
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৯:৫২
দাওয়াত কার্ড বিলি শেষ হয়েছিল। মঞ্চ নির্মাণের কাজও প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পথে ছিল। নেতাকর্মীদের মাঝে ছিল উচ্ছ্বাস আর উদ্দীপনা। দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পরে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্মেলন ঘিরে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল উৎসবের প্রাণচাঞ্চল্য। তবে সম্মেলনের মাত্র একদিন আগে আচমকা স্থগিত করা হয়েছে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ওই ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পরে শুক্রবার ১৯ সেপ্টেম্বর ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মূহুর্তে তা অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত করা হয়। বরিশাল-৩ আসনের (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী কেন্দ্রীয় দুই হেভিওয়েট নেতার দ্বন্দ্বের কারণেই শেষ মূহুর্তে এই সম্মেলন স্থগিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশেই সম্মেলন স্থগিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করলেও এর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি বিএনপির দলীয় হাইকমান্ড।
বিএনপির স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্মেলন আয়োজনের মূল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তিনি ওই সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন। তাকে প্রধান অতিথি করেই শুক্রবারের ওই উপজেলা বিএনপির সম্মেলনের দাওয়াত কার্ড বিলি করা হয়। এদিকে বিএনপির অপর একটি অংশের নেতৃত্ব দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারীদের অভিযোগ, তাদের কাউকেই রাখা হয়নি সম্মেলনের কোনো আয়োজনে। উপজেলা বিএনপির একটি বড় অংশকে উপেক্ষা করা হয়েছে। বিগত ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড সম্মেলনে গঠিত কমিটিতে জায়গা দেওয়া হয়নি দলের ত্যাগী এবং নির্যাতিত নেতাকর্মীদের। এমন অভিযোগ হাইকমান্ডে যাওয়ার পরেই দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে সম্মেলন স্থগিতের নির্দেশ আসে। সর্বশেষ ২০২৪ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। এতে জয়নুল আবেদীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ খানকে আহবায়ক এবং ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্সকে সদস্য সচিব করে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে আওয়ামী লীগ আমলের প্রায় পুরো সময়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার। তিনি বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তবে সেই কমিটিতেও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার বলেন, 'বিগত ১৭ বছর রাজপথে দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে হামলা-মামলা ও কারাবরণকারী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে বিভিন্ন দলের বিতর্কিত লোকজন নিয়ে ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন কমিটি করা হয়েছে। যেসব কমিটি বিলুপ্ত হয়েছিল সেই বিলুপ্ত কমিটিই পুনর্বহাল করে নিজেদের অনুগত লোকজন নিয়ে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব। ফলে দলের তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ এবং হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। নিরুপায় হয়ে তারা দলের হাইকমান্ডের কাছে এসব তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ জানায়।'
বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন বলেন, 'বিএনপির বর্তমান আহবায়ক এবং সদস্য সচিব নিজেদের কোরাম ভারী করতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাকর্মীদের এনে বিএনপিতে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ১৭ বছর লড়াই-সংগ্রাম করা বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নের পদ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নগুলোতে নিজেদের ইচ্ছামতো লোক এনে বসানো হয়েছে। বিএনপির দুঃসময়ে এদের কাউকে অতীতেও খুঁজে পাওয়া যায়নি আর ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে না।'
তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান। তিনি বলেন, 'উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের উপস্থিততে সম্মেলন করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব উপস্থিত ছিলেন। বরিশাল-৩ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক নেতা অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে জায়গা দেওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারীদের কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এমন অভিযোগও সত্য নয়। ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন কমিটিতে তাদের অনেকেই স্থান পেয়েছে। এখন কেউ যদি ইচ্ছা করে সম্মেলনে না আসে আর দূরে বসে দোষ খুঁজে বেড়ায়, তারা চাইলে অনেককিছুই বলতে পারে।'
আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান আরো বলেন, '১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম। এরপরে ২০১০ সালে ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিতে আমাকে এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম ফকিরকে সাধারণ সদস্য পদেও রাখা হয়নি। তবুও জেলা এবং উপজেলার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছি। আওয়ামী লীগের আমলে মহাসড়ক অবরোধের প্রথম নাশকতার মামলা আমার নামেই হয়েছে। আমি ২০১৮ সালে উপজেলা বিএনপির কমিটিতে সদস্য পদ ফিরে পাই এবং ২০২৩ সালে আহবায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করি। ২০২৪ সালে আমাকে আহবায়ক রেখেই আবার আহবায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। সম্মেলনের মাধ্যমে সবাইকে নিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ উপজেলা সম্মেলন করতে চেয়েছিলাম। তবে জেলার সদস্য সচিবের মাধ্যমে যতদূর জেনেছি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সরাসরি নির্দেশে সম্মেলন স্থগিত হয়েছে। শুধু বাবুগঞ্জ নয়, বরিশাল জেলার সব সম্মেলনই স্থগিত করা হয়েছে।'
বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন বলেন, 'রাজনৈতিক দলে দলীয় বিরোধ, মতভেদ আছে এবং থাকবে। এটা গণতন্ত্রের একটা অংশ। বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে। তিনি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে কমিটি নিয়ে কোনো বিভাজন কিংবা সংঘাত চান না।'
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সামনে জাতীয় নির্বাচন। তাই দল চায় না এই সময়ে স্থানীয় বিরোধ আরো বেড়ে যাক। সে কারণেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। সামনের নির্বাচন অনেক কঠিন হবে। এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কে কার লোক, সেটা নিয়ে বিভাজন করার সময় নয় এখন। সকল মতভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হবে।' #
বাবুগঞ্জে ১৯ সেপ্টেম্বর বিএনপির উপজেলা সম্মেলন উপলক্ষ্যে বিতরণ করা আমন্ত্রণ পত্র।
দাওয়াত কার্ড বিলি শেষ হয়েছিল। মঞ্চ নির্মাণের কাজও প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পথে ছিল। নেতাকর্মীদের মাঝে ছিল উচ্ছ্বাস আর উদ্দীপনা। দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পরে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্মেলন ঘিরে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল উৎসবের প্রাণচাঞ্চল্য। তবে সম্মেলনের মাত্র একদিন আগে আচমকা স্থগিত করা হয়েছে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ওই ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পরে শুক্রবার ১৯ সেপ্টেম্বর ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মূহুর্তে তা অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত করা হয়। বরিশাল-৩ আসনের (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী কেন্দ্রীয় দুই হেভিওয়েট নেতার দ্বন্দ্বের কারণেই শেষ মূহুর্তে এই সম্মেলন স্থগিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশেই সম্মেলন স্থগিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করলেও এর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি বিএনপির দলীয় হাইকমান্ড।
বিএনপির স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্মেলন আয়োজনের মূল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তিনি ওই সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন। তাকে প্রধান অতিথি করেই শুক্রবারের ওই উপজেলা বিএনপির সম্মেলনের দাওয়াত কার্ড বিলি করা হয়। এদিকে বিএনপির অপর একটি অংশের নেতৃত্ব দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারীদের অভিযোগ, তাদের কাউকেই রাখা হয়নি সম্মেলনের কোনো আয়োজনে। উপজেলা বিএনপির একটি বড় অংশকে উপেক্ষা করা হয়েছে। বিগত ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড সম্মেলনে গঠিত কমিটিতে জায়গা দেওয়া হয়নি দলের ত্যাগী এবং নির্যাতিত নেতাকর্মীদের। এমন অভিযোগ হাইকমান্ডে যাওয়ার পরেই দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে সম্মেলন স্থগিতের নির্দেশ আসে। সর্বশেষ ২০২৪ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। এতে জয়নুল আবেদীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ খানকে আহবায়ক এবং ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্সকে সদস্য সচিব করে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে আওয়ামী লীগ আমলের প্রায় পুরো সময়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার। তিনি বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তবে সেই কমিটিতেও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার বলেন, 'বিগত ১৭ বছর রাজপথে দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে হামলা-মামলা ও কারাবরণকারী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে বিভিন্ন দলের বিতর্কিত লোকজন নিয়ে ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন কমিটি করা হয়েছে। যেসব কমিটি বিলুপ্ত হয়েছিল সেই বিলুপ্ত কমিটিই পুনর্বহাল করে নিজেদের অনুগত লোকজন নিয়ে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব। ফলে দলের তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ এবং হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। নিরুপায় হয়ে তারা দলের হাইকমান্ডের কাছে এসব তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ জানায়।'
বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন বলেন, 'বিএনপির বর্তমান আহবায়ক এবং সদস্য সচিব নিজেদের কোরাম ভারী করতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাকর্মীদের এনে বিএনপিতে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ১৭ বছর লড়াই-সংগ্রাম করা বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নের পদ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নগুলোতে নিজেদের ইচ্ছামতো লোক এনে বসানো হয়েছে। বিএনপির দুঃসময়ে এদের কাউকে অতীতেও খুঁজে পাওয়া যায়নি আর ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে না।'
তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান। তিনি বলেন, 'উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের উপস্থিততে সম্মেলন করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব উপস্থিত ছিলেন। বরিশাল-৩ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক নেতা অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে জায়গা দেওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারীদের কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এমন অভিযোগও সত্য নয়। ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন কমিটিতে তাদের অনেকেই স্থান পেয়েছে। এখন কেউ যদি ইচ্ছা করে সম্মেলনে না আসে আর দূরে বসে দোষ খুঁজে বেড়ায়, তারা চাইলে অনেককিছুই বলতে পারে।'
আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান আরো বলেন, '১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম। এরপরে ২০১০ সালে ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিতে আমাকে এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম ফকিরকে সাধারণ সদস্য পদেও রাখা হয়নি। তবুও জেলা এবং উপজেলার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছি। আওয়ামী লীগের আমলে মহাসড়ক অবরোধের প্রথম নাশকতার মামলা আমার নামেই হয়েছে। আমি ২০১৮ সালে উপজেলা বিএনপির কমিটিতে সদস্য পদ ফিরে পাই এবং ২০২৩ সালে আহবায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করি। ২০২৪ সালে আমাকে আহবায়ক রেখেই আবার আহবায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। সম্মেলনের মাধ্যমে সবাইকে নিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ উপজেলা সম্মেলন করতে চেয়েছিলাম। তবে জেলার সদস্য সচিবের মাধ্যমে যতদূর জেনেছি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সরাসরি নির্দেশে সম্মেলন স্থগিত হয়েছে। শুধু বাবুগঞ্জ নয়, বরিশাল জেলার সব সম্মেলনই স্থগিত করা হয়েছে।'
বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন বলেন, 'রাজনৈতিক দলে দলীয় বিরোধ, মতভেদ আছে এবং থাকবে। এটা গণতন্ত্রের একটা অংশ। বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে। তিনি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে কমিটি নিয়ে কোনো বিভাজন কিংবা সংঘাত চান না।'
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সামনে জাতীয় নির্বাচন। তাই দল চায় না এই সময়ে স্থানীয় বিরোধ আরো বেড়ে যাক। সে কারণেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। সামনের নির্বাচন অনেক কঠিন হবে। এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কে কার লোক, সেটা নিয়ে বিভাজন করার সময় নয় এখন। সকল মতভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হবে।' #

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১