
০২ মার্চ, ২০২৬ ০৯:৪৯
ছয়দফা দাবি আদায়ে কর্মবিরতি শুরু করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কর্মচারীরা। রোববার (১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম অনেকটা ব্যাহত হয়।
কর্মচারীদের দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়মিত আপগ্রেডেশন বোর্ড বসানো ও প্রাপ্য তারিখ থেকে তা কার্যকর করা, সিন্ডিকেট অনুমোদিত অধিককাল কাজের বকেয়া বিল পরিশোধ, সরল সুদে সাধারণ গৃহনির্মাণ ঋণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, সার্ভিস রুল ও নিজস্ব পেনশন বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বিধি অনুযায়ী পেনশন প্রদান, কর্মচারীদের সংগঠন করার অধিকার এবং কর্মচারীদের বিমা, আবাসনব্যবস্থা ও কল্যাণ তহবিলের আওতাভুক্ত করা।
কর্মচারী প্রতিনিধি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অফিস সহায়ক মো. হাসানুজ্জামান জানান, উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম ইউজিসির দোহাই দিয়ে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। দাবি আদায়ে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের প্রায় ১৬০ জন কর্মচারী এই কর্মবিরতিতে অংশ নেন। তাদের এ দাবি আগামী তিন দিনের মধ্যে মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।
এ সময় কর্মচারীদের পক্ষে আরও বক্তব্য দেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী পরিষদের সাবেক সভাপতি আজিজ শিকদার, সাবেক সভাপতি আরিফুল ইসলাম সুমন প্রমুখ।
এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, কর্মচারীদের নিয়ে সোমবার তিনি বসবেন। তাদের ছয়টি দাবি থাকলেও মূল বিষয় হলো আপগ্রেডেশনে পদোন্নতি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
ছয়দফা দাবি আদায়ে কর্মবিরতি শুরু করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কর্মচারীরা। রোববার (১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম অনেকটা ব্যাহত হয়।
কর্মচারীদের দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়মিত আপগ্রেডেশন বোর্ড বসানো ও প্রাপ্য তারিখ থেকে তা কার্যকর করা, সিন্ডিকেট অনুমোদিত অধিককাল কাজের বকেয়া বিল পরিশোধ, সরল সুদে সাধারণ গৃহনির্মাণ ঋণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, সার্ভিস রুল ও নিজস্ব পেনশন বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বিধি অনুযায়ী পেনশন প্রদান, কর্মচারীদের সংগঠন করার অধিকার এবং কর্মচারীদের বিমা, আবাসনব্যবস্থা ও কল্যাণ তহবিলের আওতাভুক্ত করা।
কর্মচারী প্রতিনিধি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অফিস সহায়ক মো. হাসানুজ্জামান জানান, উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম ইউজিসির দোহাই দিয়ে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। দাবি আদায়ে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের প্রায় ১৬০ জন কর্মচারী এই কর্মবিরতিতে অংশ নেন। তাদের এ দাবি আগামী তিন দিনের মধ্যে মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।
এ সময় কর্মচারীদের পক্ষে আরও বক্তব্য দেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী পরিষদের সাবেক সভাপতি আজিজ শিকদার, সাবেক সভাপতি আরিফুল ইসলাম সুমন প্রমুখ।
এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, কর্মচারীদের নিয়ে সোমবার তিনি বসবেন। তাদের ছয়টি দাবি থাকলেও মূল বিষয় হলো আপগ্রেডেশনে পদোন্নতি।
বরিশাল টাইমস

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সংবলিত স্লোগান থাকায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে চর কালকিনি ইউনিয়নের ৪ হাজার অসহায় পরিবারের জন্য মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিতরণের সময় দেখা যায়, চালের বস্তাগুলোতে লেখা রয়েছে— ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারি ত্রাণের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এমন স্লোগান দেখে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
চালের বস্তায় এ স্লোগান থাকায় বিতরণকাজে অংশ নেওয়া সরকারি তদারকি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা খাদ্য ভাণ্ডার পরিদর্শক নিশাদ জাহান জানান, গুদাম থেকে চাল সরবরাহের সময় সাধারণত পুরোনো নাম বা স্লোগানগুলো রং দিয়ে মুছে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তিনি বলেন, বস্তাগুলো ডেলিভারি দেওয়ার সময় রং দিয়ে মুছে দেওয়া হয়। এরপরও দু-একটি বস্তায় চোখের অগোচরে পূর্বের নাম থেকে যেতে পারে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, এমন হওয়ার কথা নয়। খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও ওসিএলএসডির সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বিতর্ক এড়াতে বর্তমানে বিতরণ কেন্দ্রে থাকা বাকি বস্তাগুলোর লেখা মুছে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কাজে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল যাতে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সংবলিত স্লোগান থাকায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে চর কালকিনি ইউনিয়নের ৪ হাজার অসহায় পরিবারের জন্য মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিতরণের সময় দেখা যায়, চালের বস্তাগুলোতে লেখা রয়েছে— ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারি ত্রাণের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এমন স্লোগান দেখে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
চালের বস্তায় এ স্লোগান থাকায় বিতরণকাজে অংশ নেওয়া সরকারি তদারকি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা খাদ্য ভাণ্ডার পরিদর্শক নিশাদ জাহান জানান, গুদাম থেকে চাল সরবরাহের সময় সাধারণত পুরোনো নাম বা স্লোগানগুলো রং দিয়ে মুছে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তিনি বলেন, বস্তাগুলো ডেলিভারি দেওয়ার সময় রং দিয়ে মুছে দেওয়া হয়। এরপরও দু-একটি বস্তায় চোখের অগোচরে পূর্বের নাম থেকে যেতে পারে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, এমন হওয়ার কথা নয়। খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও ওসিএলএসডির সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বিতর্ক এড়াতে বর্তমানে বিতরণ কেন্দ্রে থাকা বাকি বস্তাগুলোর লেখা মুছে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কাজে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল যাতে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বক্তব্য দেওয়ার সময় ওয়াক আউট করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। এর আগে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে বিক্ষোভ দেখান। সে সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের দলগুলো আগে থেকেই সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।সংসদে কোনো ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে বিরোধী দল বা কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলে তাকে ‘ওয়াক আউট’ বলা হয়।
এদিন সকালে শপথ নিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। প্রথমে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং এরপরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি ইঞ্জিন চালিত জেলে নৌকা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে নৌকা ও নৌকায় থাকা জাল, ইঞ্জিন পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। ১১ মার্চ (বুধবার) তারাবির নামাজের সময় সৈকতের ঝাউবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, কেন দিয়েছে তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
জানাগেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পুর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ছোট্ট ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে প্রতিদিনের মত মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকেলে সৈকতে রেখে বাসায় চলে যায় জেলে কালাম সহ অন্যান্যরা। তারাবির নামাজ শেষে তারা জানতে পারেন কে বা কারা নৌকায় আগুন দিয়েছে। পরে গিয়ে দেখতে পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নৌকার মালিক মহিবুল মল্লিক জানান, রাতে তিনি সমুদ্রে মশারী জাল দিয়ে চিংড়ি রেনু ধরছিল। হঠাৎ দেখতে পান নৌকায় আগুন জ্বলছে। দৌড়ে গিয়ে অন্য জেলেদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় নৌকার পাশে একটি পেট্রোলের খালি বোতল পাওয়া গেছে।
মহিবুল আরো জানান, নৌকাটি তিনি মাসিক হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া মালিক কালাম এ নৌকায় ইলিশ সহ সামুদ্রিক অন্যান্য মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এ ঘটনায় নৌকা, জাল ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে তাদের এমন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে নিবেন তা নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সমুদ্র সৈকতে মাছধরা নিয়ে জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটলেও নৌকা জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা তারা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে তারা অবাক হয়েছেন।
কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু তার সম্পদ এভাবে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মত জঘন্য কাজ আর হতে পারে না। এতে নিঃশ্ব হয়ে গেছে কয়েকটি জেলে পরিবার। আমরা এদের ধিক্কার জানাই।
ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফ আলী সিকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি ইঞ্জিন চালিত জেলে নৌকা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে নৌকা ও নৌকায় থাকা জাল, ইঞ্জিন পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। ১১ মার্চ (বুধবার) তারাবির নামাজের সময় সৈকতের ঝাউবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, কেন দিয়েছে তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
জানাগেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পুর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ছোট্ট ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে প্রতিদিনের মত মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকেলে সৈকতে রেখে বাসায় চলে যায় জেলে কালাম সহ অন্যান্যরা। তারাবির নামাজ শেষে তারা জানতে পারেন কে বা কারা নৌকায় আগুন দিয়েছে। পরে গিয়ে দেখতে পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নৌকার মালিক মহিবুল মল্লিক জানান, রাতে তিনি সমুদ্রে মশারী জাল দিয়ে চিংড়ি রেনু ধরছিল। হঠাৎ দেখতে পান নৌকায় আগুন জ্বলছে। দৌড়ে গিয়ে অন্য জেলেদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় নৌকার পাশে একটি পেট্রোলের খালি বোতল পাওয়া গেছে।
মহিবুল আরো জানান, নৌকাটি তিনি মাসিক হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া মালিক কালাম এ নৌকায় ইলিশ সহ সামুদ্রিক অন্যান্য মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এ ঘটনায় নৌকা, জাল ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে তাদের এমন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে নিবেন তা নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সমুদ্র সৈকতে মাছধরা নিয়ে জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটলেও নৌকা জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা তারা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে তারা অবাক হয়েছেন।
কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু তার সম্পদ এভাবে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মত জঘন্য কাজ আর হতে পারে না। এতে নিঃশ্ব হয়ে গেছে কয়েকটি জেলে পরিবার। আমরা এদের ধিক্কার জানাই।
ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফ আলী সিকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১