
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৯
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯