Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:২৯
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁরা প্রাণ দিয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুদানের তপ্ত মরুভূমি রঞ্জিত হয়েছে তাদের রক্তে। নাটোরের মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের মমিনুল ইসলাম, শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার সবুজ মিয়া-এরা সবাই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ড্রোন হামলায় প্রাণবিসর্জন দেওয়া দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত সদস্য। দেশের অকুতোভয় বীর সন্তান। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী।
বিশ্বশান্তির মঞ্চে অনন্য জাগরণের এই আত্মত্যাগ মুক্তির সোনালী সূর্যের প্রতীক দেশের জাতীয় পতাকাকে করেছে আরও রক্ত লাল। বিশ্বপরিমণ্ডলে পুনরায় সাহস, পেশাদারিত্ব ও আত্মনিবেদনের মাধ্যমে রক্তের অক্ষরে নিজেদের নামাঙ্কিত করার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস হিসেবে চিত্রিত করে গেছেন বাংলাদেশকে। তাদের চির প্রস্থান বেদনার আবার একই সঙ্গে গৌরবময় অনুভূতির দ্যোতক।
কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা ও গৌরব বুকে নিয়েই নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ফিরেছেন নিজ মাতৃভূমিতে কফিনে নিথর দেহে। যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতায় সম্পন্ন হচ্ছে বিশ্বশান্তিতে জীবন দেয়া এই সূর্যসন্তানদের জানাজা ও দাফন। অতুল্য আত্মত্যাগে চিরকাল তাঁরা দীপ্ত থাকবেন প্রতিটি মানুষের স্মৃতি-আবেগের সরলতায়, ও গর্বের অনুভবে আত্মমর্যাদায়। তাদের রক্ত, ত্যাগ আর অদম্য সাহস গভীর কৃতজ্ঞতা ও পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে সতের কোটির বাংলাদেশ।
এর আগে গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ সদস্য মারা যান। আহত হয়েছেন ৯ জন। আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন-কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের সৈনিক মোসা. উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর সৈনিক মো. মানাজির আহসান।
আহত সকলের চিকিৎসা চলছে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তাদের কয়েকজন এরইমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বাকিরা সবাই শঙ্কামুক্ত। বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলাটি চালিয়েছিল সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সদস্যদের পদচিহ্ন সারা বিশ্বে। শুরু ১৯৮৮ সালের ১৪ আগস্ট। কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি যাত্রীবাহী বিমানে একে একে উঠলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তা। ইউনাইটেড নেশনস ইরান-ইরাক মিলিটারি অবজারভার গ্রুপ (ইউনিমগ) নামে জাতিসংঘের একটি শান্তিরক্ষা মিশনে সেই কর্মকর্তাদের নিয়ে বহনকারী বিমানটি ডানা মিললো ঢাকার আকাশে। বিশ্ব পরিমণ্ডলে শান্তি অন্বেষণে নতুন দিকের সূচনা করলো লাল-সবুজের বাংলাদেশ। এরপর দেখতে দেখতে প্রায় চার দশক। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন নামে এক নতুন অধ্যায়ের শুরুর পরের ইতিহাসটি গর্বের, মাথা উঁচু করে পথচলার।
জাতিসংঘের ৫৬টি শান্তিরক্ষা মিশনের মধ্যে বাংলাদেশ ৫৪টি মিশনেই অংশ নিয়েছে। বর্তমানে ১০টি দেশে শান্তির পতাকা হাতে নিয়োজিত তারা। সময়ের বহমানতায় অপরিহার্য করে তুলেছে নিজেদের। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ১৯৯৩ সাল থেকে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়ে আসছে। ব্লু হেলমেটধারীরা মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে সবার সেরা এই শান্তির প্রহরীরা। জাতিসংঘের পতাকাকে সমুন্নত ও উড্ডীন রাখার পাশাপাশি তাঁরা উজ্জ্বল করেছেন দেশের ভাবমূর্তি।
বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিদেশের মাটিতে শত্রুদের সামনে মাথা নত করেনি কখনও। কঠিন বিপদ-সংকটময় মুহূর্তে জীবনঝুঁকির মধ্যেও জটিল ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজ করে যাচ্ছেন অহর্নিশ। বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সিয়েরালিওন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় তাদের দেশের প্রধান ভাষা বাংলা করতে না পারলেও দেশটির দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রচলন বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিভাত। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ‘মজ্জা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গত ৩৭ বছর যাবত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে ওঠেছে দেশটি।
বিশ্বের বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে নিজেদের। অসামান্য অবদানের জন্য সুনাম কুড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। ৬দিন আগে সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬জন বীর শান্তিরক্ষী শাহাদতবরণ গভীরভাবে মর্মাহত করেছে গোটা দেশবাসীকে। জাতিসংঘের পতাকা তলে বিশ্বশান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গের শপথ করেই তাঁরা সেখানে গিয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিপুল অবদান আন্তর্জাতিকভাবে তাই স্বীকৃত এবং প্রশংসিত।
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো ১১৯টি দেশের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে প্রথম বারের মতো ডিআর কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপটার মোতায়েন করা হয়েছে। শুরু থেকে সুদানে সর্বশেষ ৬ জন নিহত হওয়া ছাড়াও এই পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৬৮ জন শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ১৩১ জন, নৌবাহিনীর চার জন, বিমানবাহিনীর ছয় জন এবং পুলিশের ২৪ জন। আহত হয়েছেন ২৭২ জন। সার্বিকভাবে সুপ্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ সেনাসদস্য, উন্নত সরঞ্জাম, বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ এবং উঁচু মূল্যবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মিশন এলাকার জনসাধারণ ও জাতিসংঘের আস্থা অর্জনে ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করেছে।
ব্লু হেলমেটধারীরা শান্তির অনন্য দূত। অতীতের ধারাবাহিকতায় এই সময়েও সর্বোচ্চমানের পেশাদারি মনোভাব, সাহসিকতা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে বিশ্বের দেশে দেশে সন্ত্রাস, সংঘাত ও দাঙ্গা দমনের মাধ্যমে শান্তি স্থাপন থেকে শুরু করে দেশ পুনর্গঠনে নির্ভীক ভূমিকা পালন করছেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। এক সময় যেসব দেশের সাধারণ মানুষ ‘বাংলাদেশ’ নামের সঙ্গেই পরিচিত ছিল না সেসব দেশের মানুষের মনেও শ্রদ্ধার আসন নিয়েছে বাংলাদেশ। দেশগুলোতে ব্লু হেলমেটধারীরা বিশ্বমানবতার সেবায় উৎসর্গ করেছেন নিজেদের। পেশাগত দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, সততা ও মানবিকতায় তাঁরা আজ বিশ্বমঞ্চে আত্মত্যাগের অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁরা প্রাণ দিয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুদানের তপ্ত মরুভূমি রঞ্জিত হয়েছে তাদের রক্তে। নাটোরের মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের মমিনুল ইসলাম, শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার সবুজ মিয়া-এরা সবাই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ড্রোন হামলায় প্রাণবিসর্জন দেওয়া দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত সদস্য। দেশের অকুতোভয় বীর সন্তান। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী।
বিশ্বশান্তির মঞ্চে অনন্য জাগরণের এই আত্মত্যাগ মুক্তির সোনালী সূর্যের প্রতীক দেশের জাতীয় পতাকাকে করেছে আরও রক্ত লাল। বিশ্বপরিমণ্ডলে পুনরায় সাহস, পেশাদারিত্ব ও আত্মনিবেদনের মাধ্যমে রক্তের অক্ষরে নিজেদের নামাঙ্কিত করার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস হিসেবে চিত্রিত করে গেছেন বাংলাদেশকে। তাদের চির প্রস্থান বেদনার আবার একই সঙ্গে গৌরবময় অনুভূতির দ্যোতক।
কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা ও গৌরব বুকে নিয়েই নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ফিরেছেন নিজ মাতৃভূমিতে কফিনে নিথর দেহে। যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতায় সম্পন্ন হচ্ছে বিশ্বশান্তিতে জীবন দেয়া এই সূর্যসন্তানদের জানাজা ও দাফন। অতুল্য আত্মত্যাগে চিরকাল তাঁরা দীপ্ত থাকবেন প্রতিটি মানুষের স্মৃতি-আবেগের সরলতায়, ও গর্বের অনুভবে আত্মমর্যাদায়। তাদের রক্ত, ত্যাগ আর অদম্য সাহস গভীর কৃতজ্ঞতা ও পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে সতের কোটির বাংলাদেশ।
এর আগে গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ সদস্য মারা যান। আহত হয়েছেন ৯ জন। আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন-কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের সৈনিক মোসা. উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর সৈনিক মো. মানাজির আহসান।
আহত সকলের চিকিৎসা চলছে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তাদের কয়েকজন এরইমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বাকিরা সবাই শঙ্কামুক্ত। বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলাটি চালিয়েছিল সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সদস্যদের পদচিহ্ন সারা বিশ্বে। শুরু ১৯৮৮ সালের ১৪ আগস্ট। কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি যাত্রীবাহী বিমানে একে একে উঠলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তা। ইউনাইটেড নেশনস ইরান-ইরাক মিলিটারি অবজারভার গ্রুপ (ইউনিমগ) নামে জাতিসংঘের একটি শান্তিরক্ষা মিশনে সেই কর্মকর্তাদের নিয়ে বহনকারী বিমানটি ডানা মিললো ঢাকার আকাশে। বিশ্ব পরিমণ্ডলে শান্তি অন্বেষণে নতুন দিকের সূচনা করলো লাল-সবুজের বাংলাদেশ। এরপর দেখতে দেখতে প্রায় চার দশক। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন নামে এক নতুন অধ্যায়ের শুরুর পরের ইতিহাসটি গর্বের, মাথা উঁচু করে পথচলার।
জাতিসংঘের ৫৬টি শান্তিরক্ষা মিশনের মধ্যে বাংলাদেশ ৫৪টি মিশনেই অংশ নিয়েছে। বর্তমানে ১০টি দেশে শান্তির পতাকা হাতে নিয়োজিত তারা। সময়ের বহমানতায় অপরিহার্য করে তুলেছে নিজেদের। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ১৯৯৩ সাল থেকে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়ে আসছে। ব্লু হেলমেটধারীরা মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে সবার সেরা এই শান্তির প্রহরীরা। জাতিসংঘের পতাকাকে সমুন্নত ও উড্ডীন রাখার পাশাপাশি তাঁরা উজ্জ্বল করেছেন দেশের ভাবমূর্তি।
বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিদেশের মাটিতে শত্রুদের সামনে মাথা নত করেনি কখনও। কঠিন বিপদ-সংকটময় মুহূর্তে জীবনঝুঁকির মধ্যেও জটিল ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজ করে যাচ্ছেন অহর্নিশ। বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সিয়েরালিওন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় তাদের দেশের প্রধান ভাষা বাংলা করতে না পারলেও দেশটির দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রচলন বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিভাত। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ‘মজ্জা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গত ৩৭ বছর যাবত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে ওঠেছে দেশটি।
বিশ্বের বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে নিজেদের। অসামান্য অবদানের জন্য সুনাম কুড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। ৬দিন আগে সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬জন বীর শান্তিরক্ষী শাহাদতবরণ গভীরভাবে মর্মাহত করেছে গোটা দেশবাসীকে। জাতিসংঘের পতাকা তলে বিশ্বশান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গের শপথ করেই তাঁরা সেখানে গিয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিপুল অবদান আন্তর্জাতিকভাবে তাই স্বীকৃত এবং প্রশংসিত।
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো ১১৯টি দেশের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে প্রথম বারের মতো ডিআর কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপটার মোতায়েন করা হয়েছে। শুরু থেকে সুদানে সর্বশেষ ৬ জন নিহত হওয়া ছাড়াও এই পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৬৮ জন শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ১৩১ জন, নৌবাহিনীর চার জন, বিমানবাহিনীর ছয় জন এবং পুলিশের ২৪ জন। আহত হয়েছেন ২৭২ জন। সার্বিকভাবে সুপ্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ সেনাসদস্য, উন্নত সরঞ্জাম, বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ এবং উঁচু মূল্যবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মিশন এলাকার জনসাধারণ ও জাতিসংঘের আস্থা অর্জনে ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করেছে।
ব্লু হেলমেটধারীরা শান্তির অনন্য দূত। অতীতের ধারাবাহিকতায় এই সময়েও সর্বোচ্চমানের পেশাদারি মনোভাব, সাহসিকতা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে বিশ্বের দেশে দেশে সন্ত্রাস, সংঘাত ও দাঙ্গা দমনের মাধ্যমে শান্তি স্থাপন থেকে শুরু করে দেশ পুনর্গঠনে নির্ভীক ভূমিকা পালন করছেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। এক সময় যেসব দেশের সাধারণ মানুষ ‘বাংলাদেশ’ নামের সঙ্গেই পরিচিত ছিল না সেসব দেশের মানুষের মনেও শ্রদ্ধার আসন নিয়েছে বাংলাদেশ। দেশগুলোতে ব্লু হেলমেটধারীরা বিশ্বমানবতার সেবায় উৎসর্গ করেছেন নিজেদের। পেশাগত দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, সততা ও মানবিকতায় তাঁরা আজ বিশ্বমঞ্চে আত্মত্যাগের অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
অপেক্ষায়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটা জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (৮ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৩
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫২
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
অপেক্ষায়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটা জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (৮ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৭
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০৩
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৪