
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:০৩
প্রথমবারের মতো বরিশালে সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামসহ ইসলামপন্থী আটটি দল। শহরের বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের (২ ডিসেম্বর) এই সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। গত তিনদিন ধরে মঞ্চ তৈরি করা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকদের অবস্থান নেওয়ার জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। বিভাগীয় শহরের এই সমাবেশে ১০ লক্ষধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন এবং জামায়াত ইসলামীসহ দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। এমনকি সমাবেশের একদিন আগে অর্থাৎ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেও ৮টি দলের নেতারা বিপুলসংখ্যক লোক সমাবেত হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, অতীতে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও গত বছরের জুলাই আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে একত্রিত হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে একই বছরের ৫ আগস্ট সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগে বাধ্য হলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ঐক্য ধরে রাখতে কৌশল নেয়। শোনা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই আটটি দল মোর্চা গঠন করার ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে, যার প্রাকপ্রস্তুতি শুরু করেছে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশের মধ্যে দিয়ে।
শহরের বান্দরোডস্থ ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের এই সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দক্ষিণাঞ্চলের ২১ টি সংসদীয় আসন থেকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসতে চাইছে। পাশাপাশি মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও কর্মী-অনুসারীরা আসছেন।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়াসহ ৫ দফার স্বপক্ষে আটটি ইসলামিক দল একত্রিত হওয়া রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে। বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপিসহ অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলো তার প্রভাব কিছুটা আচ করতে পারছে।
রাজনৈতিক কুশীলবদের মতে, ইসলাম ভিত্তিক আটটি দল বরিশালে সমাবেশ করে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটিয়ে রাজনীতিতে আলোচনায় থাকতে চাইছে। এবং বিভাগীয় শহর বরিশালে তাদের শক্তপোক্ত অবস্থান থাকার বিষয়টিও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তুলে ধরতে চায়।
সমাবেশকে ঘিরে সর্বশেষ বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। সোমবার অপরাহ্নে বরিশাল শহরের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাদের ৫ দফা তুলে ধরাসহ ২ ডিসেম্বর বেলসপার্কের সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
৮ দলের প্রতিনিধিরা জানান, মঙ্গলবার বিভাগীয় সমাবেশে ১০ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটবে এবং এর মাধ্যমে ইসলামিক দলগুলোর মধ্যে দুরত্ব কমে আসবে। আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম পির সাহেব চরমোনাই। এবং সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং আগামীতে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ ভুলে কি ভাবে এক কাতারে আসা যায় তা নিয়ে মতামত তুলে ধরবেন। এই তথ্য অস্বীকার না করলেও দলগুলোর নেতাকর্মীরা বলছেন, জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, উন্নত নৈতিকতাসমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি-দুঃশাসন প্রতিরোধ এবং সর্বশ্রেণির মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, আট দলের ৫ দফার মধ্যে আছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আদেশ জারি। আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠান। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও সকল পর্যায়ে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শাপলা ট্রাজিডি ও বিডিআর গণহত্যায় সংশ্লিষ্ট সকল মানবতাবিরোধী অপরাধীর বিচার। জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের সকল ফ্যাসিবাদের দোসর ও সহযোগিদের বিচারের আওতায় আনা এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ রাখা।
জামায়াতের একটি সূত্র বলছে, ১০ লাখ লোক সমাবেত করে দাবিগুলো জোরালো কণ্ঠে সরকারের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি ইসলামপন্থীদের একটি সোজাপথ অনুসরণের উদাহরণ তৈরি হতে পারে বরিশাল বেলসপার্ক। তবে এই সমাবেশে ১০ লাখ বা তার বেশি লোক সমাবেত হলেও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরির কোনো সুযোগ নেই। বরং দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের রাজনীতিতে বরিশাল থেকে নতুন অধ্যায় তৈরি করতে যাচ্ছে ইসলাম ভিত্তিক ৮টি দল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলালের কণ্ঠেও এমনটা আভাস পাওয়া গেছে। এই নেতা বলেন, বরিশালে ২ ডিসেম্বরের সমাবেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে। ১০ লাখ মানুষের সমাগমে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সমাবেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ৩০০জন স্বেচ্ছাসেবক। এছাড়াও আগত মুসল্লীদের জন্য সেনিটেশন ও অজুর ব্যবস্থা থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ মাঠ, পরেশ সাগর মাঠ, সিএন্ডবি রোড, আমতলা পানির ট্যাংকি এরিয়া, হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ, ক্লাব রোড। নৌ-পার্কিংয়ের জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট, ডিসিঘাট ও চাঁদমারী খেয়াঘাট নির্ধারন করা হয়েছে।
আট দলের সমাবেশকে ঘিরে নগরী নিরাপদ রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও ব্যাপক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে। বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, সমাবেশকে ঘিরে তাদের কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি রয়েছে। পাশাপাশি আয়োজকেরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
ইসলামপন্থীদের সমাবেশ আয়োজন এবং প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে বরিশালে এক ভিন্ন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সমাবেশস্থল বেলসপার্ক মাঠে একদিন আগেই সোমবার সন্ধ্যা থেকে দলগুলোর কর্মী-অনুসারীদের আগমনে উৎসবমুখরতা তৈরি হয়। মঙ্গলবার আটটি দলের নেতারা এই সমাবেশ থেকে কর্মীদের উদ্দেশে কি বার্তা দেবেন তা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান আলোচনা হচ্ছে। তবে একটি প্রসঙ্গ আলোচনা খুব গুরুত্ব পেয়েছে, সেটি হচ্ছে এই সমাবেশ থেকে বরিশালের ২১ আসনে তাদের সমর্থিত একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার বিষয়টি শোনা যাচ্ছে।’
প্রথমবারের মতো বরিশালে সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামসহ ইসলামপন্থী আটটি দল। শহরের বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের (২ ডিসেম্বর) এই সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। গত তিনদিন ধরে মঞ্চ তৈরি করা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকদের অবস্থান নেওয়ার জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। বিভাগীয় শহরের এই সমাবেশে ১০ লক্ষধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন এবং জামায়াত ইসলামীসহ দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। এমনকি সমাবেশের একদিন আগে অর্থাৎ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেও ৮টি দলের নেতারা বিপুলসংখ্যক লোক সমাবেত হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, অতীতে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও গত বছরের জুলাই আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে একত্রিত হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে একই বছরের ৫ আগস্ট সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগে বাধ্য হলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ঐক্য ধরে রাখতে কৌশল নেয়। শোনা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই আটটি দল মোর্চা গঠন করার ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে, যার প্রাকপ্রস্তুতি শুরু করেছে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশের মধ্যে দিয়ে।
শহরের বান্দরোডস্থ ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের এই সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দক্ষিণাঞ্চলের ২১ টি সংসদীয় আসন থেকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসতে চাইছে। পাশাপাশি মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও কর্মী-অনুসারীরা আসছেন।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়াসহ ৫ দফার স্বপক্ষে আটটি ইসলামিক দল একত্রিত হওয়া রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে। বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপিসহ অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলো তার প্রভাব কিছুটা আচ করতে পারছে।
রাজনৈতিক কুশীলবদের মতে, ইসলাম ভিত্তিক আটটি দল বরিশালে সমাবেশ করে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটিয়ে রাজনীতিতে আলোচনায় থাকতে চাইছে। এবং বিভাগীয় শহর বরিশালে তাদের শক্তপোক্ত অবস্থান থাকার বিষয়টিও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তুলে ধরতে চায়।
সমাবেশকে ঘিরে সর্বশেষ বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। সোমবার অপরাহ্নে বরিশাল শহরের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাদের ৫ দফা তুলে ধরাসহ ২ ডিসেম্বর বেলসপার্কের সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
৮ দলের প্রতিনিধিরা জানান, মঙ্গলবার বিভাগীয় সমাবেশে ১০ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটবে এবং এর মাধ্যমে ইসলামিক দলগুলোর মধ্যে দুরত্ব কমে আসবে। আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম পির সাহেব চরমোনাই। এবং সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং আগামীতে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ ভুলে কি ভাবে এক কাতারে আসা যায় তা নিয়ে মতামত তুলে ধরবেন। এই তথ্য অস্বীকার না করলেও দলগুলোর নেতাকর্মীরা বলছেন, জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, উন্নত নৈতিকতাসমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি-দুঃশাসন প্রতিরোধ এবং সর্বশ্রেণির মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, আট দলের ৫ দফার মধ্যে আছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আদেশ জারি। আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠান। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও সকল পর্যায়ে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শাপলা ট্রাজিডি ও বিডিআর গণহত্যায় সংশ্লিষ্ট সকল মানবতাবিরোধী অপরাধীর বিচার। জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের সকল ফ্যাসিবাদের দোসর ও সহযোগিদের বিচারের আওতায় আনা এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ রাখা।
জামায়াতের একটি সূত্র বলছে, ১০ লাখ লোক সমাবেত করে দাবিগুলো জোরালো কণ্ঠে সরকারের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি ইসলামপন্থীদের একটি সোজাপথ অনুসরণের উদাহরণ তৈরি হতে পারে বরিশাল বেলসপার্ক। তবে এই সমাবেশে ১০ লাখ বা তার বেশি লোক সমাবেত হলেও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরির কোনো সুযোগ নেই। বরং দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের রাজনীতিতে বরিশাল থেকে নতুন অধ্যায় তৈরি করতে যাচ্ছে ইসলাম ভিত্তিক ৮টি দল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলালের কণ্ঠেও এমনটা আভাস পাওয়া গেছে। এই নেতা বলেন, বরিশালে ২ ডিসেম্বরের সমাবেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে। ১০ লাখ মানুষের সমাগমে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সমাবেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ৩০০জন স্বেচ্ছাসেবক। এছাড়াও আগত মুসল্লীদের জন্য সেনিটেশন ও অজুর ব্যবস্থা থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ মাঠ, পরেশ সাগর মাঠ, সিএন্ডবি রোড, আমতলা পানির ট্যাংকি এরিয়া, হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ, ক্লাব রোড। নৌ-পার্কিংয়ের জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট, ডিসিঘাট ও চাঁদমারী খেয়াঘাট নির্ধারন করা হয়েছে।
আট দলের সমাবেশকে ঘিরে নগরী নিরাপদ রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও ব্যাপক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে। বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, সমাবেশকে ঘিরে তাদের কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি রয়েছে। পাশাপাশি আয়োজকেরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
ইসলামপন্থীদের সমাবেশ আয়োজন এবং প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে বরিশালে এক ভিন্ন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সমাবেশস্থল বেলসপার্ক মাঠে একদিন আগেই সোমবার সন্ধ্যা থেকে দলগুলোর কর্মী-অনুসারীদের আগমনে উৎসবমুখরতা তৈরি হয়। মঙ্গলবার আটটি দলের নেতারা এই সমাবেশ থেকে কর্মীদের উদ্দেশে কি বার্তা দেবেন তা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান আলোচনা হচ্ছে। তবে একটি প্রসঙ্গ আলোচনা খুব গুরুত্ব পেয়েছে, সেটি হচ্ছে এই সমাবেশ থেকে বরিশালের ২১ আসনে তাদের সমর্থিত একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার বিষয়টি শোনা যাচ্ছে।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস