
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:০৩
প্রথমবারের মতো বরিশালে সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামসহ ইসলামপন্থী আটটি দল। শহরের বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের (২ ডিসেম্বর) এই সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। গত তিনদিন ধরে মঞ্চ তৈরি করা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকদের অবস্থান নেওয়ার জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। বিভাগীয় শহরের এই সমাবেশে ১০ লক্ষধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন এবং জামায়াত ইসলামীসহ দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। এমনকি সমাবেশের একদিন আগে অর্থাৎ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেও ৮টি দলের নেতারা বিপুলসংখ্যক লোক সমাবেত হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, অতীতে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও গত বছরের জুলাই আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে একত্রিত হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে একই বছরের ৫ আগস্ট সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগে বাধ্য হলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ঐক্য ধরে রাখতে কৌশল নেয়। শোনা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই আটটি দল মোর্চা গঠন করার ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে, যার প্রাকপ্রস্তুতি শুরু করেছে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশের মধ্যে দিয়ে।
শহরের বান্দরোডস্থ ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের এই সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দক্ষিণাঞ্চলের ২১ টি সংসদীয় আসন থেকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসতে চাইছে। পাশাপাশি মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও কর্মী-অনুসারীরা আসছেন।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়াসহ ৫ দফার স্বপক্ষে আটটি ইসলামিক দল একত্রিত হওয়া রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে। বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপিসহ অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলো তার প্রভাব কিছুটা আচ করতে পারছে।
রাজনৈতিক কুশীলবদের মতে, ইসলাম ভিত্তিক আটটি দল বরিশালে সমাবেশ করে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটিয়ে রাজনীতিতে আলোচনায় থাকতে চাইছে। এবং বিভাগীয় শহর বরিশালে তাদের শক্তপোক্ত অবস্থান থাকার বিষয়টিও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তুলে ধরতে চায়।
সমাবেশকে ঘিরে সর্বশেষ বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। সোমবার অপরাহ্নে বরিশাল শহরের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাদের ৫ দফা তুলে ধরাসহ ২ ডিসেম্বর বেলসপার্কের সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
৮ দলের প্রতিনিধিরা জানান, মঙ্গলবার বিভাগীয় সমাবেশে ১০ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটবে এবং এর মাধ্যমে ইসলামিক দলগুলোর মধ্যে দুরত্ব কমে আসবে। আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম পির সাহেব চরমোনাই। এবং সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং আগামীতে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ ভুলে কি ভাবে এক কাতারে আসা যায় তা নিয়ে মতামত তুলে ধরবেন। এই তথ্য অস্বীকার না করলেও দলগুলোর নেতাকর্মীরা বলছেন, জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, উন্নত নৈতিকতাসমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি-দুঃশাসন প্রতিরোধ এবং সর্বশ্রেণির মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, আট দলের ৫ দফার মধ্যে আছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আদেশ জারি। আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠান। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও সকল পর্যায়ে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শাপলা ট্রাজিডি ও বিডিআর গণহত্যায় সংশ্লিষ্ট সকল মানবতাবিরোধী অপরাধীর বিচার। জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের সকল ফ্যাসিবাদের দোসর ও সহযোগিদের বিচারের আওতায় আনা এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ রাখা।
জামায়াতের একটি সূত্র বলছে, ১০ লাখ লোক সমাবেত করে দাবিগুলো জোরালো কণ্ঠে সরকারের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি ইসলামপন্থীদের একটি সোজাপথ অনুসরণের উদাহরণ তৈরি হতে পারে বরিশাল বেলসপার্ক। তবে এই সমাবেশে ১০ লাখ বা তার বেশি লোক সমাবেত হলেও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরির কোনো সুযোগ নেই। বরং দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের রাজনীতিতে বরিশাল থেকে নতুন অধ্যায় তৈরি করতে যাচ্ছে ইসলাম ভিত্তিক ৮টি দল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলালের কণ্ঠেও এমনটা আভাস পাওয়া গেছে। এই নেতা বলেন, বরিশালে ২ ডিসেম্বরের সমাবেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে। ১০ লাখ মানুষের সমাগমে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সমাবেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ৩০০জন স্বেচ্ছাসেবক। এছাড়াও আগত মুসল্লীদের জন্য সেনিটেশন ও অজুর ব্যবস্থা থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ মাঠ, পরেশ সাগর মাঠ, সিএন্ডবি রোড, আমতলা পানির ট্যাংকি এরিয়া, হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ, ক্লাব রোড। নৌ-পার্কিংয়ের জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট, ডিসিঘাট ও চাঁদমারী খেয়াঘাট নির্ধারন করা হয়েছে।
আট দলের সমাবেশকে ঘিরে নগরী নিরাপদ রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও ব্যাপক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে। বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, সমাবেশকে ঘিরে তাদের কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি রয়েছে। পাশাপাশি আয়োজকেরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
ইসলামপন্থীদের সমাবেশ আয়োজন এবং প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে বরিশালে এক ভিন্ন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সমাবেশস্থল বেলসপার্ক মাঠে একদিন আগেই সোমবার সন্ধ্যা থেকে দলগুলোর কর্মী-অনুসারীদের আগমনে উৎসবমুখরতা তৈরি হয়। মঙ্গলবার আটটি দলের নেতারা এই সমাবেশ থেকে কর্মীদের উদ্দেশে কি বার্তা দেবেন তা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান আলোচনা হচ্ছে। তবে একটি প্রসঙ্গ আলোচনা খুব গুরুত্ব পেয়েছে, সেটি হচ্ছে এই সমাবেশ থেকে বরিশালের ২১ আসনে তাদের সমর্থিত একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার বিষয়টি শোনা যাচ্ছে।’
প্রথমবারের মতো বরিশালে সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামসহ ইসলামপন্থী আটটি দল। শহরের বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের (২ ডিসেম্বর) এই সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। গত তিনদিন ধরে মঞ্চ তৈরি করা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকদের অবস্থান নেওয়ার জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। বিভাগীয় শহরের এই সমাবেশে ১০ লক্ষধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন এবং জামায়াত ইসলামীসহ দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। এমনকি সমাবেশের একদিন আগে অর্থাৎ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেও ৮টি দলের নেতারা বিপুলসংখ্যক লোক সমাবেত হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, অতীতে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও গত বছরের জুলাই আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে একত্রিত হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে একই বছরের ৫ আগস্ট সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগে বাধ্য হলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ঐক্য ধরে রাখতে কৌশল নেয়। শোনা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই আটটি দল মোর্চা গঠন করার ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে, যার প্রাকপ্রস্তুতি শুরু করেছে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশের মধ্যে দিয়ে।
শহরের বান্দরোডস্থ ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের এই সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দক্ষিণাঞ্চলের ২১ টি সংসদীয় আসন থেকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসতে চাইছে। পাশাপাশি মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও কর্মী-অনুসারীরা আসছেন।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়াসহ ৫ দফার স্বপক্ষে আটটি ইসলামিক দল একত্রিত হওয়া রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে। বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপিসহ অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলো তার প্রভাব কিছুটা আচ করতে পারছে।
রাজনৈতিক কুশীলবদের মতে, ইসলাম ভিত্তিক আটটি দল বরিশালে সমাবেশ করে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটিয়ে রাজনীতিতে আলোচনায় থাকতে চাইছে। এবং বিভাগীয় শহর বরিশালে তাদের শক্তপোক্ত অবস্থান থাকার বিষয়টিও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তুলে ধরতে চায়।
সমাবেশকে ঘিরে সর্বশেষ বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। সোমবার অপরাহ্নে বরিশাল শহরের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাদের ৫ দফা তুলে ধরাসহ ২ ডিসেম্বর বেলসপার্কের সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
৮ দলের প্রতিনিধিরা জানান, মঙ্গলবার বিভাগীয় সমাবেশে ১০ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটবে এবং এর মাধ্যমে ইসলামিক দলগুলোর মধ্যে দুরত্ব কমে আসবে। আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম পির সাহেব চরমোনাই। এবং সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং আগামীতে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ ভুলে কি ভাবে এক কাতারে আসা যায় তা নিয়ে মতামত তুলে ধরবেন। এই তথ্য অস্বীকার না করলেও দলগুলোর নেতাকর্মীরা বলছেন, জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, উন্নত নৈতিকতাসমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি-দুঃশাসন প্রতিরোধ এবং সর্বশ্রেণির মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, আট দলের ৫ দফার মধ্যে আছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আদেশ জারি। আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠান। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও সকল পর্যায়ে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শাপলা ট্রাজিডি ও বিডিআর গণহত্যায় সংশ্লিষ্ট সকল মানবতাবিরোধী অপরাধীর বিচার। জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের সকল ফ্যাসিবাদের দোসর ও সহযোগিদের বিচারের আওতায় আনা এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ রাখা।
জামায়াতের একটি সূত্র বলছে, ১০ লাখ লোক সমাবেত করে দাবিগুলো জোরালো কণ্ঠে সরকারের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি ইসলামপন্থীদের একটি সোজাপথ অনুসরণের উদাহরণ তৈরি হতে পারে বরিশাল বেলসপার্ক। তবে এই সমাবেশে ১০ লাখ বা তার বেশি লোক সমাবেত হলেও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরির কোনো সুযোগ নেই। বরং দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের রাজনীতিতে বরিশাল থেকে নতুন অধ্যায় তৈরি করতে যাচ্ছে ইসলাম ভিত্তিক ৮টি দল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলালের কণ্ঠেও এমনটা আভাস পাওয়া গেছে। এই নেতা বলেন, বরিশালে ২ ডিসেম্বরের সমাবেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে। ১০ লাখ মানুষের সমাগমে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সমাবেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ৩০০জন স্বেচ্ছাসেবক। এছাড়াও আগত মুসল্লীদের জন্য সেনিটেশন ও অজুর ব্যবস্থা থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ মাঠ, পরেশ সাগর মাঠ, সিএন্ডবি রোড, আমতলা পানির ট্যাংকি এরিয়া, হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ, ক্লাব রোড। নৌ-পার্কিংয়ের জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট, ডিসিঘাট ও চাঁদমারী খেয়াঘাট নির্ধারন করা হয়েছে।
আট দলের সমাবেশকে ঘিরে নগরী নিরাপদ রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও ব্যাপক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে। বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, সমাবেশকে ঘিরে তাদের কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি রয়েছে। পাশাপাশি আয়োজকেরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
ইসলামপন্থীদের সমাবেশ আয়োজন এবং প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে বরিশালে এক ভিন্ন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সমাবেশস্থল বেলসপার্ক মাঠে একদিন আগেই সোমবার সন্ধ্যা থেকে দলগুলোর কর্মী-অনুসারীদের আগমনে উৎসবমুখরতা তৈরি হয়। মঙ্গলবার আটটি দলের নেতারা এই সমাবেশ থেকে কর্মীদের উদ্দেশে কি বার্তা দেবেন তা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান আলোচনা হচ্ছে। তবে একটি প্রসঙ্গ আলোচনা খুব গুরুত্ব পেয়েছে, সেটি হচ্ছে এই সমাবেশ থেকে বরিশালের ২১ আসনে তাদের সমর্থিত একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার বিষয়টি শোনা যাচ্ছে।’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১