Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১