
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টিপাতের কারণে কিছুটা বিপাকে পড়লেও তা কাটিয়ে ওঠেন কৃষকরা। যার ফলে মৌসুম শেষে আশানুরূপ ফলন পেয়ে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। এই উপজেলায় আমন মৌসুমে ২৪১ কোটি ৯২ লাখ টাকার ধান উৎপাদন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, লালমোহনে এবারের আমন মৌসুমে ২৩ হাজার ১০৫ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যে উফশী জাতের ধান আবাদ হয়েছে ২২ হাজার ১৪৬ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় জাতের ধান আবাদ হয়েছে ৯৫০ হেক্টর জমিতে এবং ৯ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদ হয়। এসব জমিতে আমন মৌসুমে ১ লাখ ৭ হাজার ৫২০ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হয়। প্রতি মন গড়ে ৯০০ টাকা বাজার দরে মোট ২৪১ কোটি ৯২ লাখ টাকার ধান উৎপাদন হয় এই আমন মৌসুমে।
কালমা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরছকিনা এলাকার কৃষক মো. বাবুল জানান, এ বছরের আমন মৌসুমে ২০ শতাংশ জমিতে ব্রি-ধান ১০৩ এবং ১০০ শতাংশ জমিতে ব্রি-ধান-১১ ও ব্রি-ধান-৫২ আবাদ করেছি। মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টিপাতের কারণে ধানের চারা নিয়ে অনেক বিপাকে পড়তে হয়েছে। তবে জমিতে চারা রোপণের পর আর তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। যার জন্য ফলন ভালো পেয়েছি। ক্ষেত থেকে ধান কাটা পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, লাভ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতো।
লালমোহন ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার কৃষক মো. আব্দুল লতিফ জানান, এবারের আমন মৌসুমে ২০০ শতাংশ জমিতে ধানের আবাদ করেছি। জমির সব ধান এরইমধ্যে কাটা হয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আশানুরূপ ফলন পেয়েছি। ২০০ শতাংশ জমি থেকে ধান পেয়েছি দেড়শত মন। বাজারে প্রতি মন ধান বিক্রি করেছি ৯২০ টাকায়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবু হাসনাইন বলেন, মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে বীজতলা নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন কৃষকরা। যার ফলে এই উপজেলায় কিছুটা দেরিতে ধানের আবাদ হয়েছে। দেরিতে ধানের আবাদ হলেও কৃষকরা তাদের জমি থেকে আশানুরূপ ফলন পেয়েছেন। এরমাধ্যমে জাতীয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এই উপজেলায় অধিক গড় ফলন অর্জন সম্ভব হয়েছে। পুরো আমন মৌসুমে আমাদের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যায় তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে পাশে ছিলেন। এছাড়া কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন কৃষি উপকরণও দেওয়া হয়েছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টিপাতের কারণে কিছুটা বিপাকে পড়লেও তা কাটিয়ে ওঠেন কৃষকরা। যার ফলে মৌসুম শেষে আশানুরূপ ফলন পেয়ে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। এই উপজেলায় আমন মৌসুমে ২৪১ কোটি ৯২ লাখ টাকার ধান উৎপাদন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, লালমোহনে এবারের আমন মৌসুমে ২৩ হাজার ১০৫ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যে উফশী জাতের ধান আবাদ হয়েছে ২২ হাজার ১৪৬ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় জাতের ধান আবাদ হয়েছে ৯৫০ হেক্টর জমিতে এবং ৯ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদ হয়। এসব জমিতে আমন মৌসুমে ১ লাখ ৭ হাজার ৫২০ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হয়। প্রতি মন গড়ে ৯০০ টাকা বাজার দরে মোট ২৪১ কোটি ৯২ লাখ টাকার ধান উৎপাদন হয় এই আমন মৌসুমে।
কালমা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরছকিনা এলাকার কৃষক মো. বাবুল জানান, এ বছরের আমন মৌসুমে ২০ শতাংশ জমিতে ব্রি-ধান ১০৩ এবং ১০০ শতাংশ জমিতে ব্রি-ধান-১১ ও ব্রি-ধান-৫২ আবাদ করেছি। মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টিপাতের কারণে ধানের চারা নিয়ে অনেক বিপাকে পড়তে হয়েছে। তবে জমিতে চারা রোপণের পর আর তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। যার জন্য ফলন ভালো পেয়েছি। ক্ষেত থেকে ধান কাটা পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, লাভ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতো।
লালমোহন ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার কৃষক মো. আব্দুল লতিফ জানান, এবারের আমন মৌসুমে ২০০ শতাংশ জমিতে ধানের আবাদ করেছি। জমির সব ধান এরইমধ্যে কাটা হয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আশানুরূপ ফলন পেয়েছি। ২০০ শতাংশ জমি থেকে ধান পেয়েছি দেড়শত মন। বাজারে প্রতি মন ধান বিক্রি করেছি ৯২০ টাকায়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবু হাসনাইন বলেন, মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে বীজতলা নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন কৃষকরা। যার ফলে এই উপজেলায় কিছুটা দেরিতে ধানের আবাদ হয়েছে। দেরিতে ধানের আবাদ হলেও কৃষকরা তাদের জমি থেকে আশানুরূপ ফলন পেয়েছেন। এরমাধ্যমে জাতীয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এই উপজেলায় অধিক গড় ফলন অর্জন সম্ভব হয়েছে। পুরো আমন মৌসুমে আমাদের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যায় তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে পাশে ছিলেন। এছাড়া কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন কৃষি উপকরণও দেওয়া হয়েছে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৮
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৪
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯