
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৫
বরিশালে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
তিনি জানান, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বরিশালের ৬টি আসনের ১০টি উপজেলায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ৬টি আসনে ২২ হাজার ৭৬টি পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে গৌরনদীতে ৬২ দশমিক ১ শতাংশ, আগৈলঝাড়ায় ৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ, উজিরপুরে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ, বানারীপাড়ায় ৬০ শতাংশ, মুলাদীতে ৫১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, বাবুগঞ্জে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ, মেহেন্দিগঞ্জে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, হিজলায় ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বরিশাল সদরে ৪৮ শতাংশ ও বাকেরগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে রয়েছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও রয়েছে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছে। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা রয়েছে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ 'বানৌজা সালাম', যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশালে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
তিনি জানান, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বরিশালের ৬টি আসনের ১০টি উপজেলায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ৬টি আসনে ২২ হাজার ৭৬টি পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে গৌরনদীতে ৬২ দশমিক ১ শতাংশ, আগৈলঝাড়ায় ৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ, উজিরপুরে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ, বানারীপাড়ায় ৬০ শতাংশ, মুলাদীতে ৫১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, বাবুগঞ্জে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ, মেহেন্দিগঞ্জে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, হিজলায় ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বরিশাল সদরে ৪৮ শতাংশ ও বাকেরগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে রয়েছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও রয়েছে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছে। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা রয়েছে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ 'বানৌজা সালাম', যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:৫৬
বরিশাল-৫ (বরিশাল সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরওয়ার।
তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামি আন্দোলনের হাতপাখার প্রতীকের মুফতি ফয়জুল করিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট। মজিবর রহমান সরওয়ারকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
বরিশাল-৫ (বরিশাল সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরওয়ার।
তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামি আন্দোলনের হাতপাখার প্রতীকের মুফতি ফয়জুল করিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট। মজিবর রহমান সরওয়ারকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪৮
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনের বেসরকারি ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীদেরকে পিছনে ফেলেছেন।
শেষ ২৬টি কেন্দ্রে প্রাপ্ত ফলাফলে সরোয়ার পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৯২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ১৪,৯২৫ ভোট।
এর আগের আংশিক গণনায় সরোয়ার ৬ হাজার ৯০৫ ভোট এবং ফয়জুল করীম ৩ হাগার ৯৩৮ ভোট পেয়েছিলেন। তখন তাদের ব্যবধান ছিল ২ হাজার ৯৬৭ ভোট, যা গণনা অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তৃতীয় অবস্থানে আছেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সমর্থিত প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী, যিনি মই প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৬২২ ভোট, পূর্বের আংশিক গণনায় তার ভোট ছিল ৯৭৮।
বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৬৮,৫৬৯ জন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,৩৫,৬৪৯, নারী ভোটার ২,৩২,৯১৭ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।
ভোটগ্রহণ সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলেছে। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রগুলোতে গণনা শুরু হয় এবং সন্ধ্যার পর ধাপে ধাপে ফলাফল প্রকাশিত হতে থাকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনের বেসরকারি ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীদেরকে পিছনে ফেলেছেন।
শেষ ২৬টি কেন্দ্রে প্রাপ্ত ফলাফলে সরোয়ার পেয়েছেন ১৭ হাজার ৯৯২ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ১৪,৯২৫ ভোট।
এর আগের আংশিক গণনায় সরোয়ার ৬ হাজার ৯০৫ ভোট এবং ফয়জুল করীম ৩ হাগার ৯৩৮ ভোট পেয়েছিলেন। তখন তাদের ব্যবধান ছিল ২ হাজার ৯৬৭ ভোট, যা গণনা অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তৃতীয় অবস্থানে আছেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সমর্থিত প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী, যিনি মই প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৬২২ ভোট, পূর্বের আংশিক গণনায় তার ভোট ছিল ৯৭৮।
বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৬৮,৫৬৯ জন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,৩৫,৬৪৯, নারী ভোটার ২,৩২,৯১৭ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।
ভোটগ্রহণ সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলেছে। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রগুলোতে গণনা শুরু হয় এবং সন্ধ্যার পর ধাপে ধাপে ফলাফল প্রকাশিত হতে থাকে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৭
শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট প্রদান করছেন ভোটাররা। শুরুর দুই ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার খায়রুল আলম সুমন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দুর্গম এলাকায় একটু ভোটার উপস্থিতি কম। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত পরিবেশ ঠিক আছে। কোথাও কোনো সমস্যার কথা আমরা শুনিনি। দুই-এক জায়গায় ছোট ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান করা হচ্ছে। সব মিলে পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর।
শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট প্রদান করছেন ভোটাররা। শুরুর দুই ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার খায়রুল আলম সুমন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দুর্গম এলাকায় একটু ভোটার উপস্থিতি কম। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত পরিবেশ ঠিক আছে। কোথাও কোনো সমস্যার কথা আমরা শুনিনি। দুই-এক জায়গায় ছোট ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান করা হচ্ছে। সব মিলে পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.