বরিশাল নগরের কাউনিয়ার সেকশন খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে এলাকাবাসী। বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারক লিপি দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন স্মারকলিপিটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। এ সময় সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতারু কবিরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও শুভংকর চক্রবর্তি; সুজনের জেলার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রনজিৎ দত্ত; বেলার বরিশালের সমন্বয়ক লিকংন বায়েন; নাগরিক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সুভাষ দাস; শুকতারা খেলাঘর আসরের সাবেক সভাপতি কাজী সেলিনা ও মো. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা শুভংকর চক্রবর্তী বলেন, কাউনিয়া সেকশন রোডের একমাত্র খেলার মাঠটির জেলা পুলিশ বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কিন্তু নগরীর ৭নং ও ২নং ওয়ার্ডের শিশু-কিশোররা নিয়মিত খেলাধুলার জন্য একটিমাত্র মাঠ রয়েছে। এই দুই ওয়ার্ডে বসবাসকারী নাগরিকদের অন্য কোনো উন্মুক্ত স্থান নেই। ফলে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মৃত ব্যক্তির জানাজা নামাজ পর্যন্ত এ মাঠকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়।
এ ছাড়া মাঠকে কেন্দ্র করে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও যাবতীয় অনুষ্ঠান, একটি মসজিদ ও মাদ্রাসার নিয়মিত বার্ষিক মাহফিলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন খেলাঘরের একটি শাখা আসরের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিনি আরও বলেন, এ মাঠ দখল হয়ে গেলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে শিশু-কিশোরদের ওপরে। তাই আমরা লিজ বাতিলসহ খেলার মাঠটি শিশু কিশোরদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছি। যার অনুলিপি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ও জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতারুল কবির বলেন, ‘এই মাঠ ৭নং ওয়ার্ডের প্রাণ। এ ওয়ার্ডে অন্যকোনো মাঠ কিংবা খালি জায়গা নেই। যেখানে বাচ্চারা খেলাধুলা করবে। এটিই একমাত্র ভরসা। এই মাঠ আমরা কিছুতেই ছাড়ব না।’
তিনি জানান, এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দোকান/গোডাউন বরাদ্দ চলছে লেখা একটি সাইনবোর্ড ঝুলানো হয়েছিল। ওই সময়ে মাঠে গোডাউন নির্মাণের উদ্যোগ নিলে স্থানীয়রা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিল। পাশাপাশি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান ও মানববন্ধন করেছিল স্থানীয়রা। এর প্রেক্ষিতে ওই সাইনবোর্ড মাঠ থেকে অপসারণ করে মাঠটি উন্মুখ রাখা হয়।
বরিশা্ল জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ‘১৯৬৪ সাল থেকে ওই সম্পত্তির মালিক জেলা পুলিশ। জমির একাংশের ওপর স্থানীয়রা মসজিদ ও মাদ্রাসা করেছেন। অবশিষ্ট মাঠ বছরের বেশিরভাগ সময় পানিতে তলিয়ে থাকে। বছরে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা পুলিশকে খাজনা দিতে হয় এ মাঠের জন্য। সেজন্যই মাঠে জেলা পুলিশ স্টল করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর অংশ হিসেবে মাঠটি চারদিক থেকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করে।
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীনের সরকারি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তার হোয়াটসঅ্যাপে মাসেজ দেওয়া হলে তিনি সিন করলেও কোনো উত্তর দেননি।
এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'বুধবার দুপুরে স্থানীয়রা সেকশনের মাঠ রক্ষার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি আমার কাছে দিয়েছেন। সেটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৩
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩২
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

১৭ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৩২
বরিশাল নগরের কাউনিয়ার সেকশন খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে এলাকাবাসী। বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারক লিপি দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন স্মারকলিপিটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। এ সময় সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতারু কবিরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও শুভংকর চক্রবর্তি; সুজনের জেলার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রনজিৎ দত্ত; বেলার বরিশালের সমন্বয়ক লিকংন বায়েন; নাগরিক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সুভাষ দাস; শুকতারা খেলাঘর আসরের সাবেক সভাপতি কাজী সেলিনা ও মো. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা শুভংকর চক্রবর্তী বলেন, কাউনিয়া সেকশন রোডের একমাত্র খেলার মাঠটির জেলা পুলিশ বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কিন্তু নগরীর ৭নং ও ২নং ওয়ার্ডের শিশু-কিশোররা নিয়মিত খেলাধুলার জন্য একটিমাত্র মাঠ রয়েছে। এই দুই ওয়ার্ডে বসবাসকারী নাগরিকদের অন্য কোনো উন্মুক্ত স্থান নেই। ফলে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মৃত ব্যক্তির জানাজা নামাজ পর্যন্ত এ মাঠকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়।
এ ছাড়া মাঠকে কেন্দ্র করে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও যাবতীয় অনুষ্ঠান, একটি মসজিদ ও মাদ্রাসার নিয়মিত বার্ষিক মাহফিলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন খেলাঘরের একটি শাখা আসরের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিনি আরও বলেন, এ মাঠ দখল হয়ে গেলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে শিশু-কিশোরদের ওপরে। তাই আমরা লিজ বাতিলসহ খেলার মাঠটি শিশু কিশোরদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছি। যার অনুলিপি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ও জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতারুল কবির বলেন, ‘এই মাঠ ৭নং ওয়ার্ডের প্রাণ। এ ওয়ার্ডে অন্যকোনো মাঠ কিংবা খালি জায়গা নেই। যেখানে বাচ্চারা খেলাধুলা করবে। এটিই একমাত্র ভরসা। এই মাঠ আমরা কিছুতেই ছাড়ব না।’
তিনি জানান, এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দোকান/গোডাউন বরাদ্দ চলছে লেখা একটি সাইনবোর্ড ঝুলানো হয়েছিল। ওই সময়ে মাঠে গোডাউন নির্মাণের উদ্যোগ নিলে স্থানীয়রা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিল। পাশাপাশি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান ও মানববন্ধন করেছিল স্থানীয়রা। এর প্রেক্ষিতে ওই সাইনবোর্ড মাঠ থেকে অপসারণ করে মাঠটি উন্মুখ রাখা হয়।
বরিশা্ল জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ‘১৯৬৪ সাল থেকে ওই সম্পত্তির মালিক জেলা পুলিশ। জমির একাংশের ওপর স্থানীয়রা মসজিদ ও মাদ্রাসা করেছেন। অবশিষ্ট মাঠ বছরের বেশিরভাগ সময় পানিতে তলিয়ে থাকে। বছরে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা পুলিশকে খাজনা দিতে হয় এ মাঠের জন্য। সেজন্যই মাঠে জেলা পুলিশ স্টল করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর অংশ হিসেবে মাঠটি চারদিক থেকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করে।
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীনের সরকারি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তার হোয়াটসঅ্যাপে মাসেজ দেওয়া হলে তিনি সিন করলেও কোনো উত্তর দেননি।
এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'বুধবার দুপুরে স্থানীয়রা সেকশনের মাঠ রক্ষার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি আমার কাছে দিয়েছেন। সেটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৭
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮