ঢালিউডে প্রায় একই সময়ে অভিষেক ঘটে সালমান শাহ ও শাকিল খানের। যে কারণে খুব কাছ থেকে সালমান শাহর সিনেমায় বেড়ে ওঠা দেখেছেন শাকিল খান। যদিও এখন অভিনয়ে নিয়মিত নন তিনি, মাঝেমধ্যেই চলচ্চিত্রের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হন শাকিল খান।
শনিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বিসিআরএ অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’-এ বিশেষ সম্মাননা গ্রহণ করেন একসময়ের জনপ্রিয় এই নায়ক।
অনুষ্ঠানের মাঝে চিত্রশালা মিলনায়তনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় সিনেমা থেকে কেন দূরে, সালমান শাহর হত্যা মামলা কিভাবে দেখেন—এ রকম প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
এদিন সালমান শাহকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে শাকিল খান বলেন, ‘আমরা চলচ্চিত্রের মানুষ যারা ছিলাম, তারাই সালমান শাহকে শেষ করে দেওয়ার জন্য দায়ী। তাকে শেষ করে দেওয়ার পেছনে সিনেমার মানুষরাই দায়ী।
একজন মানুষকে কিন্তু ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়। একটা মানুষকে সারাক্ষণ টর্চার করলে তিনি ফ্রাস্ট্রেশনে পড়ে যান। সিনেমার মানুষরাই তাকে ফ্রাস্ট্রেশনে ফেলেছিলাম। আমি দেখেছি বিভিন্ন সমিতি তাকে (সালমান শাহ) বয়কট করেছিল। দেশের বহু পরিচালক তাকে বয়কট করেছিলেন। শেষে আমি বলতে চাই, সত্যের বিচার হবে। আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। আইন বলে দেবে তার (সালমান শাহ) সঙ্গে কী হয়েছিল।’
এরপর নিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিনেমার কারণেই আমি দর্শকদের কাছে এখনো শাকিল খান।
কিছু মানুষ আমাকে সেই কারণেই চেনেন। এই ফিল্মকে আমি এখনো ভালোবাসি। আমি এখনো সিনেমা করতে চাই। সিনেমা করব না, এটা কখনোই বলিনি। তবে সেটা অবশ্যই সুস্থধারায় হতে হবে। এখন আমি বলছি না সুস্থ ধারায় সিনেমা হচ্ছে না, ভালো ছবি হচ্ছে। কিন্তু একই প্রযোজকরা খুব বেশি সিনেমা করছেন না।’
নব্বইয়ের দশকে একের পর সিনেমায় অভিনয় করে একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিলেও তারকাখ্যাতি নিয়ে কখনোই কিছু ভাবেননি শাকিল খান। তার ভাষ্যে, ‘এখন সিনেমা ব্যবসা করলেই সুপারডুপার হিট তকমা লেগে যাচ্ছে। একটি রিলিজ করলেই সুপারস্টার হয়ে যাচ্ছেন। সব সহজ হয়ে যাচ্ছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেও কখনো সুপারস্টার শব্দটি শুনতে পাইনি।’
এরপর বললেন, “অথচ ১৯৯৬-এ ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ সিনেমাটি ১১টি সিনেমার সঙ্গে মুক্তি পেয়ে তুমুল আলোচনায় আসে, ব্যবসাসফল সিনেমা। আমরা কিন্তু সুপারস্টার হতে পারিনি। দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। এখন দুটি সিনেমা করলে নামের আগে যোগ হয় সুপারস্টার। এটা আপনারাই বানাচ্ছেন।”

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৪
রাজধানীর মগবাজারে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছেন।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত কোনো বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্তের অগ্রগতি ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মধ্যে আসিফ আকবর অন্যতম। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি অর্জন করেছেন। সংগীতাঙ্গনের পাশাপাশি ক্রিকেট অঙ্গনেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র: যমুনা টেলিভিশন, কালবেলা ও ঢাকা পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
রাজধানীর মগবাজারে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছেন।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত কোনো বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্তের অগ্রগতি ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মধ্যে আসিফ আকবর অন্যতম। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি অর্জন করেছেন। সংগীতাঙ্গনের পাশাপাশি ক্রিকেট অঙ্গনেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র: যমুনা টেলিভিশন, কালবেলা ও ঢাকা পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৫
খায়রুল আলম সবুজ, বাংলাদেশের একজন জীবন্ত বরেণ্য অভিনেতা। বহু নাটকেই তিনি বাবার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। কিছুদিন আগে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশিত কাজী আসাদ পরিচালিত ‘লাইফলাইন’ ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। একজন বাবার চরিত্রে নিখুঁত অভিনয়ের কারণে এই মুহূর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল আলম সবুজ।
ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে খায়রুল আলম সবুজ বলেন, ‘এর আগেও আমি অনেক নাটকে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারই প্রথম বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। মিম চমৎকার অভিনয় করে। আমি চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। ফিল্মটি প্রকাশ্যে আসার পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বাহিরে গেলে সবাই বেশ প্রশংসা করছে। ধন্যবাদ কাজী আসাদকে আমাকে এত সুন্দর একটি চরিত্রে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
বরিশালে থাকাকালীন মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন খায়রুল আলম সবুজ। তখন পাড়ায় মঞ্চদল করে নাটকে অভিনয় করতেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ‘নাট্যচক্র’ নামক সংগঠনের মাধ্যমেই নাটকের এক বৈপ্লবিক আন্দোলন শুরু হয়। নাট্যচক্র থেকেই সেলিম আল দীন ও আল মনসুরের লেখা দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। এরপর তিনি ‘থিয়েটার’-এ যোগ দেন। এই দলের হয়ে মঞ্চে ২২ বছর অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘জলের রঙে লেখা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘ঢাকায় থাকি’।
তবে চলচ্চিত্রে এই বরেণ্য অভিনেতাকে খুব কমই দেখা গেছে। পুনে ইনস্টিটিউট থেকে নির্মিত ‘উজান’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর ‘ছাড়পত্র’ নামক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। সাহিত্যচর্চাকে তিনি তার জীবনের কাজ বলে মনে করেন। মৌলিক কাজ যেমন করেছেন, তেমনই করেছেন অনুবাদের কাজ।
খায়রুল আলম সবুজ, বাংলাদেশের একজন জীবন্ত বরেণ্য অভিনেতা। বহু নাটকেই তিনি বাবার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। কিছুদিন আগে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশিত কাজী আসাদ পরিচালিত ‘লাইফলাইন’ ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। একজন বাবার চরিত্রে নিখুঁত অভিনয়ের কারণে এই মুহূর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল আলম সবুজ।
ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে খায়রুল আলম সবুজ বলেন, ‘এর আগেও আমি অনেক নাটকে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারই প্রথম বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। মিম চমৎকার অভিনয় করে। আমি চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। ফিল্মটি প্রকাশ্যে আসার পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বাহিরে গেলে সবাই বেশ প্রশংসা করছে। ধন্যবাদ কাজী আসাদকে আমাকে এত সুন্দর একটি চরিত্রে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
বরিশালে থাকাকালীন মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন খায়রুল আলম সবুজ। তখন পাড়ায় মঞ্চদল করে নাটকে অভিনয় করতেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ‘নাট্যচক্র’ নামক সংগঠনের মাধ্যমেই নাটকের এক বৈপ্লবিক আন্দোলন শুরু হয়। নাট্যচক্র থেকেই সেলিম আল দীন ও আল মনসুরের লেখা দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। এরপর তিনি ‘থিয়েটার’-এ যোগ দেন। এই দলের হয়ে মঞ্চে ২২ বছর অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘জলের রঙে লেখা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘ঢাকায় থাকি’।
তবে চলচ্চিত্রে এই বরেণ্য অভিনেতাকে খুব কমই দেখা গেছে। পুনে ইনস্টিটিউট থেকে নির্মিত ‘উজান’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর ‘ছাড়পত্র’ নামক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। সাহিত্যচর্চাকে তিনি তার জীবনের কাজ বলে মনে করেন। মৌলিক কাজ যেমন করেছেন, তেমনই করেছেন অনুবাদের কাজ।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৪
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান।
পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।
পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।
উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান।
পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।
পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।
উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।

১০ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:১৩
ঢালিউডে প্রায় একই সময়ে অভিষেক ঘটে সালমান শাহ ও শাকিল খানের। যে কারণে খুব কাছ থেকে সালমান শাহর সিনেমায় বেড়ে ওঠা দেখেছেন শাকিল খান। যদিও এখন অভিনয়ে নিয়মিত নন তিনি, মাঝেমধ্যেই চলচ্চিত্রের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হন শাকিল খান।
শনিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বিসিআরএ অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’-এ বিশেষ সম্মাননা গ্রহণ করেন একসময়ের জনপ্রিয় এই নায়ক।
অনুষ্ঠানের মাঝে চিত্রশালা মিলনায়তনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় সিনেমা থেকে কেন দূরে, সালমান শাহর হত্যা মামলা কিভাবে দেখেন—এ রকম প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
এদিন সালমান শাহকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে শাকিল খান বলেন, ‘আমরা চলচ্চিত্রের মানুষ যারা ছিলাম, তারাই সালমান শাহকে শেষ করে দেওয়ার জন্য দায়ী। তাকে শেষ করে দেওয়ার পেছনে সিনেমার মানুষরাই দায়ী।
একজন মানুষকে কিন্তু ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়। একটা মানুষকে সারাক্ষণ টর্চার করলে তিনি ফ্রাস্ট্রেশনে পড়ে যান। সিনেমার মানুষরাই তাকে ফ্রাস্ট্রেশনে ফেলেছিলাম। আমি দেখেছি বিভিন্ন সমিতি তাকে (সালমান শাহ) বয়কট করেছিল। দেশের বহু পরিচালক তাকে বয়কট করেছিলেন। শেষে আমি বলতে চাই, সত্যের বিচার হবে। আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। আইন বলে দেবে তার (সালমান শাহ) সঙ্গে কী হয়েছিল।’
এরপর নিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিনেমার কারণেই আমি দর্শকদের কাছে এখনো শাকিল খান।
কিছু মানুষ আমাকে সেই কারণেই চেনেন। এই ফিল্মকে আমি এখনো ভালোবাসি। আমি এখনো সিনেমা করতে চাই। সিনেমা করব না, এটা কখনোই বলিনি। তবে সেটা অবশ্যই সুস্থধারায় হতে হবে। এখন আমি বলছি না সুস্থ ধারায় সিনেমা হচ্ছে না, ভালো ছবি হচ্ছে। কিন্তু একই প্রযোজকরা খুব বেশি সিনেমা করছেন না।’
নব্বইয়ের দশকে একের পর সিনেমায় অভিনয় করে একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিলেও তারকাখ্যাতি নিয়ে কখনোই কিছু ভাবেননি শাকিল খান। তার ভাষ্যে, ‘এখন সিনেমা ব্যবসা করলেই সুপারডুপার হিট তকমা লেগে যাচ্ছে। একটি রিলিজ করলেই সুপারস্টার হয়ে যাচ্ছেন। সব সহজ হয়ে যাচ্ছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেও কখনো সুপারস্টার শব্দটি শুনতে পাইনি।’
এরপর বললেন, “অথচ ১৯৯৬-এ ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ সিনেমাটি ১১টি সিনেমার সঙ্গে মুক্তি পেয়ে তুমুল আলোচনায় আসে, ব্যবসাসফল সিনেমা। আমরা কিন্তু সুপারস্টার হতে পারিনি। দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। এখন দুটি সিনেমা করলে নামের আগে যোগ হয় সুপারস্টার। এটা আপনারাই বানাচ্ছেন।”