
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৯
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে। ব্রিজ নির্মাণের নামে এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তবে রহস্যজনক কারণে উপজেলা এলজিইডি বিভাগ এখন পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী-করিমবাজার খালের ওপর বারপাইকা গ্রামের রুহুল হোসেনের বাড়ির সামনে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৫ ফুট প্রস্থের এই আয়রন ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, ব্রিজটির ঢালাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে মাত্র সাড়ে ৩ ইঞ্চি। এ ছাড়া, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে নির্দিষ্ট দূরত্বে রড দেয়ার নিয়ম থাকলেও ঠিকাদার ১ ফুট পরপর রড দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ঢালাইয়ের সময় অনিয়মের প্রতিবাদ করলে ঠিকাদার নামমাত্র পাঁচটি রড নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে সিমেন্ট কম পড়লে স্থানীয়দের কাছ থেকেই ৫ ব্যাগ সিমেন্ট এনে ব্রিজের উত্তর পাড়ে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে গত মঙ্গলবার ঢালাই সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয় ভুক্তভোগী হিমু মোল্লা ও ইদ্রিস মোল্লা জানান, ব্রিজটি মূলত ৫৫ ফুট দৈর্ঘ্য হওয়ার কথা থাকলেও ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লা মাত্র ৪৫ ফুট ঢালাই দিয়েছেন। রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদ এই কাজের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও সোহেল মোল্লা সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ব্রিজ করে দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে আরও ৮৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লা টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, বাশঁ ব্যবহার করা হয়েছে ৪৫ ফুট ব্রিজের বাহিরে। এটা আমরা করিনি, করেছে স্থানীয়রা।
রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার বলেন, ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রথম পর্যায় দেড় লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। সম্প্রতি ঢালাইয়ের জন্য এক লাখ টাকা দেয়া হয়।
উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী জানান, ব্রিজ ঢালাই দেয়ার কথা আমাদের বিভাগকে কেউ জানায়নি। কেউ এলজিইডি বিভাগকে না জানিয়ে ব্রিজের ঢালাই দিতে পারে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, আমি ব্রিজের ঢালাইয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। সরেজমিন গিয়ে ব্রিজটি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে। ব্রিজ নির্মাণের নামে এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তবে রহস্যজনক কারণে উপজেলা এলজিইডি বিভাগ এখন পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী-করিমবাজার খালের ওপর বারপাইকা গ্রামের রুহুল হোসেনের বাড়ির সামনে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৫ ফুট প্রস্থের এই আয়রন ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, ব্রিজটির ঢালাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে মাত্র সাড়ে ৩ ইঞ্চি। এ ছাড়া, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে নির্দিষ্ট দূরত্বে রড দেয়ার নিয়ম থাকলেও ঠিকাদার ১ ফুট পরপর রড দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ঢালাইয়ের সময় অনিয়মের প্রতিবাদ করলে ঠিকাদার নামমাত্র পাঁচটি রড নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে সিমেন্ট কম পড়লে স্থানীয়দের কাছ থেকেই ৫ ব্যাগ সিমেন্ট এনে ব্রিজের উত্তর পাড়ে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে গত মঙ্গলবার ঢালাই সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয় ভুক্তভোগী হিমু মোল্লা ও ইদ্রিস মোল্লা জানান, ব্রিজটি মূলত ৫৫ ফুট দৈর্ঘ্য হওয়ার কথা থাকলেও ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লা মাত্র ৪৫ ফুট ঢালাই দিয়েছেন। রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদ এই কাজের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও সোহেল মোল্লা সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ব্রিজ করে দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে আরও ৮৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লা টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, বাশঁ ব্যবহার করা হয়েছে ৪৫ ফুট ব্রিজের বাহিরে। এটা আমরা করিনি, করেছে স্থানীয়রা।
রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার বলেন, ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রথম পর্যায় দেড় লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। সম্প্রতি ঢালাইয়ের জন্য এক লাখ টাকা দেয়া হয়।
উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী জানান, ব্রিজ ঢালাই দেয়ার কথা আমাদের বিভাগকে কেউ জানায়নি। কেউ এলজিইডি বিভাগকে না জানিয়ে ব্রিজের ঢালাই দিতে পারে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, আমি ব্রিজের ঢালাইয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। সরেজমিন গিয়ে ব্রিজটি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:০৯
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৭
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৯
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৬

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩০
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক জান্নাতুল নওরিন উর্মি। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মনোনয়ন সংগ্রহের পর প্রতিক্রিয়ায় নওরিন সাংবাদিকদের বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনকে কেবল সাংবিধানিক ব্যবস্থা নয়, বরং নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি বাস্তবধর্মী সুযোগ হিসেবে দেখা উচিৎ।
তার ভাষ্য, জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন থাকায় নারীর প্রতিনিধিত্ব প্রায় ২০ শতাংশ হলেও বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় এটি এখনও কম। তাই এই কাঠামো নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।
তিনি বলেন, সাধারণ আসনে নির্বাচন করতে যে রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সাংগঠনিক শক্তি প্রয়োজন, তা অনেক নারীর জন্য সম্ভব হয় না। এই বাস্তবতায় সংরক্ষিত আসন নারীদের নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি করে।
নওরীন জানান, দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংসদীয় প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।
আন্তর্জাতিক উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নারীর অংশগ্রহণ বাড়লে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। বাংলাদেশে এখনও নারীর প্রতি সহিংসতা ও মাতৃমৃত্যুর হার উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হলে নারী, শিশু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইসিটি ও স্বরাষ্ট্রবিষয়ক কমিটিতে কাজ করার পাশাপাশি জেন্ডার-সংবেদনশীল বাজেট প্রণয়ন ও প্রাইভেট মেম্বার বিল উত্থাপনের উদ্যোগ নেবেন।
রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নওরীন বলেন, ছাত্ররাজনীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময়ে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এসব অভিজ্ঞতা তাকে আরও দৃঢ় করেছে।
তিনি বলেন, রাজনীতি তার কাছে শুধু সাংগঠনিক কার্যক্রম নয়, বরং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি লড়াই।
নওরিন বর্তমানে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক জান্নাতুল নওরিন উর্মি। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মনোনয়ন সংগ্রহের পর প্রতিক্রিয়ায় নওরিন সাংবাদিকদের বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনকে কেবল সাংবিধানিক ব্যবস্থা নয়, বরং নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি বাস্তবধর্মী সুযোগ হিসেবে দেখা উচিৎ।
তার ভাষ্য, জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন থাকায় নারীর প্রতিনিধিত্ব প্রায় ২০ শতাংশ হলেও বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় এটি এখনও কম। তাই এই কাঠামো নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।
তিনি বলেন, সাধারণ আসনে নির্বাচন করতে যে রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সাংগঠনিক শক্তি প্রয়োজন, তা অনেক নারীর জন্য সম্ভব হয় না। এই বাস্তবতায় সংরক্ষিত আসন নারীদের নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি করে।
নওরীন জানান, দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংসদীয় প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।
আন্তর্জাতিক উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নারীর অংশগ্রহণ বাড়লে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। বাংলাদেশে এখনও নারীর প্রতি সহিংসতা ও মাতৃমৃত্যুর হার উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হলে নারী, শিশু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইসিটি ও স্বরাষ্ট্রবিষয়ক কমিটিতে কাজ করার পাশাপাশি জেন্ডার-সংবেদনশীল বাজেট প্রণয়ন ও প্রাইভেট মেম্বার বিল উত্থাপনের উদ্যোগ নেবেন।
রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নওরীন বলেন, ছাত্ররাজনীতির কারণে তিনি বিভিন্ন সময়ে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এসব অভিজ্ঞতা তাকে আরও দৃঢ় করেছে।
তিনি বলেন, রাজনীতি তার কাছে শুধু সাংগঠনিক কার্যক্রম নয়, বরং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি লড়াই।
নওরিন বর্তমানে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২২
বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১২৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে আয়েশা নামে দেড় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৪১ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। বৃহস্পতিবার(১৬ এপ্রিল) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় শনাক্ত হয়েছেন আরও ১০ জন।
এছাড়া পটুয়াখালী জেলায় ১৮ জন, ভোলা জেলায় ১১ জন, পিরোজপুরে ১১ জন এবং বরগুনা জেলায় ৩৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ঝালকাঠি জেলায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বরিশাল জেলার ২ শিশু, বরগুনায় ৩ জন, ঝালকাঠিতে ২ শিশু এবং ভোলা জেলায় ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এক হাজার ৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল জানান, হাম পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করা হচ্ছে। আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং নিয়মিত তদারকি চলছে।
তিনি আরও বলেন, বিভাগে হামের টিকার কোনো সংকট নেই এবং চলমান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে চাপ বেড়েছে।
বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১২৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে আয়েশা নামে দেড় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৪১ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। বৃহস্পতিবার(১৬ এপ্রিল) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় শনাক্ত হয়েছেন আরও ১০ জন।
এছাড়া পটুয়াখালী জেলায় ১৮ জন, ভোলা জেলায় ১১ জন, পিরোজপুরে ১১ জন এবং বরগুনা জেলায় ৩৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ঝালকাঠি জেলায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বরিশাল জেলার ২ শিশু, বরগুনায় ৩ জন, ঝালকাঠিতে ২ শিশু এবং ভোলা জেলায় ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এক হাজার ৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল জানান, হাম পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করা হচ্ছে। আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং নিয়মিত তদারকি চলছে।
তিনি আরও বলেন, বিভাগে হামের টিকার কোনো সংকট নেই এবং চলমান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে চাপ বেড়েছে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৮
তীব্র জ্বালানি তেলের সঙ্কটে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ফেরি ও ট্রলার চলাচল। প্রয়োজনীয় তেল সরবরাহ না থাকায় নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যানবাহন চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে একদিকে বাড়ছে যাত্রীদের দুর্ভোগ, অন্যদিকে লোকসানের মুখে পড়ছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘাট সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন একটি ফেরি সচল রাখতে প্রায় ২৫০-২৬০ লিটার তেলের প্রয়োজন। তবে, বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২০০ লিটার। ফলে দৈনিক ৫০-৬০ লিটার তেলের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এভাবে সপ্তাহ শেষে ঘাটতি ৩৫০ লিটারের বেশি হয়ে যাচ্ছে, যা ফেরি চলাচলের স্বাভাবিক সময়সূচি ভেঙে দিচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে চলমান জ্বালানি সঙ্কটের প্রভাবেই মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরবরাহ না থাকায় প্রতিদিনই ফেরি চলাচলে অনিয়ম দেখা দিচ্ছে।
এ বিষয়ে ফেরির ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রাকিবুল ইসলাম মামুন বলেন, ‘প্রতিদিন প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় ফেরি পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে খুব শিগগিরই ফেরি চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
অপরদিকে, একই ঘাটে যাত্রী পারাপারের জন্য ব্যবহৃত ট্রলারগুলোও তীব্র সঙ্কটে পড়েছে। ট্রলার চালাতে প্রতিদিন প্রায় ৬০ লিটার তেলের প্রয়োজন হলেও তারা কোনো আনুষ্ঠানিক সরবরাহ পাচ্ছে না। স্থানীয় দোকান থেকে ২০-২৫ লিটার তেল সংগ্রহ করে আংশিকভাবে কার্যক্রম চালানো হলেও এতে নিয়মিত ট্রিপ ব্যাহত হচ্ছে এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন চালকরা।
ট্রলার সংশ্লিষ্টরা জানান, তেলের অভাবে প্রতিদিন কয়েকটি ট্রিপ বাতিল করতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে এবং যাত্রীদের ভোগান্তিও বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা। অন্যথায় ফেরি ও ট্রলার পারাপার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, ‘ঘাট কর্তৃপক্ষকে প্রতিদিন ২০০ লিটার তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা থাকলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
কামিনী ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান বলেন, ‘দেশের সার্বিক জ্বালানি সঙ্কটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ সমস্যা শুধু বাবুগঞ্জেই নয়, দেশব্যাপী রয়েছে। তারপরও আমরা সুষম বণ্টনের মাধ্যমে তেল সরবরাহের চেষ্টা করছি।’
তীব্র জ্বালানি তেলের সঙ্কটে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ফেরি ও ট্রলার চলাচল। প্রয়োজনীয় তেল সরবরাহ না থাকায় নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যানবাহন চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে একদিকে বাড়ছে যাত্রীদের দুর্ভোগ, অন্যদিকে লোকসানের মুখে পড়ছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘাট সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন একটি ফেরি সচল রাখতে প্রায় ২৫০-২৬০ লিটার তেলের প্রয়োজন। তবে, বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২০০ লিটার। ফলে দৈনিক ৫০-৬০ লিটার তেলের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এভাবে সপ্তাহ শেষে ঘাটতি ৩৫০ লিটারের বেশি হয়ে যাচ্ছে, যা ফেরি চলাচলের স্বাভাবিক সময়সূচি ভেঙে দিচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে চলমান জ্বালানি সঙ্কটের প্রভাবেই মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরবরাহ না থাকায় প্রতিদিনই ফেরি চলাচলে অনিয়ম দেখা দিচ্ছে।
এ বিষয়ে ফেরির ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রাকিবুল ইসলাম মামুন বলেন, ‘প্রতিদিন প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় ফেরি পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে খুব শিগগিরই ফেরি চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
অপরদিকে, একই ঘাটে যাত্রী পারাপারের জন্য ব্যবহৃত ট্রলারগুলোও তীব্র সঙ্কটে পড়েছে। ট্রলার চালাতে প্রতিদিন প্রায় ৬০ লিটার তেলের প্রয়োজন হলেও তারা কোনো আনুষ্ঠানিক সরবরাহ পাচ্ছে না। স্থানীয় দোকান থেকে ২০-২৫ লিটার তেল সংগ্রহ করে আংশিকভাবে কার্যক্রম চালানো হলেও এতে নিয়মিত ট্রিপ ব্যাহত হচ্ছে এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন চালকরা।
ট্রলার সংশ্লিষ্টরা জানান, তেলের অভাবে প্রতিদিন কয়েকটি ট্রিপ বাতিল করতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে এবং যাত্রীদের ভোগান্তিও বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা। অন্যথায় ফেরি ও ট্রলার পারাপার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, ‘ঘাট কর্তৃপক্ষকে প্রতিদিন ২০০ লিটার তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা থাকলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
কামিনী ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান বলেন, ‘দেশের সার্বিক জ্বালানি সঙ্কটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ সমস্যা শুধু বাবুগঞ্জেই নয়, দেশব্যাপী রয়েছে। তারপরও আমরা সুষম বণ্টনের মাধ্যমে তেল সরবরাহের চেষ্টা করছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.