ছবি: সংগৃহীত
রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে ছাত্রী হিসেবে দেখানোর ঘটনা অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে দুঃখ প্রকাশ করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অনিচ্ছাকৃত এই ভুল তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘৩ মার্চ দৈনিক প্রথম আলো–সহ কয়েকটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা–২০২৬–এর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে Gender Coding–এ Male–এর স্থলে Female মুদ্রিত হওয়া শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি কম্পিউটার শাখার কারিগরি ত্রুটি ও অনিচ্ছাকৃত ভুল, যা তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
৩ মার্চ ২০২৬ “এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে দেখানো হলো ‘মেয়ে’” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা ৩৮ হাজার ছাত্রের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ভুলক্রমে লিঙ্গের জায়গায় ‘ফিমেল বা মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে অদ্ভুত এই ভুল ধরা পড়ার পর পড়াশোনার প্রস্তুতি বাদ দিয়ে ভুল সংশোধনের জন্য কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী গত মঙ্গলবার বিষয়টি স্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামের সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কৈফিয়ত তলব করার পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করে আবার মুদ্রণ করে দেওয়া হচ্ছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ সূত্র জানায়, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন এ বছর মোট ৮১ হাজার ৮৩১ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করেছেন। সাধারণত কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার ছয় মাস পর শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করা হয়। মুদ্রণ হওয়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হয় পরীক্ষা শুরুর কয়েক মাস আগে। আগামী জুনে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কয়েকটি সরকারি কলেজের শিক্ষকেরা বলেন, প্রথমে ঝালকাঠি ও পরে অন্য একটি জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণের সময় ভুলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ৩৮ হাজার ছেলে শিক্ষার্থীকে ভুলক্রমে মেয়ে বা ফিমেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

০৭ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৫৬
রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে ছাত্রী হিসেবে দেখানোর ঘটনা অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে দুঃখ প্রকাশ করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অনিচ্ছাকৃত এই ভুল তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘৩ মার্চ দৈনিক প্রথম আলো–সহ কয়েকটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা–২০২৬–এর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে Gender Coding–এ Male–এর স্থলে Female মুদ্রিত হওয়া শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি কম্পিউটার শাখার কারিগরি ত্রুটি ও অনিচ্ছাকৃত ভুল, যা তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
৩ মার্চ ২০২৬ “এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে দেখানো হলো ‘মেয়ে’” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা ৩৮ হাজার ছাত্রের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ভুলক্রমে লিঙ্গের জায়গায় ‘ফিমেল বা মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে অদ্ভুত এই ভুল ধরা পড়ার পর পড়াশোনার প্রস্তুতি বাদ দিয়ে ভুল সংশোধনের জন্য কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী গত মঙ্গলবার বিষয়টি স্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামের সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কৈফিয়ত তলব করার পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করে আবার মুদ্রণ করে দেওয়া হচ্ছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ সূত্র জানায়, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন এ বছর মোট ৮১ হাজার ৮৩১ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করেছেন। সাধারণত কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার ছয় মাস পর শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করা হয়। মুদ্রণ হওয়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হয় পরীক্ষা শুরুর কয়েক মাস আগে। আগামী জুনে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কয়েকটি সরকারি কলেজের শিক্ষকেরা বলেন, প্রথমে ঝালকাঠি ও পরে অন্য একটি জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণের সময় ভুলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ৩৮ হাজার ছেলে শিক্ষার্থীকে ভুলক্রমে মেয়ে বা ফিমেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১