ছবি:সংগ্রহীত
বিজয়া দশমীতে দেবীর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে তন্নি দে (২০) নামের এক নববধূর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সার্বজনীন প্রতিমা বিসর্জনস্থলে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত তন্নি দে কুমিরা গ্রামের মহাদেব দের একমাত্র মেয়ে। প্রায় চার মাস আগে যশোরের কেশবপুর উপজেলার এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর বাবার বাড়িতে এটিই ছিল তার জীবনের প্রথম দুর্গোৎসব।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় ননদের সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনস্থলে যান তন্নি।
সেখানে অন্যান্য নারীদের সঙ্গে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমার কপালে সিঁদুর দেওয়ার আনন্দঘন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন তিনি। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন তিনি। একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়।
পরে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তালা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, বিসর্জনস্থলে এক নববধূর আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তন্নি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ বা সন্দেহ না থাকায়, লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৯
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় নেশার টাকা না পেয়ে সূর্য বানু (৬০) নামে এক বৃদ্ধা মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলে উদ্দিন সরদারের (২৭) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলেকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বিএলবাড়ি ইউনিয়নের লক্ষ্মীকুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সূর্য বানু ওই এলাকার লোকমান সরদারের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, উদ্দিন সরদার কৃষিকাজের পাশাপাশি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই মায়ের ওপর নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার দিন সকালে নেশার টাকা চেয়ে মায়ের কাছে যান উদ্দিন। সূর্য বানু টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি হাসুয়া দিয়ে মাকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পালিয়ে যান অভিযুক্ত ছেলে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একই এলাকার আব্দুল হাকিমের বাড়ি থেকে উদ্দিন সরদারকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় নেশার টাকা না পেয়ে সূর্য বানু (৬০) নামে এক বৃদ্ধা মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলে উদ্দিন সরদারের (২৭) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলেকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বিএলবাড়ি ইউনিয়নের লক্ষ্মীকুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সূর্য বানু ওই এলাকার লোকমান সরদারের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, উদ্দিন সরদার কৃষিকাজের পাশাপাশি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই মায়ের ওপর নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার দিন সকালে নেশার টাকা চেয়ে মায়ের কাছে যান উদ্দিন। সূর্য বানু টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি হাসুয়া দিয়ে মাকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পালিয়ে যান অভিযুক্ত ছেলে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একই এলাকার আব্দুল হাকিমের বাড়ি থেকে উদ্দিন সরদারকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:১৮
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মুখোশধারী একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হয়েছেন মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৩৪) নামে এক মুদি দোকানি। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জিনু মার্কেটে অবস্থিত তাঁর নিজের দোকান মিজান স্টোরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত মিজানকে প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
মিজান বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব জয়নারায়ণপুর গ্রামের আহাম্মদ উল্যার নতুন বাড়ির আহাম্মদ উল্যাহর ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি জামায়াতে ইসলামীর একজন সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাতে দোকানে বেচাকেনা করছিলেন মিজান। এ সময় মুখোশ পরা ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দোকানে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তাঁর পেটের বাম পাশে, বাম হাতে এবং বাম পায়ের উরুতে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. আবু জায়েদ বলেন, মিজান তাঁদের পরিচিত এবং তিনি জামায়াতের একজন সমর্থক। তাঁর দাবি, ২০২০ সালেও নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ওই ব্যবসায়ীর ওপর হামলা চালিয়েছিলেন। সে সময় তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। এবার মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে তাঁকে গুলি করা হয়েছে। তবে হামলাকারীরা মুখোশ পরা থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ হামলায় নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজন জড়িত থাকতে পারেন বলে তিনি ধারণা প্রকাশ করেন।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান জানান, ছররা গুলিতে ওই ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলার পেছনে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মুখোশধারী একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হয়েছেন মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৩৪) নামে এক মুদি দোকানি। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জিনু মার্কেটে অবস্থিত তাঁর নিজের দোকান মিজান স্টোরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত মিজানকে প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
মিজান বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব জয়নারায়ণপুর গ্রামের আহাম্মদ উল্যার নতুন বাড়ির আহাম্মদ উল্যাহর ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি জামায়াতে ইসলামীর একজন সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাতে দোকানে বেচাকেনা করছিলেন মিজান। এ সময় মুখোশ পরা ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দোকানে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তাঁর পেটের বাম পাশে, বাম হাতে এবং বাম পায়ের উরুতে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. আবু জায়েদ বলেন, মিজান তাঁদের পরিচিত এবং তিনি জামায়াতের একজন সমর্থক। তাঁর দাবি, ২০২০ সালেও নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ওই ব্যবসায়ীর ওপর হামলা চালিয়েছিলেন। সে সময় তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। এবার মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে তাঁকে গুলি করা হয়েছে। তবে হামলাকারীরা মুখোশ পরা থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ হামলায় নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজন জড়িত থাকতে পারেন বলে তিনি ধারণা প্রকাশ করেন।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান জানান, ছররা গুলিতে ওই ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলার পেছনে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২৭
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লায়লা জাহান নাবিলা এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির মেলিতা মেহেজাবিন আলভিসহ একই পরিবারের ছয়জন। পরিবারের ৯ সদস্য ওই রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। একই পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন- মালিহা, মিলা, সাবরিন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটের দিকে রিসোর্টটিতে আগুন লাগার খবর পান তারা। সকাল ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, রিসোর্টটিতে ২৭ জন প্রবেশের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জন রিসোর্টের বাইরে ছিলেন।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, রিসোর্টটিতে আব্দুল আহাদ সরদারের পরিবারের ৯ সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, হতাহত ব্যক্তিরা সবাই পর্যটক। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ফেসবুকে এক পোস্টে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম লেখেন, কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি, রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামীসহ তার পরিবারের ছয়জন সদস্য নিহত হয়েছেন।
তিনি আরও লেখেন, এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। আমরা পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এ মর্মান্তিক ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী মোট ১০ জন পর্যটক মারা গিয়েছেন, গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও কয়েকজন। আমি গুরুতর আহতদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতে প্রশাসন কর্তৃক সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কক্সবাজারের একটি রিসোর্টে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলা আজ শনিবার মৃত্যুবরণ করেছেন। তার অকালমৃত্যুতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
আরও বলা হয়, এক শোকবার্তায় তারা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তারা এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ও মানসিক শক্তি কামনা করেন।
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লায়লা জাহান নাবিলা এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির মেলিতা মেহেজাবিন আলভিসহ একই পরিবারের ছয়জন। পরিবারের ৯ সদস্য ওই রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। একই পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন- মালিহা, মিলা, সাবরিন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটের দিকে রিসোর্টটিতে আগুন লাগার খবর পান তারা। সকাল ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, রিসোর্টটিতে ২৭ জন প্রবেশের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জন রিসোর্টের বাইরে ছিলেন।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, রিসোর্টটিতে আব্দুল আহাদ সরদারের পরিবারের ৯ সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, হতাহত ব্যক্তিরা সবাই পর্যটক। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ফেসবুকে এক পোস্টে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম লেখেন, কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি, রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামীসহ তার পরিবারের ছয়জন সদস্য নিহত হয়েছেন।
তিনি আরও লেখেন, এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। আমরা পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এ মর্মান্তিক ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী মোট ১০ জন পর্যটক মারা গিয়েছেন, গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও কয়েকজন। আমি গুরুতর আহতদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতে প্রশাসন কর্তৃক সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কক্সবাজারের একটি রিসোর্টে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলা আজ শনিবার মৃত্যুবরণ করেছেন। তার অকালমৃত্যুতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
আরও বলা হয়, এক শোকবার্তায় তারা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তারা এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ও মানসিক শক্তি কামনা করেন।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৩১
বিজয়া দশমীতে দেবীর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে তন্নি দে (২০) নামের এক নববধূর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সার্বজনীন প্রতিমা বিসর্জনস্থলে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত তন্নি দে কুমিরা গ্রামের মহাদেব দের একমাত্র মেয়ে। প্রায় চার মাস আগে যশোরের কেশবপুর উপজেলার এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর বাবার বাড়িতে এটিই ছিল তার জীবনের প্রথম দুর্গোৎসব।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় ননদের সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনস্থলে যান তন্নি।
সেখানে অন্যান্য নারীদের সঙ্গে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমার কপালে সিঁদুর দেওয়ার আনন্দঘন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন তিনি। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন তিনি। একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়।
পরে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তালা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, বিসর্জনস্থলে এক নববধূর আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তন্নি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ বা সন্দেহ না থাকায়, লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।