বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্বোধন ও অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ।
'লেখাপড়া শিখে যিনি লেখাপড়া শেখান, এক প্রদীপের আলো দিয়ে হাজার প্রদীপ জ্বালান'- সেই মহান মানুষটি নাম শিক্ষক। পৃথিবীতে মা-বাবার পরে যার নাম শুনলে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যায় তিনি শিক্ষক। তাকে বলা হয় জাতি গড়ার কারিগর। বরিশালের বাবুগঞ্জে সেই জাতি গড়ার মহান কারিগররা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের ঠিকানা পেয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এদিকে এ উপলক্ষ্যে এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তারা। টিচার্স ক্লাব ভবনের উদ্বোধনের দিনেই উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষককে দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ গুণী শিক্ষককে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় তাদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। টিচার্স ক্লাবের ভবন নির্মাণসহ শিক্ষক সংবর্ধনার গোটা অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন উপজেলার বিশিষ্ট দানবীর, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক সভাপতি ও ঢাকার এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। পাশে থেকে শিক্ষকদের উৎসাহ প্রদান এবং সহায়তা করেন আরেক দানবীর, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে টিচার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শাহে আলমের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম শফিউল্লাহ।
টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম, সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মিজান, ঢাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডর উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুর রহমান টুটুল, ভোলার ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মেজবাউল আমিন, বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পূর্ব হোসনাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকির প্রমুখ।
এসময় সংবর্ধিত অতিথি শুণী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, ডাকুয়া মারুফুল হক ও হারুন অর রশিদ খান। টিচার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও কাজী এনায়েত হোসেন। এসময় উল্লেখযোগ্য শিক্ষক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক এনায়েত করিম ফারুক, আব্দুল লতিফ হাওলাদার, প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, ফারুক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, শফিকুল ইসলাম বাদল, মনিরুল ইসলাম, এ.কে আজাদ, ইসমত আরা কনা, আরিফুর রহমান সুমন প্রমুখ। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাইফুল ইসলাম, আরিফ হোসেন, আবুল বাশার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের মহিউদ্দিন খাঁন রানা, রুবেল সরদার, আবু হানিফ ফকির, সুমন আকন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষক হলেন- মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, মাওলানা আব্দুল মতিন, ডাকুয়া মারুফুল হক, খান আবু জাফর মোঃ সালেহ, শামসুল হক, হারুন অর রশিদ খান, নুরুল হক, হারুন অর রশিদ হাওলাদার, মজিবুর রহমান, আব্দুর রহমান শাহআলম, মফিজুল ইসলাম মির্জা, আফরোজা খানম, হোসনেয়ারা বেগম, রাহিমা আক্তার, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, আবু সায়েম বাচ্চু শিকদার, আনোয়ার হোসেন এবং অপু চন্দ্র দাস। সংবর্ধিত শিক্ষকদের উত্তরীয় পরিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং তাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন অতিথিরা। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সংবর্ধিত অনেক শিক্ষক। এটা তাদের শিক্ষকতা জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান বলে অভিহিত করেন এবং আয়োজক টিচার্স ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন বলেন, 'শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষক হলেন সেই জাতি গড়ার কারিগর। তাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে বসাতে হবে। শিক্ষকদের অবদানেই আজকে আমি এই চেয়ারে বসেছি। শিক্ষকদের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই।'
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'শিক্ষকের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না। একজন মানুষের জীবনে মা-বাবার পরে যার অবদান সবচেয়ে বেশি থাকে তিনি হলেন শিক্ষক। সেই শিক্ষকদের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। সমাজ আলোকিত করে এমন সকল ভালো কাজের সাথে আছি এবং থাকবো।'
অপর বিশেষ অতিথি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ বলেন, 'পাসের হার বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় বিগত দিনে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করে শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হবে। এই গুরুদায়িত্ব নিতে হবে শিক্ষাগুরুদেরকেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠাভ্যাস তৈরি করা এবং তাদের নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত করা জরুরি। এজন্য শিক্ষক-অভিভাবকসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ভূমিকা রাখতে হবে।'
অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বৃহস্পতিবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে ওই নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভবনদাতা শিক্ষানুরাগী আবুল কালাম আজাদ। এসময় তার সহধর্মিণী প্রধান অতিথি মেহেরুন্নেসা শিরিনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। পরে টিচার্স ক্লাবের জন্য একটি বড় পর্দার এলইডি টিভি উপহার দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আরেক শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
উল্লেখ্য, বিগত ২০০৮ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিচার্স ক্লাবের জন্য জমি দান করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসহাক এবং তার সহধর্মিণী নূর-ই-করিমা। সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে টিচার্স ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি সেখানে একতলা বিশিষ্ট একটি পাকাভবন তৈরি করে দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ। #

২২ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:১৩
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৭

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৮
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জহির উদ্দিন স্বপন। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন। তার পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
পদত্যাগের পর জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পৃথক প্রজ্ঞাপনে ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর রুল ৩বি(১) ও ৩বি(২) অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
এদিকে জহির উদ্দিন স্বপনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ৩(৪) বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের এ দায়িত্ব বণ্টন ও পুনর্বণ্টন করেছেন।’

০৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:৫৫
'লেখাপড়া শিখে যিনি লেখাপড়া শেখান, এক প্রদীপের আলো দিয়ে হাজার প্রদীপ জ্বালান'- সেই মহান মানুষটি নাম শিক্ষক। পৃথিবীতে মা-বাবার পরে যার নাম শুনলে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যায় তিনি শিক্ষক। তাকে বলা হয় জাতি গড়ার কারিগর। বরিশালের বাবুগঞ্জে সেই জাতি গড়ার মহান কারিগররা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের ঠিকানা পেয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এদিকে এ উপলক্ষ্যে এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তারা। টিচার্স ক্লাব ভবনের উদ্বোধনের দিনেই উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষককে দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ গুণী শিক্ষককে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় তাদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। টিচার্স ক্লাবের ভবন নির্মাণসহ শিক্ষক সংবর্ধনার গোটা অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন উপজেলার বিশিষ্ট দানবীর, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক সভাপতি ও ঢাকার এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। পাশে থেকে শিক্ষকদের উৎসাহ প্রদান এবং সহায়তা করেন আরেক দানবীর, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে টিচার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শাহে আলমের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম শফিউল্লাহ।
টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম, সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মিজান, ঢাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডর উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুর রহমান টুটুল, ভোলার ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মেজবাউল আমিন, বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পূর্ব হোসনাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকির প্রমুখ।
এসময় সংবর্ধিত অতিথি শুণী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, ডাকুয়া মারুফুল হক ও হারুন অর রশিদ খান। টিচার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও কাজী এনায়েত হোসেন। এসময় উল্লেখযোগ্য শিক্ষক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক এনায়েত করিম ফারুক, আব্দুল লতিফ হাওলাদার, প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, ফারুক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, শফিকুল ইসলাম বাদল, মনিরুল ইসলাম, এ.কে আজাদ, ইসমত আরা কনা, আরিফুর রহমান সুমন প্রমুখ। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাইফুল ইসলাম, আরিফ হোসেন, আবুল বাশার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের মহিউদ্দিন খাঁন রানা, রুবেল সরদার, আবু হানিফ ফকির, সুমন আকন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষক হলেন- মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, মাওলানা আব্দুল মতিন, ডাকুয়া মারুফুল হক, খান আবু জাফর মোঃ সালেহ, শামসুল হক, হারুন অর রশিদ খান, নুরুল হক, হারুন অর রশিদ হাওলাদার, মজিবুর রহমান, আব্দুর রহমান শাহআলম, মফিজুল ইসলাম মির্জা, আফরোজা খানম, হোসনেয়ারা বেগম, রাহিমা আক্তার, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, আবু সায়েম বাচ্চু শিকদার, আনোয়ার হোসেন এবং অপু চন্দ্র দাস। সংবর্ধিত শিক্ষকদের উত্তরীয় পরিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং তাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন অতিথিরা। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সংবর্ধিত অনেক শিক্ষক। এটা তাদের শিক্ষকতা জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান বলে অভিহিত করেন এবং আয়োজক টিচার্স ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন বলেন, 'শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষক হলেন সেই জাতি গড়ার কারিগর। তাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে বসাতে হবে। শিক্ষকদের অবদানেই আজকে আমি এই চেয়ারে বসেছি। শিক্ষকদের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই।'
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'শিক্ষকের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না। একজন মানুষের জীবনে মা-বাবার পরে যার অবদান সবচেয়ে বেশি থাকে তিনি হলেন শিক্ষক। সেই শিক্ষকদের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। সমাজ আলোকিত করে এমন সকল ভালো কাজের সাথে আছি এবং থাকবো।'
অপর বিশেষ অতিথি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ বলেন, 'পাসের হার বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় বিগত দিনে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করে শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হবে। এই গুরুদায়িত্ব নিতে হবে শিক্ষাগুরুদেরকেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠাভ্যাস তৈরি করা এবং তাদের নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত করা জরুরি। এজন্য শিক্ষক-অভিভাবকসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ভূমিকা রাখতে হবে।'
অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বৃহস্পতিবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে ওই নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভবনদাতা শিক্ষানুরাগী আবুল কালাম আজাদ। এসময় তার সহধর্মিণী প্রধান অতিথি মেহেরুন্নেসা শিরিনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। পরে টিচার্স ক্লাবের জন্য একটি বড় পর্দার এলইডি টিভি উপহার দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আরেক শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
উল্লেখ্য, বিগত ২০০৮ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিচার্স ক্লাবের জন্য জমি দান করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসহাক এবং তার সহধর্মিণী নূর-ই-করিমা। সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে টিচার্স ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি সেখানে একতলা বিশিষ্ট একটি পাকাভবন তৈরি করে দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ। #
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।
বরিশালের জেলা ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, অর্থ আদায় ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ আগস্ট) বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তোলেন আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: জাফর হাওলাদার ও একই এলাকার বাসিন্দা বাদশা হাওলাদার। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সম্প্রতি ডিবি পুলিশের দায়েরকৃত একটি নাটকীয় মামলার সাক্ষী স্থানীয় লালমিয়া হাওলাদার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাফর হাওলাদার অভিযোগ করেন, জেলা ডিবি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা মোল্লাপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নয়ন ঢালী এবং পাশ্ববর্তী গৈলা ইউপির ভদ্রপাড়ার সাহিন সরদারকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তারা প্রায় প্রতিদিনই সাদা পোশাকে উপজেলার মোল্লাপাড়া, সাহেবেরহাটসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে এসে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ওই দুই সোর্সের মাধ্যমে গ্রামের স্বচ্ছল পরিবারের উঠতি বয়সী কিশোর-তরুনদের প্রথমে আটক করে। পরে তাদেরকে মাদক দিয়ে মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। যেসব পরিবার দাবি করা টাকা না দিতে পারে বা প্রতিবাদ করে তাদের সাজানো মামলায় চালান দেওয়া হয়।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, গত ১১ আগস্ট রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার ছেলে নাদিম হোসেন (২৫), প্রতিবেশি বাদশা হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বির ও শহিদুল হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগ বাড়ির সামনে দাড়িয়ে মোবাইল ফোন দেখছিলো। হঠাৎ সেখানে এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা নয়ন ঢালী ও ভদ্রপাড়া এলাকার সাহিনকে নিয়ে সাদা পোশাকে উপস্থিত হয় জেলা ডিবির এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল, এসআই আবজাল হোসাইনসহ ৫/৭ জন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ সময় তার ছেলে নাদিমসহ সাব্বির ও সোহাগকে আটক করে। এরমধ্যে প্রতিবেশিরা খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই দেখেন এএসআই রাজিব পালসহ অন্যরা নাদিম, সাব্বির ও সোহাগকে নিয়ে যাচ্ছে। পরে আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন তার ছেলে নাদিম ও সাথে থাকা সাব্বির এবং সোহাগ কারো সাথেই কোনো মাদকদ্রব্য পায়নি। এ ঘটনার পরে গভীর রাতে প্রতিবেশী সাব্বির ও সোহাগের পরিবারের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পূর্বে ডিবির হয়রানির প্রতিবাদ করায় ক্ষোভ থেকে তার ছেলে নাদিমকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে গৌরনদী থানার একটি মামলায় ১০১ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটকের ভুয়া এজাহার তৈরি করা হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে দাবি করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মামলার এজাহারে ডিবি পুলিশের এসআই আবজাল হোসাইন উল্লেখ করেছেন তার ছেলে নাদিমের কাছ থেকে ১০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজার সংলগ্ন ছয়গ্রামগামী রাস্তার মুখ। যা সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট। এজাহারে যাদের সাক্ষী করা হয়েছে তারা এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা ডিবি পুলিশের করা ভূয়া মামলার ১ নম্বর সাক্ষী লালমিয়া হাওলাদার বলেন ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। অথচ কিভাবে তাকে সাক্ষী দেওয়া হয়েছে সেটিও অজানা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জাফর হাওলাদার জেলা ডিবি পুলিশের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে বলেন, কিছুদিন আগে রত্নপুর ইউনিয়নের বরিয়াল বারহাজার গ্রামের কাওসার নামের একজন মাছ চাষী ও খামার ব্যবসায়ীর মুরগির খামারে অভিযান চালায় একদল সাদা পোশাকধারী সদস্যরা। পরে জানা যায় তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্য। তারা কাওসারের মুরগীর খামারে কোনো মাদকদ্রব্য না পেলেও মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কযেকদিন পরে আবারও সেই মুরগির খামারে অভিযানে যায় জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা এবং তারাও একইভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এমনকি সেখান থেকে একটি মোবাইল ফোনও লুটে নেয়। কিন্তু ভুক্তভোগী কাওসার তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না৷
বিএনপি নেতা জাফর হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ইতিপূর্বে তাদের এলাকায় জেলা ডিবি পুলিশের এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা একাধিক ধরপাকড় বাণিজ্যের ঘটনা ঘটায়। যা নিয়ে প্রতিবাদ করায় পুলিশের ওই কর্মকর্তারা আগে থেকেই তাকে হুমকির মুখে রেখেছিলেন। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে নাটকীয় ও মিথ্যা মামলা থেকে তার ছেলে নাদিমের নাম প্রত্যাহার এবং এলাকার নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে বাণিজ্য চালানো অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে উপস্থিত হয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই রাজিবের সোর্স মাদক বিক্রতা নয়ন ঢালী বলেন, গত ১১ আগস্ট রাতের ঘটনায় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে আটককৃত নাদিম, সাব্বির ও সোহাগের কাছে কোনো মাদক পায় নাই। নাদিমকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বিবের বাবা বাদশা হাওলাদার বলেন, তার ছেলে ও প্রতিবেশী সোহাগকে আটক করার পরে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনা হয়। তিনি এসব অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।’
বরিশালের জেলা ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, অর্থ আদায় ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ আগস্ট) বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তোলেন আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: জাফর হাওলাদার ও একই এলাকার বাসিন্দা বাদশা হাওলাদার। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সম্প্রতি ডিবি পুলিশের দায়েরকৃত একটি নাটকীয় মামলার সাক্ষী স্থানীয় লালমিয়া হাওলাদার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাফর হাওলাদার অভিযোগ করেন, জেলা ডিবি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা মোল্লাপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নয়ন ঢালী এবং পাশ্ববর্তী গৈলা ইউপির ভদ্রপাড়ার সাহিন সরদারকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তারা প্রায় প্রতিদিনই সাদা পোশাকে উপজেলার মোল্লাপাড়া, সাহেবেরহাটসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে এসে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ওই দুই সোর্সের মাধ্যমে গ্রামের স্বচ্ছল পরিবারের উঠতি বয়সী কিশোর-তরুনদের প্রথমে আটক করে। পরে তাদেরকে মাদক দিয়ে মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। যেসব পরিবার দাবি করা টাকা না দিতে পারে বা প্রতিবাদ করে তাদের সাজানো মামলায় চালান দেওয়া হয়।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, গত ১১ আগস্ট রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার ছেলে নাদিম হোসেন (২৫), প্রতিবেশি বাদশা হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বির ও শহিদুল হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগ বাড়ির সামনে দাড়িয়ে মোবাইল ফোন দেখছিলো। হঠাৎ সেখানে এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা নয়ন ঢালী ও ভদ্রপাড়া এলাকার সাহিনকে নিয়ে সাদা পোশাকে উপস্থিত হয় জেলা ডিবির এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল, এসআই আবজাল হোসাইনসহ ৫/৭ জন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ সময় তার ছেলে নাদিমসহ সাব্বির ও সোহাগকে আটক করে। এরমধ্যে প্রতিবেশিরা খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই দেখেন এএসআই রাজিব পালসহ অন্যরা নাদিম, সাব্বির ও সোহাগকে নিয়ে যাচ্ছে। পরে আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন তার ছেলে নাদিম ও সাথে থাকা সাব্বির এবং সোহাগ কারো সাথেই কোনো মাদকদ্রব্য পায়নি। এ ঘটনার পরে গভীর রাতে প্রতিবেশী সাব্বির ও সোহাগের পরিবারের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পূর্বে ডিবির হয়রানির প্রতিবাদ করায় ক্ষোভ থেকে তার ছেলে নাদিমকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে গৌরনদী থানার একটি মামলায় ১০১ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটকের ভুয়া এজাহার তৈরি করা হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে দাবি করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মামলার এজাহারে ডিবি পুলিশের এসআই আবজাল হোসাইন উল্লেখ করেছেন তার ছেলে নাদিমের কাছ থেকে ১০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজার সংলগ্ন ছয়গ্রামগামী রাস্তার মুখ। যা সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট। এজাহারে যাদের সাক্ষী করা হয়েছে তারা এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা ডিবি পুলিশের করা ভূয়া মামলার ১ নম্বর সাক্ষী লালমিয়া হাওলাদার বলেন ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। অথচ কিভাবে তাকে সাক্ষী দেওয়া হয়েছে সেটিও অজানা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জাফর হাওলাদার জেলা ডিবি পুলিশের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে বলেন, কিছুদিন আগে রত্নপুর ইউনিয়নের বরিয়াল বারহাজার গ্রামের কাওসার নামের একজন মাছ চাষী ও খামার ব্যবসায়ীর মুরগির খামারে অভিযান চালায় একদল সাদা পোশাকধারী সদস্যরা। পরে জানা যায় তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্য। তারা কাওসারের মুরগীর খামারে কোনো মাদকদ্রব্য না পেলেও মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কযেকদিন পরে আবারও সেই মুরগির খামারে অভিযানে যায় জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা এবং তারাও একইভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এমনকি সেখান থেকে একটি মোবাইল ফোনও লুটে নেয়। কিন্তু ভুক্তভোগী কাওসার তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না৷
বিএনপি নেতা জাফর হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ইতিপূর্বে তাদের এলাকায় জেলা ডিবি পুলিশের এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা একাধিক ধরপাকড় বাণিজ্যের ঘটনা ঘটায়। যা নিয়ে প্রতিবাদ করায় পুলিশের ওই কর্মকর্তারা আগে থেকেই তাকে হুমকির মুখে রেখেছিলেন। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে নাটকীয় ও মিথ্যা মামলা থেকে তার ছেলে নাদিমের নাম প্রত্যাহার এবং এলাকার নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে বাণিজ্য চালানো অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে উপস্থিত হয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই রাজিবের সোর্স মাদক বিক্রতা নয়ন ঢালী বলেন, গত ১১ আগস্ট রাতের ঘটনায় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে আটককৃত নাদিম, সাব্বির ও সোহাগের কাছে কোনো মাদক পায় নাই। নাদিমকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বিবের বাবা বাদশা হাওলাদার বলেন, তার ছেলে ও প্রতিবেশী সোহাগকে আটক করার পরে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনা হয়। তিনি এসব অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জহির উদ্দিন স্বপন। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন। তার পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
পদত্যাগের পর জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পৃথক প্রজ্ঞাপনে ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর রুল ৩বি(১) ও ৩বি(২) অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
এদিকে জহির উদ্দিন স্বপনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ৩(৪) বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের এ দায়িত্ব বণ্টন ও পুনর্বণ্টন করেছেন।’
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭