ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে মেঘনা নদীর নির্ধারিত এলাকায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে। এ সময়ে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশের পক্ষ থেকে নদী ও মাছঘাটগুলোতে প্রচারণা চালানো হয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় সভা ও মাইকিং করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য জেলেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, বছরের এই সময়ে নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। অনেক জেলে পরিবার দৈনন্দিন জীবিকা নিয়ে সংকটে পড়েন। তবে ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন তারা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে না নামেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। একই সঙ্গে মাছ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে বিতরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হলে জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মৎস্য বিভাগ বলছে, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে ইলিশের প্রাচুর্য আরও বাড়বে।

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:০৮
ভোলার লালমোহনে ২৭ ড্রাম সয়াবিন তেলসহ একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের ফায়ার সার্ভিস এলাকার খান সাহেব সড়কে কাভার্ড ভ্যানটি রেখে চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। কাভার্ড ভ্যানটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ন ১৯-৫৬৪৬।
স্থানীয়দের ধারণা, ভ্যানে থাকা তেল চোরাই। বৈধ তেল হলে চালক পালাতো না।
লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. ফিরোজ আলম জানান, আমাদের অভিযান এখনো চলছে। তেলভর্তি কাভার্ড ভ্যান রেখে চালক পালিয়ে গেছে। ভ্যানের ভেতরে ২৭টি ড্রাম রয়েছে। এগুলো খালি না ভর্তি তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কতটুকু তেল রয়েছে এবং গাড়িটি কোথা থেকে এসেছে ও কোথায় যাচ্ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
ভোলার লালমোহনে ২৭ ড্রাম সয়াবিন তেলসহ একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের ফায়ার সার্ভিস এলাকার খান সাহেব সড়কে কাভার্ড ভ্যানটি রেখে চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। কাভার্ড ভ্যানটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ন ১৯-৫৬৪৬।
স্থানীয়দের ধারণা, ভ্যানে থাকা তেল চোরাই। বৈধ তেল হলে চালক পালাতো না।
লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. ফিরোজ আলম জানান, আমাদের অভিযান এখনো চলছে। তেলভর্তি কাভার্ড ভ্যান রেখে চালক পালিয়ে গেছে। ভ্যানের ভেতরে ২৭টি ড্রাম রয়েছে। এগুলো খালি না ভর্তি তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কতটুকু তেল রয়েছে এবং গাড়িটি কোথা থেকে এসেছে ও কোথায় যাচ্ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০৩
ভোলার মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে ওজোপাডিকোর বিদ্যুৎ কার্যালয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনিরসহ চার গ্রাহক আহত হয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সদর ডাকবাংলো মোড়ের ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত চার গ্রাহক হলেন হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও বিদ্যুৎ গ্রাহক মো. শরিফ, মো. আক্তার, সোহাগ ও নিরব। তাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে কার্যালয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাদের মারধর করা হয়। এ সময় তাদের পোশাক ছিঁড়ে ফেলারও অভিযোগ করেন তারা।
ঘটনার পর চার গ্রাহককে মারধরের বিচার দাবিতে হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা বিক্ষোভ-মিছিল করেন। পরে তারা মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেন।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ কার্যালয়ে হামলা এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবাসিক বিদ্যুৎ কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনপুরায় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে গ্রাহকদের অসন্তোষ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, রাতে নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এক থেকে দেড় ঘণ্টার বেশি সরবরাহ পাওয়া যায় না। এ নিয়ে ক্ষোভের মধ্যে সোমবার কয়েকজন গ্রাহক বিদ্যুৎ সরবরাহ ও নানা সমস্যার অভিযোগ জানাতে কার্যালয়ে যান। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
আহত গ্রাহক শরিফ, আক্তার, সোহাগ ও নিরবের অভিযোগ, রাতে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। তাদের আরও অভিযোগ, অতিরিক্ত সময় বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনির অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন এবং অর্থ না দিলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেন। এসব অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের ওপর হামলা করা হয় বলে দাবি করেন তারা। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। এ বিষয়ে কথা বলতে আসা গ্রাহকেরা কোনো কথা না শুনে তার ওপর হামলা ও মারধর করেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করেছেন। অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।
এ বিষয় মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাজাহারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিদ্যুৎ কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।
মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা তজুমদ্দিনের সহকারী কমিশনার তড়িৎ চন্দ্র শীল বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা স্মারকলিপি দিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ভোলার মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে ওজোপাডিকোর বিদ্যুৎ কার্যালয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনিরসহ চার গ্রাহক আহত হয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সদর ডাকবাংলো মোড়ের ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত চার গ্রাহক হলেন হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও বিদ্যুৎ গ্রাহক মো. শরিফ, মো. আক্তার, সোহাগ ও নিরব। তাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে কার্যালয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাদের মারধর করা হয়। এ সময় তাদের পোশাক ছিঁড়ে ফেলারও অভিযোগ করেন তারা।
ঘটনার পর চার গ্রাহককে মারধরের বিচার দাবিতে হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা বিক্ষোভ-মিছিল করেন। পরে তারা মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেন।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ কার্যালয়ে হামলা এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবাসিক বিদ্যুৎ কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনপুরায় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে গ্রাহকদের অসন্তোষ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, রাতে নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এক থেকে দেড় ঘণ্টার বেশি সরবরাহ পাওয়া যায় না। এ নিয়ে ক্ষোভের মধ্যে সোমবার কয়েকজন গ্রাহক বিদ্যুৎ সরবরাহ ও নানা সমস্যার অভিযোগ জানাতে কার্যালয়ে যান। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
আহত গ্রাহক শরিফ, আক্তার, সোহাগ ও নিরবের অভিযোগ, রাতে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। তাদের আরও অভিযোগ, অতিরিক্ত সময় বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনির অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন এবং অর্থ না দিলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেন। এসব অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের ওপর হামলা করা হয় বলে দাবি করেন তারা। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। এ বিষয়ে কথা বলতে আসা গ্রাহকেরা কোনো কথা না শুনে তার ওপর হামলা ও মারধর করেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করেছেন। অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।
এ বিষয় মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাজাহারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিদ্যুৎ কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।
মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা তজুমদ্দিনের সহকারী কমিশনার তড়িৎ চন্দ্র শীল বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা স্মারকলিপি দিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩০
ভোলার তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল গফুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুচিবাড়ির কোনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী বাবুলকে মারধরের ঘটনায় তার স্ত্রী জোছনা বেগম বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুল গফুরসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল গফুর তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে গ্রেপ্তার আব্দুল গফুরকে পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ২৫ মে একই এলাকার ব্যবসায়ী নুর হোসেন মাঝিকে প্রকাশ্যে মারধর ও চাঁদাবাজির মামলায় আব্দুল গফুরকে ভোলা সদর থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
বরিশালটাইমস/এমআর
ভোলার তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল গফুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুচিবাড়ির কোনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী বাবুলকে মারধরের ঘটনায় তার স্ত্রী জোছনা বেগম বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুল গফুরসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল গফুর তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে গ্রেপ্তার আব্দুল গফুরকে পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ২৫ মে একই এলাকার ব্যবসায়ী নুর হোসেন মাঝিকে প্রকাশ্যে মারধর ও চাঁদাবাজির মামলায় আব্দুল গফুরকে ভোলা সদর থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
বরিশালটাইমস/এমআর

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৫
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে মেঘনা নদীর নির্ধারিত এলাকায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে। এ সময়ে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশের পক্ষ থেকে নদী ও মাছঘাটগুলোতে প্রচারণা চালানো হয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় সভা ও মাইকিং করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য জেলেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, বছরের এই সময়ে নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। অনেক জেলে পরিবার দৈনন্দিন জীবিকা নিয়ে সংকটে পড়েন। তবে ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন তারা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে না নামেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। একই সঙ্গে মাছ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে বিতরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হলে জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মৎস্য বিভাগ বলছে, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে ইলিশের প্রাচুর্য আরও বাড়বে।
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৫
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:২৮
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:১২
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৪৬