
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২২
নিয়মিত অফিস না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ফাইল ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনারের ডাকবাংলায় দিনের পর দিন পরে থাকায় চরম ভোগান্তি পহাচ্ছে সেবা গৃহীতারা।
তার উপরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পরার পর সিটি কর্পোরেশনের দিকে আরো বেশি অমনোযোগী হয়ে পড়েছেন বিসিসির প্রশাসক।
এর সাথে যোগ হয়েছে বিএনপি পন্থী সাবেক কাউন্সিলর এবং ঠিকাদারদের উৎপাত। ফলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে একটি বিশৃংখল পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানাগেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখা, বিদ্যুৎ শাখা, ট্রেড লাইসেন্স শাখা, হাট বাজার শাখা, কর আদায় শাখা, একাউন্টস শাখা সহ বিভিন্ন শাখার ফাইল প্রশাসকের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় ১০/১৫ দিন ধরে পড়ে আছে। তার স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে ফাইল গুলো নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না পারায় গ্রাহকরা কোন সন্তোষজনক সমাধান পাচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এক শাখা প্রধান জানিয়েছেন, প্রশাসক স্যারের ডাকবাংলায় ফাইল জমা দিয়ে আসছি।
সিও, সচিব স্যারের স্বাক্ষর হয়েছে কিন্তু প্রশাসক স্যার স্বাক্ষর না করায় সেবা গৃহীতারা অফিসে আসছে আর কাজ না হওয়ায় আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে। এর আগের প্রশাসক স্যার ছুটির দিনেও কাজ করতেন। সাহস নিয়ে যে কোন সমস্যা নিজে প্রয়োজনে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সমাধান করতেন। কিন্তু বর্তমান স্যার সিটি কর্পোরেশনের দিকে অমনোযোগী।
এদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই বিএনপিপন্থী সাবেক কমিশনার এবং বিএনপির দলীয় নেতা কর্মীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার সৈয়দ আকবর ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমান টিপু কাউন্সিলর সহ বেশ কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর প্রায়ই সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছাড়াও প্রকৌশলীদের রুমে গিয়ে তাদের বিরক্ত করেন। ঠিকাদারী কাজ দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
এমনকি এই সুযোগে গেল ১৫/২০ বছর আগের ঠিকাদারি বিল উত্তোলনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের সিইও এবং বিভাগীয় কমিশনারকেও নানাভাবে প্রেসার করছেন। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে দরজা লাগিয়ে দিয়ে বৈঠক করতে বাধ্য করেন। পিওনকে কাউকে ভেতরে ঢুকতে নিষেধও করে দেয়া হয় সে সময়।
বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মুজিবর রহমান সরোয়ারের লোক পরিচয় দিয়ে তার প্রভাব খাটিয়ে সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আকবর হোসেন সহ কয়েকজন একাউন্টস শাখাতে গিয়েও ঘুরঘুর করেন।
এমন কি মজিবর রহমান সারোয়ারকে দিয়ে সুপারিশ করানোরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। হঠাৎ সিটি কর্পোরেশনে তাদের এই আনাগোনা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীরা শাখা প্রধানদের কাছে কেউ স্টল নেওয়ার তদবির, কেউ প্লান ছাড়ানোর তদবির, কেউ টিউবওয়েল এর তদবির, কেউ ট্যাক্স কমানোর তদবির, কেউ কবে টেন্ডার হওয়ার সম্ভাবনা তার খবর নিতে ছুটে যাচ্ছেন। শাখা প্রধানরা বলছেন, বিরক্ত হওয়ার উপায়ও নাই। তাদের দল ক্ষমতায়। কিছু বললে উল্টো চাকরি যাওয়ার হুমকি।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারি জানান, কোন ফাইল পরে থাকে না। স্যার তার সময় সুযোগ মতো সবগুলোই স্বাক্ষর করে দিচ্ছেন। বিএনপি পন্থী সাবেক কাউন্সিলর এবং নেতাকর্মীদের উৎপাতের বিষয়ে জানান, একেকজন একেকটা কাজে আসেন। আমি তো আর কাউকে চলে যেতে বলতে পারিনা। প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মাহফুজুর রহমানকে বিসিসির ফাইল পরে থাকার বিষয়ে জানতে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
নিয়মিত অফিস না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ফাইল ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনারের ডাকবাংলায় দিনের পর দিন পরে থাকায় চরম ভোগান্তি পহাচ্ছে সেবা গৃহীতারা।
তার উপরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পরার পর সিটি কর্পোরেশনের দিকে আরো বেশি অমনোযোগী হয়ে পড়েছেন বিসিসির প্রশাসক।
এর সাথে যোগ হয়েছে বিএনপি পন্থী সাবেক কাউন্সিলর এবং ঠিকাদারদের উৎপাত। ফলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে একটি বিশৃংখল পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানাগেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখা, বিদ্যুৎ শাখা, ট্রেড লাইসেন্স শাখা, হাট বাজার শাখা, কর আদায় শাখা, একাউন্টস শাখা সহ বিভিন্ন শাখার ফাইল প্রশাসকের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় ১০/১৫ দিন ধরে পড়ে আছে। তার স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে ফাইল গুলো নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না পারায় গ্রাহকরা কোন সন্তোষজনক সমাধান পাচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এক শাখা প্রধান জানিয়েছেন, প্রশাসক স্যারের ডাকবাংলায় ফাইল জমা দিয়ে আসছি।
সিও, সচিব স্যারের স্বাক্ষর হয়েছে কিন্তু প্রশাসক স্যার স্বাক্ষর না করায় সেবা গৃহীতারা অফিসে আসছে আর কাজ না হওয়ায় আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে। এর আগের প্রশাসক স্যার ছুটির দিনেও কাজ করতেন। সাহস নিয়ে যে কোন সমস্যা নিজে প্রয়োজনে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সমাধান করতেন। কিন্তু বর্তমান স্যার সিটি কর্পোরেশনের দিকে অমনোযোগী।
এদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই বিএনপিপন্থী সাবেক কমিশনার এবং বিএনপির দলীয় নেতা কর্মীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার সৈয়দ আকবর ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমান টিপু কাউন্সিলর সহ বেশ কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর প্রায়ই সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছাড়াও প্রকৌশলীদের রুমে গিয়ে তাদের বিরক্ত করেন। ঠিকাদারী কাজ দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
এমনকি এই সুযোগে গেল ১৫/২০ বছর আগের ঠিকাদারি বিল উত্তোলনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের সিইও এবং বিভাগীয় কমিশনারকেও নানাভাবে প্রেসার করছেন। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে দরজা লাগিয়ে দিয়ে বৈঠক করতে বাধ্য করেন। পিওনকে কাউকে ভেতরে ঢুকতে নিষেধও করে দেয়া হয় সে সময়।
বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মুজিবর রহমান সরোয়ারের লোক পরিচয় দিয়ে তার প্রভাব খাটিয়ে সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আকবর হোসেন সহ কয়েকজন একাউন্টস শাখাতে গিয়েও ঘুরঘুর করেন।
এমন কি মজিবর রহমান সারোয়ারকে দিয়ে সুপারিশ করানোরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। হঠাৎ সিটি কর্পোরেশনে তাদের এই আনাগোনা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিরক্তের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীরা শাখা প্রধানদের কাছে কেউ স্টল নেওয়ার তদবির, কেউ প্লান ছাড়ানোর তদবির, কেউ টিউবওয়েল এর তদবির, কেউ ট্যাক্স কমানোর তদবির, কেউ কবে টেন্ডার হওয়ার সম্ভাবনা তার খবর নিতে ছুটে যাচ্ছেন। শাখা প্রধানরা বলছেন, বিরক্ত হওয়ার উপায়ও নাই। তাদের দল ক্ষমতায়। কিছু বললে উল্টো চাকরি যাওয়ার হুমকি।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারি জানান, কোন ফাইল পরে থাকে না। স্যার তার সময় সুযোগ মতো সবগুলোই স্বাক্ষর করে দিচ্ছেন। বিএনপি পন্থী সাবেক কাউন্সিলর এবং নেতাকর্মীদের উৎপাতের বিষয়ে জানান, একেকজন একেকটা কাজে আসেন। আমি তো আর কাউকে চলে যেতে বলতে পারিনা। প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মাহফুজুর রহমানকে বিসিসির ফাইল পরে থাকার বিষয়ে জানতে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৪
বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার অর্ধশতাধিক যুবকের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন এখন লিবিয়ায় বন্দি হয়ে পড়েছে। মানব পাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে তারা ওয়ার্ক পারমিটের আশ্বাসে ইউরোপের পথে রওনা হয়ে লিবিয়ায় আটকে মানববেতর দিন কাটাচ্ছেন।
এদের মধ্যে গত চার মাসে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে লিবিয়ার জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন ১৫ যুবক। দেশে ফিরে আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট ডুমুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান খান ও একই উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা মাদারীপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ এবং পশ্চিম সমরসিংহ গ্রামের আব্দুর রহিম সরদার বাদি হয়ে মানব পাচার চক্রের ৫ সদস্যের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।
বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নালিশী অভিযোগ তিনটি আমলে নিয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে মামলা রুজু (নথিভুক্ত) করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামের জামাল মোল্লা এবং তার ইতালি প্রবাসী দুই ছেলে জাকির মোল্লা ও সাকিব মোল্লা, জামাল মোল্লার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী ও ইউপি সদস্য হাবুল বেপারীকে আসামি করা হয়েছে।
গৌরনদী থানায় তদন্তাধীন দুটি মানব পাচার মামলার আসামি জামাল মোল্লা ও তার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী, হাবুল বেপারীকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে করেছে পুলিশ।
মামলার বাদী মেহেদী হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামিরা বাংলাদেশ থেকে গত বছরের ২৬ আগস্ট তাকে ইতালির উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে প্রথমে সৌদি আরব নিয়ে যান।
এরপর সেখান থেকে মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে আটকে রাখেন। তাকে ঠিকমত খাবার না দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর লিবিয়ার পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে বেনগাজির একটি কারাগারে পাঠানো হয়।
সেখানে মেহেদী প্রায় দেড় মাস কারাবন্দী ছিলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন লোকের মোবাইল দিয়ে মেহেদী ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে তার করুণ অবস্থার কথা জানান।
এরপর মেহেদীর অভিভাবকরা আসামি জামাল, বাবুল বেপারি, হাবুল বেপারির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে মেহেদী লাশ হয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঋণ করে দাবিকৃত ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলে গত ৪ জানুয়ারি মেহেদীকে দেশে ফেরত আনা হয়।
মামলার বাদী মেহেদী অভিযোগ করে বলেন, দেশে ফিরে জানতে পারি আমার মতো আরও ১৫ যুবক দেশে ফিরে এসেছে। তাদের অনেকের কাছ থেকে চক্রটি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
লিবিয়ায় বন্দি গৌরনদীর একাধিক যুবকের অভিভাবকরা জানিয়েছেন— গৌরনদী উপজেলার ৬০ জন ও আগৈলঝাড়ার ১০ জন যুবকের প্রত্যেকে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইতালির পথে পা বাড়ান। তারা ঋণ ও জমি বিক্রি করে ইতালি প্রবাসী জাকির মোল্লা, সাজু ও লিটনের কাছে এসব টাকা দেন।
ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা আরও জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দালালরা তাদের ৪/৫ জন সহযোগীর মাধ্যমে লিবিয়ার বেনগাজি থেকে ৩টি স্পিডবোটে ইতালির উদ্দেশে পাঠালে সাগরপথেই ধরা পড়ে ৭০ জন।
এরপর তাদের ঠাই হয় লিবিয়ার কারাগারে। পরবর্তীতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা জাকির মোল্লা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার তাদের কারাগার থেকে বের করে দালালের জিম্মায় রাখেন। এরমধ্যে ১৫ যুবক মুক্তিপন দিয়ে দেশে ফিরে আসলেও অর্ধশতাধিক যুবক এখনও লিবিয়ায় দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, থানায় দুইটি মানব পাচার মামলার তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি বর্তমানে বরিশাল কারাগারে এবং দুই আসামি বিদেশে পলাতাক রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার অর্ধশতাধিক যুবকের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন এখন লিবিয়ায় বন্দি হয়ে পড়েছে। মানব পাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে তারা ওয়ার্ক পারমিটের আশ্বাসে ইউরোপের পথে রওনা হয়ে লিবিয়ায় আটকে মানববেতর দিন কাটাচ্ছেন।
এদের মধ্যে গত চার মাসে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে লিবিয়ার জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন ১৫ যুবক। দেশে ফিরে আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট ডুমুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান খান ও একই উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা মাদারীপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ এবং পশ্চিম সমরসিংহ গ্রামের আব্দুর রহিম সরদার বাদি হয়ে মানব পাচার চক্রের ৫ সদস্যের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।
বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নালিশী অভিযোগ তিনটি আমলে নিয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে মামলা রুজু (নথিভুক্ত) করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামের জামাল মোল্লা এবং তার ইতালি প্রবাসী দুই ছেলে জাকির মোল্লা ও সাকিব মোল্লা, জামাল মোল্লার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী ও ইউপি সদস্য হাবুল বেপারীকে আসামি করা হয়েছে।
গৌরনদী থানায় তদন্তাধীন দুটি মানব পাচার মামলার আসামি জামাল মোল্লা ও তার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী, হাবুল বেপারীকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে করেছে পুলিশ।
মামলার বাদী মেহেদী হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামিরা বাংলাদেশ থেকে গত বছরের ২৬ আগস্ট তাকে ইতালির উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে প্রথমে সৌদি আরব নিয়ে যান।
এরপর সেখান থেকে মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে আটকে রাখেন। তাকে ঠিকমত খাবার না দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর লিবিয়ার পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে বেনগাজির একটি কারাগারে পাঠানো হয়।
সেখানে মেহেদী প্রায় দেড় মাস কারাবন্দী ছিলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন লোকের মোবাইল দিয়ে মেহেদী ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে তার করুণ অবস্থার কথা জানান।
এরপর মেহেদীর অভিভাবকরা আসামি জামাল, বাবুল বেপারি, হাবুল বেপারির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে মেহেদী লাশ হয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঋণ করে দাবিকৃত ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলে গত ৪ জানুয়ারি মেহেদীকে দেশে ফেরত আনা হয়।
মামলার বাদী মেহেদী অভিযোগ করে বলেন, দেশে ফিরে জানতে পারি আমার মতো আরও ১৫ যুবক দেশে ফিরে এসেছে। তাদের অনেকের কাছ থেকে চক্রটি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
লিবিয়ায় বন্দি গৌরনদীর একাধিক যুবকের অভিভাবকরা জানিয়েছেন— গৌরনদী উপজেলার ৬০ জন ও আগৈলঝাড়ার ১০ জন যুবকের প্রত্যেকে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইতালির পথে পা বাড়ান। তারা ঋণ ও জমি বিক্রি করে ইতালি প্রবাসী জাকির মোল্লা, সাজু ও লিটনের কাছে এসব টাকা দেন।
ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা আরও জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দালালরা তাদের ৪/৫ জন সহযোগীর মাধ্যমে লিবিয়ার বেনগাজি থেকে ৩টি স্পিডবোটে ইতালির উদ্দেশে পাঠালে সাগরপথেই ধরা পড়ে ৭০ জন।
এরপর তাদের ঠাই হয় লিবিয়ার কারাগারে। পরবর্তীতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা জাকির মোল্লা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার তাদের কারাগার থেকে বের করে দালালের জিম্মায় রাখেন। এরমধ্যে ১৫ যুবক মুক্তিপন দিয়ে দেশে ফিরে আসলেও অর্ধশতাধিক যুবক এখনও লিবিয়ায় দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, থানায় দুইটি মানব পাচার মামলার তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি বর্তমানে বরিশাল কারাগারে এবং দুই আসামি বিদেশে পলাতাক রয়েছে।

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪৯
ইলিশসহ সবধরনের মাছ শিকারে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে চলছে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। ফলে জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞার সাতদিন পার হয়ে গেলেও জেলেদের কাছে পৌঁছেনি ভিজিএফের চাল। আর ওই চাল না পেয়ে রমজানের মধ্যে কষ্ট ও দুশ্চিন্তায় কাটছে তাদের দিন।
ভোলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল ও ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মেঘনা নদীর পাড়ে সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীতে কদিন আগেও ট্রলার, নৌকা ও জালসহ মাছ শিকারের উপকরণ নিয়ে দাপিয়ে বেড়াত জেলেরা। আজ নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও মৎস্য ঘাটে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে কর্মহীন হয়েছে জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে।
ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ভোলার ১৯০ কিলোমিটার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এ নিষেধাজ্ঞা। তাই কেউ কেউ নদীর তীরে বসে জাল মেরামত করছেন। আবার কেউ কেউ ট্রলার মেরামতের কাজে সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু কারো নেই কোনো আয়-রোজগার।
শিবপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার জেলে মো. সাদ্দাম মাঝি জানান, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার আজ সাতদিন চলছে। আমরা জেলে এখন পর্যন্ত নদীতে গিয়ে মাছ ধরিনি। কিন্তু সরকারিভাবে চাল এখনও পাইনি।
একই এলাকার মো. শাজাহান মাঝি ও মাকসুদ মাঝি জানান, সাত দিন চলে গেছে। এখনও চাল আমাদের মাঝে বিতরণ করা হয়নি। আমাদের তো কাজ-কাম নেই, রোজগারও নেই, এখন কী করব? রমজান মাস চলছে, তার মধ্যে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলছে। এখন তো আমাদের অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
শিবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে মো. রাকিব মাঝি জানান, সরকারি অভিযান মেনে তারা নদীতে যাচ্ছেন না। কিন্তু এনজিও থেকে কিস্তি আদায় বন্ধ হয়নি। সমিতির লোকজন সকাল-বিকেল আসেন কিস্তির টাকা নিতে। আমরা কী করব, আমাদের তো কোনো আয়-রোজগার নেই। এখনও যদি দুই মাসের কিস্তি আদায় বন্ধ না হয়, তাহলে কিস্তি পরিশোধের জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরতে হবে।
ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকার জেলে মো. সুমন মাঝি জানান, ১০–১২ বছর ধরে নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা পরিচালনা করছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের জেলে কার্ড হয়নি। দুবার আইডি কার্ড জমা দিয়েছি। এখনও কার্ড হয়নি। অথচ জেলে না হয়েও জেলে কার্ড করছে। তারা জেলেদের চালও পায়। কিন্তু প্রকৃত জেলে হয়ে আমাদের জেলে কার্ড নেই।
একই এলাকার জেলে আরিফ মাঝি ও হাসান মাঝি জানান, আমরা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই যেন আমাদের নিষেধাজ্ঞার চাল দ্রুত বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি যাদের এখনও জেলে নিবন্ধন হয়নি তাদের যাতে দ্রুত নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসে। আর যারা জেলে না হয়ে জেলে কার্ড করে চাল নিচ্ছে, তাদের কার্ড বাতিল করা হোক।
ভোলা জেলা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমের জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত জাটকা আহরণ বিরত থাকা জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল আগামী সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ শুরু হবে। এ চার মাস প্রতি জেলে ৪০ কেজি করে চাল পাবেন। আর জেলেদের নিবন্ধন হালনাগাদ চলছে। এতে অনিবন্ধিত জেলেদের বাদ দিয়ে প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
জেলায় সাত উপজেলার নিবন্ধিত জেলের সংখ্যাও এক লাখ ৬৭ হাজার ৯৭০ জন। এ বছর জাটকা আহরণ বিরত থাকা জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ-এর চাল পাবেন প্রায় ৯০ হাজার ২০০ জন জেলে।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৬১ দিন ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সবধরনের মাছ শিকার বন্ধ ঘোষণা করেছে মৎস্য বিভাগ।
ইলিশসহ সবধরনের মাছ শিকারে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে চলছে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। ফলে জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞার সাতদিন পার হয়ে গেলেও জেলেদের কাছে পৌঁছেনি ভিজিএফের চাল। আর ওই চাল না পেয়ে রমজানের মধ্যে কষ্ট ও দুশ্চিন্তায় কাটছে তাদের দিন।
ভোলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল ও ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মেঘনা নদীর পাড়ে সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীতে কদিন আগেও ট্রলার, নৌকা ও জালসহ মাছ শিকারের উপকরণ নিয়ে দাপিয়ে বেড়াত জেলেরা। আজ নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও মৎস্য ঘাটে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে কর্মহীন হয়েছে জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে।
ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ভোলার ১৯০ কিলোমিটার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এ নিষেধাজ্ঞা। তাই কেউ কেউ নদীর তীরে বসে জাল মেরামত করছেন। আবার কেউ কেউ ট্রলার মেরামতের কাজে সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু কারো নেই কোনো আয়-রোজগার।
শিবপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার জেলে মো. সাদ্দাম মাঝি জানান, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার আজ সাতদিন চলছে। আমরা জেলে এখন পর্যন্ত নদীতে গিয়ে মাছ ধরিনি। কিন্তু সরকারিভাবে চাল এখনও পাইনি।
একই এলাকার মো. শাজাহান মাঝি ও মাকসুদ মাঝি জানান, সাত দিন চলে গেছে। এখনও চাল আমাদের মাঝে বিতরণ করা হয়নি। আমাদের তো কাজ-কাম নেই, রোজগারও নেই, এখন কী করব? রমজান মাস চলছে, তার মধ্যে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলছে। এখন তো আমাদের অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
শিবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে মো. রাকিব মাঝি জানান, সরকারি অভিযান মেনে তারা নদীতে যাচ্ছেন না। কিন্তু এনজিও থেকে কিস্তি আদায় বন্ধ হয়নি। সমিতির লোকজন সকাল-বিকেল আসেন কিস্তির টাকা নিতে। আমরা কী করব, আমাদের তো কোনো আয়-রোজগার নেই। এখনও যদি দুই মাসের কিস্তি আদায় বন্ধ না হয়, তাহলে কিস্তি পরিশোধের জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরতে হবে।
ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকার জেলে মো. সুমন মাঝি জানান, ১০–১২ বছর ধরে নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা পরিচালনা করছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের জেলে কার্ড হয়নি। দুবার আইডি কার্ড জমা দিয়েছি। এখনও কার্ড হয়নি। অথচ জেলে না হয়েও জেলে কার্ড করছে। তারা জেলেদের চালও পায়। কিন্তু প্রকৃত জেলে হয়ে আমাদের জেলে কার্ড নেই।
একই এলাকার জেলে আরিফ মাঝি ও হাসান মাঝি জানান, আমরা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই যেন আমাদের নিষেধাজ্ঞার চাল দ্রুত বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি যাদের এখনও জেলে নিবন্ধন হয়নি তাদের যাতে দ্রুত নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসে। আর যারা জেলে না হয়ে জেলে কার্ড করে চাল নিচ্ছে, তাদের কার্ড বাতিল করা হোক।
ভোলা জেলা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমের জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত জাটকা আহরণ বিরত থাকা জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল আগামী সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ শুরু হবে। এ চার মাস প্রতি জেলে ৪০ কেজি করে চাল পাবেন। আর জেলেদের নিবন্ধন হালনাগাদ চলছে। এতে অনিবন্ধিত জেলেদের বাদ দিয়ে প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
জেলায় সাত উপজেলার নিবন্ধিত জেলের সংখ্যাও এক লাখ ৬৭ হাজার ৯৭০ জন। এ বছর জাটকা আহরণ বিরত থাকা জেলে পরিবারের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ-এর চাল পাবেন প্রায় ৯০ হাজার ২০০ জন জেলে।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৬১ দিন ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সবধরনের মাছ শিকার বন্ধ ঘোষণা করেছে মৎস্য বিভাগ।

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গৌরনদী ইসলামিক মিশন এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি শামীম শেখ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশাল থেকে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে টেকেরহাট পরিবহন নামে একটি বাস যাচ্ছিল। এসম সময় বিপরীত দিক থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাওয়া একটি মাইক্রোবাসের সাথে গৌরনদীর কসবা এলাকায় দুটি পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ২ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হন।
পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। এছাড়া বাস ও মাইক্রোবাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। তবে বাসের চালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা বরিশাল মহাসড়কে যানচলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকলেও বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।
স/ এইচএম মেহেদী হাসান
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গৌরনদী ইসলামিক মিশন এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি শামীম শেখ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশাল থেকে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে টেকেরহাট পরিবহন নামে একটি বাস যাচ্ছিল। এসম সময় বিপরীত দিক থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাওয়া একটি মাইক্রোবাসের সাথে গৌরনদীর কসবা এলাকায় দুটি পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ২ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হন।
পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। এছাড়া বাস ও মাইক্রোবাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। তবে বাসের চালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা বরিশাল মহাসড়কে যানচলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকলেও বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।
স/ এইচএম মেহেদী হাসান
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.