আদালতের ১৪৪ ও ১৪৫ ধারার নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে উপেক্ষা করে তৃতীয়বারের মতো ফের দেয়াল নির্মাণ করে আটকে দেওয়া হয়েছে ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা।
ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার তিখাসার মহল্লার। ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান খান অভিযোগ করে বলেন—গৌরনদী ও পার্শ্ববর্তী কালকিনি উপজেলা থেকে অসংখ্য ভাড়াটিয়া লোকজন জড়ো করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রাস্তার মধ্যে দেয়াল নির্মাণ করেছেন প্রতিবেশী সৌদি প্রবাসী কামাল সরদার। ভাড়াটিয়া লোকজনদের ভয়ে স্থানীয় কেউ তাদের সামনে যেতে সাহস পায়নি।
নুরুজ্জামান খান আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা সত্ত্বেও তারা রহস্যজনক ভূমিকা পালন করে ঘটনাস্থলে আসেননি। যেকারণে কামাল সরদার তার লোকজন নিয়ে রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করে ২০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ওই ২০টি পরিবার এখন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, নুরুজ্জামান খানের আবেদনের প্রেক্ষিতে চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর ওই সম্পত্তির ওপর আদালতের বিচারক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এ নিয়ে আগামী ১৩ নভেম্বর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. আমির হোসেন সরেজমিনে গিয়ে বিবাদী কামাল সরদারের উপস্থিতিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতের নির্দেশ জারি করেন।নুরুজ্জামান খান অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে প্রবাসী কামাল সরদার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে রবিবার তৃতীয় দফায় ওই এলাকার ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কামাল সরদার ওই রাস্তার জায়গা তার ক্রয় করা সম্পত্তি দাবি করে গত মাসে প্রথমে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছিলেন। ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নির্মাণাধীন দেয়াল ভেঙে ফেলেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় চলতি মাসের ১৪ সেপ্টেম্বর কামাল সরদার পুনরায় রাস্তা বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান সরেজমিনে পরিদর্শন করে জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে পৌরসভার অনুমতি ছাড়া পাকা দেয়াল নির্মাণ করায় তা (দেয়াল) শ্রমিক দিয়ে ভেঙে দিয়েছেন এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য রাস্তা উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
এবার তৃতীয় দফায় (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কামাল সরদার আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে রাস্তা বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, দেলোয়ার হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তিরা বলেন—তিকাসার গ্রামের রবিউল ভিলা সংলগ্ন পাইকবাড়ি এলাকার প্রায় ২০টি পরিবারের চলাচলের দীর্ঘদিনের একমাত্র রাস্তাটি তারা নিজস্ব অর্থায়নে একাধিকবার মেরামত করেছেন।
পরবর্তীতে সম্প্রতি গৌরনদী পৌরসভা থেকে রাস্তাটি সংস্কার করতে আসলে কালকিনি উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে জমি ক্রয়সূত্রে তিখাসার মহল্লায় বসবাসরত প্রবাসী কামাল সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা প্রদান করেন।
এরপর তৃতীয়বারের মতো রবিবার ওই এলাকার ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি নিজের ক্রয় করা সম্পত্তি দাবি করে প্রবাসী কামাল সরদার রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন। ফলে ২০টি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে প্রবাসী কামাল সরদার বলেন, ২০১১ সালে আমার ক্রয় করা ২০ শতক সম্পত্তির মধ্যে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তিরা তিনটি রাস্তা দাবি করেন। আমি প্রধান সড়কের জন্য ইতোমধ্যে এক শতক জমি দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বাকি দুইটি রাস্তার জন্য জমি না দেওয়ায় আমার ক্রয় করা জমিতে নির্মিত দেয়াল স্থানীয়রা একাধিকবার ভেঙে ফেলেছে। পুনরায় আমি আমার ক্রয় করা সম্পত্তিতে দেয়াল নির্মাণ করেছি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেয়াল নির্মাণের ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:১২
আদালতের ১৪৪ ও ১৪৫ ধারার নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে উপেক্ষা করে তৃতীয়বারের মতো ফের দেয়াল নির্মাণ করে আটকে দেওয়া হয়েছে ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা।
ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার তিখাসার মহল্লার। ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান খান অভিযোগ করে বলেন—গৌরনদী ও পার্শ্ববর্তী কালকিনি উপজেলা থেকে অসংখ্য ভাড়াটিয়া লোকজন জড়ো করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রাস্তার মধ্যে দেয়াল নির্মাণ করেছেন প্রতিবেশী সৌদি প্রবাসী কামাল সরদার। ভাড়াটিয়া লোকজনদের ভয়ে স্থানীয় কেউ তাদের সামনে যেতে সাহস পায়নি।
নুরুজ্জামান খান আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা সত্ত্বেও তারা রহস্যজনক ভূমিকা পালন করে ঘটনাস্থলে আসেননি। যেকারণে কামাল সরদার তার লোকজন নিয়ে রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করে ২০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ওই ২০টি পরিবার এখন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, নুরুজ্জামান খানের আবেদনের প্রেক্ষিতে চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর ওই সম্পত্তির ওপর আদালতের বিচারক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এ নিয়ে আগামী ১৩ নভেম্বর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. আমির হোসেন সরেজমিনে গিয়ে বিবাদী কামাল সরদারের উপস্থিতিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতের নির্দেশ জারি করেন।নুরুজ্জামান খান অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে প্রবাসী কামাল সরদার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে রবিবার তৃতীয় দফায় ওই এলাকার ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কামাল সরদার ওই রাস্তার জায়গা তার ক্রয় করা সম্পত্তি দাবি করে গত মাসে প্রথমে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছিলেন। ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নির্মাণাধীন দেয়াল ভেঙে ফেলেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় চলতি মাসের ১৪ সেপ্টেম্বর কামাল সরদার পুনরায় রাস্তা বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান সরেজমিনে পরিদর্শন করে জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে পৌরসভার অনুমতি ছাড়া পাকা দেয়াল নির্মাণ করায় তা (দেয়াল) শ্রমিক দিয়ে ভেঙে দিয়েছেন এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য রাস্তা উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
এবার তৃতীয় দফায় (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কামাল সরদার আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে রাস্তা বন্ধ করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, দেলোয়ার হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তিরা বলেন—তিকাসার গ্রামের রবিউল ভিলা সংলগ্ন পাইকবাড়ি এলাকার প্রায় ২০টি পরিবারের চলাচলের দীর্ঘদিনের একমাত্র রাস্তাটি তারা নিজস্ব অর্থায়নে একাধিকবার মেরামত করেছেন।
পরবর্তীতে সম্প্রতি গৌরনদী পৌরসভা থেকে রাস্তাটি সংস্কার করতে আসলে কালকিনি উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে জমি ক্রয়সূত্রে তিখাসার মহল্লায় বসবাসরত প্রবাসী কামাল সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা প্রদান করেন।
এরপর তৃতীয়বারের মতো রবিবার ওই এলাকার ২০টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি নিজের ক্রয় করা সম্পত্তি দাবি করে প্রবাসী কামাল সরদার রাস্তার মধ্যে পাকা দেয়াল নির্মাণ করেন। ফলে ২০টি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে প্রবাসী কামাল সরদার বলেন, ২০১১ সালে আমার ক্রয় করা ২০ শতক সম্পত্তির মধ্যে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তিরা তিনটি রাস্তা দাবি করেন। আমি প্রধান সড়কের জন্য ইতোমধ্যে এক শতক জমি দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বাকি দুইটি রাস্তার জন্য জমি না দেওয়ায় আমার ক্রয় করা জমিতে নির্মিত দেয়াল স্থানীয়রা একাধিকবার ভেঙে ফেলেছে। পুনরায় আমি আমার ক্রয় করা সম্পত্তিতে দেয়াল নির্মাণ করেছি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেয়াল নির্মাণের ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪