
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:২২
প্রয়াত আর জেলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ বরিশালে মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ডখ্যাত ছাত্রশক্তির নেতা মারজুক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ। রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ। পটুয়াখালীর দুমকি থানায় ডাকাতি চেষ্টার মামলায় মারজুক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মারজুকের সর্বশেষ মিথ্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম থাকা বেশ কয়েকজনের কাছে এরই মধ্যে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার শর্তে ওই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া এ মিথ্যা মামলার আসামির তালিকায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার নামও ঢোকানো হয়েছে। অথচ মামলার অভিযোগে আসামির তালিকায় থাকা ২৪৮ জনের সবাইকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ।
[এই সংবাদটি আজ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে বরিশাল ব্যুরো চিফ সিনিয়র সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহীনের নামে প্রকাশ পেয়েছে]
জুলাই বিপ্লবের পর বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতা হিসাবে পরিচিতি পান মারজুক। ঝিনাইদহের বাসিন্দা মারজুকের নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তিনি বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকছেন। ৫ আগস্টের পর মারজুক প্রথম সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের ২৪৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। জুলাই আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর, গুলি আর মারধরের অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলা দিয়েই বরিশালে প্রথমবার মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বহুজনের কাছ থেকে তখন তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মামলা বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে সেসময় দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক আরও একটি মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা করেছিলেন মারজুক। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত করা হলে জেলা সমন্বয়কের পদ হারান মারজুক। পরবর্তী সময়ে এনসিপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তি গঠিত হলে তাকে বরিশাল মহানগর কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক করা হয়। নতুন এ পরিচয়ে আবারও তিনি নগরীতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় নামেন। ঘোষণা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার। পরে অবশ্য ছাত্রশক্তির কমিটি বাতিল করে কেন্দ্র।
দলীয় কোন পদ-পদবিতে না থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন আরেকটি মামলার আবেদন করেন মারজুক। এবার তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে বেশকিছু মিথ্যা অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড না করে তদন্তের জন্য বরিশালের উপপুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব দেন আদালত। মারজুকের নতুন এ মামলার খবর জানাজানি হওয়ার পর বরিশালে তোলপাড় শুরু হয়। কেননা এতে কবরে ও জেলে থাকা এইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বোমা ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ। ৮ আসামির নাম দুবার করে লেখা হয়েছে তালিকায়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তালিকায় ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এর আগেও এই ছেলে এরকম মামলা বাণিজ্য করেছে। নতুন করে আবার এ মামলা দেওয়ার পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। মামলায় বিএনপির লোকজনের নাম দেওয়াটাই তো সন্দেহ আর উদ্বেগজনক।’
এদিকে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি চেষ্টার মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের ৬ জুন পটুয়াখালীর পায়রা ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি চেষ্টার অভিযোগে ওই মামলা করেছিল দুমকি থানা পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের খাতায় পলাতক আসামি হয়েও মারজুক কী করে প্রায় ১ বছর ধরে বরিশালে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাই এখন প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘আমি যেহেতু এখানে নতুন এসেছি, তাই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে ওয়ারেন্টের কপি হাতে পেয়েছি। এখন তার (মারজুক আব্দুল্লাহ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগটি তদন্তে আছে, তাই এটি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে এমনিতেই আদালত তা খারিজ করে দেবেন।’
প্রয়াত আর জেলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ বরিশালে মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ডখ্যাত ছাত্রশক্তির নেতা মারজুক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ। রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ। পটুয়াখালীর দুমকি থানায় ডাকাতি চেষ্টার মামলায় মারজুক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মারজুকের সর্বশেষ মিথ্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম থাকা বেশ কয়েকজনের কাছে এরই মধ্যে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার শর্তে ওই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া এ মিথ্যা মামলার আসামির তালিকায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার নামও ঢোকানো হয়েছে। অথচ মামলার অভিযোগে আসামির তালিকায় থাকা ২৪৮ জনের সবাইকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ করেছেন মারজুক আব্দুল্লাহ।
[এই সংবাদটি আজ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে বরিশাল ব্যুরো চিফ সিনিয়র সাংবাদিক আকতার ফারুক শাহীনের নামে প্রকাশ পেয়েছে]
জুলাই বিপ্লবের পর বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতা হিসাবে পরিচিতি পান মারজুক। ঝিনাইদহের বাসিন্দা মারজুকের নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তিনি বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকছেন। ৫ আগস্টের পর মারজুক প্রথম সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের ২৪৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। জুলাই আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর, গুলি আর মারধরের অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলা দিয়েই বরিশালে প্রথমবার মামলা বাণিজ্যের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে বহুজনের কাছ থেকে তখন তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। মামলা বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে সেসময় দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক আরও একটি মামলা বাণিজ্যের চেষ্টা করেছিলেন মারজুক। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিলুপ্ত করা হলে জেলা সমন্বয়কের পদ হারান মারজুক। পরবর্তী সময়ে এনসিপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তি গঠিত হলে তাকে বরিশাল মহানগর কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক করা হয়। নতুন এ পরিচয়ে আবারও তিনি নগরীতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় নামেন। ঘোষণা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার। পরে অবশ্য ছাত্রশক্তির কমিটি বাতিল করে কেন্দ্র।
দলীয় কোন পদ-পদবিতে না থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন আরেকটি মামলার আবেদন করেন মারজুক। এবার তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ২৪৮ জনের বিরুদ্ধে বেশকিছু মিথ্যা অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড না করে তদন্তের জন্য বরিশালের উপপুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব দেন আদালত। মারজুকের নতুন এ মামলার খবর জানাজানি হওয়ার পর বরিশালে তোলপাড় শুরু হয়। কেননা এতে কবরে ও জেলে থাকা এইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা হয়েছে বোমা ও ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ। ৮ আসামির নাম দুবার করে লেখা হয়েছে তালিকায়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তালিকায় ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এর আগেও এই ছেলে এরকম মামলা বাণিজ্য করেছে। নতুন করে আবার এ মামলা দেওয়ার পেছনেও নিশ্চয়ই কোনো খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে। মামলায় বিএনপির লোকজনের নাম দেওয়াটাই তো সন্দেহ আর উদ্বেগজনক।’
এদিকে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি চেষ্টার মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের ৬ জুন পটুয়াখালীর পায়রা ব্রিজ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি চেষ্টার অভিযোগে ওই মামলা করেছিল দুমকি থানা পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেলেও মারজুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের খাতায় পলাতক আসামি হয়েও মারজুক কী করে প্রায় ১ বছর ধরে বরিশালে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাই এখন প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে বরিশালের পুলিশ কমিশনার আশিক সাঈদ বলেন, ‘আমি যেহেতু এখানে নতুন এসেছি, তাই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে ওয়ারেন্টের কপি হাতে পেয়েছি। এখন তার (মারজুক আব্দুল্লাহ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগটি তদন্তে আছে, তাই এটি নিয়ে টেনশনের কিছু নেই। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে এমনিতেই আদালত তা খারিজ করে দেবেন।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৯

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১
বরিশাল শহরে ৫০ বছর বয়সি জনৈক বৃদ্ধা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নগরের আমিরকুটির এলাকার ফাতেমা মঞ্জিলের ভাড়াটিয়া সালেহা বেগম শনিবার দুপুরে ফ্ল্যাট বাসার দরজা আটকে গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এবং সিআইডির টিম আলামত সংগ্রহ করেছে।
সালেহা বেগমের ছেলে আইনজীবী লতিফ সিকদার জানান, রোববার সকালে তিনি আদালতে যান এবং তার স্ত্রী বাচ্চা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলেন। স্কুল ছুটির পরে সন্তান নিয়ে বাসায় ফিরে দেখতে পান দরজা ভেতর থেকে লক করা আছে। এবং অনেক ডাকাডাকির পরেও শ্বাশুড়ি কোনো সাড়া দিচ্ছেন না। পরে সে (স্ত্রী) আমাকে ফোন দিয়ে বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে দেখি আমার মা ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন।
ছেলে লতিফের দাবি তার মা শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, কিছুদিন পূর্বে তার পেটে অস্ত্রপচার হয়। কিন্তু তার শারীরিকভাবে উন্নতি হয়নি, অসহ্য যন্ত্রণার কারণে নিজেকে সামলাতে পারছিলেন না। এর আগেও ২/৩ বার তিনি আত্মহত্যা গিয়েছিলেন, তবে ব্যর্থ হয়েছেন। আজ বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, দাবি লতিফের।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনজীবী ছেলে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দাবি করেছেন। তারপরেও পুলিশ এবং সিআইডি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)।
তিনি বলেছেন, চব্বিশের এই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে হুমকির মুখে রেখেও রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। চব্বিশের এই দিনেও বাইতুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে আমি ও আমার যুবকর্মীরা ছিলাম। আমাদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী। আমি ও আমার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলেই সেদিন গুলির মুখে লড়াই করেছি। আমি সেদিনই বলেছিলাম, যত শক্তিশালীই হোক, ফ্যাসিবাদের পতন হবেই ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হয় নাই। শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে চেতনায় জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের প্রতিটি অভ্যুত্থান, সংগ্রামের পরেই দেশ এমন শক্তির হাতে গিয়েছে, যাদের কাছে ইসলাম, দেশ ও মানবতা নিরাপদ নয়। শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো ভুল বারবার করার কারণেই জাতির ভাগ্যে বারবার এমন হতাশা নেমে আসে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে কাজ করতে হবে। কারণ, ইসলামি শরিয়াহর শাসনই প্রকৃত আদর্শ শাসন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১৯ জুলাই ২০২৪ তথা আজকের এই দিনে ঢাকায় চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে আয়োজিত যুব আন্দোলনের সমাবেশে এবং মিছিলে পুলিশ মুহুর্মুহু গুলি করে শতাধিক যুবনেতাকে আহত করে। জুলাই অভ্যুত্থানে চরমোনাই পীর দলীয় প্রধান হিসেবে যেভাবে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায়নি। কিন্তু অনেক দলের মধ্যে আজ জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নিয়ে টানাটানি ও সুবিধা গ্রহণের প্রতিযোগিতা দেখা যায়, যা লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির সময় এনসিপি অনেক বিষয়ে বিএনপির পক্ষ নেওয়ায় অনেক প্রস্তাবই চূড়ান্ত করা যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় এনসিপি আবার বিএনপিবিরোধী শিবিরে যুক্ত হয়েছে। যা প্রমাণ করে, জুলাইপরবর্তী নির্বাচনে পাতানো খেলা হয়েছে।
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব ও অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, ইসলামী যুব অন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাদিম হাসান এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)।
তিনি বলেছেন, চব্বিশের এই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে হুমকির মুখে রেখেও রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। চব্বিশের এই দিনেও বাইতুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে আমি ও আমার যুবকর্মীরা ছিলাম। আমাদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী। আমি ও আমার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলেই সেদিন গুলির মুখে লড়াই করেছি। আমি সেদিনই বলেছিলাম, যত শক্তিশালীই হোক, ফ্যাসিবাদের পতন হবেই ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হয় নাই। শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে চেতনায় জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের প্রতিটি অভ্যুত্থান, সংগ্রামের পরেই দেশ এমন শক্তির হাতে গিয়েছে, যাদের কাছে ইসলাম, দেশ ও মানবতা নিরাপদ নয়। শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো ভুল বারবার করার কারণেই জাতির ভাগ্যে বারবার এমন হতাশা নেমে আসে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে কাজ করতে হবে। কারণ, ইসলামি শরিয়াহর শাসনই প্রকৃত আদর্শ শাসন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১৯ জুলাই ২০২৪ তথা আজকের এই দিনে ঢাকায় চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে আয়োজিত যুব আন্দোলনের সমাবেশে এবং মিছিলে পুলিশ মুহুর্মুহু গুলি করে শতাধিক যুবনেতাকে আহত করে। জুলাই অভ্যুত্থানে চরমোনাই পীর দলীয় প্রধান হিসেবে যেভাবে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায়নি। কিন্তু অনেক দলের মধ্যে আজ জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নিয়ে টানাটানি ও সুবিধা গ্রহণের প্রতিযোগিতা দেখা যায়, যা লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির সময় এনসিপি অনেক বিষয়ে বিএনপির পক্ষ নেওয়ায় অনেক প্রস্তাবই চূড়ান্ত করা যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় এনসিপি আবার বিএনপিবিরোধী শিবিরে যুক্ত হয়েছে। যা প্রমাণ করে, জুলাইপরবর্তী নির্বাচনে পাতানো খেলা হয়েছে।
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব ও অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, ইসলামী যুব অন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাদিম হাসান এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’
বরিশাল শহরে ৫০ বছর বয়সি জনৈক বৃদ্ধা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নগরের আমিরকুটির এলাকার ফাতেমা মঞ্জিলের ভাড়াটিয়া সালেহা বেগম শনিবার দুপুরে ফ্ল্যাট বাসার দরজা আটকে গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এবং সিআইডির টিম আলামত সংগ্রহ করেছে।
সালেহা বেগমের ছেলে আইনজীবী লতিফ সিকদার জানান, রোববার সকালে তিনি আদালতে যান এবং তার স্ত্রী বাচ্চা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলেন। স্কুল ছুটির পরে সন্তান নিয়ে বাসায় ফিরে দেখতে পান দরজা ভেতর থেকে লক করা আছে। এবং অনেক ডাকাডাকির পরেও শ্বাশুড়ি কোনো সাড়া দিচ্ছেন না। পরে সে (স্ত্রী) আমাকে ফোন দিয়ে বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে দেখি আমার মা ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন।
ছেলে লতিফের দাবি তার মা শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, কিছুদিন পূর্বে তার পেটে অস্ত্রপচার হয়। কিন্তু তার শারীরিকভাবে উন্নতি হয়নি, অসহ্য যন্ত্রণার কারণে নিজেকে সামলাতে পারছিলেন না। এর আগেও ২/৩ বার তিনি আত্মহত্যা গিয়েছিলেন, তবে ব্যর্থ হয়েছেন। আজ বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, দাবি লতিফের।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনজীবী ছেলে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দাবি করেছেন। তারপরেও পুলিশ এবং সিআইডি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৬
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১