Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৯
নেতৃত্বসারির নেতাদের সাথে আপসরফার গুঞ্জন, বিএনপির তৃণমূলে বাড়ছে ক্ষোভ।
বহু অঘটন পটিয়াসি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী গ্রেপ্তার এবং জনরোষের ভয়ে এলাকা ত্যাগ করলেও হঠাৎ করে তারা ফিরতে শুরু করেছেন। তাদের নামে জুলাই আন্দোলনের একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রকাশ্যে ঘুরছেন এবং গাড়িযোগে এলাকায় মহড়া দিচ্ছেন। এনিয়ে জুলাই আন্দোলনকারীদের ভেতরকার প্রচন্ড ক্ষোভ আছে এবং আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে খোদ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বকে দোষারোপ করা হচ্ছে। বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন লিটন লিটন মোল্লা শুক্রবার রাতে কোনো এক সময় গড়িয়ারপাড় এলাকায় গাড়ি নিয়ে কর্মী-সমর্থকসমেত মহড়া দেন এবং এর বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছড়িয়ে পড়লে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল বিতর্ক দেখা দেয়। একাধিক মামলার আসামি হয়েও কাশিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লিটন মোল্লা কি ভাবে এলাকায় প্রকাশ্যে মহড়া দিলেন তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানববন্দর থানা পুলিশকেও বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতার মহড়ার বিষয়ে বিমানবন্দর থানা পুলিশ মিডিয়ায় দায়সাড়া বক্তব্য রাখলেও ইউনিয়নের তৃণমূল বিএনপিতে ক্ষোভ চরমাকারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের পদধারী একাধিক নেতা গত ১৬ বছর গোটা বরিশাল শহর দাপিয়ে বেরিয়েছেন এবং দলীয় ব্যানারে বিভিন্ন অপকর্ম করা ও বিএনপি-জামায়াতসহ সাধারণ মানুষকে নিপিড়ন করে বিতর্কের শীর্ষ আছেন তারা একাধিক মামলায় অভিযুক্ত হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরছেন। এনিয়ে তৃণমূল বিএনপিতে ক্ষোভ থাকলেও নেতৃত্বসারির নেতাদের রহস্যজনক নিরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
অভিযোগ আছে, সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশও স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ইস্যুতে এক ধরনের নমনীয়তা দেখাচ্ছেন। বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতা কাশিপুরের চেয়ারম্যান লিটন মোল্লার ক্ষেত্রে পুলিশকে একটু বেশিমাত্রায় উদাসীন দেখা যাচ্ছে।
বিগত সময়ে মামলা-হামলার শিকার তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীর অভিযোগ, বরিশাল শহরের উত্তর-পশ্চিম গড়িয়ারপাড় এলাকায় লিটন মোল্লা এবং তার ভাই কালাম মোল্লা গত ১৭ বছর এক ধরনের শাসন-শোষণ করেছেন। তাদের ভুমিদস্যুতা-চাঁদাবাজি এবং অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বহু মানুষ হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। কিন্তু তাদের ক্ষমতার প্রভাবের কাছে কেউ মুখ খোলার সাহস দেখাননি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তারা দুই ভাইসহ বাহিনীর অপরাপর সদস্যরা জনরোষ এবং গ্রেপ্তার এড়াতে কিছুদিনের জন্য অন্তর্ধানে চলে যান। কিন্তু তারা পলাতক থাকলেও সরকারকে বিপদে ফেলতে বিভিন্ন মাধ্যম তৎপরতা অব্যাহত রাখেন।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী লিটনের ভাই বরিশাল সিটির ৩০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কালাম মোল্লা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় বলয়ের মধ্যে সন্ত্রাসীদের নিয়ে মশালমিছিল করে নিজের শক্তি জানান দিয়েছেন। সেই ঘটনায় পুলিশ-প্রশাসন কজনকে গ্রেপ্তার করলেও কালাম মোল্লা এখনও পলাতক আছেন। এবার দীর্ঘ ১৮ মাস পরে প্রকাশ্যে মহড়া দিয়ে আলোচনায় এসেছেন তারই আপন ভাই কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন মোল্লা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে লিটন মোল্লা একটি প্রাইভেটকারযোগে গড়িয়ারপাড়ে আসেন। এবং তার সাথে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপও ছিল। তারা বেশ কিছুক্ষণ ৩০ নং ওয়ার্ডের গড়িয়ারপাড়ে অবস্থান নিয়ে ছিলেন এবং কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বিশেষ দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যও রাখেন। এসময় সেখানে এক উত্তেজনাকর পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
আলোচিত সন্ত্রাসী লিটন মোল্লার এলাকায় উপস্থিতি সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবগত না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তৃণমূল বিএনপি অভিযোগ করেছে, আলোচিত জল কাদের মোল্লার তিন সন্তান কালাম মোল্লা, লিটন মোল্লা এবং মুন্না মোল্লা সকলেই অতীতে আওয়ামী লীগ শাসনামলে বহুমুখী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। এবং জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও হয়। এরপরে গণরোষ এবং পুলিশী হয়রানি এড়াতে তারা কিছুদিন আত্মগোপনে থাকলেও ধীরে ধীরে বিএনপির নেতৃত্বসারির নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলতে সক্ষম হন। শোনা যাচ্ছে, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে তারা থানা পুলিশের সাথেও আপসরফা করেছেন, এই কারণে থানাসংলগ্ন তাদের বাসা হওয়া সত্ত্বেও পুলিশকে সেখানে অভিযান চালাতে দেখা যাচ্ছে না।
অবশ্য প্রতাপশালী এই পরিবারের সাথে যে বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমানের যোগাযোগের বিষয়টি শোনা যায়, তাও অমুলক বলছে না স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা। কাশিপুর এলাকার বাসিন্দা বিএনপি কর্মী আবির আহমেদ রূপালী বাংলাদেশের কাছে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে তাদের তিন ভাইয়ের সন্ত্রাসের ভয়ংকর রূপ কাশিপুর-বাবুগঞ্জসহ আশপাশের মানুষ কিছুটা হলেও দেখেছে। দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে তারা একাধিক মামলায় অভিযুক্ত হয়েও সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মহড়া দিচ্ছে, যা আতঙ্ক-উদ্বেগের বটে।
আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের এমন প্রত্যার্বতনে বিএনপির কর্মীরা তাদের দলের ইউনিয়ন পর্যায়ে নেতৃত্বসারির নেতাদের দোষারোপ করেছেন। অনেকে বলছেন, নেতারা টাকার কাছে ম্যানেজ হয়ে গেছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, লোকবল এবং অর্থ দুটিতেই আওয়ামী লীগের নেতারা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী। ফলে তাদের সাথে ঝামেলা না করে বিএনপি নেতারা সমঝোতা বা আপসরফার পথ বেচে নিচ্ছেন।
তবে লিটন মোল্লা বা কোনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা এলাকায় মহড়া দেওয়ার বিষয়ে তেমন কিছু জানা নেই বলে দাবি করেছেন কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির ওয়াসিম। তার সাথে আপসরফার বিষয়টি অস্বীকার করে বলছেন, লিটন বা কালামের নামে একাধিক মামলা আছে, পুলিশ ইচ্ছা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।
তাহলে কি পুলিশের নির্লুপ্তায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাহিনী নিয়ে মহড়া দেওয়ার সাহস বা শক্তি প্রদর্শন করছেন- এমন প্রশ্নে উত্তরে ওয়াসিম বলেন, এই বিষয়ে তারাই ভালো বলতে পারেন।
পুলিশের সাথে লিটন মোল্লার সখ্যতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, লিটন মোল্লা শুক্রবার রাতে গাড়িযোগে গড়িয়ারপাড়ে এসেছিলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি এর আগেই স্থান ত্যাগ করায় তাকে আর আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।
বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ, লিটন মোল্লা নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় ঘুরছেন এবং বাসায় রাত্রিযাপন করেন? এই প্রশ্নে ওসি মিজানুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে কাজ করছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, নিষিদ্ধ কোনো গোষ্ঠীকে সক্রিয় হতে দেওয়ার সুযোগ নেই। মাঠপুলিশকে এমন নির্দেশনা দেওয়া আছে। এক্ষেত্রে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সদস্যর যদি গাফলতি দেখা যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
নেতৃত্বসারির নেতাদের সাথে আপসরফার গুঞ্জন, বিএনপির তৃণমূলে বাড়ছে ক্ষোভ।
বহু অঘটন পটিয়াসি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী গ্রেপ্তার এবং জনরোষের ভয়ে এলাকা ত্যাগ করলেও হঠাৎ করে তারা ফিরতে শুরু করেছেন। তাদের নামে জুলাই আন্দোলনের একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রকাশ্যে ঘুরছেন এবং গাড়িযোগে এলাকায় মহড়া দিচ্ছেন। এনিয়ে জুলাই আন্দোলনকারীদের ভেতরকার প্রচন্ড ক্ষোভ আছে এবং আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে খোদ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বকে দোষারোপ করা হচ্ছে। বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন লিটন লিটন মোল্লা শুক্রবার রাতে কোনো এক সময় গড়িয়ারপাড় এলাকায় গাড়ি নিয়ে কর্মী-সমর্থকসমেত মহড়া দেন এবং এর বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছড়িয়ে পড়লে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল বিতর্ক দেখা দেয়। একাধিক মামলার আসামি হয়েও কাশিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লিটন মোল্লা কি ভাবে এলাকায় প্রকাশ্যে মহড়া দিলেন তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানববন্দর থানা পুলিশকেও বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতার মহড়ার বিষয়ে বিমানবন্দর থানা পুলিশ মিডিয়ায় দায়সাড়া বক্তব্য রাখলেও ইউনিয়নের তৃণমূল বিএনপিতে ক্ষোভ চরমাকারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের পদধারী একাধিক নেতা গত ১৬ বছর গোটা বরিশাল শহর দাপিয়ে বেরিয়েছেন এবং দলীয় ব্যানারে বিভিন্ন অপকর্ম করা ও বিএনপি-জামায়াতসহ সাধারণ মানুষকে নিপিড়ন করে বিতর্কের শীর্ষ আছেন তারা একাধিক মামলায় অভিযুক্ত হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরছেন। এনিয়ে তৃণমূল বিএনপিতে ক্ষোভ থাকলেও নেতৃত্বসারির নেতাদের রহস্যজনক নিরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
অভিযোগ আছে, সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশও স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ইস্যুতে এক ধরনের নমনীয়তা দেখাচ্ছেন। বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতা কাশিপুরের চেয়ারম্যান লিটন মোল্লার ক্ষেত্রে পুলিশকে একটু বেশিমাত্রায় উদাসীন দেখা যাচ্ছে।
বিগত সময়ে মামলা-হামলার শিকার তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীর অভিযোগ, বরিশাল শহরের উত্তর-পশ্চিম গড়িয়ারপাড় এলাকায় লিটন মোল্লা এবং তার ভাই কালাম মোল্লা গত ১৭ বছর এক ধরনের শাসন-শোষণ করেছেন। তাদের ভুমিদস্যুতা-চাঁদাবাজি এবং অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বহু মানুষ হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। কিন্তু তাদের ক্ষমতার প্রভাবের কাছে কেউ মুখ খোলার সাহস দেখাননি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তারা দুই ভাইসহ বাহিনীর অপরাপর সদস্যরা জনরোষ এবং গ্রেপ্তার এড়াতে কিছুদিনের জন্য অন্তর্ধানে চলে যান। কিন্তু তারা পলাতক থাকলেও সরকারকে বিপদে ফেলতে বিভিন্ন মাধ্যম তৎপরতা অব্যাহত রাখেন।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী লিটনের ভাই বরিশাল সিটির ৩০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কালাম মোল্লা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় বলয়ের মধ্যে সন্ত্রাসীদের নিয়ে মশালমিছিল করে নিজের শক্তি জানান দিয়েছেন। সেই ঘটনায় পুলিশ-প্রশাসন কজনকে গ্রেপ্তার করলেও কালাম মোল্লা এখনও পলাতক আছেন। এবার দীর্ঘ ১৮ মাস পরে প্রকাশ্যে মহড়া দিয়ে আলোচনায় এসেছেন তারই আপন ভাই কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন মোল্লা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে লিটন মোল্লা একটি প্রাইভেটকারযোগে গড়িয়ারপাড়ে আসেন। এবং তার সাথে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপও ছিল। তারা বেশ কিছুক্ষণ ৩০ নং ওয়ার্ডের গড়িয়ারপাড়ে অবস্থান নিয়ে ছিলেন এবং কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বিশেষ দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যও রাখেন। এসময় সেখানে এক উত্তেজনাকর পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
আলোচিত সন্ত্রাসী লিটন মোল্লার এলাকায় উপস্থিতি সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবগত না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তৃণমূল বিএনপি অভিযোগ করেছে, আলোচিত জল কাদের মোল্লার তিন সন্তান কালাম মোল্লা, লিটন মোল্লা এবং মুন্না মোল্লা সকলেই অতীতে আওয়ামী লীগ শাসনামলে বহুমুখী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। এবং জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও হয়। এরপরে গণরোষ এবং পুলিশী হয়রানি এড়াতে তারা কিছুদিন আত্মগোপনে থাকলেও ধীরে ধীরে বিএনপির নেতৃত্বসারির নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলতে সক্ষম হন। শোনা যাচ্ছে, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে তারা থানা পুলিশের সাথেও আপসরফা করেছেন, এই কারণে থানাসংলগ্ন তাদের বাসা হওয়া সত্ত্বেও পুলিশকে সেখানে অভিযান চালাতে দেখা যাচ্ছে না।
অবশ্য প্রতাপশালী এই পরিবারের সাথে যে বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমানের যোগাযোগের বিষয়টি শোনা যায়, তাও অমুলক বলছে না স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা। কাশিপুর এলাকার বাসিন্দা বিএনপি কর্মী আবির আহমেদ রূপালী বাংলাদেশের কাছে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে তাদের তিন ভাইয়ের সন্ত্রাসের ভয়ংকর রূপ কাশিপুর-বাবুগঞ্জসহ আশপাশের মানুষ কিছুটা হলেও দেখেছে। দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে তারা একাধিক মামলায় অভিযুক্ত হয়েও সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মহড়া দিচ্ছে, যা আতঙ্ক-উদ্বেগের বটে।
আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের এমন প্রত্যার্বতনে বিএনপির কর্মীরা তাদের দলের ইউনিয়ন পর্যায়ে নেতৃত্বসারির নেতাদের দোষারোপ করেছেন। অনেকে বলছেন, নেতারা টাকার কাছে ম্যানেজ হয়ে গেছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, লোকবল এবং অর্থ দুটিতেই আওয়ামী লীগের নেতারা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী। ফলে তাদের সাথে ঝামেলা না করে বিএনপি নেতারা সমঝোতা বা আপসরফার পথ বেচে নিচ্ছেন।
তবে লিটন মোল্লা বা কোনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা এলাকায় মহড়া দেওয়ার বিষয়ে তেমন কিছু জানা নেই বলে দাবি করেছেন কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির ওয়াসিম। তার সাথে আপসরফার বিষয়টি অস্বীকার করে বলছেন, লিটন বা কালামের নামে একাধিক মামলা আছে, পুলিশ ইচ্ছা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।
তাহলে কি পুলিশের নির্লুপ্তায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাহিনী নিয়ে মহড়া দেওয়ার সাহস বা শক্তি প্রদর্শন করছেন- এমন প্রশ্নে উত্তরে ওয়াসিম বলেন, এই বিষয়ে তারাই ভালো বলতে পারেন।
পুলিশের সাথে লিটন মোল্লার সখ্যতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, লিটন মোল্লা শুক্রবার রাতে গাড়িযোগে গড়িয়ারপাড়ে এসেছিলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি এর আগেই স্থান ত্যাগ করায় তাকে আর আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।
বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ, লিটন মোল্লা নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় ঘুরছেন এবং বাসায় রাত্রিযাপন করেন? এই প্রশ্নে ওসি মিজানুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে কাজ করছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, নিষিদ্ধ কোনো গোষ্ঠীকে সক্রিয় হতে দেওয়ার সুযোগ নেই। মাঠপুলিশকে এমন নির্দেশনা দেওয়া আছে। এক্ষেত্রে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সদস্যর যদি গাফলতি দেখা যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস