Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে স্থানীয় গণ্যমান্য ও সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্নাহ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল থেকে বাউফল পৌর শহরের তিনটি স্পটে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি আল ইমরান বিপ্লবী-এর নেতৃত্বে পৌর শহরের উপজেলা গেট, ঐতিহাসিক পাবলিক মাঠ সংলগ্ন, থানা চত্বরে সাধারণ মানুষের হাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সুন্নাহ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে আল ইমরান বিপ্লবী বলেন, "আধুনিকতার নামে আমরা যখন আমাদের শেকড় ও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, তখন তরুণ প্রজন্মের ও সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্নাহর চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া সময়ের দাবি। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেবল একটি ছাত্র সংগঠন নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আদর্শিক চরিত্র গঠনের একটি প্ল্যাটফর্ম। আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সুন্নাহর আলোয় নিজের জীবনকে আলোকিত করুক।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ছাত্র সমাজকে মাদক, অশ্লীলতা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে বাঁচাতে হলে ইসলামী জীবন বিধান এবং সুন্নাহর অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। বাউফল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এই দাওয়াহ কার্যক্রম ও সুন্নাহ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা শাখার অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিতরণকৃত সামগ্রীর মধ্যে ছিল মেসওয়াক, টুপি, তসবিহ এবং সুন্নাহ বিষয়ক সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে স্থানীয় গণ্যমান্য ও সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্নাহ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল থেকে বাউফল পৌর শহরের তিনটি স্পটে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি আল ইমরান বিপ্লবী-এর নেতৃত্বে পৌর শহরের উপজেলা গেট, ঐতিহাসিক পাবলিক মাঠ সংলগ্ন, থানা চত্বরে সাধারণ মানুষের হাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সুন্নাহ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে আল ইমরান বিপ্লবী বলেন, "আধুনিকতার নামে আমরা যখন আমাদের শেকড় ও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, তখন তরুণ প্রজন্মের ও সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্নাহর চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া সময়ের দাবি। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেবল একটি ছাত্র সংগঠন নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আদর্শিক চরিত্র গঠনের একটি প্ল্যাটফর্ম। আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সুন্নাহর আলোয় নিজের জীবনকে আলোকিত করুক।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ছাত্র সমাজকে মাদক, অশ্লীলতা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে বাঁচাতে হলে ইসলামী জীবন বিধান এবং সুন্নাহর অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। বাউফল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এই দাওয়াহ কার্যক্রম ও সুন্নাহ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা শাখার অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিতরণকৃত সামগ্রীর মধ্যে ছিল মেসওয়াক, টুপি, তসবিহ এবং সুন্নাহ বিষয়ক সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়

১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:০১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুবিনা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে মুখ বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী রুবিনা আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর শহীদ হাওলাদারসহ ভাসুর, ননদ, দেবর এবং চাচা শ্বশুরের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় তার চাচা শ্বশুর মনির আমার স্বামী বাদলকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আমাকেও দোষারোপ করে তারা। আজ ভোরে সেহরি ও নামাজের জন্য অজু করতে ঘরের বাইরে বের হই। এ সময় পেছন থেকে তাকে ৪/৫ জন মিলে মুখ বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বাদল হাওলাদারের অভিযোগ, আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে আমার পরিবার। বর্তমানে স্ত্রীকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্বশুর শহীদ হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, আমার সব জমি লিখে দিয়েছি তাদের। কিন্তু আমার থাকার জায়গা থেকে তারা আামকে সরাতে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। এ হত্যাচেষ্টার বিষয়টি আমি জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে র্যালি, অগ্নি নির্বাপক মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে দুর্যোগকালীন করণীয় ও অগ্নি নির্বাপক বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালি ও মহড়া শেষে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোসা. মলিহা খানম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মিয়া-এর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান,মির্জাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ শাখাওয়াত হোসেন
মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান রেজবু,ফায়ার সার্ভিস লিডার মোঃ ইব্রাহিম হোসেন। আরে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুবিনা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে মুখ বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী রুবিনা আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর শহীদ হাওলাদারসহ ভাসুর, ননদ, দেবর এবং চাচা শ্বশুরের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় তার চাচা শ্বশুর মনির আমার স্বামী বাদলকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আমাকেও দোষারোপ করে তারা। আজ ভোরে সেহরি ও নামাজের জন্য অজু করতে ঘরের বাইরে বের হই। এ সময় পেছন থেকে তাকে ৪/৫ জন মিলে মুখ বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বাদল হাওলাদারের অভিযোগ, আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে আমার পরিবার। বর্তমানে স্ত্রীকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্বশুর শহীদ হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, আমার সব জমি লিখে দিয়েছি তাদের। কিন্তু আমার থাকার জায়গা থেকে তারা আামকে সরাতে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। এ হত্যাচেষ্টার বিষয়টি আমি জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে র্যালি, অগ্নি নির্বাপক মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে দুর্যোগকালীন করণীয় ও অগ্নি নির্বাপক বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালি ও মহড়া শেষে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোসা. মলিহা খানম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মিয়া-এর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান,মির্জাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ শাখাওয়াত হোসেন
মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান রেজবু,ফায়ার সার্ভিস লিডার মোঃ ইব্রাহিম হোসেন। আরে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় সেতুর নির্মাণ কাজ আটকে আছে। সেতুটির আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। পুরানো সেতু অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে।
ফলে স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। চার গ্রামের মানুষের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি সচল রাখতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের বড়হরপাড়া ও পৌরগোজা গ্রামের মাঝখানে বড়হর খালের ওপর নির্মিত এই আয়রন সেতুটি এক সময় হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছিল।
২০০১ সালে নির্মিত সেতুর আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পুরানো অবকাঠামো অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য টেন্ডার দেয়া হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের ভাই মিরাজুল ইসলামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল।
তবে ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুদকের অনুসন্ধানে সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স ৫ বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত হয়। ফলে স্থানীয় সাব-ঠিকাদার বিল না পাওয়ার আশঙ্কায় কাজ বন্ধ রেখেছেন।
ফলে নতুন সেতু নির্মাণ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। নিজেদের উদ্যোগে খালের ওপর একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার করছেন তারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পার হয়ে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য। সেতুটির উত্তর পাড়ে রয়েছে পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৮নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র, আর দক্ষিণ পাড়ে মসজিদ-মাদ্রাসা। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়শামনি বলেন, বৃষ্টির সময় সাঁকো দিয়ে যেতে খুবই ভয় লাগে। আমরা দ্রুত ব্রিজ চাই।
মম্বিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেকান্দার শিকদার বলেন, এভাবে মাসের পর মাস কাজ বন্ধ থাকলে চলবে না। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করা হোক।
কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ডিবার সংক্রান্ত জটিলতার কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করেছে এবং ৯ মাসের জন্য ডিবার স্থগিতাদেশ পেয়েছে। আশা করছি নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে।
সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় সেতুর নির্মাণ কাজ আটকে আছে। সেতুটির আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। পুরানো সেতু অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে।
ফলে স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। চার গ্রামের মানুষের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি সচল রাখতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের বড়হরপাড়া ও পৌরগোজা গ্রামের মাঝখানে বড়হর খালের ওপর নির্মিত এই আয়রন সেতুটি এক সময় হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছিল।
২০০১ সালে নির্মিত সেতুর আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পুরানো অবকাঠামো অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য টেন্ডার দেয়া হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের ভাই মিরাজুল ইসলামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল।
তবে ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুদকের অনুসন্ধানে সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স ৫ বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত হয়। ফলে স্থানীয় সাব-ঠিকাদার বিল না পাওয়ার আশঙ্কায় কাজ বন্ধ রেখেছেন।
ফলে নতুন সেতু নির্মাণ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। নিজেদের উদ্যোগে খালের ওপর একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার করছেন তারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পার হয়ে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য। সেতুটির উত্তর পাড়ে রয়েছে পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৮নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র, আর দক্ষিণ পাড়ে মসজিদ-মাদ্রাসা। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়শামনি বলেন, বৃষ্টির সময় সাঁকো দিয়ে যেতে খুবই ভয় লাগে। আমরা দ্রুত ব্রিজ চাই।
মম্বিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেকান্দার শিকদার বলেন, এভাবে মাসের পর মাস কাজ বন্ধ থাকলে চলবে না। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করা হোক।
কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ডিবার সংক্রান্ত জটিলতার কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করেছে এবং ৯ মাসের জন্য ডিবার স্থগিতাদেশ পেয়েছে। আশা করছি নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে।
১০ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০০
১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫১
১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:০১
১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৪