
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪১
লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুত ভোটের ৬টি সিল জব্দের ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে শরীফ ও সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে, এ মামলায় আটক সোহেলকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।
জাল ভোট প্রদানের লক্ষ্যে জামায়াত নেতা শরীফ অর্ডার দিলে সোহেল সিলগুলো বানিয়ে দোকানে রাখেন। তবে আত্মগোপনে রয়েছেন জামায়াত নেতা।
এদিকে সিল জব্দের পরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে আটক সোহেলকে জামায়াত কর্মী দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিল বানানোর অর্ডার দেওয়া জামায়াত নেতা শরীফের ছবিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে। তিনি হাসপাতাল রোডের ‘আধুনিক অফসেট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’-এর মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকায় বশির ভিলা হলরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এই সিল-কাণ্ডে তিনি জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন। জাল ভোটসহ জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্র করার লক্ষ্যে জামায়াত পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিভাবে হয় এটা প্রমাণসহ মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে। শুধু বোরকা নয়, বোরকার ভেতরে সিলকৃত ব্যালট থাকার মতো পরিস্থিতি জামায়াত সৃষ্টি করেছে। বোরকার ভেতরেই এই প্রচেষ্টা তারা করবে’। এ ঘটনায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নন বলে জানান। শরীফের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি ঘটনার তদন্ত করে যেই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ‘সিলগুলো জব্দের পরপরই শরীফকে আমরা দল থেকে বহিষ্কার করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এর প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।’
আরো পড়ুন
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে তার দোকান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ৬টি ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক সোহেল রানার বরাত দিয়ে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতের শরীফ গত ৩০ জানুয়ারি সোহেলের কাছে ৫টি নির্বাচনী সিলের অর্ডার করে। এ সংক্রান্ত একটি ভয়েস মেসেজ তিনি সোহেলকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে জাল ভোট প্রদানের জন্য অবৈধভাবে ভোটের সিল তৈরি করানো হয়েছে।
সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বলেন, ‘আসামি সোহেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো রিমান্ড চাওয়া হয়নি। অপর আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কি না ঘটনাটি তদন্ত চলছে।’
লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুত ভোটের ৬টি সিল জব্দের ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে শরীফ ও সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে, এ মামলায় আটক সোহেলকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।
জাল ভোট প্রদানের লক্ষ্যে জামায়াত নেতা শরীফ অর্ডার দিলে সোহেল সিলগুলো বানিয়ে দোকানে রাখেন। তবে আত্মগোপনে রয়েছেন জামায়াত নেতা।
এদিকে সিল জব্দের পরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে আটক সোহেলকে জামায়াত কর্মী দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিল বানানোর অর্ডার দেওয়া জামায়াত নেতা শরীফের ছবিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে। তিনি হাসপাতাল রোডের ‘আধুনিক অফসেট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’-এর মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকায় বশির ভিলা হলরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এই সিল-কাণ্ডে তিনি জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন। জাল ভোটসহ জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্র করার লক্ষ্যে জামায়াত পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিভাবে হয় এটা প্রমাণসহ মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে। শুধু বোরকা নয়, বোরকার ভেতরে সিলকৃত ব্যালট থাকার মতো পরিস্থিতি জামায়াত সৃষ্টি করেছে। বোরকার ভেতরেই এই প্রচেষ্টা তারা করবে’। এ ঘটনায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নন বলে জানান। শরীফের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি ঘটনার তদন্ত করে যেই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ‘সিলগুলো জব্দের পরপরই শরীফকে আমরা দল থেকে বহিষ্কার করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এর প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।’
আরো পড়ুন
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে তার দোকান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ৬টি ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক সোহেল রানার বরাত দিয়ে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতের শরীফ গত ৩০ জানুয়ারি সোহেলের কাছে ৫টি নির্বাচনী সিলের অর্ডার করে। এ সংক্রান্ত একটি ভয়েস মেসেজ তিনি সোহেলকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে জাল ভোট প্রদানের জন্য অবৈধভাবে ভোটের সিল তৈরি করানো হয়েছে।
সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বলেন, ‘আসামি সোহেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো রিমান্ড চাওয়া হয়নি। অপর আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কি না ঘটনাটি তদন্ত চলছে।’
২১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৪৮
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৭
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৫৬

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২৫
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে থাকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে থাকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।

২০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৫
লক্ষ্মীপুরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ওই শিক্ষার্থীর মা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের নাম মো. আবদুল আহাদ (৪৫)। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। রাত প্রায় ৯টার দিকে ছাত্রের মা ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল আহাদকে হেফাজতে নেয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
লক্ষ্মীপুরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ওই শিক্ষার্থীর মা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের নাম মো. আবদুল আহাদ (৪৫)। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। রাত প্রায় ৯টার দিকে ছাত্রের মা ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল আহাদকে হেফাজতে নেয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।