
১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:০২
ঝালকাঠির রাজাপুরের মঠবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ সাউথপুরের আলোচিত আবুল বাশার হত্যা মামলার মূল আলমত ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল মামলার আইও রাজাপুর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেনের ড্রয়ার থেকে উধাও হয়ে গেছে।
এমনকি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দেলোয়ার হোসেন মামলার বাদি রাজমিস্ত্রী আবুল বাসারের স্ত্রী মোসাঃ আসমাকে আসামীদের পক্ষ নিয়ে ১০ লাখ টাকার নিয়ে মামলা তুলে নেয়ার অফার দিয়েছে বলে মামলার বাদি আসমা বেগম সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেছেন।
সোমবার সকালে রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবে হত্যার শিকার রাজমিস্ত্রী আবুল বাসারের স্ত্রী মামলার বাদি মোসা. আসমা ও তার পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এসব অভিযোগ করেন।
আবুল বাসারের স্ত্রী মোসাঃ আসমা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, মামলার ১ নম্বর আসামি নাজমুল বর্তমানে কারাগারে বন্ধী রয়েছে। নানা ভাবে শুনতে পাচ্ছি জামিনে বের হয়ে এসে তাকে ও তার পরিবারের লোকজনকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।
এছাড়া মামলার আইও রাজাপুর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেনে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামীদের বাদ দিয়ে চাজর্শীট দিতে পারে এমন আশঙ্কারও অভিযোগ করেন বাদি।
মামলার বাদী আসমা অভিযোগ করে জানান, ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দক্ষিণ সাউথপুর এলাকায় স্থানীয় শুকুরের চায়ের দোকানের সামনে তার স্বামী আবুল বাশারকে আসামি নাজমুল হাসান, রাতুলসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় তিনি রাজাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী নাজমুলের স্বীকারোক্তিতে আরও তিন আসামী তরিকুল ইসলাম তারেক, আশরাফুল ও সাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়। সম্প্রতি তরিকুল ইসলাম তারেক জামিনে বের হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মোসাঃ আসমা আরও অভিযোগ করেন, ছেলে মেয়েদের উপবৃত্তির টাকা উত্তোলনের জন্য থানায় স্বামীর মোবাইল ও সিম আনতে গেলে মামলার তদন্তকারীর কাছে আলামত হিসেবে হেফাজত থাকা নিহতের আবুল বাসারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন রহস্যজনকভাবে চুরি হয়ে গেছে বলে জানানয় তদন্তকারী কর্মকর্তা।
তখন আসামীদের মোবাইল গুলো বের করে দেখায় কিন্তু তার স্বামীর মোবাইল দেখায় না বলে এসব নিয়ে বাড়াবাড়ি করিয়েন না আপনাকে নতুন মোবাইল কিনে দিবো বলেও জানায় তদন্ত কর্মকর্তা।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, চার্জশীটের খবর নিতে থানায় গিয়ে কান্নাকাটি করলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (দারেগা) বলে দেখি কি করা যায়, নাজমুল (প্রধান আসামী) কে দিয়ে ১০ লাখ টাকা দায় ধারা করা যায় কিনা।
তখন বাদি বলে, স্বামীর জান গেছে, স্বামীর জানের বদলে জান চাই। টাকা হলো হাতের ময়লা, টাকা লাগবে না। টাকা দিয়ে কি করবো। স্বামীকে যে মারছে, সেই খুনিদের ফাসি চাই।
মোটা অংকের টাকা নিয়ে মামলা তুলে নেয়ার জন্যও তাকে চাপ সৃষ্টি করা বিভিন্ন মহল থেকে। তিনি অভিযোগ করেন, মামলার অগ্রগতি ধীরগতির এবং আসামিরা প্রভাব খাটিয়ে তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে, থানায় গিয়েও কোন গুরুত্ব পাচ্ছি না।
উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তিকে হারিয়ে বর্তমানে দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলেও তিনি জানান। হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও ফাসি দাবি করে প্রশাসনের উর্ধ্বতনদের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজাপুর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বাদীর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভুয়াকথা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসায় চার্জশিট দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আবুল বাসারের মোবাইলটি থানায় তার (এসআই) টেবিলের ড্রয়ার থেকে হারিয়ে গেছে, তা মোবাইল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, আসামী ধরা শেষ, এখন শুধু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই চাজশীট দেয়া হবে। বাদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের বিষয়েও ঝালকাঠি গিয়ে খবর নিতেও বলেছি।
রাজাপুর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা এসব বিষয়গুলো তার কাছে কেহ বলেনি। হুমকি দিয়ে থাকলে প্রয়োজনী জিডি করা হবে এবং গুরুত্ব দিয়ে বিষয়গুলো দেখা হবে।
ঝালকাঠির রাজাপুরের মঠবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ সাউথপুরের আলোচিত আবুল বাশার হত্যা মামলার মূল আলমত ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল মামলার আইও রাজাপুর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেনের ড্রয়ার থেকে উধাও হয়ে গেছে।
এমনকি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দেলোয়ার হোসেন মামলার বাদি রাজমিস্ত্রী আবুল বাসারের স্ত্রী মোসাঃ আসমাকে আসামীদের পক্ষ নিয়ে ১০ লাখ টাকার নিয়ে মামলা তুলে নেয়ার অফার দিয়েছে বলে মামলার বাদি আসমা বেগম সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেছেন।
সোমবার সকালে রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবে হত্যার শিকার রাজমিস্ত্রী আবুল বাসারের স্ত্রী মামলার বাদি মোসা. আসমা ও তার পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এসব অভিযোগ করেন।
আবুল বাসারের স্ত্রী মোসাঃ আসমা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, মামলার ১ নম্বর আসামি নাজমুল বর্তমানে কারাগারে বন্ধী রয়েছে। নানা ভাবে শুনতে পাচ্ছি জামিনে বের হয়ে এসে তাকে ও তার পরিবারের লোকজনকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।
এছাড়া মামলার আইও রাজাপুর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেনে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামীদের বাদ দিয়ে চাজর্শীট দিতে পারে এমন আশঙ্কারও অভিযোগ করেন বাদি।
মামলার বাদী আসমা অভিযোগ করে জানান, ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দক্ষিণ সাউথপুর এলাকায় স্থানীয় শুকুরের চায়ের দোকানের সামনে তার স্বামী আবুল বাশারকে আসামি নাজমুল হাসান, রাতুলসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় তিনি রাজাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী নাজমুলের স্বীকারোক্তিতে আরও তিন আসামী তরিকুল ইসলাম তারেক, আশরাফুল ও সাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়। সম্প্রতি তরিকুল ইসলাম তারেক জামিনে বের হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মোসাঃ আসমা আরও অভিযোগ করেন, ছেলে মেয়েদের উপবৃত্তির টাকা উত্তোলনের জন্য থানায় স্বামীর মোবাইল ও সিম আনতে গেলে মামলার তদন্তকারীর কাছে আলামত হিসেবে হেফাজত থাকা নিহতের আবুল বাসারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন রহস্যজনকভাবে চুরি হয়ে গেছে বলে জানানয় তদন্তকারী কর্মকর্তা।
তখন আসামীদের মোবাইল গুলো বের করে দেখায় কিন্তু তার স্বামীর মোবাইল দেখায় না বলে এসব নিয়ে বাড়াবাড়ি করিয়েন না আপনাকে নতুন মোবাইল কিনে দিবো বলেও জানায় তদন্ত কর্মকর্তা।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, চার্জশীটের খবর নিতে থানায় গিয়ে কান্নাকাটি করলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (দারেগা) বলে দেখি কি করা যায়, নাজমুল (প্রধান আসামী) কে দিয়ে ১০ লাখ টাকা দায় ধারা করা যায় কিনা।
তখন বাদি বলে, স্বামীর জান গেছে, স্বামীর জানের বদলে জান চাই। টাকা হলো হাতের ময়লা, টাকা লাগবে না। টাকা দিয়ে কি করবো। স্বামীকে যে মারছে, সেই খুনিদের ফাসি চাই।
মোটা অংকের টাকা নিয়ে মামলা তুলে নেয়ার জন্যও তাকে চাপ সৃষ্টি করা বিভিন্ন মহল থেকে। তিনি অভিযোগ করেন, মামলার অগ্রগতি ধীরগতির এবং আসামিরা প্রভাব খাটিয়ে তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে, থানায় গিয়েও কোন গুরুত্ব পাচ্ছি না।
উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তিকে হারিয়ে বর্তমানে দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলেও তিনি জানান। হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও ফাসি দাবি করে প্রশাসনের উর্ধ্বতনদের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজাপুর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বাদীর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভুয়াকথা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসায় চার্জশিট দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আবুল বাসারের মোবাইলটি থানায় তার (এসআই) টেবিলের ড্রয়ার থেকে হারিয়ে গেছে, তা মোবাইল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, আসামী ধরা শেষ, এখন শুধু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই চাজশীট দেয়া হবে। বাদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের বিষয়েও ঝালকাঠি গিয়ে খবর নিতেও বলেছি।
রাজাপুর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা এসব বিষয়গুলো তার কাছে কেহ বলেনি। হুমকি দিয়ে থাকলে প্রয়োজনী জিডি করা হবে এবং গুরুত্ব দিয়ে বিষয়গুলো দেখা হবে।

০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে গিয়ে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নলছিটি উপজেলার পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রো-১১-০০৭৩ নম্বরের নাহিদ সুপার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় দুই বাসের মাঝখানে একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) চলে আসে। সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বাসটির সুপারভাইজার বাসের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সুপারভাইজারের পরিচয় জানা যায়নি।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে গিয়ে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নলছিটি উপজেলার পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রো-১১-০০৭৩ নম্বরের নাহিদ সুপার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় দুই বাসের মাঝখানে একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) চলে আসে। সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বাসটির সুপারভাইজার বাসের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সুপারভাইজারের পরিচয় জানা যায়নি।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৫
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক যুবকের নাকের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ( ৩ জুলাই) বিকেলে কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম হাসিবুল ইসলাম (২০)।তিনি বারইকরন গ্রামের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের ছেলে।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাশের সরই গ্রামের আক্কেল আলী মোল্লার নাতি শুভ হোসেন তাঁকে ঘুষি মারেন। এতে হাসিবুল ইসলামের নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।চিকিৎসক জানান, তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আক্কেল আলী মোল্লার মেয়ের জামাই প্রবাসে থাকায় পরিবারটি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁদের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া অভিযুক্ত শুভর বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। আগে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক যুবকের নাকের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ( ৩ জুলাই) বিকেলে কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম হাসিবুল ইসলাম (২০)।তিনি বারইকরন গ্রামের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের ছেলে।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাশের সরই গ্রামের আক্কেল আলী মোল্লার নাতি শুভ হোসেন তাঁকে ঘুষি মারেন। এতে হাসিবুল ইসলামের নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।চিকিৎসক জানান, তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আক্কেল আলী মোল্লার মেয়ের জামাই প্রবাসে থাকায় পরিবারটি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁদের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া অভিযুক্ত শুভর বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। আগে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০০
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
০৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৭
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৮
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৪