
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
বরিশাল কৃষি অঞ্চলের প্রধান দানাদার খাদ্য ফসল আমনের প্রায় ২৪ লাখ টন চাল কৃষকের ঘরে উঠলেও দরপতনে মুখের হাসি ম্লান করে দিচ্ছে। সাম্প্রতিককালের মধ্যে এবারই প্রথম রোপণের পরে বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়াই এ অঞ্চলের কৃষকের গোলায় নির্বিঘ্নে আমন ধান উঠল। তবে বীজতলা তৈরি সহ রোপণ শুরুর প্রাক্কালে কয়েক দফায় অতিবর্ষণ সহ বর্ষণজনিত প্লাবনে বীজতলা ও রোপণের তৈরিকৃত কিছু জমি বিনষ্ট হলেও প্রয়োজনের অতিরিক্ত বীজতলা সহ দুর্যোগ পরবর্তী দ্রুততম সময়ে পুনরায় জমি তৈরি সম্পন্ন করতে পারায় তেমন কোনো বাধা তৈরি হয়নি। কিন্তু বরিশালে আমনের দরপতনে কৃষকের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এখন প্রতিমণ আমন ধান বিক্রি হচ্ছে ৯শ টাকা থেকে হাজার ৫০ টাকার মধ্যে। অথচ সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে প্রতিমণ আমনের উৎপাদন ব্যয় ছিল হাজার টাকার ওপরে।
সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমে দেশে পৌনে ২ কোটি টনেরও বেশি আমন চাল ঘরে তোলার লক্ষ্যে ৫৭ লাখ ১৮ হাজার ৩শ হেক্টরে আবাদ লক্ষ্য অতিক্রম করেন কৃষিযোদ্ধাগণ। বরিশাল অঞ্চলেও মূল লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে এবার ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪ হেক্টরে আবাদ সম্পন্নের ফলে উৎপাদনও ছিল লক্ষ্যমাত্রার বেশি। এমনকি এবারের খরিপ-২ মৌসুমে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে গত বছরের ২৩ লাখ ২২ হাজার ৯৫৮ টনের স্থলে প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৩.৬০ লাখ টনের কাছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৩ হাজার টন বেশি। এর বাইরে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন বোনা আমনও ইতোমধ্যে কৃষকের ঘরে উঠেছে।
আমনের এই উৎপাদন কিছুটা স্বস্তি দিলেও এখনো বরিশাল অঞ্চলে প্রধান দানাদার এই খাদ্য ফসলের গড় ফলন হেক্টরে ২.৯২ টনের মতো। মূলত বরিশালে এখনো প্রায় ৩৫ ভাগ জমিতে সনাতন স্থানীয় জাতের আমনের আবাদ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। ফলে দেশের অন্য এলাকার তুলনায় বরিশালে ফলন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না।
যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-ডিএই’র মতে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কৃষকের কাছে সরবরাহের ফলে গত দুই দশকে এ অঞ্চলেও আমনের ফলন ও উৎপাদন বেড়েছে। আগামীতে উফশী ও হাইব্রিড জাতের আবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে বীজ ও আবাদ প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডিএই’র বরিশাল অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী ও অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার।
কৃষকদের দাবি, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের বীজের পাশাপাশি উৎপাদন প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাবে তাদের পক্ষে কম জমিতে বেশি ধান উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ আবাদকৃত আমনের অন্তত ৮০ ভাগে উফশী এবং ২০ ভাগ হাইব্রিড ধানের আবাদ সম্ভব হলেও বরিশাল অঞ্চলে উৎপাদন অন্তত ৩০ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদগণ। এতে করে বরিশালে উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্যের পরিমাণ বর্তমানের ১৪ লাখ টন থেকে ২০ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে বলেও মনে করছেন কৃষিবিদগণ।
তবে বরিশাল অঞ্চলে উফশী জাতের আবাদ সম্প্রসারণের বিষয়টি অনেকটা এগোলেও হাইব্রিড জাতের ক্ষেত্রে এখনো তা নগণ্য। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে আবাদকৃত ৮ লাখ ৮৫ হাজার হেক্টর আমনের মাত্র ২২ হাজার ৫শ হেক্টরে হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদ হয়েছে বলে জানা গেছে। গড় উৎপাদন ছিল হেক্টরে ৩.৯৭ টন চাল। এমনকি এ অঞ্চলে সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমেও ৩ লক্ষাধিক হেক্টরে স্থানীয় জাতের আমনের আবাদ হয়েছে। যার গড় উৎপাদন ছিল মাত্র ১.৭৩ টন প্রতি হেক্টরে। বিষয়টি নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে অধিকতর মনোযোগী হবার তাগিদ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ। এদিকে এবার আবাদ ও ফলন সহ উৎপাদন আশাতীত হলেও ধানের দর পতন কৃষকদের চরমভাবে হতাশ করছে। বিষয়টি নিয়ে এ অঞ্চলের প্রশাসনিক পর্যায়েও তেমন কোনো পদক্ষেপ লক্ষণীয় নয়। মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদদের মতে, উৎপাদিত ধান বিক্রি করে যদি কৃষকদের পুঁজিই ফিরে না আসে তবে, ভবিষ্যতে এই দানাদার খাদ্য ফসল আবাদে তাদের আগ্রহ ধরে রাখা যাবে না।
বরিশাল কৃষি অঞ্চলের প্রধান দানাদার খাদ্য ফসল আমনের প্রায় ২৪ লাখ টন চাল কৃষকের ঘরে উঠলেও দরপতনে মুখের হাসি ম্লান করে দিচ্ছে। সাম্প্রতিককালের মধ্যে এবারই প্রথম রোপণের পরে বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়াই এ অঞ্চলের কৃষকের গোলায় নির্বিঘ্নে আমন ধান উঠল। তবে বীজতলা তৈরি সহ রোপণ শুরুর প্রাক্কালে কয়েক দফায় অতিবর্ষণ সহ বর্ষণজনিত প্লাবনে বীজতলা ও রোপণের তৈরিকৃত কিছু জমি বিনষ্ট হলেও প্রয়োজনের অতিরিক্ত বীজতলা সহ দুর্যোগ পরবর্তী দ্রুততম সময়ে পুনরায় জমি তৈরি সম্পন্ন করতে পারায় তেমন কোনো বাধা তৈরি হয়নি। কিন্তু বরিশালে আমনের দরপতনে কৃষকের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এখন প্রতিমণ আমন ধান বিক্রি হচ্ছে ৯শ টাকা থেকে হাজার ৫০ টাকার মধ্যে। অথচ সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে প্রতিমণ আমনের উৎপাদন ব্যয় ছিল হাজার টাকার ওপরে।
সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমে দেশে পৌনে ২ কোটি টনেরও বেশি আমন চাল ঘরে তোলার লক্ষ্যে ৫৭ লাখ ১৮ হাজার ৩শ হেক্টরে আবাদ লক্ষ্য অতিক্রম করেন কৃষিযোদ্ধাগণ। বরিশাল অঞ্চলেও মূল লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে এবার ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪ হেক্টরে আবাদ সম্পন্নের ফলে উৎপাদনও ছিল লক্ষ্যমাত্রার বেশি। এমনকি এবারের খরিপ-২ মৌসুমে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে গত বছরের ২৩ লাখ ২২ হাজার ৯৫৮ টনের স্থলে প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৩.৬০ লাখ টনের কাছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৩ হাজার টন বেশি। এর বাইরে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন বোনা আমনও ইতোমধ্যে কৃষকের ঘরে উঠেছে।
আমনের এই উৎপাদন কিছুটা স্বস্তি দিলেও এখনো বরিশাল অঞ্চলে প্রধান দানাদার এই খাদ্য ফসলের গড় ফলন হেক্টরে ২.৯২ টনের মতো। মূলত বরিশালে এখনো প্রায় ৩৫ ভাগ জমিতে সনাতন স্থানীয় জাতের আমনের আবাদ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। ফলে দেশের অন্য এলাকার তুলনায় বরিশালে ফলন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না।
যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-ডিএই’র মতে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কৃষকের কাছে সরবরাহের ফলে গত দুই দশকে এ অঞ্চলেও আমনের ফলন ও উৎপাদন বেড়েছে। আগামীতে উফশী ও হাইব্রিড জাতের আবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে বীজ ও আবাদ প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডিএই’র বরিশাল অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী ও অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার।
কৃষকদের দাবি, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের বীজের পাশাপাশি উৎপাদন প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাবে তাদের পক্ষে কম জমিতে বেশি ধান উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ আবাদকৃত আমনের অন্তত ৮০ ভাগে উফশী এবং ২০ ভাগ হাইব্রিড ধানের আবাদ সম্ভব হলেও বরিশাল অঞ্চলে উৎপাদন অন্তত ৩০ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদগণ। এতে করে বরিশালে উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্যের পরিমাণ বর্তমানের ১৪ লাখ টন থেকে ২০ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে বলেও মনে করছেন কৃষিবিদগণ।
তবে বরিশাল অঞ্চলে উফশী জাতের আবাদ সম্প্রসারণের বিষয়টি অনেকটা এগোলেও হাইব্রিড জাতের ক্ষেত্রে এখনো তা নগণ্য। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে আবাদকৃত ৮ লাখ ৮৫ হাজার হেক্টর আমনের মাত্র ২২ হাজার ৫শ হেক্টরে হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদ হয়েছে বলে জানা গেছে। গড় উৎপাদন ছিল হেক্টরে ৩.৯৭ টন চাল। এমনকি এ অঞ্চলে সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমেও ৩ লক্ষাধিক হেক্টরে স্থানীয় জাতের আমনের আবাদ হয়েছে। যার গড় উৎপাদন ছিল মাত্র ১.৭৩ টন প্রতি হেক্টরে। বিষয়টি নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে অধিকতর মনোযোগী হবার তাগিদ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ। এদিকে এবার আবাদ ও ফলন সহ উৎপাদন আশাতীত হলেও ধানের দর পতন কৃষকদের চরমভাবে হতাশ করছে। বিষয়টি নিয়ে এ অঞ্চলের প্রশাসনিক পর্যায়েও তেমন কোনো পদক্ষেপ লক্ষণীয় নয়। মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদদের মতে, উৎপাদিত ধান বিক্রি করে যদি কৃষকদের পুঁজিই ফিরে না আসে তবে, ভবিষ্যতে এই দানাদার খাদ্য ফসল আবাদে তাদের আগ্রহ ধরে রাখা যাবে না।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও কোরআন সুন্নাহভিত্তিক সমাজ গঠন করব যেখানে সকলে তার অধিকার পাবে। জনগণের এক টাকাও চুরি হবে না। যারা চাঁদাবাজ এবং শরিয়াহ আইন চায় না, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদর রোড এলাকায় হাতপাখার সমর্থনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জ আসনে হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী।
ভোটারদের উদ্দেশে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা আমাকে বিজয় করে ১৩ তারিখ থেকে দরজা খোলা রেখে শান্তিতে ঘুমাবেন। আমি নির্বাচিত হলে আমার এলাকায় কোনো মিথ্যা মামলা থাকবে না, কোউ জুলুমের শিকার হবে না ইনশাআল্লাহ।
পথসভা শেষে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এ সময় ইসলামী আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম আল আমিন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাসির উদ্দিন রোকন ডাকুয়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সকালে বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছেন সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশিচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬২ ইবি ক্যাডেট কলেজ বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর ফয়সল হকের নেতৃত্বে পরিত্যক্ত দোকান ও বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন- বকশিচর গ্রামের মৃত রহিম হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (কালা) (৩২), তার স্ত্রী মোছাঃ রোকসানা আক্তার (৩০) এবং একাই এলাকার মাদক সেবনকারী মোঃ হোসেন ঢালী (৩৩)। সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ অস্থায়ী ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাঁদের বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুই ঘণ্টার অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজা, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি রাম দা, দুইটি দা, দুইটি চা পাতি, তিনটি চাকু/ছুরি, একটি হ্যামার, একটি সিজার, একটি প্লাস, পাঁচটি বাটন মোবাইল ফোন, একটি স্মার্টফোন এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার সেনা সদস্যরা তিনজনকে হস্তান্তর করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও কোরআন সুন্নাহভিত্তিক সমাজ গঠন করব যেখানে সকলে তার অধিকার পাবে। জনগণের এক টাকাও চুরি হবে না। যারা চাঁদাবাজ এবং শরিয়াহ আইন চায় না, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদর রোড এলাকায় হাতপাখার সমর্থনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জ আসনে হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী।
ভোটারদের উদ্দেশে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা আমাকে বিজয় করে ১৩ তারিখ থেকে দরজা খোলা রেখে শান্তিতে ঘুমাবেন। আমি নির্বাচিত হলে আমার এলাকায় কোনো মিথ্যা মামলা থাকবে না, কোউ জুলুমের শিকার হবে না ইনশাআল্লাহ।
পথসভা শেষে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এ সময় ইসলামী আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম আল আমিন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাসির উদ্দিন রোকন ডাকুয়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সকালে বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
বরিশালের বাবুগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছেন সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশিচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬২ ইবি ক্যাডেট কলেজ বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর ফয়সল হকের নেতৃত্বে পরিত্যক্ত দোকান ও বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন- বকশিচর গ্রামের মৃত রহিম হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (কালা) (৩২), তার স্ত্রী মোছাঃ রোকসানা আক্তার (৩০) এবং একাই এলাকার মাদক সেবনকারী মোঃ হোসেন ঢালী (৩৩)। সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ অস্থায়ী ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাঁদের বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুই ঘণ্টার অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজা, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি রাম দা, দুইটি দা, দুইটি চা পাতি, তিনটি চাকু/ছুরি, একটি হ্যামার, একটি সিজার, একটি প্লাস, পাঁচটি বাটন মোবাইল ফোন, একটি স্মার্টফোন এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার সেনা সদস্যরা তিনজনকে হস্তান্তর করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১