বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন মঙ্গু কন্যা অধ্যাপক ডা. জাহানারা লাইজু। চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
বর্তমানে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. লাইজু। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদিক (মহিলা বিষয়ক) এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডেশন মেম্বার।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ডা. জাহানারা লাইজু সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মোশাররফ হোসেন মঙুর কন্যা। তার পিতা বরিশাল-৩ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাসাসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
তার স্বামী অধ্যাপক ডা. এস. এম. খালিদ মাহমুদ শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সরাসরি অংশ নেন এবং জাসাসের শিল্পী হিসেবে আন্দোলনে গান পরিবেশন করেন। ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় আহতদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন বলে জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলেও পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন এবং পরে ফার্মাকোলজিতে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। একসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন এবং রবীন্দ্রসংগীতে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেন।
ডা. জাহানারা লাইজু বলেন, আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন রোগীদের সেবা করেছি। আমি দেখেছি, প্রান্তিক মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়া। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মানসম্মত প্রাইমারি হেলথকেয়ার নিশ্চিত করা গেলে হাসপাতালের ওপর চাপ অনেক কমবে।
তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও পুষ্টি সেবাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। আমি সংসদে গেলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, দরিদ্রবান্ধব চিকিৎসা নীতি প্রণয়ন এবং নারীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেব।
তার ভাষায়, স্বাস্থ্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে জনকল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনে শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন বণ্টনে বিএনপি সর্বাধিক সংখ্যক সংরক্ষিত ৩৫টি আসন পাবে।

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৭
বরিশালের জেলা ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, অর্থ আদায় ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ আগস্ট) বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তোলেন আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: জাফর হাওলাদার ও একই এলাকার বাসিন্দা বাদশা হাওলাদার। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সম্প্রতি ডিবি পুলিশের দায়েরকৃত একটি নাটকীয় মামলার সাক্ষী স্থানীয় লালমিয়া হাওলাদার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাফর হাওলাদার অভিযোগ করেন, জেলা ডিবি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা মোল্লাপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নয়ন ঢালী এবং পাশ্ববর্তী গৈলা ইউপির ভদ্রপাড়ার সাহিন সরদারকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তারা প্রায় প্রতিদিনই সাদা পোশাকে উপজেলার মোল্লাপাড়া, সাহেবেরহাটসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে এসে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ওই দুই সোর্সের মাধ্যমে গ্রামের স্বচ্ছল পরিবারের উঠতি বয়সী কিশোর-তরুনদের প্রথমে আটক করে। পরে তাদেরকে মাদক দিয়ে মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। যেসব পরিবার দাবি করা টাকা না দিতে পারে বা প্রতিবাদ করে তাদের সাজানো মামলায় চালান দেওয়া হয়।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, গত ১১ আগস্ট রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার ছেলে নাদিম হোসেন (২৫), প্রতিবেশি বাদশা হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বির ও শহিদুল হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগ বাড়ির সামনে দাড়িয়ে মোবাইল ফোন দেখছিলো। হঠাৎ সেখানে এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা নয়ন ঢালী ও ভদ্রপাড়া এলাকার সাহিনকে নিয়ে সাদা পোশাকে উপস্থিত হয় জেলা ডিবির এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল, এসআই আবজাল হোসাইনসহ ৫/৭ জন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ সময় তার ছেলে নাদিমসহ সাব্বির ও সোহাগকে আটক করে। এরমধ্যে প্রতিবেশিরা খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই দেখেন এএসআই রাজিব পালসহ অন্যরা নাদিম, সাব্বির ও সোহাগকে নিয়ে যাচ্ছে। পরে আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন তার ছেলে নাদিম ও সাথে থাকা সাব্বির এবং সোহাগ কারো সাথেই কোনো মাদকদ্রব্য পায়নি। এ ঘটনার পরে গভীর রাতে প্রতিবেশী সাব্বির ও সোহাগের পরিবারের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পূর্বে ডিবির হয়রানির প্রতিবাদ করায় ক্ষোভ থেকে তার ছেলে নাদিমকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে গৌরনদী থানার একটি মামলায় ১০১ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটকের ভুয়া এজাহার তৈরি করা হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে দাবি করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মামলার এজাহারে ডিবি পুলিশের এসআই আবজাল হোসাইন উল্লেখ করেছেন তার ছেলে নাদিমের কাছ থেকে ১০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজার সংলগ্ন ছয়গ্রামগামী রাস্তার মুখ। যা সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট। এজাহারে যাদের সাক্ষী করা হয়েছে তারা এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা ডিবি পুলিশের করা ভূয়া মামলার ১ নম্বর সাক্ষী লালমিয়া হাওলাদার বলেন ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। অথচ কিভাবে তাকে সাক্ষী দেওয়া হয়েছে সেটিও অজানা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জাফর হাওলাদার জেলা ডিবি পুলিশের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে বলেন, কিছুদিন আগে রত্নপুর ইউনিয়নের বরিয়াল বারহাজার গ্রামের কাওসার নামের একজন মাছ চাষী ও খামার ব্যবসায়ীর মুরগির খামারে অভিযান চালায় একদল সাদা পোশাকধারী সদস্যরা। পরে জানা যায় তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্য। তারা কাওসারের মুরগীর খামারে কোনো মাদকদ্রব্য না পেলেও মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কযেকদিন পরে আবারও সেই মুরগির খামারে অভিযানে যায় জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা এবং তারাও একইভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এমনকি সেখান থেকে একটি মোবাইল ফোনও লুটে নেয়। কিন্তু ভুক্তভোগী কাওসার তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না৷
বিএনপি নেতা জাফর হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ইতিপূর্বে তাদের এলাকায় জেলা ডিবি পুলিশের এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা একাধিক ধরপাকড় বাণিজ্যের ঘটনা ঘটায়। যা নিয়ে প্রতিবাদ করায় পুলিশের ওই কর্মকর্তারা আগে থেকেই তাকে হুমকির মুখে রেখেছিলেন। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে নাটকীয় ও মিথ্যা মামলা থেকে তার ছেলে নাদিমের নাম প্রত্যাহার এবং এলাকার নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে বাণিজ্য চালানো অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে উপস্থিত হয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই রাজিবের সোর্স মাদক বিক্রতা নয়ন ঢালী বলেন, গত ১১ আগস্ট রাতের ঘটনায় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে আটককৃত নাদিম, সাব্বির ও সোহাগের কাছে কোনো মাদক পায় নাই। নাদিমকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বিবের বাবা বাদশা হাওলাদার বলেন, তার ছেলে ও প্রতিবেশী সোহাগকে আটক করার পরে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনা হয়। তিনি এসব অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।’
বরিশালের জেলা ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, অর্থ আদায় ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ আগস্ট) বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তোলেন আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: জাফর হাওলাদার ও একই এলাকার বাসিন্দা বাদশা হাওলাদার। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সম্প্রতি ডিবি পুলিশের দায়েরকৃত একটি নাটকীয় মামলার সাক্ষী স্থানীয় লালমিয়া হাওলাদার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাফর হাওলাদার অভিযোগ করেন, জেলা ডিবি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা মোল্লাপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নয়ন ঢালী এবং পাশ্ববর্তী গৈলা ইউপির ভদ্রপাড়ার সাহিন সরদারকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তারা প্রায় প্রতিদিনই সাদা পোশাকে উপজেলার মোল্লাপাড়া, সাহেবেরহাটসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে এসে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ওই দুই সোর্সের মাধ্যমে গ্রামের স্বচ্ছল পরিবারের উঠতি বয়সী কিশোর-তরুনদের প্রথমে আটক করে। পরে তাদেরকে মাদক দিয়ে মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। যেসব পরিবার দাবি করা টাকা না দিতে পারে বা প্রতিবাদ করে তাদের সাজানো মামলায় চালান দেওয়া হয়।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, গত ১১ আগস্ট রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার ছেলে নাদিম হোসেন (২৫), প্রতিবেশি বাদশা হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বির ও শহিদুল হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগ বাড়ির সামনে দাড়িয়ে মোবাইল ফোন দেখছিলো। হঠাৎ সেখানে এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা নয়ন ঢালী ও ভদ্রপাড়া এলাকার সাহিনকে নিয়ে সাদা পোশাকে উপস্থিত হয় জেলা ডিবির এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল, এসআই আবজাল হোসাইনসহ ৫/৭ জন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ সময় তার ছেলে নাদিমসহ সাব্বির ও সোহাগকে আটক করে। এরমধ্যে প্রতিবেশিরা খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই দেখেন এএসআই রাজিব পালসহ অন্যরা নাদিম, সাব্বির ও সোহাগকে নিয়ে যাচ্ছে। পরে আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন তার ছেলে নাদিম ও সাথে থাকা সাব্বির এবং সোহাগ কারো সাথেই কোনো মাদকদ্রব্য পায়নি। এ ঘটনার পরে গভীর রাতে প্রতিবেশী সাব্বির ও সোহাগের পরিবারের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পূর্বে ডিবির হয়রানির প্রতিবাদ করায় ক্ষোভ থেকে তার ছেলে নাদিমকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে গৌরনদী থানার একটি মামলায় ১০১ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটকের ভুয়া এজাহার তৈরি করা হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে দাবি করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মামলার এজাহারে ডিবি পুলিশের এসআই আবজাল হোসাইন উল্লেখ করেছেন তার ছেলে নাদিমের কাছ থেকে ১০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজার সংলগ্ন ছয়গ্রামগামী রাস্তার মুখ। যা সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট। এজাহারে যাদের সাক্ষী করা হয়েছে তারা এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা ডিবি পুলিশের করা ভূয়া মামলার ১ নম্বর সাক্ষী লালমিয়া হাওলাদার বলেন ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। অথচ কিভাবে তাকে সাক্ষী দেওয়া হয়েছে সেটিও অজানা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জাফর হাওলাদার জেলা ডিবি পুলিশের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে বলেন, কিছুদিন আগে রত্নপুর ইউনিয়নের বরিয়াল বারহাজার গ্রামের কাওসার নামের একজন মাছ চাষী ও খামার ব্যবসায়ীর মুরগির খামারে অভিযান চালায় একদল সাদা পোশাকধারী সদস্যরা। পরে জানা যায় তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্য। তারা কাওসারের মুরগীর খামারে কোনো মাদকদ্রব্য না পেলেও মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কযেকদিন পরে আবারও সেই মুরগির খামারে অভিযানে যায় জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা এবং তারাও একইভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এমনকি সেখান থেকে একটি মোবাইল ফোনও লুটে নেয়। কিন্তু ভুক্তভোগী কাওসার তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না৷
বিএনপি নেতা জাফর হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ইতিপূর্বে তাদের এলাকায় জেলা ডিবি পুলিশের এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা একাধিক ধরপাকড় বাণিজ্যের ঘটনা ঘটায়। যা নিয়ে প্রতিবাদ করায় পুলিশের ওই কর্মকর্তারা আগে থেকেই তাকে হুমকির মুখে রেখেছিলেন। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে নাটকীয় ও মিথ্যা মামলা থেকে তার ছেলে নাদিমের নাম প্রত্যাহার এবং এলাকার নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে বাণিজ্য চালানো অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে উপস্থিত হয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই রাজিবের সোর্স মাদক বিক্রতা নয়ন ঢালী বলেন, গত ১১ আগস্ট রাতের ঘটনায় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে আটককৃত নাদিম, সাব্বির ও সোহাগের কাছে কোনো মাদক পায় নাই। নাদিমকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বিবের বাবা বাদশা হাওলাদার বলেন, তার ছেলে ও প্রতিবেশী সোহাগকে আটক করার পরে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনা হয়। তিনি এসব অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৮
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জহির উদ্দিন স্বপন। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন। তার পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
পদত্যাগের পর জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পৃথক প্রজ্ঞাপনে ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর রুল ৩বি(১) ও ৩বি(২) অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
এদিকে জহির উদ্দিন স্বপনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ৩(৪) বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের এ দায়িত্ব বণ্টন ও পুনর্বণ্টন করেছেন।’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জহির উদ্দিন স্বপন। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন। তার পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
পদত্যাগের পর জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পৃথক প্রজ্ঞাপনে ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর রুল ৩বি(১) ও ৩বি(২) অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
এদিকে জহির উদ্দিন স্বপনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ৩(৪) বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের এ দায়িত্ব বণ্টন ও পুনর্বণ্টন করেছেন।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. মনির হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৮)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায় র্যাব-৮ বরিশাল সদর কোম্পানির একটি টহল দল। নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন জমজম এলপিজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মনির হোসেনের হাতে থাকা নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির হোসেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৮ জানায়, উদ্ধার করা গাঁজা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৮ বরিশালের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এলিট ফোর্স।’
বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. মনির হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৮)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায় র্যাব-৮ বরিশাল সদর কোম্পানির একটি টহল দল। নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন জমজম এলপিজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মনির হোসেনের হাতে থাকা নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির হোসেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৮ জানায়, উদ্ধার করা গাঁজা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৮ বরিশালের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এলিট ফোর্স।’

০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন মঙ্গু কন্যা অধ্যাপক ডা. জাহানারা লাইজু। চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
বর্তমানে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. লাইজু। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদিক (মহিলা বিষয়ক) এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডেশন মেম্বার।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ডা. জাহানারা লাইজু সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মোশাররফ হোসেন মঙুর কন্যা। তার পিতা বরিশাল-৩ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাসাসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
তার স্বামী অধ্যাপক ডা. এস. এম. খালিদ মাহমুদ শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সরাসরি অংশ নেন এবং জাসাসের শিল্পী হিসেবে আন্দোলনে গান পরিবেশন করেন। ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় আহতদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন বলে জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলেও পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন এবং পরে ফার্মাকোলজিতে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। একসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন এবং রবীন্দ্রসংগীতে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেন।
ডা. জাহানারা লাইজু বলেন, আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন রোগীদের সেবা করেছি। আমি দেখেছি, প্রান্তিক মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়া। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মানসম্মত প্রাইমারি হেলথকেয়ার নিশ্চিত করা গেলে হাসপাতালের ওপর চাপ অনেক কমবে।
তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও পুষ্টি সেবাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। আমি সংসদে গেলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, দরিদ্রবান্ধব চিকিৎসা নীতি প্রণয়ন এবং নারীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেব।
তার ভাষায়, স্বাস্থ্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে জনকল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনে শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন বণ্টনে বিএনপি সর্বাধিক সংখ্যক সংরক্ষিত ৩৫টি আসন পাবে।
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭