
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৬
বহু অঘটন পটিয়াসী বরিশালের ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের পরিচালক জহিরুল ইসলামের এবার অর্থ আত্মসাতের একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। তার মালিকাধীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নামে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানপ্রধানের চৌর্যবৃত্তির এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ নার্সিং কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল শহরের সিঅ্যান্ডবি রোডস্থ প্রতিষ্ঠানটিতে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য উপাত্ত্ব মিডিয়ায় তুলে ধরেছে। এর কিছুদিন আগে জহিরুল ইসলামের অতীতের বেশকিছু নোংরা কাহিনী মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আয়েশা আক্তার নামের এক বিবাহিত তরুণীর সাথে হৃদয়ঘটিত সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করলে ওই নারীর স্বামী ঝালকাঠিতে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় জহির এবং তার নবাগত স্ত্রী আয়েশাকে অভিযুক্ত করে সাবেক স্বামী।
ঝালকাঠির সেই মামলার খবর পত্রিকায় প্রকাশ হলে জহির বরিশাল প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন এবং অনলাইন নিউজপোর্টাল বরিশালটাইমসের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামসহ বরিশাল-পটুয়াখালীর অন্তত ১৫ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। আলোচিত ওই মামলায় জহির তার বড় স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকেও অভিযুক্ত করেছেন। সেই বিতর্কের রেশ না কাটতেই এবার ডিডাব্লিউএফ প্রতিষ্ঠানপ্রধান জহিরুলের অর্থ কেলেংকারির বিষয়টি বেশ আলোচনায় আসল।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক প্রাক্টিসের জন্য তাদের কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা দাবি করে এই টাকা শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়।
অন্দোলনরত একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, পরিচালক জহিরুল ইসলামের অধীনে থাকা আনোয়ারা, রাজধানী ও পটুয়াখালীর জহির-মেহেরুন নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থী অন্তু বিশ্বাস বলেন, আমরা যখন প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি, তখন থিওরিক্যাল আলাপের পর আমাদের ক্লিনিক প্রাক্টিসে বের হতে হয়। তখন শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের ডেমো দেখিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের ব্যাচ থেকে ২৭ লক্ষ টাকা নিয়ে নেয়, এটা শুধু আমাদের কলেজ না বাকি কলেজের থেকেও নিয়েছে।
আরেক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলেন, আমাদের সবার কাছ থেকে ক্লিনিক প্রাক্টিস বাবদ ১২ হাজার টাকা নেয়। প্রথমে আন্দোলন করার পর বলছে ফেরত দিবে। আমরা যখন টাকা আনতে গেছি তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, এটা শেবাচিমে দিয়েছি।
বৃহস্পতিবার সকালে সিঅ্যান্ডবি রোডস্থ প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ করে অর্থ ফেরত চেয়েছে শিক্ষার্থীরা। তখন কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরতদের অবহিত করে, এই টাকা পুরোটা প্রশিক্ষণ বাবদ শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালককে দেওয়া হয়। এরপরে শিক্ষার্থীরা শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করেন। তখন পরিচালক ব্রি. জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনির সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং জানান, তিনি ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে শেবাচিমের দায়িত্বগ্রহণ করেছেন। সুতরাং তদন্ত না করে পূর্বের বিষয়টি নিয়ে কোনো কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ডিডাব্লিউএফ যে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জর্জরিত তা শিক্ষার্থীদের সাথে স্বল্প সময়ের আলোচনায় অনুমান করেন পরিচালক। এবং তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সাথে পূর্বের করা সকল চুক্তি বাতিল করার আশ্বাসও রাখেন।
প্রশিক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি তাকে একাধিকবার হোটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও তিনি তার কোনো উত্তর দেননি। ফলে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায় জহিরুল ইসলাম কত মস্তবড় টাউট বা প্রতারক।
বরগুনার আমতলীর বাসিন্দা জহিরুল এক সময় হেলথ কেয়ারের ওষুধ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে কয়েক বছরের মধ্যে তিনি ক্রোড়পতি বনে যান। এবং বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় একাধিক নার্সিং কলেজ গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক আইন অমান্য করে একটি ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন।
জহিরের এই অর্থ বাণিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ অধ্যক্ষ বাসন্তী রাণী সাংবাদিকদের বলছেন, পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ইতিপূর্বে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। এবং পরক্ষণে তারা দলবেধে শেবাচিম পরিচালকের কাছে গেছে। সেখান থেকে ফেরার পরেও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়েছে। আশা করা যায়, শিগগিরই বিষয়টি মীমাংসা হবে।
বরিশালের বেসরকারি নার্সিং কলেজের এই অনিয়ম-দুর্নীতির জানতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বরিশালের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।’
বহু অঘটন পটিয়াসী বরিশালের ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের পরিচালক জহিরুল ইসলামের এবার অর্থ আত্মসাতের একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। তার মালিকাধীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নামে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানপ্রধানের চৌর্যবৃত্তির এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ নার্সিং কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল শহরের সিঅ্যান্ডবি রোডস্থ প্রতিষ্ঠানটিতে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য উপাত্ত্ব মিডিয়ায় তুলে ধরেছে। এর কিছুদিন আগে জহিরুল ইসলামের অতীতের বেশকিছু নোংরা কাহিনী মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আয়েশা আক্তার নামের এক বিবাহিত তরুণীর সাথে হৃদয়ঘটিত সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করলে ওই নারীর স্বামী ঝালকাঠিতে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় জহির এবং তার নবাগত স্ত্রী আয়েশাকে অভিযুক্ত করে সাবেক স্বামী।
ঝালকাঠির সেই মামলার খবর পত্রিকায় প্রকাশ হলে জহির বরিশাল প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন এবং অনলাইন নিউজপোর্টাল বরিশালটাইমসের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামসহ বরিশাল-পটুয়াখালীর অন্তত ১৫ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। আলোচিত ওই মামলায় জহির তার বড় স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকেও অভিযুক্ত করেছেন। সেই বিতর্কের রেশ না কাটতেই এবার ডিডাব্লিউএফ প্রতিষ্ঠানপ্রধান জহিরুলের অর্থ কেলেংকারির বিষয়টি বেশ আলোচনায় আসল।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক প্রাক্টিসের জন্য তাদের কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা দাবি করে এই টাকা শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়।
অন্দোলনরত একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, পরিচালক জহিরুল ইসলামের অধীনে থাকা আনোয়ারা, রাজধানী ও পটুয়াখালীর জহির-মেহেরুন নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থী অন্তু বিশ্বাস বলেন, আমরা যখন প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি, তখন থিওরিক্যাল আলাপের পর আমাদের ক্লিনিক প্রাক্টিসে বের হতে হয়। তখন শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের ডেমো দেখিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের ব্যাচ থেকে ২৭ লক্ষ টাকা নিয়ে নেয়, এটা শুধু আমাদের কলেজ না বাকি কলেজের থেকেও নিয়েছে।
আরেক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলেন, আমাদের সবার কাছ থেকে ক্লিনিক প্রাক্টিস বাবদ ১২ হাজার টাকা নেয়। প্রথমে আন্দোলন করার পর বলছে ফেরত দিবে। আমরা যখন টাকা আনতে গেছি তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, এটা শেবাচিমে দিয়েছি।
বৃহস্পতিবার সকালে সিঅ্যান্ডবি রোডস্থ প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ করে অর্থ ফেরত চেয়েছে শিক্ষার্থীরা। তখন কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরতদের অবহিত করে, এই টাকা পুরোটা প্রশিক্ষণ বাবদ শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালককে দেওয়া হয়। এরপরে শিক্ষার্থীরা শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করেন। তখন পরিচালক ব্রি. জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনির সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং জানান, তিনি ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে শেবাচিমের দায়িত্বগ্রহণ করেছেন। সুতরাং তদন্ত না করে পূর্বের বিষয়টি নিয়ে কোনো কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ডিডাব্লিউএফ যে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জর্জরিত তা শিক্ষার্থীদের সাথে স্বল্প সময়ের আলোচনায় অনুমান করেন পরিচালক। এবং তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সাথে পূর্বের করা সকল চুক্তি বাতিল করার আশ্বাসও রাখেন।
প্রশিক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি তাকে একাধিকবার হোটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও তিনি তার কোনো উত্তর দেননি। ফলে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায় জহিরুল ইসলাম কত মস্তবড় টাউট বা প্রতারক।
বরগুনার আমতলীর বাসিন্দা জহিরুল এক সময় হেলথ কেয়ারের ওষুধ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে কয়েক বছরের মধ্যে তিনি ক্রোড়পতি বনে যান। এবং বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় একাধিক নার্সিং কলেজ গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক আইন অমান্য করে একটি ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন।
জহিরের এই অর্থ বাণিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ অধ্যক্ষ বাসন্তী রাণী সাংবাদিকদের বলছেন, পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ইতিপূর্বে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। এবং পরক্ষণে তারা দলবেধে শেবাচিম পরিচালকের কাছে গেছে। সেখান থেকে ফেরার পরেও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়েছে। আশা করা যায়, শিগগিরই বিষয়টি মীমাংসা হবে।
বরিশালের বেসরকারি নার্সিং কলেজের এই অনিয়ম-দুর্নীতির জানতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বরিশালের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.