
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৫
বরিশালে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
তিনি জানান, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বরিশালের ৬টি আসনের ১০টি উপজেলায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ৬টি আসনে ২২ হাজার ৭৬টি পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে গৌরনদীতে ৬২ দশমিক ১ শতাংশ, আগৈলঝাড়ায় ৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ, উজিরপুরে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ, বানারীপাড়ায় ৬০ শতাংশ, মুলাদীতে ৫১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, বাবুগঞ্জে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ, মেহেন্দিগঞ্জে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, হিজলায় ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বরিশাল সদরে ৪৮ শতাংশ ও বাকেরগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে রয়েছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও রয়েছে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছে। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা রয়েছে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ 'বানৌজা সালাম', যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশালে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
তিনি জানান, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বরিশালের ৬টি আসনের ১০টি উপজেলায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ৬টি আসনে ২২ হাজার ৭৬টি পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে গৌরনদীতে ৬২ দশমিক ১ শতাংশ, আগৈলঝাড়ায় ৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ, উজিরপুরে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ, বানারীপাড়ায় ৬০ শতাংশ, মুলাদীতে ৫১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, বাবুগঞ্জে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ, মেহেন্দিগঞ্জে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, হিজলায় ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বরিশাল সদরে ৪৮ শতাংশ ও বাকেরগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে রয়েছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও রয়েছে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছে। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা রয়েছে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ 'বানৌজা সালাম', যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস