
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:১২
আদালতের ১৪৪ ও ১৪৫ ধারার নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে উপেক্ষা করে তৃতীয়বারের মতো ফের দেয়াল নির্মাণ করে আটকে দেওয়া হয়েছে ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা।
ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার তিখাসার মহল্লার। ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান খান অভিযোগ করে বলেন—গৌরনদী ও পার্শ্ববর্তী কালকিনি উপজেলা থেকে অসংখ্য ভাড়াটিয়া লোকজন জড়ো করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রাস্তার মধ্যে দেয়াল নির্মাণ করেছেন প্রতিবেশী সৌদি প্রবাসী কামাল সরদার। ভাড়াটিয়া লোকজনদের ভয়ে স্থানীয় কেউ তাদের সামনে যেতে সাহস পায়নি।
নুরুজ্জামান খান আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা সত্ত্বেও তারা রহস্যজনক ভূমিকা পালন করে ঘটনাস্থলে আসেননি। যেকারণে কামাল সরদার তার লোকজন নিয়ে রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করে ২০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ওই ২০টি পরিবার এখন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, নুরুজ্জামান খানের আবেদনের প্রেক্ষিতে চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর ওই সম্পত্তির ওপর আদালতের বিচারক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এ নিয়ে আগামী ১৩ নভেম্বর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. আমির হোসেন সরেজমিনে গিয়ে বিবাদী কামাল সরদারের উপস্থিতিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতের নির্দেশ জারি করেন।নুরুজ্জামান খান অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে প্রবাসী কামাল সরদার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে রবিবার তৃতীয় দফায় ওই এলাকার ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কামাল সরদার ওই রাস্তার জায়গা তার ক্রয় করা সম্পত্তি দাবি করে গত মাসে প্রথমে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছিলেন। ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নির্মাণাধীন দেয়াল ভেঙে ফেলেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় চলতি মাসের ১৪ সেপ্টেম্বর কামাল সরদার পুনরায় রাস্তা বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান সরেজমিনে পরিদর্শন করে জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে পৌরসভার অনুমতি ছাড়া পাকা দেয়াল নির্মাণ করায় তা (দেয়াল) শ্রমিক দিয়ে ভেঙে দিয়েছেন এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য রাস্তা উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
এবার তৃতীয় দফায় (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কামাল সরদার আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে রাস্তা বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, দেলোয়ার হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তিরা বলেন—তিকাসার গ্রামের রবিউল ভিলা সংলগ্ন পাইকবাড়ি এলাকার প্রায় ২০টি পরিবারের চলাচলের দীর্ঘদিনের একমাত্র রাস্তাটি তারা নিজস্ব অর্থায়নে একাধিকবার মেরামত করেছেন।
পরবর্তীতে সম্প্রতি গৌরনদী পৌরসভা থেকে রাস্তাটি সংস্কার করতে আসলে কালকিনি উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে জমি ক্রয়সূত্রে তিখাসার মহল্লায় বসবাসরত প্রবাসী কামাল সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা প্রদান করেন।
এরপর তৃতীয়বারের মতো রবিবার ওই এলাকার ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি নিজের ক্রয় করা সম্পত্তি দাবি করে প্রবাসী কামাল সরদার রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন। ফলে ২০টি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে প্রবাসী কামাল সরদার বলেন, ২০১১ সালে আমার ক্রয় করা ২০ শতক সম্পত্তির মধ্যে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তিরা তিনটি রাস্তা দাবি করেন। আমি প্রধান সড়কের জন্য ইতোমধ্যে এক শতক জমি দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বাকি দুইটি রাস্তার জন্য জমি না দেওয়ায় আমার ক্রয় করা জমিতে নির্মিত দেয়াল স্থানীয়রা একাধিকবার ভেঙে ফেলেছে। পুনরায় আমি আমার ক্রয় করা সম্পত্তিতে দেয়াল নির্মাণ করেছি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেয়াল নির্মাণের ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
আদালতের ১৪৪ ও ১৪৫ ধারার নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে উপেক্ষা করে তৃতীয়বারের মতো ফের দেয়াল নির্মাণ করে আটকে দেওয়া হয়েছে ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা।
ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার তিখাসার মহল্লার। ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান খান অভিযোগ করে বলেন—গৌরনদী ও পার্শ্ববর্তী কালকিনি উপজেলা থেকে অসংখ্য ভাড়াটিয়া লোকজন জড়ো করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রাস্তার মধ্যে দেয়াল নির্মাণ করেছেন প্রতিবেশী সৌদি প্রবাসী কামাল সরদার। ভাড়াটিয়া লোকজনদের ভয়ে স্থানীয় কেউ তাদের সামনে যেতে সাহস পায়নি।
নুরুজ্জামান খান আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা সত্ত্বেও তারা রহস্যজনক ভূমিকা পালন করে ঘটনাস্থলে আসেননি। যেকারণে কামাল সরদার তার লোকজন নিয়ে রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করে ২০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ওই ২০টি পরিবার এখন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, নুরুজ্জামান খানের আবেদনের প্রেক্ষিতে চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর ওই সম্পত্তির ওপর আদালতের বিচারক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এ নিয়ে আগামী ১৩ নভেম্বর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. আমির হোসেন সরেজমিনে গিয়ে বিবাদী কামাল সরদারের উপস্থিতিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতের নির্দেশ জারি করেন।নুরুজ্জামান খান অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে প্রবাসী কামাল সরদার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে রবিবার তৃতীয় দফায় ওই এলাকার ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কামাল সরদার ওই রাস্তার জায়গা তার ক্রয় করা সম্পত্তি দাবি করে গত মাসে প্রথমে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছিলেন। ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নির্মাণাধীন দেয়াল ভেঙে ফেলেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় চলতি মাসের ১৪ সেপ্টেম্বর কামাল সরদার পুনরায় রাস্তা বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান সরেজমিনে পরিদর্শন করে জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে পৌরসভার অনুমতি ছাড়া পাকা দেয়াল নির্মাণ করায় তা (দেয়াল) শ্রমিক দিয়ে ভেঙে দিয়েছেন এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য রাস্তা উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
এবার তৃতীয় দফায় (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কামাল সরদার আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে রাস্তা বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, দেলোয়ার হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তিরা বলেন—তিকাসার গ্রামের রবিউল ভিলা সংলগ্ন পাইকবাড়ি এলাকার প্রায় ২০টি পরিবারের চলাচলের দীর্ঘদিনের একমাত্র রাস্তাটি তারা নিজস্ব অর্থায়নে একাধিকবার মেরামত করেছেন।
পরবর্তীতে সম্প্রতি গৌরনদী পৌরসভা থেকে রাস্তাটি সংস্কার করতে আসলে কালকিনি উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে জমি ক্রয়সূত্রে তিখাসার মহল্লায় বসবাসরত প্রবাসী কামাল সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা প্রদান করেন।
এরপর তৃতীয়বারের মতো রবিবার ওই এলাকার ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি নিজের ক্রয় করা সম্পত্তি দাবি করে প্রবাসী কামাল সরদার রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন। ফলে ২০টি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে প্রবাসী কামাল সরদার বলেন, ২০১১ সালে আমার ক্রয় করা ২০ শতক সম্পত্তির মধ্যে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তিরা তিনটি রাস্তা দাবি করেন। আমি প্রধান সড়কের জন্য ইতোমধ্যে এক শতক জমি দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বাকি দুইটি রাস্তার জন্য জমি না দেওয়ায় আমার ক্রয় করা জমিতে নির্মিত দেয়াল স্থানীয়রা একাধিকবার ভেঙে ফেলেছে। পুনরায় আমি আমার ক্রয় করা সম্পত্তিতে দেয়াল নির্মাণ করেছি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেয়াল নির্মাণের ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
নারী বন্দির কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার নিয়ে তোলপাড়। দুই ডেপুটি জেলারসহ কারারক্ষীদের জড়িত থাকার অভিযোগ।
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদকের বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে। এবং এই অবৈধ বাণিজ্যের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন খোদ দুইজন ডেপুটি জেলারসহ কজন কারারক্ষী। গত ১০ জুন জনৈক নারী বন্দি সুবর্ণার কাছ থেকে মাদকের একটি বড় চালান উদ্ধারের পর কারাগারের ভেতরে মাদক কারবারের বিষয়টি তুমুল আলোচনায় আসে। কঠোর নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কারাভ্যন্তরে মাদকের চালান প্রবেশ এবং বন্দিদের কাছ থেকে উদ্ধারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনেও তোলপাড় চলছে।
সূত্র বলছে, বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে অনিয়ম এবং দুর্নীতির শেষ নেই, সর্বক্ষেত্রেই আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বিপদজনক বন্দিদের কাছ থেকে সুবিধাগ্রহণ করে তাদের বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ আছে। এবার নারী বন্দি সুবর্ণার কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে এবং এই ঘটনা দুজন ডেপুটি জেলার সুমাইয়া ও আনন্দ শীলকে বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে।
এর আগে গত ৬ জুন কারাভ্যন্তরের কীর্তনখোলা-২ ভবনের বন্দি সুমন খানের কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, কাছাকাছি সময়ে দুটি ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা অর্থের বিনিময়ে কারা কর্তৃপক্ষ লুকোচাপা রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু এই মাদক বাণিজ্যে দুইজন কর্মকর্তাসহ কারারক্ষীরা জড়িত থাকায় বিষয়টি বেশ কৌতুহলের সৃষ্টি করে। কারা কর্তৃপক্ষ এই মাদককান্ডে বন্দি সুবর্ণার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া এবং কারারক্ষী মৌ ও শারমিন নামের দুজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি কর্মকর্তা জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
বরিশালটাইমসের অনুসন্ধানে কারাগার নিয়ে সমসাময়িক যে তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া গেছে, তা শুনে অনেকের চোখ কপালে ওঠার জোগার হবে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, কারাভ্যন্তরের এই মাদক বাণিজ্যে শুধু রক্ষীরাই জড়িত নয়, সম্পৃক্ত আছেন ডেপুটি জেলার সুমাইয়া এবং আনন্দ শীল। তাদের সাথে আরও জড়িত আছেন সর্বপ্রধান কারারক্ষী বাদল কবির মৃধা, কারারক্ষী গাজী রশিদ, হানিফ, গেটরক্ষী ফিরোজ আলম এবং গেট সার্জেন্ট মাইনুল।
একাধিক সূত্রের দাবি কারাগারের মূল ফটকে ‘রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ’ এমন শ্লোগান লেখা থাকলেও অভ্যন্তরের অনিয়ম-দুর্নীতির অন্ত নেই। দুই ডেপুটি জেলার সুমাইয়া এবং আনন্দ শীল গোটা কারাগারকে অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন। মাস শেষে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে রক্ষীদের সহযোগিতায় বন্দিদের মাদকে জড়াতে সহযোগিতা করছেন। এনিয়ে গত কয়েকদিন ধরে কারারক্ষীদের বড় একটি অংশ নিরব বিদ্রোহ শুরু করেছেন এবং এই অনৈতিক কাজে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে কারাগারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গত ৬ জুন কীর্তনখোলা-২ ভবন থেকে সুমন খান নামের বন্দির কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি দুই ডেপুটি জেলার সুমাইয়া এবং আনন্দ শীলের নির্দেশনায় ২০ হাজার টাকায় আপস করেন সর্বপ্রধান রক্ষী (ভেতর সুবেদার) গাজী রশিদ ও প্রধান রক্ষী মো. শহিদুল ইসলাম। এই দুই রক্ষী কারাভ্যন্তরে গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত বলে জানা গেছে। এই বিষয়ে জানতে তাদের মধ্যেকার গাজী রশিদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তার রিসিভ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, কীর্তনখোলা ভবনের ঘটনাটি যে ভাবে অর্থের বিনিময়ে লুকায়িত রাখা হয়, একইভাবে ১০ জুন নারী বন্দি সুবর্ণার কাছ থেকে ২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টিও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এবং এনিয়ে কদিন ব্যাপক দর কষাকষিও হয়, কিন্তু শেষত্বক পরিবেশ-পরিস্থিতি ডেপুটি জেলার সুমাইয়া এবং আনন্দ শীলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
এই ঘটনায় ডেপুটি জেলার আনন্দ শীলকে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে ডেপুটি জেলার সুমাইয়া ফোন ধরে প্রশ্ন শুনেই ব্যস্ত আছেন এবং পরে যোগাযোগ করছেন জানিয়ে কলটি রেখে দেন। পরবর্তীতে তিনি আর এ প্রতিবেদককে ফোন করেননি।
তবে জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বন্দিদের কাছ থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনাটি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন। এবং তিনি বলছেন, বন্দি সুবর্ণার নামে মামলা করতে জেলার মাহাবুব কবিরকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি এই ঘটনায় মৌ এবং শারমিন নামের দুজন রক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাগ্রহণে সুপারিশ রাখা হয়েছে।
কঠোর নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কারাভ্যন্তরে কি ভাবে মাদকের চালান ঢুকছে এবং এর সাথে দুজন ডেপুটি জেলারের সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেই বিষয়ে জেল সুপার বলছেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। সেই সাথে কারাগারকে মাদকমুক্ত করাসহ অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিদের কাছ থেকে এর আগেও একাধিকবার মাদক এবং স্মার্ট মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ৫ আগস্টপরবর্তী বন্দি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়। তখন দৈনি রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকায় মোটা দাগে একটি সংবাদ প্রকাশের পরে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। সেই সময় বিতর্ক এড়াতে জেলা প্রশাসন কারাগারে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি স্মার্ট মোবাইল ফোনসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছিল। এবার খোদ নারী বন্দির কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা ঘটল।
প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে জানতে কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) অসীম কান্ত পালকে ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেন ঠিকই। কিন্তু বরিশাল কারাগারের এই মাদককান্ড নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা আর রিসিভ করেননি।’
নারী বন্দির কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার নিয়ে তোলপাড়। দুই ডেপুটি জেলারসহ কারারক্ষীদের জড়িত থাকার অভিযোগ।
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদকের বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে। এবং এই অবৈধ বাণিজ্যের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন খোদ দুইজন ডেপুটি জেলারসহ কজন কারারক্ষী। গত ১০ জুন জনৈক নারী বন্দি সুবর্ণার কাছ থেকে মাদকের একটি বড় চালান উদ্ধারের পর কারাগারের ভেতরে মাদক কারবারের বিষয়টি তুমুল আলোচনায় আসে। কঠোর নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কারাভ্যন্তরে মাদকের চালান প্রবেশ এবং বন্দিদের কাছ থেকে উদ্ধারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনেও তোলপাড় চলছে।
সূত্র বলছে, বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে অনিয়ম এবং দুর্নীতির শেষ নেই, সর্বক্ষেত্রেই আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বিপদজনক বন্দিদের কাছ থেকে সুবিধাগ্রহণ করে তাদের বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ আছে। এবার নারী বন্দি সুবর্ণার কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে এবং এই ঘটনা দুজন ডেপুটি জেলার সুমাইয়া ও আনন্দ শীলকে বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে।
এর আগে গত ৬ জুন কারাভ্যন্তরের কীর্তনখোলা-২ ভবনের বন্দি সুমন খানের কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, কাছাকাছি সময়ে দুটি ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা অর্থের বিনিময়ে কারা কর্তৃপক্ষ লুকোচাপা রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু এই মাদক বাণিজ্যে দুইজন কর্মকর্তাসহ কারারক্ষীরা জড়িত থাকায় বিষয়টি বেশ কৌতুহলের সৃষ্টি করে। কারা কর্তৃপক্ষ এই মাদককান্ডে বন্দি সুবর্ণার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া এবং কারারক্ষী মৌ ও শারমিন নামের দুজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি কর্মকর্তা জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
বরিশালটাইমসের অনুসন্ধানে কারাগার নিয়ে সমসাময়িক যে তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া গেছে, তা শুনে অনেকের চোখ কপালে ওঠার জোগার হবে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, কারাভ্যন্তরের এই মাদক বাণিজ্যে শুধু রক্ষীরাই জড়িত নয়, সম্পৃক্ত আছেন ডেপুটি জেলার সুমাইয়া এবং আনন্দ শীল। তাদের সাথে আরও জড়িত আছেন সর্বপ্রধান কারারক্ষী বাদল কবির মৃধা, কারারক্ষী গাজী রশিদ, হানিফ, গেটরক্ষী ফিরোজ আলম এবং গেট সার্জেন্ট মাইনুল।
একাধিক সূত্রের দাবি কারাগারের মূল ফটকে ‘রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ’ এমন শ্লোগান লেখা থাকলেও অভ্যন্তরের অনিয়ম-দুর্নীতির অন্ত নেই। দুই ডেপুটি জেলার সুমাইয়া এবং আনন্দ শীল গোটা কারাগারকে অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন। মাস শেষে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে রক্ষীদের সহযোগিতায় বন্দিদের মাদকে জড়াতে সহযোগিতা করছেন। এনিয়ে গত কয়েকদিন ধরে কারারক্ষীদের বড় একটি অংশ নিরব বিদ্রোহ শুরু করেছেন এবং এই অনৈতিক কাজে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে কারাগারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গত ৬ জুন কীর্তনখোলা-২ ভবন থেকে সুমন খান নামের বন্দির কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি দুই ডেপুটি জেলার সুমাইয়া এবং আনন্দ শীলের নির্দেশনায় ২০ হাজার টাকায় আপস করেন সর্বপ্রধান রক্ষী (ভেতর সুবেদার) গাজী রশিদ ও প্রধান রক্ষী মো. শহিদুল ইসলাম। এই দুই রক্ষী কারাভ্যন্তরে গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত বলে জানা গেছে। এই বিষয়ে জানতে তাদের মধ্যেকার গাজী রশিদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তার রিসিভ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, কীর্তনখোলা ভবনের ঘটনাটি যে ভাবে অর্থের বিনিময়ে লুকায়িত রাখা হয়, একইভাবে ১০ জুন নারী বন্দি সুবর্ণার কাছ থেকে ২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টিও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এবং এনিয়ে কদিন ব্যাপক দর কষাকষিও হয়, কিন্তু শেষত্বক পরিবেশ-পরিস্থিতি ডেপুটি জেলার সুমাইয়া এবং আনন্দ শীলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
এই ঘটনায় ডেপুটি জেলার আনন্দ শীলকে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে ডেপুটি জেলার সুমাইয়া ফোন ধরে প্রশ্ন শুনেই ব্যস্ত আছেন এবং পরে যোগাযোগ করছেন জানিয়ে কলটি রেখে দেন। পরবর্তীতে তিনি আর এ প্রতিবেদককে ফোন করেননি।
তবে জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বন্দিদের কাছ থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনাটি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন। এবং তিনি বলছেন, বন্দি সুবর্ণার নামে মামলা করতে জেলার মাহাবুব কবিরকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি এই ঘটনায় মৌ এবং শারমিন নামের দুজন রক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাগ্রহণে সুপারিশ রাখা হয়েছে।
কঠোর নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কারাভ্যন্তরে কি ভাবে মাদকের চালান ঢুকছে এবং এর সাথে দুজন ডেপুটি জেলারের সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেই বিষয়ে জেল সুপার বলছেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। সেই সাথে কারাগারকে মাদকমুক্ত করাসহ অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিদের কাছ থেকে এর আগেও একাধিকবার মাদক এবং স্মার্ট মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ৫ আগস্টপরবর্তী বন্দি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়। তখন দৈনি রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকায় মোটা দাগে একটি সংবাদ প্রকাশের পরে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। সেই সময় বিতর্ক এড়াতে জেলা প্রশাসন কারাগারে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি স্মার্ট মোবাইল ফোনসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছিল। এবার খোদ নারী বন্দির কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা ঘটল।
প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে জানতে কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) অসীম কান্ত পালকে ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেন ঠিকই। কিন্তু বরিশাল কারাগারের এই মাদককান্ড নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা আর রিসিভ করেননি।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.