Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪৯
বিএনপি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ। যিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সদ্য সাবেক সভাপতি। রোববার (১৩ জুলাই) ড্যাব বরিশালের উদ্যোগে ডা. মো. কবিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং ডা. ইমতিয়াজ হোসেন সাজিদের সঞ্চালনায় ড্যাবের চিকিৎসকদের এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. হারুন আল রশিদ এসব কথা বলেন। বরিশাল শহরের সেলিব্রেশন পয়েন্টে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যাপক হারুন আল রশিদ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ যেন ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাটা এখন আমাদের অন্যতম কর্তব্য। বর্তমানে একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। এ অপশক্তি কে রুখতে হবে। অন্যদিকে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শক্তির প্রেতাত্মারা নানা ছলচাতুরি করে আবারও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে কোণঠাসা করতে চাইছে, কিন্তু ঐক্যবদ্ধ জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক সমাজ তা সফল হতে দেবে না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। যার বর্তমানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি ও তারেক রহমানের জনপ্রিয়তার জন্যই একটি গোষ্ঠী বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে কোনো অপপ্রচারে কাজ হবে না। দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে।
এতে আরও অংশ নেন শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ড্যাবের সভাপতি ডা. মো. নজরুল ইসলাম সেলিম, ড্যাবের সদ্য বিদায়ী সহসভাপতি ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম, ডা. মোস্তাক রহিম স্বপ্নন, সদ্য সাবেক সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ডা. মো. মেহেদী হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সায়ীদ মেহবুব উল কাদির, ড্যাব নেতা ডা. শহিদুল হক রাহাত, ডা. মো. ফারুক আহমেদ, ডা. শাওন বিন রহমান, ডা. বাসেদুর রহমান সোহেল, ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল, ডা. আবু মোনায়েম সাদ, অধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দ জাহেদ হোসেন, ডা. মনিরুজ্জামান শাহিন, ডা. কামরুদদোজা হাফিজুল্লাহ, ডা. শিহাব উদ্দিন শিহাব, ডা. মঞ্জুর রশীদ, ডা. গোলাম মোর্শেদ সজিব, ডা. হাসিবুর রহমান, ডা. আশফাক আজিজ, সাদবিন নেওয়াজ, ডা. আনিসুর রহমান, ডা. মেহেদী আহমেদ খান, ডা. শেখ মাহবুব, ডা. মোতাহার হোসেন এবং ডা. নয়নসহ বরিশাল বিভাগের প্রায় দুই শতাধিক চিকিৎসক।
ডা. একরামুল রেজা টিপু ও ডা. শাহরিয়ার মো. কবির হোসেন পল্লবের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ডা. মো. ওয়াসিম, ডা. নুরুন্নবী শাহ, ডা. সাইফ উদ্দিন নিসার আহমেদ তুষান, ডা. তৌহিদ উল ইসলাম জন, ডা. এবিএম ছফিউল্লাহ, ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ডা. হারুন উর রশীদ খান রাকিব, ডা. এসএম আতিকুর রহমান, ডা. আবুল হাসান, ডা. জাহিদুল কবির, ডা. আশরাফুল আলম খান প্রমুখ।
বিএনপি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ। যিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সদ্য সাবেক সভাপতি। রোববার (১৩ জুলাই) ড্যাব বরিশালের উদ্যোগে ডা. মো. কবিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং ডা. ইমতিয়াজ হোসেন সাজিদের সঞ্চালনায় ড্যাবের চিকিৎসকদের এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. হারুন আল রশিদ এসব কথা বলেন। বরিশাল শহরের সেলিব্রেশন পয়েন্টে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যাপক হারুন আল রশিদ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ যেন ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাটা এখন আমাদের অন্যতম কর্তব্য। বর্তমানে একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। এ অপশক্তি কে রুখতে হবে। অন্যদিকে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শক্তির প্রেতাত্মারা নানা ছলচাতুরি করে আবারও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে কোণঠাসা করতে চাইছে, কিন্তু ঐক্যবদ্ধ জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক সমাজ তা সফল হতে দেবে না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। যার বর্তমানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি ও তারেক রহমানের জনপ্রিয়তার জন্যই একটি গোষ্ঠী বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে কোনো অপপ্রচারে কাজ হবে না। দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে।
এতে আরও অংশ নেন শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ড্যাবের সভাপতি ডা. মো. নজরুল ইসলাম সেলিম, ড্যাবের সদ্য বিদায়ী সহসভাপতি ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম, ডা. মোস্তাক রহিম স্বপ্নন, সদ্য সাবেক সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ডা. মো. মেহেদী হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সায়ীদ মেহবুব উল কাদির, ড্যাব নেতা ডা. শহিদুল হক রাহাত, ডা. মো. ফারুক আহমেদ, ডা. শাওন বিন রহমান, ডা. বাসেদুর রহমান সোহেল, ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল, ডা. আবু মোনায়েম সাদ, অধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দ জাহেদ হোসেন, ডা. মনিরুজ্জামান শাহিন, ডা. কামরুদদোজা হাফিজুল্লাহ, ডা. শিহাব উদ্দিন শিহাব, ডা. মঞ্জুর রশীদ, ডা. গোলাম মোর্শেদ সজিব, ডা. হাসিবুর রহমান, ডা. আশফাক আজিজ, সাদবিন নেওয়াজ, ডা. আনিসুর রহমান, ডা. মেহেদী আহমেদ খান, ডা. শেখ মাহবুব, ডা. মোতাহার হোসেন এবং ডা. নয়নসহ বরিশাল বিভাগের প্রায় দুই শতাধিক চিকিৎসক।
ডা. একরামুল রেজা টিপু ও ডা. শাহরিয়ার মো. কবির হোসেন পল্লবের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ডা. মো. ওয়াসিম, ডা. নুরুন্নবী শাহ, ডা. সাইফ উদ্দিন নিসার আহমেদ তুষান, ডা. তৌহিদ উল ইসলাম জন, ডা. এবিএম ছফিউল্লাহ, ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ডা. হারুন উর রশীদ খান রাকিব, ডা. এসএম আতিকুর রহমান, ডা. আবুল হাসান, ডা. জাহিদুল কবির, ডা. আশরাফুল আলম খান প্রমুখ।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০১
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০