
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০০:৪৯
মাত্র ১ মিনিট দেরি করায় গণঅধিকার পরিষদের এক প্রার্থী জমা দিতে পারেননি মনোনয়নপত্র। আর ৫ মিনিট দেরি করে যাওয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি এবি পার্টির প্রার্থী। এ দুই প্রার্থী হলেন- পিরোজপুর-২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আনিসুর রহমান মুন্না এবং শেরপুর-২ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা।
মাত্র এক মিনিট দেরির কারণে পিরোজপুর-২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন আনিসুর রহমান মুন্না নামে এক প্রার্থী।
তিনি দাবি করেন, সময় শেষ হওয়ার আগেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মধ্যে থাকলেও মাত্র এক মিনিট দেরির কারণে তার মনোনয়নপত্র জমা নেননি রিটার্নিং অফিসার।
এর প্রতিবাদে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন আনিসুর রহমান মুন্না নামের ওই প্রার্থী। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টা থেকে তিনি নগরীর রাজা বাহাদুর সড়কে বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন।
ভুক্তভোগী গণঅধিকার পরিষদের পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আনিসুর রহমান মুন্না বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পৌঁছাতে দেরি হয়। তারপরও আমি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় বিকেল ৪টা ৪৬ মিনিটে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হই। কিন্তু গেটেই আমাকে আটকে দেওয়া হয়। গেটে অনুরোধ করার পরও তারা আমাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। এ সময় গেটে থাকা ব্যক্তি আমাকে প্রশ্ন করেন ‘এক মিনিট কেন দেরি হলো’ সেটা আগে বলেন।
আনিসুর রহমান মুন্না বলেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই একজন এডিসি আসেন। তাকে অনুরোধ করার পর তিনি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে জানাবেন বলে চলে যান। তিনি না আসায় জেলা প্রশাসককেই আমি ফোন করি। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় জেলা প্রশাসক আমার কোনো প্রকার কথা না শুনেই মুখের ওপর বলে দেন- ‘সময় শেষ আপনার মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া যাবে না।’
আনিস বলেন, বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনারকে জানালে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। তার কথা অনুযায়ী রাতে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনে সামনে এসে অবস্থান নিয়েছি।
এদিকে আধাঘণ্টা পর বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান নিজের বাসভবনের মধ্যে ডেকে নিয়ে যান আনিসুর রহমানকে। সেখানে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আবেদন করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমার মন্তব্য নেই। তবে এটুকুই বলব তিনি যে অভিযোগ করেছেন সেটা সঠিক নেয়। তাছাড়া তিনি কতটা দেরি করে এসেছেন সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন।’
পাঁচ মিনিটের জন্য কপাল পুড়লো বাদশা’র : নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পেরে অঝোরে কাঁদলেন শেরপুর-২ সংসদীয় আসনের এক প্রার্থী। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ওই ঘটনা ঘটে।
এই আসনটিতে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে নির্ধারিত সময়সীমা বিকেল ৫টা অতিক্রান্ত হওয়ায় মনোনয়ন জমা নেয়নি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রেজওয়ানা আফরিন। এতে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে সবার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
এ ব্যাপারে আব্দুল্লাহ বাদশা বলেন, ‘শেরপুর থেকে নালিতাবাড়ীতে আসার পথে গাড়ি সমস্যার কারণে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছতে পারিনি। আমি দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছি। জনগণের কাছাকাছি গিয়েছি। তবে আমি নির্বাচন করে সংসদে না যেতে পারলেও মানুষের পাশে থাকব।’
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রেজওয়ানা আফরিন বলেন, ‘নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। আব্দুল্লাহ বাদশা আমার কক্ষে প্রবেশ করেছেন পাঁচটা বেজে পাঁচ মিনিটে। তিনি পাঁচ মিনিট দেরি করে এসেছেন। তাই তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।’
মাত্র ১ মিনিট দেরি করায় গণঅধিকার পরিষদের এক প্রার্থী জমা দিতে পারেননি মনোনয়নপত্র। আর ৫ মিনিট দেরি করে যাওয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি এবি পার্টির প্রার্থী। এ দুই প্রার্থী হলেন- পিরোজপুর-২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আনিসুর রহমান মুন্না এবং শেরপুর-২ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা।
মাত্র এক মিনিট দেরির কারণে পিরোজপুর-২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন আনিসুর রহমান মুন্না নামে এক প্রার্থী।
তিনি দাবি করেন, সময় শেষ হওয়ার আগেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মধ্যে থাকলেও মাত্র এক মিনিট দেরির কারণে তার মনোনয়নপত্র জমা নেননি রিটার্নিং অফিসার।
এর প্রতিবাদে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন আনিসুর রহমান মুন্না নামের ওই প্রার্থী। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টা থেকে তিনি নগরীর রাজা বাহাদুর সড়কে বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন।
ভুক্তভোগী গণঅধিকার পরিষদের পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আনিসুর রহমান মুন্না বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পৌঁছাতে দেরি হয়। তারপরও আমি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় বিকেল ৪টা ৪৬ মিনিটে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হই। কিন্তু গেটেই আমাকে আটকে দেওয়া হয়। গেটে অনুরোধ করার পরও তারা আমাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। এ সময় গেটে থাকা ব্যক্তি আমাকে প্রশ্ন করেন ‘এক মিনিট কেন দেরি হলো’ সেটা আগে বলেন।
আনিসুর রহমান মুন্না বলেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই একজন এডিসি আসেন। তাকে অনুরোধ করার পর তিনি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে জানাবেন বলে চলে যান। তিনি না আসায় জেলা প্রশাসককেই আমি ফোন করি। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় জেলা প্রশাসক আমার কোনো প্রকার কথা না শুনেই মুখের ওপর বলে দেন- ‘সময় শেষ আপনার মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া যাবে না।’
আনিস বলেন, বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনারকে জানালে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। তার কথা অনুযায়ী রাতে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনে সামনে এসে অবস্থান নিয়েছি।
এদিকে আধাঘণ্টা পর বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান নিজের বাসভবনের মধ্যে ডেকে নিয়ে যান আনিসুর রহমানকে। সেখানে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আবেদন করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমার মন্তব্য নেই। তবে এটুকুই বলব তিনি যে অভিযোগ করেছেন সেটা সঠিক নেয়। তাছাড়া তিনি কতটা দেরি করে এসেছেন সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন।’
পাঁচ মিনিটের জন্য কপাল পুড়লো বাদশা’র : নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পেরে অঝোরে কাঁদলেন শেরপুর-২ সংসদীয় আসনের এক প্রার্থী। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ওই ঘটনা ঘটে।
এই আসনটিতে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে নির্ধারিত সময়সীমা বিকেল ৫টা অতিক্রান্ত হওয়ায় মনোনয়ন জমা নেয়নি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রেজওয়ানা আফরিন। এতে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে সবার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
এ ব্যাপারে আব্দুল্লাহ বাদশা বলেন, ‘শেরপুর থেকে নালিতাবাড়ীতে আসার পথে গাড়ি সমস্যার কারণে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছতে পারিনি। আমি দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছি। জনগণের কাছাকাছি গিয়েছি। তবে আমি নির্বাচন করে সংসদে না যেতে পারলেও মানুষের পাশে থাকব।’
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রেজওয়ানা আফরিন বলেন, ‘নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। আব্দুল্লাহ বাদশা আমার কক্ষে প্রবেশ করেছেন পাঁচটা বেজে পাঁচ মিনিটে। তিনি পাঁচ মিনিট দেরি করে এসেছেন। তাই তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১