
১২ জুন, ২০২৫ ১২:৫৮
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জসিম হাওলাদার (৩০) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখমের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে মো. কিসলু সিকদারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে (শেবাচিম) চিকিৎসাধীন।
বুধবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের রাজবাড়ী বাজারে পুলিশের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী জসিম গুয়ারেখা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক।
আহত জসিম হাওলাদারের ভাই মো. অসীম হাওলাদার জানান, তার ভাই একজন মাছ ব্যবসায়ী৷ পাটিকেলবাড়ি গ্রামের কিসলু সিকদার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। কিসলু, শফিক, নাঈম, শামিমসহ ২০-২৫ জন দা, লাঠি ও রড নিয়ে বাজার থেকে জসিমকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তার দুই হাত পা বেঁধে দা দিয়ে পিঠে ও মুখের পাশে কোপায়। এ সময় সঙ্গে থাকা অন্যরা তাকে রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে।
গুয়ারেখা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাজিব মৃধা বলেন, কিসলু সিকদার মূলত স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোক। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে এলাকায় অনেক সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছেন। কিসলু ফেসবুকে বিএনপি, ছাত্রজনতার আন্দোলন নিয়ে ধারাবাহিক বাজে মন্তব্য করেছে।
এ নিয়ে তাকে কয়েকবার সাবধান করা হয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কিসলু, তার ভাই শফিক, নাঈমসহ ২০-২৫ জনের একটি বাহিনী রামদা, রড ও লাঠি নিয়ে এসে আমাদের মারতে আসে। আমাদের না পেয়ে ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি জসিমকে ধরে নিয়ে রামদা দিয়ে কুপিয়েছে।
গুয়ারেখা ইউপি চেয়ারম্যান মো. গাজী মিজানুর রহমান বলেন, শুনেছি কিসলু সিকদার জসিমের ওপর হামলা চালিয়েছে। তার বিচার হওয়া দরকার। নেছারাবাদ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, আহত জসিমের মুখের পাশে কাটা দাগ, ঠোট নাক ফুলা।
তার পিঠে বড় তিনটি ক্ষতের চিহ্ন দেখা গেছে। ক্ষতগুলো ফুসফুসের কাছাকাছি যেতে পারে তাই গুরুতর মনে করে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মো. কিসলু সিকদারের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে। নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বনি আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়েছিল। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জসিম হাওলাদার (৩০) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখমের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে মো. কিসলু সিকদারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে (শেবাচিম) চিকিৎসাধীন।
বুধবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের রাজবাড়ী বাজারে পুলিশের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী জসিম গুয়ারেখা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক।
আহত জসিম হাওলাদারের ভাই মো. অসীম হাওলাদার জানান, তার ভাই একজন মাছ ব্যবসায়ী৷ পাটিকেলবাড়ি গ্রামের কিসলু সিকদার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। কিসলু, শফিক, নাঈম, শামিমসহ ২০-২৫ জন দা, লাঠি ও রড নিয়ে বাজার থেকে জসিমকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তার দুই হাত পা বেঁধে দা দিয়ে পিঠে ও মুখের পাশে কোপায়। এ সময় সঙ্গে থাকা অন্যরা তাকে রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে।
গুয়ারেখা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাজিব মৃধা বলেন, কিসলু সিকদার মূলত স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোক। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে এলাকায় অনেক সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছেন। কিসলু ফেসবুকে বিএনপি, ছাত্রজনতার আন্দোলন নিয়ে ধারাবাহিক বাজে মন্তব্য করেছে।
এ নিয়ে তাকে কয়েকবার সাবধান করা হয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কিসলু, তার ভাই শফিক, নাঈমসহ ২০-২৫ জনের একটি বাহিনী রামদা, রড ও লাঠি নিয়ে এসে আমাদের মারতে আসে। আমাদের না পেয়ে ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি জসিমকে ধরে নিয়ে রামদা দিয়ে কুপিয়েছে।
গুয়ারেখা ইউপি চেয়ারম্যান মো. গাজী মিজানুর রহমান বলেন, শুনেছি কিসলু সিকদার জসিমের ওপর হামলা চালিয়েছে। তার বিচার হওয়া দরকার। নেছারাবাদ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, আহত জসিমের মুখের পাশে কাটা দাগ, ঠোট নাক ফুলা।
তার পিঠে বড় তিনটি ক্ষতের চিহ্ন দেখা গেছে। ক্ষতগুলো ফুসফুসের কাছাকাছি যেতে পারে তাই গুরুতর মনে করে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মো. কিসলু সিকদারের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে। নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বনি আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়েছিল। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১২ মে, ২০২৬ ১৩:১৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. রাসেল খান (২৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন- মেহরাব হোসেন (২০) ও শাকির মোল্লা (২০)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা গ্রামে। রাসেল ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে, মেহরাব মো. মিজানুর রহমানের এবং শাকির মো. সালাম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ইন্দেরহাটের গ্রিনরোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাসেল খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. রাসেল খান (২৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন- মেহরাব হোসেন (২০) ও শাকির মোল্লা (২০)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা গ্রামে। রাসেল ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে, মেহরাব মো. মিজানুর রহমানের এবং শাকির মো. সালাম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ইন্দেরহাটের গ্রিনরোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাসেল খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

১২ মে, ২০২৬ ১২:৩৬
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলায় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের দায়ে এক দোকানিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর স্টেরয়েড ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহারের প্রবণতা ঠেকাতে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী তিনটি দোকান পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানকালে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া অন্যান্য দোকানদারদের স্টেরয়েডজাত ঔষধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং গবাদিপশুর জন্য এ ধরনের ঔষধ বিক্রি ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয় বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলায় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের দায়ে এক দোকানিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর স্টেরয়েড ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহারের প্রবণতা ঠেকাতে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী তিনটি দোকান পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানকালে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া অন্যান্য দোকানদারদের স্টেরয়েডজাত ঔষধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং গবাদিপশুর জন্য এ ধরনের ঔষধ বিক্রি ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয় বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ মে, ২০২৬ ১৪:৩০
পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার হরিণপালা গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম আকনের জমি প্রতিপক্ষরা দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে প্রতিবেশী সোহরাব হাওলাদার সেলিম হাওলাদার, ওহাব হাওলাদারের বিরুদ্ধে সহকারি পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
রোববার (১১ মে) বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম আকন সোমবার (১১ মে) সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০০০ সালে বিবাদীদের চাচার নিকট থেকে ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে বসতঘর উত্তোলন করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিপক্ষরা জমির সীমানার পাশ থেকে দখল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। যে কারণে বর্তমানে তার প্রাপ্য জমি ইতিমধ্যে কমে গেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষরা কোনো সালিশ ব্যবস্থা মানছেন না। তারা সংখ্যায় বেশি হওয়ার কারণে বারবার জবরদখল করছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. সোহরাব হাওলাদার বলেন, নুরুল ইসলাম আকন তার প্রাপ্য জমি ভোগ দখল করছেন।
তার নিজের পুত্র সন্তান পুলিশ কর্মকর্তা ও স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের উপস্থিতিতে আগে সালিশ ব্যবস্থা হয়েছে এবং সীমানা নির্ধারণ হয়েছে। তিনি অন্যায়ভাবে হয়রানি করার জন্য বারবার আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করছেন। আমরাও চাই কার্যকরীভাবে এ ঘটনার সমাধান হোক।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তী সরে জমিনে পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে বিষয়টি সুষ্ঠু ফয়সালা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার হরিণপালা গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম আকনের জমি প্রতিপক্ষরা দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে প্রতিবেশী সোহরাব হাওলাদার সেলিম হাওলাদার, ওহাব হাওলাদারের বিরুদ্ধে সহকারি পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
রোববার (১১ মে) বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম আকন সোমবার (১১ মে) সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০০০ সালে বিবাদীদের চাচার নিকট থেকে ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে বসতঘর উত্তোলন করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিপক্ষরা জমির সীমানার পাশ থেকে দখল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। যে কারণে বর্তমানে তার প্রাপ্য জমি ইতিমধ্যে কমে গেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষরা কোনো সালিশ ব্যবস্থা মানছেন না। তারা সংখ্যায় বেশি হওয়ার কারণে বারবার জবরদখল করছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. সোহরাব হাওলাদার বলেন, নুরুল ইসলাম আকন তার প্রাপ্য জমি ভোগ দখল করছেন।
তার নিজের পুত্র সন্তান পুলিশ কর্মকর্তা ও স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের উপস্থিতিতে আগে সালিশ ব্যবস্থা হয়েছে এবং সীমানা নির্ধারণ হয়েছে। তিনি অন্যায়ভাবে হয়রানি করার জন্য বারবার আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করছেন। আমরাও চাই কার্যকরীভাবে এ ঘটনার সমাধান হোক।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তী সরে জমিনে পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে বিষয়টি সুষ্ঠু ফয়সালা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.