Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৪ জুলাই, ২০২৫ ০০:০৩
বরগুনায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে সাবেক এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুসহ আওয়ামী লীগের ২৩১ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বরগুনার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান মামলাটি গ্রহণ করে বরগুনা থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলাটি করেন বরগুনা জেলা বিএনপির সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য এডভোকেট মো. শহীদুল ইসলাম।
আদালতে দেওয়া অভিযোগে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৩০ মে বিকেল ৩টার দিকে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৩১ জন নেতাকর্মী বিএনপির জেলা কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এ সময় তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি ভেঙে ফেলেন।
বাদীর দাবি, সরকারদলীয়দের ভয়ে তিনি এতদিন মামলা করতে পারেননি। তবে এখন প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ হওয়া জরুরি।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুকে। ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে বরগুনা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন সাবুকে এবং ৩ নম্বরে আছেন ফুলঝুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার কবির।
তালিকায় আরও আছেন বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন, সদ্য সাবেক নারী এমপি সুলতানা নাদিরা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনির, বরগুনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ ওয়ালি অলি, বরগুনা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আখতারুজ্জামান বাহাদুরসহ মোট ২৩১ জন।
তবে মামলার বিষয়ে বরগুনা বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘আমাদের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় আগেও একটি মামলা হয়েছিল। সেদিন আমার মেয়ে মারা যাওয়ায় বিষয়টি আমি জানতাম না। আজকের মামলার ব্যাপারেও আমি কিছু জানি না।’
এদিকে, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বরগুনা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াসি মতিন বলেন, ‘আমি শুনেছি অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম মামলা করেছেন। বিষয়টি আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে করা হয়নি। আমরা শিগগিরই ফোরামের সভা ডেকে আলোচনা করব।’
একই ঘটনার জন্য ২০২৩ সালের ১৭ মার্চ তারিখ দেখিয়ে বরগুনার বাসিন্দা এসএম নঈমুল ইসলামও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১৫৮ জন আওয়ামী লীগ নেতা, আইনজীবী ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।
বরগুনায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে সাবেক এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুসহ আওয়ামী লীগের ২৩১ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বরগুনার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান মামলাটি গ্রহণ করে বরগুনা থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলাটি করেন বরগুনা জেলা বিএনপির সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য এডভোকেট মো. শহীদুল ইসলাম।
আদালতে দেওয়া অভিযোগে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৩০ মে বিকেল ৩টার দিকে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৩১ জন নেতাকর্মী বিএনপির জেলা কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এ সময় তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি ভেঙে ফেলেন।
বাদীর দাবি, সরকারদলীয়দের ভয়ে তিনি এতদিন মামলা করতে পারেননি। তবে এখন প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ হওয়া জরুরি।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুকে। ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে বরগুনা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন সাবুকে এবং ৩ নম্বরে আছেন ফুলঝুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার কবির।
তালিকায় আরও আছেন বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন, সদ্য সাবেক নারী এমপি সুলতানা নাদিরা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনির, বরগুনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ ওয়ালি অলি, বরগুনা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আখতারুজ্জামান বাহাদুরসহ মোট ২৩১ জন।
তবে মামলার বিষয়ে বরগুনা বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘আমাদের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় আগেও একটি মামলা হয়েছিল। সেদিন আমার মেয়ে মারা যাওয়ায় বিষয়টি আমি জানতাম না। আজকের মামলার ব্যাপারেও আমি কিছু জানি না।’
এদিকে, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বরগুনা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াসি মতিন বলেন, ‘আমি শুনেছি অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম মামলা করেছেন। বিষয়টি আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে করা হয়নি। আমরা শিগগিরই ফোরামের সভা ডেকে আলোচনা করব।’
একই ঘটনার জন্য ২০২৩ সালের ১৭ মার্চ তারিখ দেখিয়ে বরগুনার বাসিন্দা এসএম নঈমুল ইসলামও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১৫৮ জন আওয়ামী লীগ নেতা, আইনজীবী ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৭
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯