
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৯
বরিশাল নদীবন্দরের অপর পাড়ের চরকাউয়া ইউনিয়নে দীর্ঘদিন অনাবাদী পড়ে থাকা আড়াই হাজার একর কৃষিজমি পুনরায় চাষাবাদের আওতায় আনতে খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন। সাংবাদিকদের প্রতিবেদনের পর উদ্যোগটি দ্রæত বাস্তবায়ন করা হয়। এর আগে বিষয়টি আমলে নিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেছিলেন সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন জলাবদ্ধতা নিরসন ও খালে পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে বিএডিসির খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। বরিশাল-ভোলা-ঝালকাঠি-পিরোজপুর অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের বিলের পোল এলাকা থেকে নাপিতবাড়ি পর্যন্ত কৃষিজমির মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া দুই কিলোমিটার ‘স্বনির্ভর খাল’ পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ১২ বছর আগে ভেঙে পড়া কালভার্ট পুনর্নির্মাণ কার্যক্রমও শুরু হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের মাত্র দুই মাসের মধ্যে খাল খনন ও কালভার্ট পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
স্থানীয় কৃষক আব্দুস সালাম মিয়া জানান, সদর উপজেলার দিনার, নয়ানি, চর আইচা ও পূর্ব চরকাউয়াসহ চার-পাঁচটি গ্রামের দুই হাজারের বেশি কৃষক বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। তিনি বলেন, “মীরাবাড়ী সড়কের ভাঙা কালভার্টটি পুনর্র্নিমাণ ও খাল খননের ফলে সেচ সুবিধা বাড়বে। বাড়তি মাটি দিয়ে সড়ক সংস্কারও করা হবে; এতে কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।”
কৃষক আজাহার বলেন, “১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খালটি খনন করেছিলেন। পুনঃখননের ফলে অনাবাদী জমি আবারও কৃষির আওতায় ফিরে আসবে।”
জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, “বরিশাল অঞ্চলে ভরাট হয়ে যাওয়া সব খাল পর্যায়ক্রমে খনন করা হবে। খাল খননে জলাবদ্ধতা কমবে, সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কৃষকরা উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে লাভবান হবেন।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লুসিকান্ত হাজং, বিএডিসির পিডি ওয়াহিদ মুরাদ, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম, এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী আল ইমরান, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী রাশেদ খান, বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী আতায়ে রাব্বি, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উত্তম ভৌমিক ও বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।
বিএডিসির বরিশাল জেলা কার্যালয় সূত্র জানায়, দুই কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি ৩০ ফুট চওড়া ও ৯ ফুট গভীর করে খনন করা হবে। একইসঙ্গে সড়কে নতুন কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। এর ফলে আড়াই হাজার একর কৃষিজমি জলাবদ্ধতা থেকে পরোক্ষভাবে মুক্তি পাবে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়াতে ৬৫ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। চলতি বছর আরও ৩০ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য রয়েছে। এতে ৩০ হাজার হেক্টর জমি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হবে।
বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদ মুরাদ জানান, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০০ কিলোমিটার খাল খননের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বরিশাল অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদন সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়বে।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উত্তম ভৌমিক জানান, জলাবদ্ধতা নিরসন হলে শুধু চরকাউয়া ইউনিয়নেই বছরে প্রায় দুই কোটি টাকার ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে।’
বরিশাল নদীবন্দরের অপর পাড়ের চরকাউয়া ইউনিয়নে দীর্ঘদিন অনাবাদী পড়ে থাকা আড়াই হাজার একর কৃষিজমি পুনরায় চাষাবাদের আওতায় আনতে খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন। সাংবাদিকদের প্রতিবেদনের পর উদ্যোগটি দ্রæত বাস্তবায়ন করা হয়। এর আগে বিষয়টি আমলে নিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেছিলেন সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন জলাবদ্ধতা নিরসন ও খালে পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে বিএডিসির খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। বরিশাল-ভোলা-ঝালকাঠি-পিরোজপুর অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের বিলের পোল এলাকা থেকে নাপিতবাড়ি পর্যন্ত কৃষিজমির মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া দুই কিলোমিটার ‘স্বনির্ভর খাল’ পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ১২ বছর আগে ভেঙে পড়া কালভার্ট পুনর্নির্মাণ কার্যক্রমও শুরু হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের মাত্র দুই মাসের মধ্যে খাল খনন ও কালভার্ট পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
স্থানীয় কৃষক আব্দুস সালাম মিয়া জানান, সদর উপজেলার দিনার, নয়ানি, চর আইচা ও পূর্ব চরকাউয়াসহ চার-পাঁচটি গ্রামের দুই হাজারের বেশি কৃষক বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। তিনি বলেন, “মীরাবাড়ী সড়কের ভাঙা কালভার্টটি পুনর্র্নিমাণ ও খাল খননের ফলে সেচ সুবিধা বাড়বে। বাড়তি মাটি দিয়ে সড়ক সংস্কারও করা হবে; এতে কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।”
কৃষক আজাহার বলেন, “১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খালটি খনন করেছিলেন। পুনঃখননের ফলে অনাবাদী জমি আবারও কৃষির আওতায় ফিরে আসবে।”
জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, “বরিশাল অঞ্চলে ভরাট হয়ে যাওয়া সব খাল পর্যায়ক্রমে খনন করা হবে। খাল খননে জলাবদ্ধতা কমবে, সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কৃষকরা উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে লাভবান হবেন।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লুসিকান্ত হাজং, বিএডিসির পিডি ওয়াহিদ মুরাদ, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম, এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী আল ইমরান, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী রাশেদ খান, বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী আতায়ে রাব্বি, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উত্তম ভৌমিক ও বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।
বিএডিসির বরিশাল জেলা কার্যালয় সূত্র জানায়, দুই কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি ৩০ ফুট চওড়া ও ৯ ফুট গভীর করে খনন করা হবে। একইসঙ্গে সড়কে নতুন কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। এর ফলে আড়াই হাজার একর কৃষিজমি জলাবদ্ধতা থেকে পরোক্ষভাবে মুক্তি পাবে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়াতে ৬৫ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। চলতি বছর আরও ৩০ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য রয়েছে। এতে ৩০ হাজার হেক্টর জমি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হবে।
বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদ মুরাদ জানান, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০০ কিলোমিটার খাল খননের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বরিশাল অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদন সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়বে।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উত্তম ভৌমিক জানান, জলাবদ্ধতা নিরসন হলে শুধু চরকাউয়া ইউনিয়নেই বছরে প্রায় দুই কোটি টাকার ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে।’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১