Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ মে, ২০২৬ ১৮:১৭
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০ জন হাম আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ১ হাজার ৮৩ জনের শরীরে। আর ল্যাব পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে ৫৩ জনের।
মঙ্গলবার (২৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার একই সময় পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ ও ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জনই ঢাকা বিভাগের, যার ৩ জনই ঢাকা জেলার বাসিন্দা।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫৫ জনে। এর মধ্যে ৪৬৭ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। আর ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগী মারা গেছে ৮৮ জন।
একই সময়ে মোট ৬৬ হাজার ২৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। ল্যাব পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে ৮ হাজার ৭৭২ জনের। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৫২ হাজার ৫৩০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।
বরিশাল টাইমস
ছবি- সংগৃহীত
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০ জন হাম আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ১ হাজার ৮৩ জনের শরীরে। আর ল্যাব পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে ৫৩ জনের।
মঙ্গলবার (২৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার একই সময় পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ ও ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জনই ঢাকা বিভাগের, যার ৩ জনই ঢাকা জেলার বাসিন্দা।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫৫ জনে। এর মধ্যে ৪৬৭ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। আর ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগী মারা গেছে ৮৮ জন।
একই সময়ে মোট ৬৬ হাজার ২৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। ল্যাব পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে ৮ হাজার ৭৭২ জনের। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৫২ হাজার ৫৩০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।
বরিশাল টাইমস

২৬ মে, ২০২৬ ১৮:৫৭

২৬ মে, ২০২৬ ১৮:৫১
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির গরু কিনে বাড়ি ফিরছিলেন মো. নাছির উদ্দীন। কিন্তু সেই আনন্দযাত্রা আর শেষ পর্যন্ত পৌঁছালো না—ফেরার পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল তার প্রাণ।
সোমবার (২৫ মে) রাত ৯টার দিকে গরু ক্রয় শেষে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। উপজেলার পাক্কা মাথা এলাকায় একটি দ্রুতগতির কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তিনি।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি, পথেই তার মৃত্যু হয়। নিহত যুবক ওভারব্রিজ ফকিরহাট এলাকার পশ্চিমে কালাগাজির বাড়ির জামাল উদ্দিনের ছেলে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। ঈদের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় বিষাদের অশ্রুতে।
স্থানীয়দের দাবি, সড়কে অতিরিক্ত গতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। তারা দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

২৫ মে, ২০২৬ ১৯:৩৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি মৃত ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন ভেসে এসেছে। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পূর্ব পাশে ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১০ ফুট দীর্ঘ ডলফিনটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা।
ধারণা করা হচ্ছে, ডলফিনটি পাঁচ থেকে সাত দিন আগে মারা গেছে। খবর পেয়ে উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (উপরা) বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় মৃত ডলফিনটি মাটি চাপা দেওয়া হয়।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু বলেন, আগের তুলনায় ডলফিনের মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও এখনও নিয়মিত এমন ঘটনা ঘটছে। আমরা চাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা সংস্থাগুলো এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করুক।
ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ সুস্থ সাগর প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ডলফিন শুধু সামুদ্রিক প্রাণী নয়, এটি সমুদ্র পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডলফিনের উপস্থিতি সমুদ্রের ইকোসিস্টেম সুস্থ রাখতে সহায়তা করে, মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে এবং স্থানীয় পর্যটন ও জীবিকার ক্ষেত্রেও অবদান রাখে।
তিনি আরও বলেন, মৃত প্রাণীটি ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন। শরীরে রক্তাক্ত দাগের উপস্থিতি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নৌযানের আঘাত, মাছ ধরার জাল বা জেলেদের কার্যক্রম ডলফিনটির মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এছাড়া নদী ও মোহনার দূষিত পানি, শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক ও তেলজাতীয় বর্জ্যও সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করছে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আমরা উপকূলজুড়ে ডলফিন সংরক্ষণে কাজ করছি। এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয়েছে। মৃত ডলফিনটি যাতে দুর্গন্ধ ছড়াতে না পারে, সে জন্য মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাসের টিকিট নেই। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে করেই বাড়ির পথ ধরেছিলেন শত শত মানুষ। কিন্তু মাঝপথেই বাধ সাধল প্রশাসন। মাঝপথেই নামিয়ে দেওয়া হয় তাদের।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়া শহরের বনানী এলাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক বিশেষ অভিযান চালায় অবৈধভাবে যাত্রী বহনকারী এমন বেশ কিছু যানবাহনে। এতে মাঝপথেই আটকে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখো সাধারণ মানুষ।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বগুড়ায় বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরূপ কুমার দাস। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলগামী বিভিন্ন ফিটনেসবিহীন বাস এবং ট্রাকে অবৈধভাবে যাত্রী বহনকারী যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।
অভিযান চলাকালে অন্তত ২০০-৩০০ যাত্রীকে ট্রাক থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। মাঝপথে আকস্মিকভাবে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ায় চরম বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় মহাসড়কের পাশে তাঁদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
ভুক্তভোগী যাত্রী জিসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গত দুই দিন ধরে বাসের কোনো টিকিট পাচ্ছি না। সিট তো দূরের কথা, বাসে দাঁড়িয়ে আসার মতো পরিস্থিতিও নেই। বাড়িতে মা-বাবা, স্ত্রী ও সন্তানরা অপেক্ষা করছে। তাদের সঙ্গে ঈদ করতে হবে। জীবনের ঝুঁকি আছে জেনেও বাধ্য হয়ে ট্রাকে উঠেছিলাম। কিন্তু মাঝপথে আমাদের আটকে নামিয়ে দেওয়া হলো। এখন হেঁটে যাওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।’
গাবতলী থেকে ট্রাকে ওঠার সময় কেন প্রশাসন বাধা দেয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ফয়সাল আহম্মেদ নামের আরেক যাত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসনের লোকজন আমাদের ট্রাক থেকে নামিয়ে দেওয়ার পর ট্রাকটি চলে গেছে। এখন আমরা কীভাবে গন্তব্যে যাব?’
দুর্ঘটনা এড়াতে সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরূপ কুমার দাস বলেন, ‘ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহাসড়কে যানচলাচল নির্বিঘ্ন ও ভোগান্তিমুক্ত রাখতে সরকার দেশব্যাপী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছে। যমুনা সড়কে সাম্প্রতিক এক ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হওয়ার পর আমাদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে।’
তিনি আরও জানান, জরুরি সেবা ও কাঁচামাল পরিবহনকারী যান ছাড়া ঈদের তিন দিন আগে ও তিন দিন পর পর্যন্ত মহাসড়কে সাধারণ ট্রাক চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ট্রাকে করে এভাবে যাত্রী পরিবহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই যাত্রীদের সুরক্ষায় তাদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। নিয়ম অমান্যকারী ট্রাকচালকদের জরিমানার আওতায় আনা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে শুরু হওয়া বিআরটিএর এই বিশেষ অভিযান আগামী ৬ জুন পর্যন্ত মহাসড়কে অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বাসের টিকিট নেই। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে করেই বাড়ির পথ ধরেছিলেন শত শত মানুষ। কিন্তু মাঝপথেই বাধ সাধল প্রশাসন। মাঝপথেই নামিয়ে দেওয়া হয় তাদের।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়া শহরের বনানী এলাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক বিশেষ অভিযান চালায় অবৈধভাবে যাত্রী বহনকারী এমন বেশ কিছু যানবাহনে। এতে মাঝপথেই আটকে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখো সাধারণ মানুষ।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বগুড়ায় বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরূপ কুমার দাস। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলগামী বিভিন্ন ফিটনেসবিহীন বাস এবং ট্রাকে অবৈধভাবে যাত্রী বহনকারী যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।
অভিযান চলাকালে অন্তত ২০০-৩০০ যাত্রীকে ট্রাক থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। মাঝপথে আকস্মিকভাবে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ায় চরম বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় মহাসড়কের পাশে তাঁদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
ভুক্তভোগী যাত্রী জিসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গত দুই দিন ধরে বাসের কোনো টিকিট পাচ্ছি না। সিট তো দূরের কথা, বাসে দাঁড়িয়ে আসার মতো পরিস্থিতিও নেই। বাড়িতে মা-বাবা, স্ত্রী ও সন্তানরা অপেক্ষা করছে। তাদের সঙ্গে ঈদ করতে হবে। জীবনের ঝুঁকি আছে জেনেও বাধ্য হয়ে ট্রাকে উঠেছিলাম। কিন্তু মাঝপথে আমাদের আটকে নামিয়ে দেওয়া হলো। এখন হেঁটে যাওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।’
গাবতলী থেকে ট্রাকে ওঠার সময় কেন প্রশাসন বাধা দেয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ফয়সাল আহম্মেদ নামের আরেক যাত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসনের লোকজন আমাদের ট্রাক থেকে নামিয়ে দেওয়ার পর ট্রাকটি চলে গেছে। এখন আমরা কীভাবে গন্তব্যে যাব?’
দুর্ঘটনা এড়াতে সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরূপ কুমার দাস বলেন, ‘ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহাসড়কে যানচলাচল নির্বিঘ্ন ও ভোগান্তিমুক্ত রাখতে সরকার দেশব্যাপী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছে। যমুনা সড়কে সাম্প্রতিক এক ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হওয়ার পর আমাদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে।’
তিনি আরও জানান, জরুরি সেবা ও কাঁচামাল পরিবহনকারী যান ছাড়া ঈদের তিন দিন আগে ও তিন দিন পর পর্যন্ত মহাসড়কে সাধারণ ট্রাক চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ট্রাকে করে এভাবে যাত্রী পরিবহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই যাত্রীদের সুরক্ষায় তাদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। নিয়ম অমান্যকারী ট্রাকচালকদের জরিমানার আওতায় আনা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে শুরু হওয়া বিআরটিএর এই বিশেষ অভিযান আগামী ৬ জুন পর্যন্ত মহাসড়কে অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির গরু কিনে বাড়ি ফিরছিলেন মো. নাছির উদ্দীন। কিন্তু সেই আনন্দযাত্রা আর শেষ পর্যন্ত পৌঁছালো না—ফেরার পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল তার প্রাণ।
সোমবার (২৫ মে) রাত ৯টার দিকে গরু ক্রয় শেষে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। উপজেলার পাক্কা মাথা এলাকায় একটি দ্রুতগতির কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তিনি।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি, পথেই তার মৃত্যু হয়। নিহত যুবক ওভারব্রিজ ফকিরহাট এলাকার পশ্চিমে কালাগাজির বাড়ির জামাল উদ্দিনের ছেলে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। ঈদের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় বিষাদের অশ্রুতে।
স্থানীয়দের দাবি, সড়কে অতিরিক্ত গতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। তারা দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি মৃত ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন ভেসে এসেছে। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পূর্ব পাশে ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১০ ফুট দীর্ঘ ডলফিনটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা।
ধারণা করা হচ্ছে, ডলফিনটি পাঁচ থেকে সাত দিন আগে মারা গেছে। খবর পেয়ে উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (উপরা) বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় মৃত ডলফিনটি মাটি চাপা দেওয়া হয়।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু বলেন, আগের তুলনায় ডলফিনের মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও এখনও নিয়মিত এমন ঘটনা ঘটছে। আমরা চাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা সংস্থাগুলো এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করুক।
ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ সুস্থ সাগর প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ডলফিন শুধু সামুদ্রিক প্রাণী নয়, এটি সমুদ্র পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডলফিনের উপস্থিতি সমুদ্রের ইকোসিস্টেম সুস্থ রাখতে সহায়তা করে, মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে এবং স্থানীয় পর্যটন ও জীবিকার ক্ষেত্রেও অবদান রাখে।
তিনি আরও বলেন, মৃত প্রাণীটি ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন। শরীরে রক্তাক্ত দাগের উপস্থিতি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নৌযানের আঘাত, মাছ ধরার জাল বা জেলেদের কার্যক্রম ডলফিনটির মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এছাড়া নদী ও মোহনার দূষিত পানি, শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক ও তেলজাতীয় বর্জ্যও সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করছে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আমরা উপকূলজুড়ে ডলফিন সংরক্ষণে কাজ করছি। এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয়েছে। মৃত ডলফিনটি যাতে দুর্গন্ধ ছড়াতে না পারে, সে জন্য মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।