
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২২:৫০
বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, 'আওয়ামী লীগ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে গেছে। সেই আওয়ামী দোসরদের সাথে হাত মিলিয়েই ডাকসু নির্বাচন জয়লাভ করেছে শিবির প্রার্থীরা। সেখানে তাদের ভোট ছিল না। পতিত আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসরদের ভোটে তারা জয়ী হয়েছে। ডাকসুতে একটি আশ্চর্যজনক নির্বাচন হয়েছে। এটা বিএনপির জন্য অবশ্যই এক সতর্কবাণী।' বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির ৩১ দফার সমর্থনে বরিশালের বাবুগঞ্জে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বেগম সেলিমা রহমান আরও বলেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষের ভোটের অধিকার ফিরে আসবে। কাউকে আয়নাঘরে যেতে হবে না। নারীর উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়ন হবে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে।' বাবুগঞ্জের মাধবপাশা তিনমঠ এলাকায় অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার।
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক মাহবুব তালুকদারের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ, বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মহসিন আলম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আওলাদ হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন ও মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান। পথসভাটি সঞ্চলনা করেন মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সেলিম সরদার ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন।
এসময় মুলাদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রব খান, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মাধবপাশা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি মান্নান হাওলাদার, যুবদল নেতা জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা আরিফ রবীনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পথসভার আগে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে বিএনপির একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মাধবপাশা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মাধবপাশার তিনমঠ এলাকায় অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, 'বিএনপিতে ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। দলের দুঃসময়ে যারা দলের জন্য কাজ করেছে, বিভিন্ন মামলা-হামলার শিকার হয়েছে, তাদেরকে বাদ দিয়ে কমিটি করা হলে তা বিএনপির জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে। সকল দ্বন্দ্ব-গ্রুপিং ভুলে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।'
পথসভার আগে মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বেগম সেলিমা রহমান। পরে সহস্রাধিক নেতাকর্মীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও প্লেকার্ড সম্বলিত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নিয়ে তিনি মাধবপাশা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন এবং রাষ্ট্র মেরামতে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার সমর্থনে লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের মিলনমেলার পরিনত হয় গোটা মাধবপাশা এলাকা। #
বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশায় অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য রাখছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।
বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, 'আওয়ামী লীগ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে গেছে। সেই আওয়ামী দোসরদের সাথে হাত মিলিয়েই ডাকসু নির্বাচন জয়লাভ করেছে শিবির প্রার্থীরা। সেখানে তাদের ভোট ছিল না। পতিত আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসরদের ভোটে তারা জয়ী হয়েছে। ডাকসুতে একটি আশ্চর্যজনক নির্বাচন হয়েছে। এটা বিএনপির জন্য অবশ্যই এক সতর্কবাণী।' বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির ৩১ দফার সমর্থনে বরিশালের বাবুগঞ্জে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বেগম সেলিমা রহমান আরও বলেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষের ভোটের অধিকার ফিরে আসবে। কাউকে আয়নাঘরে যেতে হবে না। নারীর উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়ন হবে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে।' বাবুগঞ্জের মাধবপাশা তিনমঠ এলাকায় অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার।
মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক মাহবুব তালুকদারের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ, বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মহসিন আলম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আওলাদ হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন ও মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান। পথসভাটি সঞ্চলনা করেন মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সেলিম সরদার ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন।
এসময় মুলাদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রব খান, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মাধবপাশা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি মান্নান হাওলাদার, যুবদল নেতা জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা আরিফ রবীনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পথসভার আগে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে বিএনপির একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মাধবপাশা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মাধবপাশার তিনমঠ এলাকায় অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, 'বিএনপিতে ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। দলের দুঃসময়ে যারা দলের জন্য কাজ করেছে, বিভিন্ন মামলা-হামলার শিকার হয়েছে, তাদেরকে বাদ দিয়ে কমিটি করা হলে তা বিএনপির জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে। সকল দ্বন্দ্ব-গ্রুপিং ভুলে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।'
পথসভার আগে মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বেগম সেলিমা রহমান। পরে সহস্রাধিক নেতাকর্মীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও প্লেকার্ড সম্বলিত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নিয়ে তিনি মাধবপাশা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন এবং রাষ্ট্র মেরামতে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার সমর্থনে লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের মিলনমেলার পরিনত হয় গোটা মাধবপাশা এলাকা। #

০৮ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৬
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি ২য় পত্রে ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা স্বাক্ষরিত দৈনিক তথ্য বিবরণীতে বুধবার বিকালে এ তথ্য জানানো হয়।
সূত্র জানায়, বিভাগের ৬ জেলার ১৪২টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৪ হাজার ৬৫৮ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৫২ হাজার ৯৯৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৭১৯ জন।
ইংরেজি ২য় পত্র পরীক্ষায় বরিশাল জেলায় ৩ জন, ঝালকাঠিতে একজন এবং পটুয়াখালী জেলায় ৬ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোনো পরিদর্শক বা শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা দৈনিক তথ্য বিবরণীতে জানান, পরীক্ষা সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫১
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলিমকে প্রকাশ্যে শাসানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলাটির কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান খোকন ওরফে আর্মি খোকনের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের এই ঘটনার একটি ভিডিও এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে রাীতিমত তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভুক্তোভোগী বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলিম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, “অফিসে এসে বিএনপি নেতা হাসানুজ্জামান খোকন ওরফে আর্মি খোকন প্রথমেই আমাকে বলে এলাকায় ওনাকে আমরা জিরো করে ফেলেছি। একটা রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে উনি এলাকায় বলেছেন হবে না। এরপর নাকি উপ-সহকারী প্রকৌশলী বলেছে হবে। এ ঘটনায় তিনি বিব্রত। এ সময় তাকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে একই রাস্তা নির্মানের জন্য ২ বার আবেদন হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে।”
এমামুল হক আলিম আরও বলেন, “এখানে কাউকে ছোট করার কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না। এ ঘটনায় উনি হঠাৎ রেগে যায় ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলে। এ সময় তাকে আমরা আশ্বস্ত করছি যদি অনিয়ম হয় তাহলে অবশ্যই সেটা খতিয়ে দেখা হবে। এ সময় তিনি উচ্চবাচ্য করে প্রকাশ্যে শাসিয়ে অফিসের পরিবেশ ঘোলাটে করে বের হয়ে যায়। পাশাপাশি আরও বলেন যদি কোন কাজ করতে হয় স্থানীয় জনগনকে সাথে নিয়ে ঠিকাদারকে কাজ করতে হবে। তা না হলে নানা বাধা বিঘ্নের সৃষ্টি করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান খোকন। তিনি দাবি করেন, রাস্তা নির্মাণের কাজ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে মাত্র। কারোর সাথে কোন ধরনের উচ্চবাচ্য কথাবার্তা অথবা শাসানো হয়নি। এমন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, “ভুক্তোভোগী যদি আমাদের কাছে অভিযোগ করে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।”
বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা বলেন, ‘এখানে এসেছি বাবুগঞ্জের মানুষকে সেবা দিতে। সেখানে হেনস্থা হতে হচ্ছে, যা প্রত্যাশা করা যায় না। যদি অভিযোগ পাই অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১
ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এসআই পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে এই জালিয়াতি করা হয়, মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই অনিয়ম সম্পর্কে নিশ্চিত হন। দুর্নীতির প্রমাণ প্রাপ্তির পরে কনস্টেবল মারুফ হাসান, কনস্টেবল জয়দেব কুমার মজুমদার এবং কনস্টেবল সজীব মিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হিসাব শাখায় তিন কনস্টেবল কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের এক কর্মকর্তা কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে সর্বমোট মাট ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯৮৪ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনজন। সম্প্রতি টাকার হিসাব না মিললে ওই কর্মকর্তার সন্দেহ হয়, এরপর টাকা আত্মসাতের সাথে কারা জড়িত তার অনুসন্ধান চালানো হয়। তখন উল্লেখিত তিনজনের নাম প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি উর্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়ে গেল ৭ জুলাই ওই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর দপ্তর) আব্দুল হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তারা এক পুলিশ কর্মকর্তার কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ কারণে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে ওই তদন্তের প্রতিবেদন ও প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিভাগীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি ২য় পত্রে ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা স্বাক্ষরিত দৈনিক তথ্য বিবরণীতে বুধবার বিকালে এ তথ্য জানানো হয়।
সূত্র জানায়, বিভাগের ৬ জেলার ১৪২টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৪ হাজার ৬৫৮ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৫২ হাজার ৯৯৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৭১৯ জন।
ইংরেজি ২য় পত্র পরীক্ষায় বরিশাল জেলায় ৩ জন, ঝালকাঠিতে একজন এবং পটুয়াখালী জেলায় ৬ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোনো পরিদর্শক বা শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা দৈনিক তথ্য বিবরণীতে জানান, পরীক্ষা সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলিমকে প্রকাশ্যে শাসানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলাটির কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান খোকন ওরফে আর্মি খোকনের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের এই ঘটনার একটি ভিডিও এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে রাীতিমত তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভুক্তোভোগী বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলিম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, “অফিসে এসে বিএনপি নেতা হাসানুজ্জামান খোকন ওরফে আর্মি খোকন প্রথমেই আমাকে বলে এলাকায় ওনাকে আমরা জিরো করে ফেলেছি। একটা রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে উনি এলাকায় বলেছেন হবে না। এরপর নাকি উপ-সহকারী প্রকৌশলী বলেছে হবে। এ ঘটনায় তিনি বিব্রত। এ সময় তাকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে একই রাস্তা নির্মানের জন্য ২ বার আবেদন হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে।”
এমামুল হক আলিম আরও বলেন, “এখানে কাউকে ছোট করার কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না। এ ঘটনায় উনি হঠাৎ রেগে যায় ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলে। এ সময় তাকে আমরা আশ্বস্ত করছি যদি অনিয়ম হয় তাহলে অবশ্যই সেটা খতিয়ে দেখা হবে। এ সময় তিনি উচ্চবাচ্য করে প্রকাশ্যে শাসিয়ে অফিসের পরিবেশ ঘোলাটে করে বের হয়ে যায়। পাশাপাশি আরও বলেন যদি কোন কাজ করতে হয় স্থানীয় জনগনকে সাথে নিয়ে ঠিকাদারকে কাজ করতে হবে। তা না হলে নানা বাধা বিঘ্নের সৃষ্টি করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান খোকন। তিনি দাবি করেন, রাস্তা নির্মাণের কাজ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে মাত্র। কারোর সাথে কোন ধরনের উচ্চবাচ্য কথাবার্তা অথবা শাসানো হয়নি। এমন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, “ভুক্তোভোগী যদি আমাদের কাছে অভিযোগ করে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।”
বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা বলেন, ‘এখানে এসেছি বাবুগঞ্জের মানুষকে সেবা দিতে। সেখানে হেনস্থা হতে হচ্ছে, যা প্রত্যাশা করা যায় না। যদি অভিযোগ পাই অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এসআই পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে এই জালিয়াতি করা হয়, মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই অনিয়ম সম্পর্কে নিশ্চিত হন। দুর্নীতির প্রমাণ প্রাপ্তির পরে কনস্টেবল মারুফ হাসান, কনস্টেবল জয়দেব কুমার মজুমদার এবং কনস্টেবল সজীব মিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হিসাব শাখায় তিন কনস্টেবল কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের এক কর্মকর্তা কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে সর্বমোট মাট ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯৮৪ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনজন। সম্প্রতি টাকার হিসাব না মিললে ওই কর্মকর্তার সন্দেহ হয়, এরপর টাকা আত্মসাতের সাথে কারা জড়িত তার অনুসন্ধান চালানো হয়। তখন উল্লেখিত তিনজনের নাম প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি উর্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়ে গেল ৭ জুলাই ওই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর দপ্তর) আব্দুল হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তারা এক পুলিশ কর্মকর্তার কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ কারণে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে ওই তদন্তের প্রতিবেদন ও প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিভাগীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’