের কমান্ড্যান্ট,
বরিশালের ১০ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আবু আহাম্মদ আল মামুনকে ঢাকার পুলিশ অধিদফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি, ৪ রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজ (চলতি দায়িত্ব) শাহাব উদ্দীনকে বরিশাল ১০ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি, চলতি দায়িত্বে), বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজিমুল হককে চট্টগ্রাম রঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকার পুলিশ অধিদফতরের এআইজি ড. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ারকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারি অতিরিক্ত ডিআইজি),
ঢাকার এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি, রাজশাহীর সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সাল মাহমুদকে সিলেটের রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলির আদেশ বাতিল, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আসফিকুজ্জামান আকতারকে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়াকে হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার, এসএমপির উপপুলিশ কমিশনার শেখ শরীফুল ইসলামকে চট্টগ্রামে সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার ও ময়মনসিংহের ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) রাশিদা বেগমকে ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারি অতিরিক্ত ডিআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকার এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে ঢাকার পুলিশ অধিদফতরের এআইজি ও ঢাকার পুলিশ অধিদফতরের এআইজি মোহাম্মদ এহসান সাত্তারকে বরিশাল বিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (সদর–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনে সভাপতি জানান, ডেপুটি স্পিকার পদে একমাত্র মনোনয়ন পেয়েছেন কায়সার কামাল। তিনি বর্তমানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্যে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটির প্রতি সমর্থন জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে। এর মধ্যে বিএনপি একাই পেয়েছে ২০৯টি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৬টি আসন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই পেয়েছে ৬৮টি আসন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার গঠনের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১২
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি আরব ও মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাত।
বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ও অযৌক্তিক। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুসল্লিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
দেশগুলো আরও বলেছে, দখলকৃত জেরুজালেম বা সেখানে অবস্থিত ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। আল-আকসা মসজিদের পুরো এলাকা কেবল মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত বলেও তারা উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আল-আকসা মসজিদের দেখভাল ও প্রশাসনের আইনগত দায়িত্ব জর্ডানের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগের।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে অবিলম্বে আল-আকসা মসজিদের ফটক খুলে দিতে, জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে এবং মুসল্লিদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি চলমান লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থা হিসেবে এসব সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একইভাবে হামাসও আল-আকসা বন্ধ রাখাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপজ্জনক নজির বলে আখ্যা দিয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.