
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪২
বিয়ের প্রলোভনে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণসহ হুমকির অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের এক কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার মহানগর পুলিশের কাউনিয়া থানার একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে বলে জানান কাউনিয়া থানার এসআই শফিকুল ইসলাম।
এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ধর্ষণ মামলায় ওই কর্মকর্তাকে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক মিরাজুল ইসলাম রাসেল তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া মো. শহিদুল ইসলাম উজ্জ্বল (৪০) সদর উপজেলার রায়াপুরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের কর ধার্য শাখার অ্যাসেসর পদে কর্মরত আছেন। এর আগে উজ্জ্বল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন।
এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় এক নারী মামলা করেছেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে সকালে নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বরাতে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী নারী দুই সন্তানের জননী। ওই নারী উজ্জ্বলের বন্ধুর স্ত্রী। পরিচয়ের সুবাদে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হত। এক পর্যায়ে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন উজ্জ্বল। এতেও রাজি না হলে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি।
“বিয়ের প্রলোভনে বিভিন্ন সময় ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান উজ্জ্বল। সবশেষ ৩০ জানুয়ারি ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করেন উজ্জ্বল। পরে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ হুমকি দেওয়া হয়”, বলেন এসআই শফিকুল।
বরিশাল টাইমস
গ্রেপ্তার মো. শহিদুল ইসলাম উজ্জ্বল। ছবি: সংগৃহীত
বিয়ের প্রলোভনে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণসহ হুমকির অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের এক কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার মহানগর পুলিশের কাউনিয়া থানার একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে বলে জানান কাউনিয়া থানার এসআই শফিকুল ইসলাম।
এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ধর্ষণ মামলায় ওই কর্মকর্তাকে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক মিরাজুল ইসলাম রাসেল তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া মো. শহিদুল ইসলাম উজ্জ্বল (৪০) সদর উপজেলার রায়াপুরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের কর ধার্য শাখার অ্যাসেসর পদে কর্মরত আছেন। এর আগে উজ্জ্বল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন।
এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় এক নারী মামলা করেছেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে সকালে নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বরাতে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী নারী দুই সন্তানের জননী। ওই নারী উজ্জ্বলের বন্ধুর স্ত্রী। পরিচয়ের সুবাদে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হত। এক পর্যায়ে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন উজ্জ্বল। এতেও রাজি না হলে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি।
“বিয়ের প্রলোভনে বিভিন্ন সময় ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান উজ্জ্বল। সবশেষ ৩০ জানুয়ারি ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করেন উজ্জ্বল। পরে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ হুমকি দেওয়া হয়”, বলেন এসআই শফিকুল।
বরিশাল টাইমস

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৫৭
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার নতুনহাট এলাকায় বরিশাল মহাসড়কে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বাস চালক নিহত হয়েছেন। এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার নতুনহাট এলাকায় ইসলাম পরিবহন ও লাবিবা পরিবহনের মধ্যে এই মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
বরিশালটাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৌরনদী হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, বরিশালগামী ইসলাম পরিবহনটি দ্রুতগতিতে আসার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকাগামী লাবিবা পরিবহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। গুরুতর অবস্থায় ইসলাম পরিবহনের চালককে উদ্ধার করে পাঠানো হয় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তবে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ওই চালকের।
গৌরনদী হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামিম শেখ জানান, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ইসলাম পরিবহনের বাস চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে রাতে তিনি মারা যান।
ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার নতুনহাট এলাকায় বরিশাল মহাসড়কে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বাস চালক নিহত হয়েছেন। এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার নতুনহাট এলাকায় ইসলাম পরিবহন ও লাবিবা পরিবহনের মধ্যে এই মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
বরিশালটাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৌরনদী হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, বরিশালগামী ইসলাম পরিবহনটি দ্রুতগতিতে আসার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকাগামী লাবিবা পরিবহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। গুরুতর অবস্থায় ইসলাম পরিবহনের চালককে উদ্ধার করে পাঠানো হয় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তবে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ওই চালকের।
গৌরনদী হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামিম শেখ জানান, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ইসলাম পরিবহনের বাস চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে রাতে তিনি মারা যান।
ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।’

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৪০
বরিশালের বানারীপাড়ায় পুরনো সরকারি ব্রিজের মালামাল চুরির অভিযোগে সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদ আকন (২০) ও ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. সানিকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা এলাকা থেকে ব্রিজ নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল চুরি করে ট্রলারযোগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্ধার্থের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল বানারীপাড়া ফেরিঘাট সংলগ্ন নতুন ব্রিজের নিচে, সন্ধ্যা নদীর মোহনায় অবস্থান নেয়।
রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সন্দেহভাজন ট্রলারটি সেখানে পৌঁছালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারটি লোহার রেলপাটি, একটি ডিজেল ইঞ্জিন, একটি অক্সিজেন গ্যাস সিলিন্ডার, ব্রিজের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং চুরির সরঞ্জামসহ ট্রলারটি জব্দ করে। এ সময় ট্রলারে থাকা জিহাদ আকন ও সানিকে আটক করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন স্বীকার করেছে যে, তারা গাভা এলাকা থেকে এসব মালামাল চুরি করে নিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবর রহমান জানান, চুরির ঘটনায় আটক জিহাদ ও সানিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আটক দুজনকে বরিশাল আদালতে পাঠানে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরিশালের বানারীপাড়ায় পুরনো সরকারি ব্রিজের মালামাল চুরির অভিযোগে সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদ আকন (২০) ও ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. সানিকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা এলাকা থেকে ব্রিজ নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল চুরি করে ট্রলারযোগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্ধার্থের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল বানারীপাড়া ফেরিঘাট সংলগ্ন নতুন ব্রিজের নিচে, সন্ধ্যা নদীর মোহনায় অবস্থান নেয়।
রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সন্দেহভাজন ট্রলারটি সেখানে পৌঁছালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারটি লোহার রেলপাটি, একটি ডিজেল ইঞ্জিন, একটি অক্সিজেন গ্যাস সিলিন্ডার, ব্রিজের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং চুরির সরঞ্জামসহ ট্রলারটি জব্দ করে। এ সময় ট্রলারে থাকা জিহাদ আকন ও সানিকে আটক করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন স্বীকার করেছে যে, তারা গাভা এলাকা থেকে এসব মালামাল চুরি করে নিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবর রহমান জানান, চুরির ঘটনায় আটক জিহাদ ও সানিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আটক দুজনকে বরিশাল আদালতে পাঠানে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৮
বরিশালে অসদাচরণের অভিযোগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর ১২ আইনজীবীর সনদ বাতিলের আবেদন করেছেন বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি এই আবেদন করেন।
এদিকে বরিশালে আইনজীবীরা আদালত বর্জন করলেও বিচার কার্যক্রম সচল রেখেছে আদালত কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪৫টি কোর্টে বিচারকাজ সচল ছিল।
বিচারপ্রত্যাশী কম থাকলেও বেশ কয়েকটি কোর্টে বাদী-বিবাদীরা নিজেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে জামিন নিয়েছেন।
বরিশাল অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এজলাসে ঢুকে হামলার অভিযোগে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি কৌঁসুলিসহ ২০ আইনজীবীর বিরুদ্ধে বুধবার মামলা করা হয়। এ ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আটক করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে কারান্তরীণ রয়েছেন।
এরপর সভাপতির মুক্তি দাবি, মামলা প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারককে প্রত্যাহারসহ কয়েকটি দাবিতে বৃহস্পতিবার আদালত বর্জন করেন আইনজীবীরা। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪৫ কোর্টের কোনোটিতে আইনজীবীরা যাননি। তবে বিচারপ্রত্যাশীরা আসার কারণে বেশ কয়েকটি কোর্টের কার্যক্রম চলমান ছিল। যার মধ্যে সিএসএম আদালতের ৫টি কোর্ট, ১১টি ট্রাইব্যুনাল ও ১২টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত উল্লেখযোগ্য।
তবে জজ কোর্টের ১৭টি কোর্টে বিচারপ্রত্যাশী কম থাকায় সেখানে কার্যক্রম তেমন একটা ছিল না। সিএমএম কোর্টের নাজির কামরুল ইসলাম জানান, বিচারপ্রত্যাশীরা আসার কারণে কোর্ট চলমান রয়েছে। আইনজীবীরা না এলেও মামলার বাদী-বিবাদীদের নিজেদের পক্ষে যুক্তি তুলে দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন বিচারকরা। এতেই মিলছে জামিন। সিএমএম, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও ট্রাইব্যুনালের তালিকাভুক্ত ৫৭ মামলার মধ্যে ৪০টিরই শুনানি হয়েছে।
তবে এর মধ্যে সিএমএম কোর্টের ২৭ মামলার মধ্যে ২০টির শুনানি হয়। যার মধ্যে ৪টিতে জামিনও দেওয়া হয়। বরিশাল নগরীর কাশিপুরের বাসিন্দা সরোয়ার হোসেন বলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা ছিল। আমার পক্ষে আইনজীবী থাকলেও গতকাল আদালত বর্জন করার কারণে আইনজীবী আসেননি। তবে আমি নিজের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে আদালতে জামিন পেয়েছি।
মো. হারুন অর রশীদ নামের অপর এক বিচারপ্রত্যাশী জানান, নিজের জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে জামিন পেয়েছেন। যদিও জামিনের বিরোধিতা করেছিলেন মামলার বাদী নেপাল দেবনাথ।
আদালতে তাদের পক্ষে আইনজীবী না থাকায় নিজেরাই বিচারকের নির্দেশে আইনজীবীর ভূমিকা পালন করেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৃহস্পতিবার আইনজীবী না থাকলেও এই দুজনের জামিন হয়।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস গত সোমবার বরিশালের অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
তাকে জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা মঙ্গলবার আদালত বর্জন ও বিক্ষোভ করেন। দুপুর ২টার দিকে তারা অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এজলাসে ঢুকে হট্টগোল করে বিচার কার্যক্রম বন্ধ করে। এর নেতৃত্ব দেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকন। সন্ধ্যার পর এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্য বুধবার দুপুর ১২টায় আদালতপাড়ায় প্রবেশ করেন। তারা সরাসরি আইনজীবী সমিতির ভবনের দোতলায় সভাপতি লিংকনের কক্ষে যান। তাকে আটক করে অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
ওইদিনই জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি কৌঁসুলিসহ ২০ জনকে আসামি করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার। এরপর বৃহস্পতিবার অসদাচরণের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর ১২ আইনজীবীর সনদ বাতিলের আবেদন করেছেন বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির উদ্দিন।
ওই ১২ আইনজীবীর মধ্যে রয়েছেন বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকন, সাধারণ সম্পাদক মির্জা রিয়াজুল ইসলাম, বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আবুল কালাম আজাদ, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক নাজিমউদ্দিন পান্না, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মহসিন মন্টু, মিজানুর রহমান, আব্দুল মালেক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি সাঈদ চৌধুরী, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু, মহানগর দায়রা জজ আদালতের এপিপি ও বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি তারেক আল ইমরান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন এবং বসিরউদ্দিন সবুজ।
বরিশালে অসদাচরণের অভিযোগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর ১২ আইনজীবীর সনদ বাতিলের আবেদন করেছেন বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি এই আবেদন করেন।
এদিকে বরিশালে আইনজীবীরা আদালত বর্জন করলেও বিচার কার্যক্রম সচল রেখেছে আদালত কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪৫টি কোর্টে বিচারকাজ সচল ছিল।
বিচারপ্রত্যাশী কম থাকলেও বেশ কয়েকটি কোর্টে বাদী-বিবাদীরা নিজেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে জামিন নিয়েছেন।
বরিশাল অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এজলাসে ঢুকে হামলার অভিযোগে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি কৌঁসুলিসহ ২০ আইনজীবীর বিরুদ্ধে বুধবার মামলা করা হয়। এ ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আটক করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে কারান্তরীণ রয়েছেন।
এরপর সভাপতির মুক্তি দাবি, মামলা প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারককে প্রত্যাহারসহ কয়েকটি দাবিতে বৃহস্পতিবার আদালত বর্জন করেন আইনজীবীরা। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪৫ কোর্টের কোনোটিতে আইনজীবীরা যাননি। তবে বিচারপ্রত্যাশীরা আসার কারণে বেশ কয়েকটি কোর্টের কার্যক্রম চলমান ছিল। যার মধ্যে সিএসএম আদালতের ৫টি কোর্ট, ১১টি ট্রাইব্যুনাল ও ১২টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত উল্লেখযোগ্য।
তবে জজ কোর্টের ১৭টি কোর্টে বিচারপ্রত্যাশী কম থাকায় সেখানে কার্যক্রম তেমন একটা ছিল না। সিএমএম কোর্টের নাজির কামরুল ইসলাম জানান, বিচারপ্রত্যাশীরা আসার কারণে কোর্ট চলমান রয়েছে। আইনজীবীরা না এলেও মামলার বাদী-বিবাদীদের নিজেদের পক্ষে যুক্তি তুলে দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন বিচারকরা। এতেই মিলছে জামিন। সিএমএম, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও ট্রাইব্যুনালের তালিকাভুক্ত ৫৭ মামলার মধ্যে ৪০টিরই শুনানি হয়েছে।
তবে এর মধ্যে সিএমএম কোর্টের ২৭ মামলার মধ্যে ২০টির শুনানি হয়। যার মধ্যে ৪টিতে জামিনও দেওয়া হয়। বরিশাল নগরীর কাশিপুরের বাসিন্দা সরোয়ার হোসেন বলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা ছিল। আমার পক্ষে আইনজীবী থাকলেও গতকাল আদালত বর্জন করার কারণে আইনজীবী আসেননি। তবে আমি নিজের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে আদালতে জামিন পেয়েছি।
মো. হারুন অর রশীদ নামের অপর এক বিচারপ্রত্যাশী জানান, নিজের জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে জামিন পেয়েছেন। যদিও জামিনের বিরোধিতা করেছিলেন মামলার বাদী নেপাল দেবনাথ।
আদালতে তাদের পক্ষে আইনজীবী না থাকায় নিজেরাই বিচারকের নির্দেশে আইনজীবীর ভূমিকা পালন করেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৃহস্পতিবার আইনজীবী না থাকলেও এই দুজনের জামিন হয়।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস গত সোমবার বরিশালের অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
তাকে জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা মঙ্গলবার আদালত বর্জন ও বিক্ষোভ করেন। দুপুর ২টার দিকে তারা অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এজলাসে ঢুকে হট্টগোল করে বিচার কার্যক্রম বন্ধ করে। এর নেতৃত্ব দেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকন। সন্ধ্যার পর এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্য বুধবার দুপুর ১২টায় আদালতপাড়ায় প্রবেশ করেন। তারা সরাসরি আইনজীবী সমিতির ভবনের দোতলায় সভাপতি লিংকনের কক্ষে যান। তাকে আটক করে অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
ওইদিনই জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি কৌঁসুলিসহ ২০ জনকে আসামি করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার। এরপর বৃহস্পতিবার অসদাচরণের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর ১২ আইনজীবীর সনদ বাতিলের আবেদন করেছেন বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির উদ্দিন।
ওই ১২ আইনজীবীর মধ্যে রয়েছেন বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকন, সাধারণ সম্পাদক মির্জা রিয়াজুল ইসলাম, বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আবুল কালাম আজাদ, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক নাজিমউদ্দিন পান্না, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মহসিন মন্টু, মিজানুর রহমান, আব্দুল মালেক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি সাঈদ চৌধুরী, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু, মহানগর দায়রা জজ আদালতের এপিপি ও বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি তারেক আল ইমরান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন এবং বসিরউদ্দিন সবুজ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৫৭
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৪০
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৩১
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪২