
১০ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:১৩
ঢালিউডে প্রায় একই সময়ে অভিষেক ঘটে সালমান শাহ ও শাকিল খানের। যে কারণে খুব কাছ থেকে সালমান শাহর সিনেমায় বেড়ে ওঠা দেখেছেন শাকিল খান। যদিও এখন অভিনয়ে নিয়মিত নন তিনি, মাঝেমধ্যেই চলচ্চিত্রের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হন শাকিল খান।
শনিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বিসিআরএ অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’-এ বিশেষ সম্মাননা গ্রহণ করেন একসময়ের জনপ্রিয় এই নায়ক।
অনুষ্ঠানের মাঝে চিত্রশালা মিলনায়তনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় সিনেমা থেকে কেন দূরে, সালমান শাহর হত্যা মামলা কিভাবে দেখেন—এ রকম প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
এদিন সালমান শাহকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে শাকিল খান বলেন, ‘আমরা চলচ্চিত্রের মানুষ যারা ছিলাম, তারাই সালমান শাহকে শেষ করে দেওয়ার জন্য দায়ী। তাকে শেষ করে দেওয়ার পেছনে সিনেমার মানুষরাই দায়ী।
একজন মানুষকে কিন্তু ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়। একটা মানুষকে সারাক্ষণ টর্চার করলে তিনি ফ্রাস্ট্রেশনে পড়ে যান। সিনেমার মানুষরাই তাকে ফ্রাস্ট্রেশনে ফেলেছিলাম। আমি দেখেছি বিভিন্ন সমিতি তাকে (সালমান শাহ) বয়কট করেছিল। দেশের বহু পরিচালক তাকে বয়কট করেছিলেন। শেষে আমি বলতে চাই, সত্যের বিচার হবে। আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। আইন বলে দেবে তার (সালমান শাহ) সঙ্গে কী হয়েছিল।’
এরপর নিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিনেমার কারণেই আমি দর্শকদের কাছে এখনো শাকিল খান।
কিছু মানুষ আমাকে সেই কারণেই চেনেন। এই ফিল্মকে আমি এখনো ভালোবাসি। আমি এখনো সিনেমা করতে চাই। সিনেমা করব না, এটা কখনোই বলিনি। তবে সেটা অবশ্যই সুস্থধারায় হতে হবে। এখন আমি বলছি না সুস্থ ধারায় সিনেমা হচ্ছে না, ভালো ছবি হচ্ছে। কিন্তু একই প্রযোজকরা খুব বেশি সিনেমা করছেন না।’
নব্বইয়ের দশকে একের পর সিনেমায় অভিনয় করে একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিলেও তারকাখ্যাতি নিয়ে কখনোই কিছু ভাবেননি শাকিল খান। তার ভাষ্যে, ‘এখন সিনেমা ব্যবসা করলেই সুপারডুপার হিট তকমা লেগে যাচ্ছে। একটি রিলিজ করলেই সুপারস্টার হয়ে যাচ্ছেন। সব সহজ হয়ে যাচ্ছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেও কখনো সুপারস্টার শব্দটি শুনতে পাইনি।’
এরপর বললেন, “অথচ ১৯৯৬-এ ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ সিনেমাটি ১১টি সিনেমার সঙ্গে মুক্তি পেয়ে তুমুল আলোচনায় আসে, ব্যবসাসফল সিনেমা। আমরা কিন্তু সুপারস্টার হতে পারিনি। দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। এখন দুটি সিনেমা করলে নামের আগে যোগ হয় সুপারস্টার। এটা আপনারাই বানাচ্ছেন।”
ঢালিউডে প্রায় একই সময়ে অভিষেক ঘটে সালমান শাহ ও শাকিল খানের। যে কারণে খুব কাছ থেকে সালমান শাহর সিনেমায় বেড়ে ওঠা দেখেছেন শাকিল খান। যদিও এখন অভিনয়ে নিয়মিত নন তিনি, মাঝেমধ্যেই চলচ্চিত্রের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হন শাকিল খান।
শনিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বিসিআরএ অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’-এ বিশেষ সম্মাননা গ্রহণ করেন একসময়ের জনপ্রিয় এই নায়ক।
অনুষ্ঠানের মাঝে চিত্রশালা মিলনায়তনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় সিনেমা থেকে কেন দূরে, সালমান শাহর হত্যা মামলা কিভাবে দেখেন—এ রকম প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
এদিন সালমান শাহকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে শাকিল খান বলেন, ‘আমরা চলচ্চিত্রের মানুষ যারা ছিলাম, তারাই সালমান শাহকে শেষ করে দেওয়ার জন্য দায়ী। তাকে শেষ করে দেওয়ার পেছনে সিনেমার মানুষরাই দায়ী।
একজন মানুষকে কিন্তু ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়। একটা মানুষকে সারাক্ষণ টর্চার করলে তিনি ফ্রাস্ট্রেশনে পড়ে যান। সিনেমার মানুষরাই তাকে ফ্রাস্ট্রেশনে ফেলেছিলাম। আমি দেখেছি বিভিন্ন সমিতি তাকে (সালমান শাহ) বয়কট করেছিল। দেশের বহু পরিচালক তাকে বয়কট করেছিলেন। শেষে আমি বলতে চাই, সত্যের বিচার হবে। আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। আইন বলে দেবে তার (সালমান শাহ) সঙ্গে কী হয়েছিল।’
এরপর নিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিনেমার কারণেই আমি দর্শকদের কাছে এখনো শাকিল খান।
কিছু মানুষ আমাকে সেই কারণেই চেনেন। এই ফিল্মকে আমি এখনো ভালোবাসি। আমি এখনো সিনেমা করতে চাই। সিনেমা করব না, এটা কখনোই বলিনি। তবে সেটা অবশ্যই সুস্থধারায় হতে হবে। এখন আমি বলছি না সুস্থ ধারায় সিনেমা হচ্ছে না, ভালো ছবি হচ্ছে। কিন্তু একই প্রযোজকরা খুব বেশি সিনেমা করছেন না।’
নব্বইয়ের দশকে একের পর সিনেমায় অভিনয় করে একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিলেও তারকাখ্যাতি নিয়ে কখনোই কিছু ভাবেননি শাকিল খান। তার ভাষ্যে, ‘এখন সিনেমা ব্যবসা করলেই সুপারডুপার হিট তকমা লেগে যাচ্ছে। একটি রিলিজ করলেই সুপারস্টার হয়ে যাচ্ছেন। সব সহজ হয়ে যাচ্ছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেও কখনো সুপারস্টার শব্দটি শুনতে পাইনি।’
এরপর বললেন, “অথচ ১৯৯৬-এ ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ সিনেমাটি ১১টি সিনেমার সঙ্গে মুক্তি পেয়ে তুমুল আলোচনায় আসে, ব্যবসাসফল সিনেমা। আমরা কিন্তু সুপারস্টার হতে পারিনি। দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। এখন দুটি সিনেমা করলে নামের আগে যোগ হয় সুপারস্টার। এটা আপনারাই বানাচ্ছেন।”

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৩
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.