
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও কোরআন সুন্নাহভিত্তিক সমাজ গঠন করব যেখানে সকলে তার অধিকার পাবে। জনগণের এক টাকাও চুরি হবে না। যারা চাঁদাবাজ এবং শরিয়াহ আইন চায় না, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদর রোড এলাকায় হাতপাখার সমর্থনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জ আসনে হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী।
ভোটারদের উদ্দেশে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা আমাকে বিজয় করে ১৩ তারিখ থেকে দরজা খোলা রেখে শান্তিতে ঘুমাবেন। আমি নির্বাচিত হলে আমার এলাকায় কোনো মিথ্যা মামলা থাকবে না, কোউ জুলুমের শিকার হবে না ইনশাআল্লাহ।
পথসভা শেষে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এ সময় ইসলামী আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম আল আমিন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাসির উদ্দিন রোকন ডাকুয়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সকালে বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও কোরআন সুন্নাহভিত্তিক সমাজ গঠন করব যেখানে সকলে তার অধিকার পাবে। জনগণের এক টাকাও চুরি হবে না। যারা চাঁদাবাজ এবং শরিয়াহ আইন চায় না, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদর রোড এলাকায় হাতপাখার সমর্থনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জ আসনে হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী।
ভোটারদের উদ্দেশে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা আমাকে বিজয় করে ১৩ তারিখ থেকে দরজা খোলা রেখে শান্তিতে ঘুমাবেন। আমি নির্বাচিত হলে আমার এলাকায় কোনো মিথ্যা মামলা থাকবে না, কোউ জুলুমের শিকার হবে না ইনশাআল্লাহ।
পথসভা শেষে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এ সময় ইসলামী আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম আল আমিন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাসির উদ্দিন রোকন ডাকুয়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সকালে বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছেন সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশিচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬২ ইবি ক্যাডেট কলেজ বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর ফয়সল হকের নেতৃত্বে পরিত্যক্ত দোকান ও বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন- বকশিচর গ্রামের মৃত রহিম হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (কালা) (৩২), তার স্ত্রী মোছাঃ রোকসানা আক্তার (৩০) এবং একাই এলাকার মাদক সেবনকারী মোঃ হোসেন ঢালী (৩৩)। সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ অস্থায়ী ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাঁদের বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুই ঘণ্টার অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজা, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি রাম দা, দুইটি দা, দুইটি চা পাতি, তিনটি চাকু/ছুরি, একটি হ্যামার, একটি সিজার, একটি প্লাস, পাঁচটি বাটন মোবাইল ফোন, একটি স্মার্টফোন এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার সেনা সদস্যরা তিনজনকে হস্তান্তর করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
বরিশালের বাবুগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছেন সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশিচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬২ ইবি ক্যাডেট কলেজ বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর ফয়সল হকের নেতৃত্বে পরিত্যক্ত দোকান ও বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন- বকশিচর গ্রামের মৃত রহিম হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (কালা) (৩২), তার স্ত্রী মোছাঃ রোকসানা আক্তার (৩০) এবং একাই এলাকার মাদক সেবনকারী মোঃ হোসেন ঢালী (৩৩)। সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ অস্থায়ী ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাঁদের বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুই ঘণ্টার অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজা, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি রাম দা, দুইটি দা, দুইটি চা পাতি, তিনটি চাকু/ছুরি, একটি হ্যামার, একটি সিজার, একটি প্লাস, পাঁচটি বাটন মোবাইল ফোন, একটি স্মার্টফোন এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার সেনা সদস্যরা তিনজনকে হস্তান্তর করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক কনসার্টে বুথ বসিয়ে সিগারেট বিক্রি ও ফ্রি লাইটার বিতরণের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার রাতে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মাঠে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এর আগে দুপুরে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কনসার্টস্থলের পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে ‘স্মোক জোন’ তৈরি করে পাশাপাশি বসিয়ে সিগারেটের সঙ্গে বিনা মূল্যে লাইটার বিতরণ করা হয়েছে।
কনসার্টটির আয়োজক ছিল তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী ‘রিয়াল ডায়মন্ড’ নামের একটি সিগারেট কম্পানি। আয়োজক পক্ষের ব্যানারে বসানো বুথে সিগারেট কিনলে লাইটার ফ্রি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কনসার্টস্থলে প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রি ও প্রচারের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি, এটি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইনের ধারা ৫(খ) অনুযায়ী, তামাকজাত দ্রব্য কিনতে প্রলুব্ধ করতে বিনামূল্যে বিতরণ কিংবা স্বল্প মূল্যে বিক্রি নিষিদ্ধ। একই আইনের ধারা ৫(গ)-তে বলা হয়েছে, তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বা এর ব্যবহার উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে কোনো দান, পুরস্কার, বৃত্তি প্রদান কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করা সাংস্কৃতিক সংগঠক শুভংকর চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘আইনের ৬(খ) ধারা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করলে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির সঙ্গে এমন স্পন্সরশিপ সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। তাদের ভাষায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তামাক কম্পানিকে স্পন্সর হিসেবে গ্রহণ করা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক বার্তা দেয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম নিজে বুথে গিয়ে সিগারেট বিক্রির অনুমতির বিষয়ে জানতে চান। সেখানে থাকা দুই নারী বিক্রয় প্রতিনিধিকে বলতে শোনা যায়, প্রক্টরের অনুমতিতেই তারা বুথ স্থাপন করেছিলেন। পরে প্রশাসনের নির্দেশে বুথটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘স্পন্সর হিসেবে কাদের রাখা হয়েছে, সে বিষয়টি ওরিয়েন্টেশন কমিটি জানে। তবে ক্যাম্পাসে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন তৎপর থাকবে।’
ওরিয়েন্টেশন কমিটির সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সানজিয়া সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আয়োজনটির আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক কনসার্টে বুথ বসিয়ে সিগারেট বিক্রি ও ফ্রি লাইটার বিতরণের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার রাতে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মাঠে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এর আগে দুপুরে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কনসার্টস্থলের পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে ‘স্মোক জোন’ তৈরি করে পাশাপাশি বসিয়ে সিগারেটের সঙ্গে বিনা মূল্যে লাইটার বিতরণ করা হয়েছে।
কনসার্টটির আয়োজক ছিল তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী ‘রিয়াল ডায়মন্ড’ নামের একটি সিগারেট কম্পানি। আয়োজক পক্ষের ব্যানারে বসানো বুথে সিগারেট কিনলে লাইটার ফ্রি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কনসার্টস্থলে প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রি ও প্রচারের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি, এটি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইনের ধারা ৫(খ) অনুযায়ী, তামাকজাত দ্রব্য কিনতে প্রলুব্ধ করতে বিনামূল্যে বিতরণ কিংবা স্বল্প মূল্যে বিক্রি নিষিদ্ধ। একই আইনের ধারা ৫(গ)-তে বলা হয়েছে, তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বা এর ব্যবহার উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে কোনো দান, পুরস্কার, বৃত্তি প্রদান কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করা সাংস্কৃতিক সংগঠক শুভংকর চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘আইনের ৬(খ) ধারা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করলে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির সঙ্গে এমন স্পন্সরশিপ সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। তাদের ভাষায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তামাক কম্পানিকে স্পন্সর হিসেবে গ্রহণ করা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক বার্তা দেয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম নিজে বুথে গিয়ে সিগারেট বিক্রির অনুমতির বিষয়ে জানতে চান। সেখানে থাকা দুই নারী বিক্রয় প্রতিনিধিকে বলতে শোনা যায়, প্রক্টরের অনুমতিতেই তারা বুথ স্থাপন করেছিলেন। পরে প্রশাসনের নির্দেশে বুথটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘স্পন্সর হিসেবে কাদের রাখা হয়েছে, সে বিষয়টি ওরিয়েন্টেশন কমিটি জানে। তবে ক্যাম্পাসে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন তৎপর থাকবে।’
ওরিয়েন্টেশন কমিটির সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সানজিয়া সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আয়োজনটির আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.